বেওয়ারিশ কুকুর অপসারণ বন্ধে রুল, টিকা কর্মসূচি চালুর নির্দেশ

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ২১ জুন ২০২৬, ২৩: ৪৬
হাইকোর্ট ভবন। সংগৃহীত ছবি

বেওয়ারিশ কুকুর অপসারণ ও স্থানান্তরের বিরুদ্ধে দায়ের করা রিটের শুনানি শেষে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ‘ক্যাচ-নিউটার-ভ্যাকসিন-রিলিজ’ এবং ‘ম্যাস ডগ ভ্যাকসিনেশন’ কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আজ রোববার (২১ জুন) সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

জনস্বার্থে রিটটি দায়ের করেন এএলবি অ্যানিমেল শেল্টারের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা দীপান্বিতা হৃদি। রিটে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতাধীন বিভিন্ন জনপরিসর থেকে বেওয়ারিশ কুকুর অপসারণ ও সরিয়ে নেওয়ার কার্যক্রমকে চ্যালেঞ্জ করা হয়। রিটকারীর পক্ষে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মো. তৌফিকুল ইসলাম খান।

স্ট্রিমকে ওই আইনজীবী জানান, রুলে আদালত জানতে চেয়েছেন, স্থানীয় সরকার বিভাগের ২০২৫ সালের ১৫ ডিসেম্বরের পরিপত্র এবং প্রাণিকল্যাণ আইন, ২০১৯-এর ধারা ৭(১) ও ১৪-এর পরিপন্থীভাবে পরিচালিত বেওয়ারিশ কুকুর অপসারণের কার্যক্রম কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না।

তিনি আরও বলেন, ‘সেই সঙ্গে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে ৬০ দিনের মধ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

এই কমিটির দায়িত্ব হলো ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় কুকুর টিকাদান এবং কুকুর ধরা-বন্ধ্যাকরণ-টিকাদান-অবমুক্তকরণ কর্মসূচির সম্ভাব্যতা যাচাই করে তা বাস্তবায়ন শুরু করা। পাশাপাশি নিয়মিত অগ্রগতি প্রতিবেদন আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রায়ের প্রতিক্রিয়ায় দীপান্বিতা হৃদি জানান, কুকুর ব্যবস্থাপনার গ্রহণযোগ্য সমাধান হত্যা নয়। বরং টিকাদান ও বন্ধ্যাকরণের মাধ্যমে মানবিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হবে। আদালতের এই আদেশ প্রাণিকল্যাণ ও জনস্বাস্থ্য রক্ষার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি।

Ad 300x250

সম্পর্কিত