স্ট্রিম প্রতিবেদক

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট ও গণহত্যায় উসকানির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় পলাতক আসামি সজীব ওয়াজেদ জয়ের পক্ষে স্টেট ডিফেন্স বা রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী নিয়োগের দাপ্তরিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়ায় অভিযোগ গঠনের শুনানি পিছিয়ে গেছে। ফলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে ও সাবেক আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় এবং সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের বিচার শুরুর প্রাথমিক ধাপটি আজ সম্পন্ন হয়নি। ট্রাইব্যুনাল শুনানির জন্য আগামী রোববার (১১ জানুয়ারি) নতুন দিন ধার্য করেছেন।
আজ বুধবার (৭ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর সদস্য বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদের একক বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আজ এই মামলায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য ছিল। কিন্তু মামলার অন্যতম আসামি সজীব ওয়াজেদ জয় পলাতক থাকায় তাঁর ন্যায়বিচার নিশ্চিতে এবং আইনি বিধান প্রতিপালনে গত ১৭ ডিসেম্বর ট্রাইব্যুনাল স্টেট ডিফেন্স নিয়োগের আদেশ দিয়েছিলেন।
শুনানিতে আদালতকে জানানো হয়, আদালতের আদেশের পরও রাষ্ট্রনিযুক্ত ওই আইনজীবীর নিয়োগসংক্রান্ত দাপ্তরিক চিঠি বা নথি এখনো ইস্যু করা হয়নি। পলাতক আসামির পক্ষে আইনজীবী ছাড়া শুনানি করা আইনত সিদ্ধ হবে না এই বিবেচনায় এবং দাপ্তরিক অসম্পূর্ণতার কারণে আদালত আজ শুনানি গ্রহণ না করে তা পিছিয়ে দেন।
সকালে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে জুনাইদ আহমেদ পলককে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। শুনানিকালে তিনি কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। আদালতে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। অন্যদিকে কারাগারে থাকা আসামি পলকের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী লিটন আহমেদ।
প্রসিকিউশনের দাখিল করা আনুষ্ঠানিক অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালে তৎকালীন আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের পরিকল্পনায় দেশজুড়ে ইন্টারনেট শাটডাউন করা হয়েছিল। বাংলাদেশে বসে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মূল কারিগর ছিলেন তৎকালীন প্রতিমন্ত্রী পলক।
প্রসিকিউশনের দাবি, ইন্টারনেট বন্ধ রাখার মূল উদ্দেশ্য ছিল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কর্তৃক পরিচালিত গণহত্যার তথ্য বিশ্ববাসীর কাছ থেকে গোপন করা এবং হত্যাযজ্ঞে উসকানি দেওয়া।
এর আগে গত ৪ ডিসেম্বর ট্রাইব্যুনাল এই দুজনের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ আমলে নেন এবং একই দিন প্রসিকিউশন তাদের বিরুদ্ধে ফরমাল চার্জ বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে। পলাতক সজীব ওয়াজেদ জয়কে হাজির হতে গত ১০ ডিসেম্বর দুটি জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশও দিয়েছিলেন আদালত। নির্ধারিত সময়ে তিনি হাজির না হওয়ায় তার অনুপস্থিতেই বিচারকাজ পরিচালনার অংশ হিসেবে এই স্টেট ডিফেন্স নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট ও গণহত্যায় উসকানির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় পলাতক আসামি সজীব ওয়াজেদ জয়ের পক্ষে স্টেট ডিফেন্স বা রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী নিয়োগের দাপ্তরিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়ায় অভিযোগ গঠনের শুনানি পিছিয়ে গেছে। ফলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে ও সাবেক আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় এবং সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের বিচার শুরুর প্রাথমিক ধাপটি আজ সম্পন্ন হয়নি। ট্রাইব্যুনাল শুনানির জন্য আগামী রোববার (১১ জানুয়ারি) নতুন দিন ধার্য করেছেন।
আজ বুধবার (৭ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর সদস্য বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদের একক বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আজ এই মামলায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য ছিল। কিন্তু মামলার অন্যতম আসামি সজীব ওয়াজেদ জয় পলাতক থাকায় তাঁর ন্যায়বিচার নিশ্চিতে এবং আইনি বিধান প্রতিপালনে গত ১৭ ডিসেম্বর ট্রাইব্যুনাল স্টেট ডিফেন্স নিয়োগের আদেশ দিয়েছিলেন।
শুনানিতে আদালতকে জানানো হয়, আদালতের আদেশের পরও রাষ্ট্রনিযুক্ত ওই আইনজীবীর নিয়োগসংক্রান্ত দাপ্তরিক চিঠি বা নথি এখনো ইস্যু করা হয়নি। পলাতক আসামির পক্ষে আইনজীবী ছাড়া শুনানি করা আইনত সিদ্ধ হবে না এই বিবেচনায় এবং দাপ্তরিক অসম্পূর্ণতার কারণে আদালত আজ শুনানি গ্রহণ না করে তা পিছিয়ে দেন।
সকালে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে জুনাইদ আহমেদ পলককে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। শুনানিকালে তিনি কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। আদালতে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। অন্যদিকে কারাগারে থাকা আসামি পলকের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী লিটন আহমেদ।
প্রসিকিউশনের দাখিল করা আনুষ্ঠানিক অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালে তৎকালীন আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের পরিকল্পনায় দেশজুড়ে ইন্টারনেট শাটডাউন করা হয়েছিল। বাংলাদেশে বসে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মূল কারিগর ছিলেন তৎকালীন প্রতিমন্ত্রী পলক।
প্রসিকিউশনের দাবি, ইন্টারনেট বন্ধ রাখার মূল উদ্দেশ্য ছিল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কর্তৃক পরিচালিত গণহত্যার তথ্য বিশ্ববাসীর কাছ থেকে গোপন করা এবং হত্যাযজ্ঞে উসকানি দেওয়া।
এর আগে গত ৪ ডিসেম্বর ট্রাইব্যুনাল এই দুজনের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ আমলে নেন এবং একই দিন প্রসিকিউশন তাদের বিরুদ্ধে ফরমাল চার্জ বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে। পলাতক সজীব ওয়াজেদ জয়কে হাজির হতে গত ১০ ডিসেম্বর দুটি জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশও দিয়েছিলেন আদালত। নির্ধারিত সময়ে তিনি হাজির না হওয়ায় তার অনুপস্থিতেই বিচারকাজ পরিচালনার অংশ হিসেবে এই স্টেট ডিফেন্স নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়।

দেশের ৯৩ শতাংশ পত্রিকার মালিকই ওই পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। গণমাধ্যম এখন পুরোপুরি করপোরেশনের হাতে চলে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. খোরশেদ আলম।
৭ ঘণ্টা আগে
চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে ‘যৌথবাহিনীর’ অভিযানে হেফাজতে থাকা অবস্থায় পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলুর (৫২) ময়নাতদন্ত শেষে চিকিৎসক জানিয়েছেন, তাঁর শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।
৮ ঘণ্টা আগে
গত বছরের জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত যশোরে হত্যাকাণ্ড হয়েছে ৬২টি। অধিকাংশ হত্যায় ব্যবহার করা হয়েছে বিদেশি পিস্তল। সম্প্রতি ভারত থেকে এসব অস্ত্র ঢুকছে বলে জানিয়েছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
৮ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানাধীন পশ্চিম রাজাবাজার এলাকায় এক জামায়াত নেতাকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সকালে হাত পা বাঁধা অবস্থায় নিজ বাসা থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
৮ ঘণ্টা আগে