স্ট্রিম প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন ঢাকা-১৩ আসনের প্রার্থী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। বুধবার (১১ মার্চ) বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক বেঞ্চে এই আবেদনের ওপর শুনানি হবে।
এর আগে ২৫ জনের বেশি প্রার্থী হাইকোর্টে ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে আবেদন করেছেন। শুনানির জন্য আবেদনগুলো গ্রহণ করে ওইসব আসনের ব্যালটসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের (আরপিও) ৪৯ ধারা অনুযায়ী, নির্বাচনী অনিয়মের বিরুদ্ধে ‘নির্বাচনী’ আবেদনপত্র শুনানির জন্য হাইকোর্টে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বে একক বেঞ্চ এসব আবেদনের ওপর শুনানি গ্রহণ করছেন।
ঢাকা-১৩ আসনে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী ববি হাজ্জাজ। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৮৮ হাজার ৩৮৭টি ভোট। প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত ১১-দলীয় ঐক্যের প্রার্থী মামুনুল হকের চেয়ে ২ হাজার ৩২০ ভোট বেশি পেয়েছেন ববি হাজ্জাজ। তিনি মোট ভোট পেয়েছেন ৮৮ হাজার ৩৮৭।
অন্যদিকে, মামুনুল হক পেয়েছেন ৮৬ হাজার ৬৭টি। তাঁর আসনে বাতিল হওয়া ২ হাজার ৩০০ ভোট নিজের বলে দাবি করে গত ১৩ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন কমিশনে (ইসি) অভিযোগ দেন মামুনুল হক।
তাঁর দাবি, ঢাকা-১৩ আসনে ৯ প্রার্থী ছিলেন। ব্যালটের বাম দিকে ৫ এবং ডান দিকে ৪ প্রার্থীর নাম ছিল। আমার নাম ছিল বাম দিকের সবার নিচে। পাশের ঘর খালি থাকায় অনেক ভোটার ভুলবশত সেখানে সিল দিয়েছেন। সেই ব্যালটগুলো অন্যায়ভাবে বাতিল করা হচ্ছে। ঢাকা-৮ আসনে একই ঘটনা ঘটলেও, সেখানে বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাসের ভোটগুলো বৈধ ধরা হয়েছে।
এভাবে ৫০ কেন্দ্রে আমার ১ হাজার ২০০ ভোট বাতিল হয়েছে এবং সব কেন্দ্র মিলে সংখ্যা ৩ হাজারে পৌঁছাবে। বাতিল ভোট বৈধ হিসেবে গণ্য করা হলে এই আসনে তিনিই জয়ী হবেন, যুক্ত করেন মামুনুল হক।
ঢাকা-১৩ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৮ হাজার ৭৯১। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৯ হাজার ৮১২; নারী ১ লাখ ৯৮ হাজার ৯৭১ এবং হিজড়া ভোটার ৮ জন।
এই আসনে প্রার্থী ছিলেন- ববি হাজ্জাজ (বিএনপি), মামুনুল হক (বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস), মিজানুর রহমান (গণঅধিকার পরিষদ), সোহেল রানা (স্বতন্ত্র), মো. শাহাবুদ্দিন (বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টি–বিএমজেপি), খালেকুজ্জামান (সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ), শাহরিয়ার ইফতেখার (বাংলাদেশ মুসলিম লীগ), ফাতেমা আক্তার মুনিয়া (ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ) ও শেখ মো. রবিউল ইসলাম (স্বতন্ত্র)।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন ঢাকা-১৩ আসনের প্রার্থী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। বুধবার (১১ মার্চ) বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক বেঞ্চে এই আবেদনের ওপর শুনানি হবে।
এর আগে ২৫ জনের বেশি প্রার্থী হাইকোর্টে ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে আবেদন করেছেন। শুনানির জন্য আবেদনগুলো গ্রহণ করে ওইসব আসনের ব্যালটসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের (আরপিও) ৪৯ ধারা অনুযায়ী, নির্বাচনী অনিয়মের বিরুদ্ধে ‘নির্বাচনী’ আবেদনপত্র শুনানির জন্য হাইকোর্টে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বে একক বেঞ্চ এসব আবেদনের ওপর শুনানি গ্রহণ করছেন।
ঢাকা-১৩ আসনে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী ববি হাজ্জাজ। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৮৮ হাজার ৩৮৭টি ভোট। প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত ১১-দলীয় ঐক্যের প্রার্থী মামুনুল হকের চেয়ে ২ হাজার ৩২০ ভোট বেশি পেয়েছেন ববি হাজ্জাজ। তিনি মোট ভোট পেয়েছেন ৮৮ হাজার ৩৮৭।
অন্যদিকে, মামুনুল হক পেয়েছেন ৮৬ হাজার ৬৭টি। তাঁর আসনে বাতিল হওয়া ২ হাজার ৩০০ ভোট নিজের বলে দাবি করে গত ১৩ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন কমিশনে (ইসি) অভিযোগ দেন মামুনুল হক।
তাঁর দাবি, ঢাকা-১৩ আসনে ৯ প্রার্থী ছিলেন। ব্যালটের বাম দিকে ৫ এবং ডান দিকে ৪ প্রার্থীর নাম ছিল। আমার নাম ছিল বাম দিকের সবার নিচে। পাশের ঘর খালি থাকায় অনেক ভোটার ভুলবশত সেখানে সিল দিয়েছেন। সেই ব্যালটগুলো অন্যায়ভাবে বাতিল করা হচ্ছে। ঢাকা-৮ আসনে একই ঘটনা ঘটলেও, সেখানে বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাসের ভোটগুলো বৈধ ধরা হয়েছে।
এভাবে ৫০ কেন্দ্রে আমার ১ হাজার ২০০ ভোট বাতিল হয়েছে এবং সব কেন্দ্র মিলে সংখ্যা ৩ হাজারে পৌঁছাবে। বাতিল ভোট বৈধ হিসেবে গণ্য করা হলে এই আসনে তিনিই জয়ী হবেন, যুক্ত করেন মামুনুল হক।
ঢাকা-১৩ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৮ হাজার ৭৯১। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৯ হাজার ৮১২; নারী ১ লাখ ৯৮ হাজার ৯৭১ এবং হিজড়া ভোটার ৮ জন।
এই আসনে প্রার্থী ছিলেন- ববি হাজ্জাজ (বিএনপি), মামুনুল হক (বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস), মিজানুর রহমান (গণঅধিকার পরিষদ), সোহেল রানা (স্বতন্ত্র), মো. শাহাবুদ্দিন (বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টি–বিএমজেপি), খালেকুজ্জামান (সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ), শাহরিয়ার ইফতেখার (বাংলাদেশ মুসলিম লীগ), ফাতেমা আক্তার মুনিয়া (ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ) ও শেখ মো. রবিউল ইসলাম (স্বতন্ত্র)।
.png)

রাজধানীর ভাটারা নতুন বাজার এলাকায় ভাড়া বাসায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ তিনজনই মারা গেছেন। শনিবার (২৫ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টার দিকে জাতীয় বান ইনস্টিটিউটে গৃহবধূ ফাহিমা আক্তারের (২১) মৃত্যু হয়।
২ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর মতিঝিলে মেট্রোরেল স্টেশনের কাছে ছাতায় লুকিয়ে রাখা ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) নিষ্ক্রিয় করার পরে তদন্তে নেমেছে পুলিশ। তাদের ভাষ্য, এটি সময় নিয়ন্ত্রিত। সেট করা সময়ের পরে বিস্ফোরণ ঘটতো। অতীতে উগ্রবাদী সংগঠনের আইইডির সঙ্গে এটির গঠনগত মিল রয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে
লালমনিরহাটের আদিতমারীতে এক ছাত্রকে (১২) বলাৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক শাহজালাল হককে (২৬) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় গতকাল শুক্রবার রাতে ভুক্তভোগী ছাত্রের বাবা বাদী হয়ে আদিতমারী থানায় একটি মামলা করেন। আজ শনিবার ওই শিক্ষককে আদালতে সোপর্দ হলে তাঁকে কারাগারে পাঠান বিচারক।
১২ ঘণ্টা আগে
মসজিদ, পাশেই ধানখেত। মসজিদের আঙিনায় জাতীয় পতাকার সঙ্গে উড়ছে বিএনপির পতাকা। সেখানেই খুপড়ি ঘরে বসবাস রাজীব শাহের। খোদ রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের বুকে তিনি সাম্রাজ্য গড়ে নাম দিয়েছেন ‘নবাবপাড়া’।
১৩ ঘণ্টা আগে