স্ট্রিম ডেস্ক

প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকার কৌশল বা ‘সারভাইভাল’ নিয়ে আমরা যা জানি, তার বেশিরভাগই আসে ভ্রমণকাহিনি, ডিসকভারি চ্যানেলের শো কিংবা অ্যাডভেঞ্চার সিনেমা থেকে। কিন্তু এসব ধারণা বাস্তবে কতটা কাজে লাগে, সেটা যাচাই করা কঠিন। কারণ এর অনেকগুলোই আসলে ‘মিথ’ বা অবাস্তব।
প্রচলিত এই ভুল ধারণাগুলো অনেক সময় আমাদেরকে অযথা ঝুঁকির মুখে ফেলে দেয়। আবার কখনো কখনো মিথ্যে আত্মবিশ্বাস তৈরি করে এমন সব সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করে যা একেবারেই ভুল। আপনার কৌতূহল মেটাতে নিচে এমন কিছু জনপ্রিয় ‘সারভাইভাল মিথ’ বা ভুল ধারণা তুলে ধরা হলো, যেগুলো উপকারের চেয়ে বিপদই ডেকে আনে বেশি।
কেউ জঙ্গলে পথ হারিয়ে ফেললে এই কথা অনেকেই বলে থাকেন। কারণ, হাঁটতে থাকলে তো পথে কোনো রাস্তা, বাড়ি বা গ্রাম পাওয়া যাবেই কিংবা ভাগ্য ভালো থাকলে সাহায্যও পাওয়া যেতে পারে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, এই আত্মবিশ্বাস মানুষকে আরও বিপদে ফেলতে পারে।
জঙ্গল, মরুভূমি বা বরফে ঢাকা পাহাড়ের মতো জায়গায় উদ্দেশ্যহীনভাবে হাঁটলে শরীরের শক্তি দ্রুত ক্ষয় হতে থাকে। অনেকসময় এই অবস্থায় পানিশূন্যতা দেখা দেয় এবং আঘাত পাওয়ার ঝুঁকিও বাড়ে। আরও ভয়ের ব্যাপার হলো, আতঙ্কে মানুষ অনেক সময় বুঝতেই পারে না যে সে আসলে গোল হয়ে একই জায়গায় ঘুরপাক খাচ্ছে।
খাবার ছাড়া মানুষ কয়েকদিন বাঁচতে পারে। কিন্তু এই ধারণা অনেক সময় বিপদ ডেকে আনে। প্রচণ্ড ঠান্ডায় শরীরে যথেষ্ট ক্যালোরি না থাকলে শরীর অতিরিক্ত ঠান্ডায় আক্রান্ত হতে পারে। আবার তীব্র গরমে খাবারের অভাবে দুর্বল হয়ে পড়লে হিট এক্সজশনের ঝুঁকি বাড়ে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, রক্তে শর্করা কমে গেলে মস্তিষ্ক ঠিকভাবে কাজ করতে পারে না। তখন ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়। তাই খাবার শুধু পেট ভরানোর জন্য নয়, শরীর আর মাথা ঠিক রাখার জন্যও খুব জরুরি।
গলা যখন শুকিয়ে কাঠ, তখন কাদাভরা গর্ত বা বদ্ধ পুকুর দেখলেও মনে হয় জীবন বাঁচল। কিন্তু অপরিশোধিত পানি পান করা মানে বিপদ বাড়ানো। দূষিত পানিতে মারাত্মক ব্যাকটেরিয়া, পরজীবী বা ভাইরাসের জীবাণু থাকতে পারে।
এই পানি পান করে বমি বা ডায়রিয়া হলে শরীর থেকে দ্রুত পানি বেরিয়ে যায়, যা সাধারণ পিপাসার চেয়েও দ্রুত আপনাকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিতে পারে। দূষিত পানি খাওয়ার চেয়ে কিছুক্ষণ পিপাসার্ত থাকা অনেক নিরাপদ।
ভাল্লুক আসলে মড়ার মত ভান করে পড়ে থাকলে জীবন বাচানো যায়—এমন গল্প আমরা ছোটবেলায় কমবেশি সবাই পড়েছি। তবে নির্দিষ্ট কিছু ভাল্লুকের ক্ষেত্রে বিশেষ পরিস্থিতিতে এটা কাজ করতে পারে, কিন্তু সব পশুর বেলায় এই নিয়ম খাটবে এমন কোনো কথা নেই।
কোনো পশু যদি নিজের এলাকা বা ‘টেরিটরি’ রক্ষার জন্য আক্রমণ করে, তবে মড়ার ভান করলে সে আরও খেপে যেতে পারে। আবার ক্ষুধার্ত বা কৌতূহলী পশুর সামনে মড়ার ভান করা মানে নিজেকে সহজ খাবার হিসেবে নিজেকে তুলে ধরা। অন্ধ বিশ্বাসে এই নিয়ম না মেনে পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।
সিনেমায় প্রায়ই দেখা যায়, নায়ক মারাত্মক ব্যথা বা আঘাত নিয়েও দাঁত কামড়ে সামনে এগিয়ে যাচ্ছে। বাস্তব জীবনে এটা অনুসরণ করতে গেলে বড় বিপদ হতে পারে। ব্যথা উপেক্ষা করা অনেক সময় প্রাণঘাতী হয়। ভাঙা বা মারাত্মকভাবে আঘাত পাওয়া পা নিয়ে হাঁটলে স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে, এমনকি পড়ে গিয়ে নতুন বিপদও তৈরি হতে পারে।
তীব্র গরম, প্রচুর বৃষ্টি কিংবা প্রচণ্ড ঠান্ডা যে মানুষকে কত দ্রুত মৃত্যুর দিকে নিয়ে যেতে পারে, তা অনেকেই বুঝতে পারেন না। তাই উপযুক্ত আশ্রয় না থাকলে শরীর দ্রুত শক্তি হারাতে থাকে। যার ফলে আমাদের চিন্তাশক্তিও দ্রুত লোপ পেতে শুরু করে।
মনে রাখতে হবে, টিকে থাকার লড়াইয়ে সময় সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ, আর বিপদের সময় সঠিক আশ্রয় আপনাকে সেই সময়টুকু দেয়। তাই এই বিষয়টি অবহেলা করার বিষয় নয়।
এই ধারণাটা মানুষকে হতাশ করে এবং ভুল সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করে। বাস্তবে প্রতিকূল আবহাওয়া, দুর্গম পথ বা যোগাযোগ সমস্যার কারণে উদ্ধারকারী দল পৌঁছাতে সময় নিতেই পারে।
এই সময়টায় অধৈর্য হয়ে যদি কেউ নিরাপদ জায়গা ছেড়ে চলে যায় বা নিজের অবস্থান বদলায়, তাহলে উদ্ধারকারীদের তাকে খুঁজে পেতে আরও বেশি সময় লাগবে। বরং যারা ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করে এবং নিজের উপস্থিতি জানান দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যায়, তাদের বেঁচে ফেরার সম্ভাবনাই বেশি থাকে।
বিপৎসংকুল পরিবেশে টিকে থাকার জন্য এটিই সম্ভবত সবচেয়ে বিপজ্জনক ভুল ধারণা। বেঁচে ফেরাটা গায়ের জোরের চেয়ে সঠিক বিচার-বিবেচনার ওপর বেশি নির্ভর করে। অনেক অভিজ্ঞ মানুষও বিপদে পড়েন শুধু জেদের কারণে। হয়ত তিনি আবহাওয়ার পূর্বাভাস মানেননি, বা নিজের দক্ষতাকে বেশি বড় করে দেখেছেন। তাই এই ধরনের পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে হয় অভিজ্ঞতা আর দক্ষতা দিয়ে, নিজের জেদ বা অনুমানের উপর ভিত্তি করে নয়।
তাই পরেরবার যখন নাটকীয় বা খুব ‘হিরোইক’ কোনো পরামর্শ শুনবেন, একটু থামুন। ভাবুন, এই পরামর্শ কি সব পরিস্থিতিতে খাটে? এটা কি আসলেই ঝুঁকি কমায়, নাকি শুধুই নিজেকে সাহসী প্রমাণ করতে সাহায্য করে?
তথ্যসূত্র: ওল্ডেস্ট ডট অর্গ

প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকার কৌশল বা ‘সারভাইভাল’ নিয়ে আমরা যা জানি, তার বেশিরভাগই আসে ভ্রমণকাহিনি, ডিসকভারি চ্যানেলের শো কিংবা অ্যাডভেঞ্চার সিনেমা থেকে। কিন্তু এসব ধারণা বাস্তবে কতটা কাজে লাগে, সেটা যাচাই করা কঠিন। কারণ এর অনেকগুলোই আসলে ‘মিথ’ বা অবাস্তব।
প্রচলিত এই ভুল ধারণাগুলো অনেক সময় আমাদেরকে অযথা ঝুঁকির মুখে ফেলে দেয়। আবার কখনো কখনো মিথ্যে আত্মবিশ্বাস তৈরি করে এমন সব সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করে যা একেবারেই ভুল। আপনার কৌতূহল মেটাতে নিচে এমন কিছু জনপ্রিয় ‘সারভাইভাল মিথ’ বা ভুল ধারণা তুলে ধরা হলো, যেগুলো উপকারের চেয়ে বিপদই ডেকে আনে বেশি।
কেউ জঙ্গলে পথ হারিয়ে ফেললে এই কথা অনেকেই বলে থাকেন। কারণ, হাঁটতে থাকলে তো পথে কোনো রাস্তা, বাড়ি বা গ্রাম পাওয়া যাবেই কিংবা ভাগ্য ভালো থাকলে সাহায্যও পাওয়া যেতে পারে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, এই আত্মবিশ্বাস মানুষকে আরও বিপদে ফেলতে পারে।
জঙ্গল, মরুভূমি বা বরফে ঢাকা পাহাড়ের মতো জায়গায় উদ্দেশ্যহীনভাবে হাঁটলে শরীরের শক্তি দ্রুত ক্ষয় হতে থাকে। অনেকসময় এই অবস্থায় পানিশূন্যতা দেখা দেয় এবং আঘাত পাওয়ার ঝুঁকিও বাড়ে। আরও ভয়ের ব্যাপার হলো, আতঙ্কে মানুষ অনেক সময় বুঝতেই পারে না যে সে আসলে গোল হয়ে একই জায়গায় ঘুরপাক খাচ্ছে।
খাবার ছাড়া মানুষ কয়েকদিন বাঁচতে পারে। কিন্তু এই ধারণা অনেক সময় বিপদ ডেকে আনে। প্রচণ্ড ঠান্ডায় শরীরে যথেষ্ট ক্যালোরি না থাকলে শরীর অতিরিক্ত ঠান্ডায় আক্রান্ত হতে পারে। আবার তীব্র গরমে খাবারের অভাবে দুর্বল হয়ে পড়লে হিট এক্সজশনের ঝুঁকি বাড়ে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, রক্তে শর্করা কমে গেলে মস্তিষ্ক ঠিকভাবে কাজ করতে পারে না। তখন ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়। তাই খাবার শুধু পেট ভরানোর জন্য নয়, শরীর আর মাথা ঠিক রাখার জন্যও খুব জরুরি।
গলা যখন শুকিয়ে কাঠ, তখন কাদাভরা গর্ত বা বদ্ধ পুকুর দেখলেও মনে হয় জীবন বাঁচল। কিন্তু অপরিশোধিত পানি পান করা মানে বিপদ বাড়ানো। দূষিত পানিতে মারাত্মক ব্যাকটেরিয়া, পরজীবী বা ভাইরাসের জীবাণু থাকতে পারে।
এই পানি পান করে বমি বা ডায়রিয়া হলে শরীর থেকে দ্রুত পানি বেরিয়ে যায়, যা সাধারণ পিপাসার চেয়েও দ্রুত আপনাকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিতে পারে। দূষিত পানি খাওয়ার চেয়ে কিছুক্ষণ পিপাসার্ত থাকা অনেক নিরাপদ।
ভাল্লুক আসলে মড়ার মত ভান করে পড়ে থাকলে জীবন বাচানো যায়—এমন গল্প আমরা ছোটবেলায় কমবেশি সবাই পড়েছি। তবে নির্দিষ্ট কিছু ভাল্লুকের ক্ষেত্রে বিশেষ পরিস্থিতিতে এটা কাজ করতে পারে, কিন্তু সব পশুর বেলায় এই নিয়ম খাটবে এমন কোনো কথা নেই।
কোনো পশু যদি নিজের এলাকা বা ‘টেরিটরি’ রক্ষার জন্য আক্রমণ করে, তবে মড়ার ভান করলে সে আরও খেপে যেতে পারে। আবার ক্ষুধার্ত বা কৌতূহলী পশুর সামনে মড়ার ভান করা মানে নিজেকে সহজ খাবার হিসেবে নিজেকে তুলে ধরা। অন্ধ বিশ্বাসে এই নিয়ম না মেনে পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।
সিনেমায় প্রায়ই দেখা যায়, নায়ক মারাত্মক ব্যথা বা আঘাত নিয়েও দাঁত কামড়ে সামনে এগিয়ে যাচ্ছে। বাস্তব জীবনে এটা অনুসরণ করতে গেলে বড় বিপদ হতে পারে। ব্যথা উপেক্ষা করা অনেক সময় প্রাণঘাতী হয়। ভাঙা বা মারাত্মকভাবে আঘাত পাওয়া পা নিয়ে হাঁটলে স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে, এমনকি পড়ে গিয়ে নতুন বিপদও তৈরি হতে পারে।
তীব্র গরম, প্রচুর বৃষ্টি কিংবা প্রচণ্ড ঠান্ডা যে মানুষকে কত দ্রুত মৃত্যুর দিকে নিয়ে যেতে পারে, তা অনেকেই বুঝতে পারেন না। তাই উপযুক্ত আশ্রয় না থাকলে শরীর দ্রুত শক্তি হারাতে থাকে। যার ফলে আমাদের চিন্তাশক্তিও দ্রুত লোপ পেতে শুরু করে।
মনে রাখতে হবে, টিকে থাকার লড়াইয়ে সময় সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ, আর বিপদের সময় সঠিক আশ্রয় আপনাকে সেই সময়টুকু দেয়। তাই এই বিষয়টি অবহেলা করার বিষয় নয়।
এই ধারণাটা মানুষকে হতাশ করে এবং ভুল সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করে। বাস্তবে প্রতিকূল আবহাওয়া, দুর্গম পথ বা যোগাযোগ সমস্যার কারণে উদ্ধারকারী দল পৌঁছাতে সময় নিতেই পারে।
এই সময়টায় অধৈর্য হয়ে যদি কেউ নিরাপদ জায়গা ছেড়ে চলে যায় বা নিজের অবস্থান বদলায়, তাহলে উদ্ধারকারীদের তাকে খুঁজে পেতে আরও বেশি সময় লাগবে। বরং যারা ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করে এবং নিজের উপস্থিতি জানান দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যায়, তাদের বেঁচে ফেরার সম্ভাবনাই বেশি থাকে।
বিপৎসংকুল পরিবেশে টিকে থাকার জন্য এটিই সম্ভবত সবচেয়ে বিপজ্জনক ভুল ধারণা। বেঁচে ফেরাটা গায়ের জোরের চেয়ে সঠিক বিচার-বিবেচনার ওপর বেশি নির্ভর করে। অনেক অভিজ্ঞ মানুষও বিপদে পড়েন শুধু জেদের কারণে। হয়ত তিনি আবহাওয়ার পূর্বাভাস মানেননি, বা নিজের দক্ষতাকে বেশি বড় করে দেখেছেন। তাই এই ধরনের পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে হয় অভিজ্ঞতা আর দক্ষতা দিয়ে, নিজের জেদ বা অনুমানের উপর ভিত্তি করে নয়।
তাই পরেরবার যখন নাটকীয় বা খুব ‘হিরোইক’ কোনো পরামর্শ শুনবেন, একটু থামুন। ভাবুন, এই পরামর্শ কি সব পরিস্থিতিতে খাটে? এটা কি আসলেই ঝুঁকি কমায়, নাকি শুধুই নিজেকে সাহসী প্রমাণ করতে সাহায্য করে?
তথ্যসূত্র: ওল্ডেস্ট ডট অর্গ
.png)

ময়মনসিংহ শহরের ভাটিকাশর কবরস্থান হাজারো মানুষের শেষ ঠিকানার গল্প বলে। আর সেই গল্পের নিত্যদিনের সাক্ষী মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল কাদের লিটন। প্রায় সাড়ে তিন একর জমির এই সরকারি কবরস্থানে দীর্ঘ ১০ বছর ধরে তিনি ইমাম ও রক্ষণাবেক্ষণকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর কাছ থেকেই জানা গেল, কবরস্থানের নীরবতার
১৪ আগস্ট ২০২৬
১৯৯৫ সালে অ্যামাজন প্রথম যে পণ্যটি বিক্রি করেছিল, সেটি ছিল ডগলাস হফস্ট্যাডারের লেখা বই ‘ফ্লুইড কনসেপ্টস অ্যান্ড ক্রিয়েটিভ’। তিন দশক পর সেই অনলাইন বইয়ের দোকানটির বাজারমূল্য ৩ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। ২০২৬ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকে মাত্র তিন মাসেই প্রতিষ্ঠানটি বিক্রি করেছে ২০০ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারের পণ্য
১২ আগস্ট ২০২৬
পৃথিবীর সবচেয়ে পরিচিত বন্য প্রাণীগুলোর একটি সিংহ। ছোটবেলা থেকেই গল্প, সিনেমা আর ছবিতে আমরা তাকে দেখে এসেছি বনের রাজা হিসেবে। তার গর্জন, কেশর আর রাজকীয় উপস্থিতি যেন আলাদা পরিচয় তৈরি করেছে। ‘বনের রাজা’কে বিশ্ব সিংহ দিবসের পরের দিন একটু অন্যভাবে চেনা যাক।
১১ আগস্ট ২০২৬
৫ আগস্ট ২০২৪। সকাল ১১টা। ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে মানুষের ভিড়, মিছিল আর স্লোগান। দেশজুড়ে তখন খুনের বন্যা। যা দেখিনি, তা-ই দেখছি—চোখের সামনে। দলে দলে কোত্থেকে আসছে এত মানুষ? ভেতরে ভেতরে একটা অভ্যুত্থান ঘটে গেছে।
০৫ আগস্ট ২০২৬