স্ট্রিম প্রতিবেদক

ইনকিলাম মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুপরবর্তী রাজধানীতে বিভিন্ন বেসরকারি ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর ও সহিংসতায় তৃতীয় পক্ষ জড়িত বলে দাবি করেছে পুলিশ।
পুলিশ বলছে, হাদির মৃত্যু পরবর্তী সহিংসতায় জড়িত ও উসকানিদাতাদের শনাক্ত করা হচ্ছে। শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির সুযোগ নিয়ে যারা দেশের পরিস্থিতি ঘোলাটে করার চেষ্টা করছেন, তাদেরকেও আইনের আওতায় আনা হবে।
আজ শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা স্ট্রিমকে এসব কথা জানান।
তাঁরা বলছেন, দুর্বৃত্তের গুলিতে চিকিৎসাধীন হাদির মৃত্যুর খবর আসার পর পরই তৃতীয় একটি পক্ষ দেশের দুটি গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান, ছায়ানট ও ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরের স্থাপনায় হামলা ও ভাঙচুর চালায়। আগুন ধরিয়ে দেয় প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার পত্রিকার কার্যালয়ে। আগুনে আটকে পড়া সংবাদকর্মী ও প্রতিষ্ঠান দুটির কর্মীদের উদ্ধারকারী ফায়ার সার্ভিসের ইউনিটগুলোকেও মব সৃষ্টির মাধ্যমে তাদের কার্যক্রমে বাধা দেওয়া হয়েছে। এমনকি ডেইলি স্টারের সামনে সিনিয়র সাংবাদিক নূরুল কবির উপস্থিত হলে তাকেও হেনস্তা করেন দুষ্কৃতকারীরা।
হাদির মৃত্যুর সঙ্গে এসব প্রতিষ্ঠানে হামলার সম্পর্ক আছে কিনা জানতে চাইলে তেজগাঁও পুলিশ বিভাগের একাধিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা আজ দুপুর ৩টার দিকে স্ট্রিমকে জানান, তৃতীয় একটি পক্ষ এই হামলা ভাঙচুর ও আগুনের নেপথ্যে কাজ করছে। তাদের আমরা সবাই চিনি। শুধু নাম প্রকাশ করতে পারছি না।
প্রথম আলো, ডেইলি স্টারে কর্মরত গণমাধ্যমকর্মীসহ ঘটনাস্থল সংবাদ কাভার করা অন্যান্য গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের কর্মীরাও একই ধরনের তথ্য দিয়েছেন।
পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, ‘যারা এসব করছে তাঁরা হাদির চেতনার পরিপন্থী কাজ করছে হাদির নাম ও ব্যনার ব্যবহার করে। ওরা কখনোই ইনকিলাব মঞ্চের মতাদর্শী নন।’
পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া) এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন স্ট্রিমকে বলেন, ‘সহিংসতার পেছনে উসকানি রয়েছে। এ কারণেই দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট ও স্থাপনাগুলোতে গোয়েন্দা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত ফোর্স। এছাড়া গণমাধ্যমকর্মী ও প্রতিষ্ঠানে হামলা প্রতিরোধে পুলিশকে সতর্ক অবস্থায় দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ’

ইনকিলাম মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুপরবর্তী রাজধানীতে বিভিন্ন বেসরকারি ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর ও সহিংসতায় তৃতীয় পক্ষ জড়িত বলে দাবি করেছে পুলিশ।
পুলিশ বলছে, হাদির মৃত্যু পরবর্তী সহিংসতায় জড়িত ও উসকানিদাতাদের শনাক্ত করা হচ্ছে। শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির সুযোগ নিয়ে যারা দেশের পরিস্থিতি ঘোলাটে করার চেষ্টা করছেন, তাদেরকেও আইনের আওতায় আনা হবে।
আজ শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা স্ট্রিমকে এসব কথা জানান।
তাঁরা বলছেন, দুর্বৃত্তের গুলিতে চিকিৎসাধীন হাদির মৃত্যুর খবর আসার পর পরই তৃতীয় একটি পক্ষ দেশের দুটি গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান, ছায়ানট ও ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরের স্থাপনায় হামলা ও ভাঙচুর চালায়। আগুন ধরিয়ে দেয় প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার পত্রিকার কার্যালয়ে। আগুনে আটকে পড়া সংবাদকর্মী ও প্রতিষ্ঠান দুটির কর্মীদের উদ্ধারকারী ফায়ার সার্ভিসের ইউনিটগুলোকেও মব সৃষ্টির মাধ্যমে তাদের কার্যক্রমে বাধা দেওয়া হয়েছে। এমনকি ডেইলি স্টারের সামনে সিনিয়র সাংবাদিক নূরুল কবির উপস্থিত হলে তাকেও হেনস্তা করেন দুষ্কৃতকারীরা।
হাদির মৃত্যুর সঙ্গে এসব প্রতিষ্ঠানে হামলার সম্পর্ক আছে কিনা জানতে চাইলে তেজগাঁও পুলিশ বিভাগের একাধিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা আজ দুপুর ৩টার দিকে স্ট্রিমকে জানান, তৃতীয় একটি পক্ষ এই হামলা ভাঙচুর ও আগুনের নেপথ্যে কাজ করছে। তাদের আমরা সবাই চিনি। শুধু নাম প্রকাশ করতে পারছি না।
প্রথম আলো, ডেইলি স্টারে কর্মরত গণমাধ্যমকর্মীসহ ঘটনাস্থল সংবাদ কাভার করা অন্যান্য গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের কর্মীরাও একই ধরনের তথ্য দিয়েছেন।
পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, ‘যারা এসব করছে তাঁরা হাদির চেতনার পরিপন্থী কাজ করছে হাদির নাম ও ব্যনার ব্যবহার করে। ওরা কখনোই ইনকিলাব মঞ্চের মতাদর্শী নন।’
পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া) এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন স্ট্রিমকে বলেন, ‘সহিংসতার পেছনে উসকানি রয়েছে। এ কারণেই দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট ও স্থাপনাগুলোতে গোয়েন্দা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত ফোর্স। এছাড়া গণমাধ্যমকর্মী ও প্রতিষ্ঠানে হামলা প্রতিরোধে পুলিশকে সতর্ক অবস্থায় দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ’

ঢাকার অদূরে সাভারের পৌর ছাত্রদল নেতা রনি ইসলামের (২২) বিরুদ্ধে স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (৮ জুন) সাভারের ছায়াবীথি মহল্লার একটি বাড়ি থেকে রিয়া মনি (২১) নামে তাঁর স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এর আগে থেকেই পলাতক ওই ছাত্রদল নেতা।
১ ঘণ্টা আগে
মাদারীপুর সদর মডেল থানা থেকে গ্রেপ্তার দুই আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা হয়েছে। সোমবার (৮ জুন) রাতে ওই ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা দেখা দেয়। এ ঘটনা জড়িত সন্দেহে ৭ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
২ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর মৌচাক এলাকায় ভাগ্নের ডাকে একটি বিরোধের সালিস করতে গিয়ে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে নিহত হয়েছেন মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন তালুকদার (৪৫) নামে স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক এক নেতা।
১১ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর পল্লবীতে স্কুলশিক্ষার্থী রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। রামিসার পরিবার, স্বজন ও প্রতিবেশীদের চাওয়া—রায় যেন দ্রুত কার্যকর হয়।
১২ ঘণ্টা আগে