জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

ও গণভোট

ক্লিক করুন

পুলিশ জবাবদিহিতা কমিশন গঠনে সভা কাল

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ০৮ অক্টোবর ২০২৫, ১৯: ০২
পুলিশের লোগো

জনবান্ধব, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ পুলিশিং ব্যবস্থা গড়ে তুলতে ‘পুলিশ জবাবদিহিতা কমিশন ২০২৫ (খসড়া)’ চূড়ান্তকরণের লক্ষ্যে আগামীকাল বৃহস্পতিবার এক সভা ডাকা হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করবেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

আগামীকাল (৯ অক্টোবর) বেলা তিনটায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মিনি কনফারেন্স রুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকা স্ট্রিমকে এমন তথ্য নিশ্চিত করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র।

সূত্রটি জানিয়েছে, সভায় উপস্থিত থাকবেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম, স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) প্রধান এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার।

সভায় কমিশনের কাঠামো, এখতিয়ার, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত প্রক্রিয়া, জবাবদিহিতা নিশ্চিতে নাগরিক অংশগ্রহণ এবং কমিশনের স্বাধীনতা রক্ষার উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। পাশাপাশি পুলিশি অনিয়ম ও নাগরিক হয়রানির অভিযোগ যাচাইয়ের জন্য একটি স্বতন্ত্র তদন্ত ইউনিট গঠনের প্রস্তাবও তোলা হতে পারে।

এই কমিশন গঠিত হলে নাগরিকদের অভিযোগের দ্রুত নিষ্পত্তি, পুলিশি ক্ষমতার অপব্যবহার প্রতিরোধ এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, পুলিশকে জনগণের আস্থায় আনতে হলে তাদের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। এটা বাস্তবায়িত হলে পুলিশের কাজের স্বচ্ছতা ও মানবাধিকার পরিস্থিতি উভয়ই উন্নত হবে।

এর আগে পুলিশের নিরপেক্ষতা ও জবাবদিহি বাড়াতে জোর দিয়ে পৃথক পুলিশ কমিশন গঠনসহ বলপ্রয়োগ, আটক, গ্রেপ্তার ও জিজ্ঞাসাবাদে আমূল পরিবর্তন আনার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত পুলিশ সংস্কার কমিশন।

গত ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত পুলিশ সংস্কার কমিশনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদনে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যদের মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্তের পূর্ণ ক্ষমতা জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে দেওয়ারও সুপারিশ করা হয়েছে।

পুলিশ সংস্কার একটি দীর্ঘমেয়াদি ও চলমান প্রক্রিয়া বলে তুলে ধরে কমিশন বলেছে, প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নে রাজনৈতিক সদিচ্ছার বিকল্প নেই। এ ক্ষেত্রে রাজনৈতিক ঐকমত্য ও অঙ্গীকারের বিষয়টিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কমিশন আশা প্রকাশ করেছে, রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা গেলে কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি জনমুখী, জবাবদিহিমূলক, দক্ষ ও নিরপেক্ষ পুলিশি সেবাপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

সম্পর্কিত