স্ট্রিম প্রতিবেদক

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়েছেন আবু নাসের মোহাম্মদ (আ ন ম) এহসানুল হক মিলন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তিনি মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে সাবেক এই শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী চাঁদপুর-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
এর আগে মিলনের একান্ত সচিব এম এ ফয়েজ বলেন, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি কল করেছিলেন। স্যার (মিলন) শপথ অনুষ্ঠানে থাকায় কল রিসিভ করেছি। তাঁকে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে।
মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের শপথের পর রাতের মধ্যেই মন্ত্রণালয় বণ্টন করা হবে। সূত্র জানায়, এহসানুল হক মিলনকে শিক্ষার পাশাপাশি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পূর্ণাঙ্গ দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এক নজরে এহসানুল হক মিলন
এহসানুল হক মিলন ১৯৫৭ সালের ২৬ মার্চ চাঁদপুরের কচুয়ার সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম নেন। তাঁর বাবা ওবায়দুল হক সরকারি কর্মকর্তা ও মা মাহমুদা হক গৃহিণী ছিলেন।
মিলন রাজধানীর শেরেবাংলা নগর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি ও সরকারি বিজ্ঞান কলেজ (তৎকালীন সরকারি ইন্টারমিডিয়েট টেকনিক্যাল কলেজ) থেকে এইচএসসি পাস করেন। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগ থেকে স্নাতক করেন। ১৯৯২ সালে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে নিউইয়র্ক ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি থেকে এমবিএ এবং পরে ২০১৮ সালে আন্তর্জাতিক ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয় মালয়েশিয়া থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে পিএইচডি করেন।
যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে মিলন ব্রুকলিন কলেজ ও বরো অফ ম্যানহাটন কমিউনিটি কলেজে অ্যাডজাঙ্কট লেকচারার ছিলেন। রসায়নবিদ হিসেবে তিনি আন্তর্জাতিক ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পে কাজ করেছেন।
মিলনের রাজনীতির হাতেখড়ি বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে। ১৯৭৮-৭৯ সেশনে তিনি জাসদ ছাত্রলীগ থেকে ফজলুল হক হল ছাত্র সংসদের ক্রীড়া সম্পাদক নির্বাচিত হন। এরপর ১৯৭৯-৮০ এবং ১৯৮০-৮১ দুই মেয়াদে হল ছাত্র সংসদের সহসভাপতি (ভিপি) নির্বাচিত হন। পরে মিলন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আমন্ত্রণে ছাত্রদলে যোগ দেন এবং ২১ সদস্যের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সর্বকনিষ্ঠ সদস্য হন। জিয়াউর রহমানের শাহাদাতের পর ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির অর্থ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।
পতিত শেখ হাসিনার বিগত সাড়ে ১৫ বছরের শাসনামলে মিলন বিএনপি-ইউএসএ শাখার প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক ও ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ১৯৯৩ সালে খালেদা জিয়া তাঁকে বিএনপির আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক করেন।
সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে (১৯৯৬) চাঁদপুর-১ আসন থেকে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন মিলন। অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাবেক মন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীরকে বিশাল ব্যবধানে পরাজিত করে পুনরায় সংসদ সদস্য হন। ২০০১ সালের অক্টোবর থেকে ২০০৬ সালের অক্টোবর পর্যন্ত তিনি শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
মিলনের স্ত্রী নাজমুন নাহার বেবি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগ থেকে স্নাতক করেছেন। তিনি মহিলা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন।

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়েছেন আবু নাসের মোহাম্মদ (আ ন ম) এহসানুল হক মিলন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তিনি মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে সাবেক এই শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী চাঁদপুর-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
এর আগে মিলনের একান্ত সচিব এম এ ফয়েজ বলেন, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি কল করেছিলেন। স্যার (মিলন) শপথ অনুষ্ঠানে থাকায় কল রিসিভ করেছি। তাঁকে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে।
মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের শপথের পর রাতের মধ্যেই মন্ত্রণালয় বণ্টন করা হবে। সূত্র জানায়, এহসানুল হক মিলনকে শিক্ষার পাশাপাশি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পূর্ণাঙ্গ দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এক নজরে এহসানুল হক মিলন
এহসানুল হক মিলন ১৯৫৭ সালের ২৬ মার্চ চাঁদপুরের কচুয়ার সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম নেন। তাঁর বাবা ওবায়দুল হক সরকারি কর্মকর্তা ও মা মাহমুদা হক গৃহিণী ছিলেন।
মিলন রাজধানীর শেরেবাংলা নগর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি ও সরকারি বিজ্ঞান কলেজ (তৎকালীন সরকারি ইন্টারমিডিয়েট টেকনিক্যাল কলেজ) থেকে এইচএসসি পাস করেন। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগ থেকে স্নাতক করেন। ১৯৯২ সালে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে নিউইয়র্ক ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি থেকে এমবিএ এবং পরে ২০১৮ সালে আন্তর্জাতিক ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয় মালয়েশিয়া থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে পিএইচডি করেন।
যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে মিলন ব্রুকলিন কলেজ ও বরো অফ ম্যানহাটন কমিউনিটি কলেজে অ্যাডজাঙ্কট লেকচারার ছিলেন। রসায়নবিদ হিসেবে তিনি আন্তর্জাতিক ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পে কাজ করেছেন।
মিলনের রাজনীতির হাতেখড়ি বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে। ১৯৭৮-৭৯ সেশনে তিনি জাসদ ছাত্রলীগ থেকে ফজলুল হক হল ছাত্র সংসদের ক্রীড়া সম্পাদক নির্বাচিত হন। এরপর ১৯৭৯-৮০ এবং ১৯৮০-৮১ দুই মেয়াদে হল ছাত্র সংসদের সহসভাপতি (ভিপি) নির্বাচিত হন। পরে মিলন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আমন্ত্রণে ছাত্রদলে যোগ দেন এবং ২১ সদস্যের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সর্বকনিষ্ঠ সদস্য হন। জিয়াউর রহমানের শাহাদাতের পর ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির অর্থ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।
পতিত শেখ হাসিনার বিগত সাড়ে ১৫ বছরের শাসনামলে মিলন বিএনপি-ইউএসএ শাখার প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক ও ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ১৯৯৩ সালে খালেদা জিয়া তাঁকে বিএনপির আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক করেন।
সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে (১৯৯৬) চাঁদপুর-১ আসন থেকে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন মিলন। অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাবেক মন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীরকে বিশাল ব্যবধানে পরাজিত করে পুনরায় সংসদ সদস্য হন। ২০০১ সালের অক্টোবর থেকে ২০০৬ সালের অক্টোবর পর্যন্ত তিনি শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
মিলনের স্ত্রী নাজমুন নাহার বেবি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগ থেকে স্নাতক করেছেন। তিনি মহিলা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন।

নোয়াখালীর সেনবাগে প্রকাশ্য স্থানে গাঁজা সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে আরাফাত হোসেন ফাহিম (২২) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর মৌচাকে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা বিল্লাল হোসেনকে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় আরও দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। বুধবার (১০ জুন) রাতে লক্ষ্মীপুরে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
৩ ঘণ্টা আগেঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনীর খাইয়ারা রাস্তার মাথা এলাকায় থেমে থাকা ট্রাকের পেছনে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় দুজন নিহত হয়েছে। স্থানীয়সহ আহত হয়েছেন আরও আটজন। তাদের মধ্যে পাঁচজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
বরিশাল নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে যুবদল নেতা মনির খানের (৩৮) মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চিকিৎসক ও হাসপাতাল কর্মীদের সঙ্গে স্বজনের সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয়পক্ষে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
১২ ঘণ্টা আগে