স্ট্রিম প্রতিবেদক

প্রশাসনিক অনিয়ম ও হয়রানি রোধে আইনি বিধান থাকা সত্ত্বেও দেশে ন্যায়পাল (ওম্বুডসম্যান) নিয়োগ না দেওয়ার সরকারি নিষ্ক্রিয়তাকে কেন অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ন্যায়পালের কার্যালয় কার্যকর করতে কেন নির্দেশনা দেওয়া হবে না, রুলে সেটিও জানতে চাওয়া হয়েছে।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইসরাত হাসানের করা এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি আব্দুর রহমান জিলানীর হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রুল জারি করেন। মন্ত্রিপরিষদ সচিব এবং আইন মন্ত্রণালয়ের দুই সচিবকে (আইন ও বিচার বিভাগ এবং লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ) চার সপ্তাহের মধ্যে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
শুনানি শেষে রিটকারী আইনজীবী ইসরাত হাসান সংবিধান ও আইনের বিধান তুলে ধরে সাংবাদিকদের বলেন, সরকারি প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম, হয়রানি, দীর্ঘসূত্রতা ও ভোগান্তি সম্পর্কিত যেকোনো অভিযোগ তদন্ত করে সেবার মান উন্নয়ন এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা ন্যায়পালের দায়িত্ব।
তিনি আরও বলেন, সংবিধানের ৭৭ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে একজন ন্যায়পাল থাকবেন, যিনি সরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ওঠা আমলাতান্ত্রিক আচরণ, অনিয়ম, হয়রানি, অবিচার, বাড়াবাড়ি ও কর্মসম্পাদনে অহেতুক বিলম্ব ইত্যাদি প্রশমন করে সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করবেন।
এ বিষয়ে ১৯৮০ সালে 'ওম্বুডসম্যান অ্যাক্ট' বা ন্যায়পাল আইন প্রণয়ন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
স্বাধীনতার পর থেকে দীর্ঘ সময়েও ন্যায়পাল নিয়োগ না দেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে এই আইনজীবী বলেন, সাংবিধানিক ম্যান্ডেট এবং সংবিধিবদ্ধ আইন থাকা সত্ত্বেও এত বছরে কোনো সরকারই আসলে ন্যায়পাল নিয়োগ করেনি। প্রশাসনিক দুর্নীতি, জনগণকে হয়রানি এবং বছরের পর বছর কাজ ফেলে রাখার বিরুদ্ধে যে একজন দেখাশোনা করবেন ও ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করবেন, আইনে তাঁকে সে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এমনকি সমন দেওয়ার মতো আদালতের কিছু ক্ষমতাও তাঁর জন্য প্রযোজ্য।
তিনি জানান, রিট আবেদন করার আগে বিবাদীদের আইনি নোটিশ বা 'ডিমান্ড ফর জাস্টিস লেটার' দেওয়া হলেও তাঁরা কোনো জবাব দেননি। এরপর সরকারের এই নিষ্ক্রিয়তাকে চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদনটি করা হয়। রিট আবেদনে বলা হয়, ওম্বুডসম্যান নিয়োগ ও তাঁর কার্যালয় প্রতিষ্ঠায় নিষ্ক্রিয়তা প্রদর্শন করা সংবিধানের ৭, ১১, ২৭, ৩১ এবং ৩২ অনুচ্ছেদের পরিপন্থী। এ ছাড়া দেশে সুশাসনের জন্য ন্যায়পালের নিয়োগ নিশ্চিত করে অফিসটিকে কার্যকর করার নির্দেশনা চাওয়া হয় রিটে।
ন্যায়পাল পদে নিয়োগ না দেওয়ার পেছনে সদিচ্ছার অভাব রয়েছে মন্তব্য করে আইনজীবী ইসরাত হাসান বলেন, 'এটি তো কোনো নির্বাচনের প্রতিশ্রুতির বিষয় নয়, এটি একটি সাংবিধানিক ম্যান্ডেট। সরকারি অধিদপ্তরে দুর্নীতির কারণে অনেক সময় কাজ ফেলে রাখা হয়; এমন বিলম্ব করা হয় যেন মানুষ যেকোনোভাবেই হোক কাজটি করিয়ে নিতে বাধ্য হয়। এগুলো তদন্তের জন্য ১৯৮০ সালের আইনেই সুস্পষ্ট পদ্ধতি দেওয়া আছে। এরপরও এই পদে নিয়োগ না দেওয়ার অর্থ হচ্ছে— আমি এমন কাউকে নিয়োগ দেব না, যিনি এই দুর্নীতিগুলো দেখবেন।'

প্রশাসনিক অনিয়ম ও হয়রানি রোধে আইনি বিধান থাকা সত্ত্বেও দেশে ন্যায়পাল (ওম্বুডসম্যান) নিয়োগ না দেওয়ার সরকারি নিষ্ক্রিয়তাকে কেন অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ন্যায়পালের কার্যালয় কার্যকর করতে কেন নির্দেশনা দেওয়া হবে না, রুলে সেটিও জানতে চাওয়া হয়েছে।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইসরাত হাসানের করা এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি আব্দুর রহমান জিলানীর হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রুল জারি করেন। মন্ত্রিপরিষদ সচিব এবং আইন মন্ত্রণালয়ের দুই সচিবকে (আইন ও বিচার বিভাগ এবং লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ) চার সপ্তাহের মধ্যে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
শুনানি শেষে রিটকারী আইনজীবী ইসরাত হাসান সংবিধান ও আইনের বিধান তুলে ধরে সাংবাদিকদের বলেন, সরকারি প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম, হয়রানি, দীর্ঘসূত্রতা ও ভোগান্তি সম্পর্কিত যেকোনো অভিযোগ তদন্ত করে সেবার মান উন্নয়ন এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা ন্যায়পালের দায়িত্ব।
তিনি আরও বলেন, সংবিধানের ৭৭ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে একজন ন্যায়পাল থাকবেন, যিনি সরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ওঠা আমলাতান্ত্রিক আচরণ, অনিয়ম, হয়রানি, অবিচার, বাড়াবাড়ি ও কর্মসম্পাদনে অহেতুক বিলম্ব ইত্যাদি প্রশমন করে সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করবেন।
এ বিষয়ে ১৯৮০ সালে 'ওম্বুডসম্যান অ্যাক্ট' বা ন্যায়পাল আইন প্রণয়ন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
স্বাধীনতার পর থেকে দীর্ঘ সময়েও ন্যায়পাল নিয়োগ না দেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে এই আইনজীবী বলেন, সাংবিধানিক ম্যান্ডেট এবং সংবিধিবদ্ধ আইন থাকা সত্ত্বেও এত বছরে কোনো সরকারই আসলে ন্যায়পাল নিয়োগ করেনি। প্রশাসনিক দুর্নীতি, জনগণকে হয়রানি এবং বছরের পর বছর কাজ ফেলে রাখার বিরুদ্ধে যে একজন দেখাশোনা করবেন ও ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করবেন, আইনে তাঁকে সে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এমনকি সমন দেওয়ার মতো আদালতের কিছু ক্ষমতাও তাঁর জন্য প্রযোজ্য।
তিনি জানান, রিট আবেদন করার আগে বিবাদীদের আইনি নোটিশ বা 'ডিমান্ড ফর জাস্টিস লেটার' দেওয়া হলেও তাঁরা কোনো জবাব দেননি। এরপর সরকারের এই নিষ্ক্রিয়তাকে চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদনটি করা হয়। রিট আবেদনে বলা হয়, ওম্বুডসম্যান নিয়োগ ও তাঁর কার্যালয় প্রতিষ্ঠায় নিষ্ক্রিয়তা প্রদর্শন করা সংবিধানের ৭, ১১, ২৭, ৩১ এবং ৩২ অনুচ্ছেদের পরিপন্থী। এ ছাড়া দেশে সুশাসনের জন্য ন্যায়পালের নিয়োগ নিশ্চিত করে অফিসটিকে কার্যকর করার নির্দেশনা চাওয়া হয় রিটে।
ন্যায়পাল পদে নিয়োগ না দেওয়ার পেছনে সদিচ্ছার অভাব রয়েছে মন্তব্য করে আইনজীবী ইসরাত হাসান বলেন, 'এটি তো কোনো নির্বাচনের প্রতিশ্রুতির বিষয় নয়, এটি একটি সাংবিধানিক ম্যান্ডেট। সরকারি অধিদপ্তরে দুর্নীতির কারণে অনেক সময় কাজ ফেলে রাখা হয়; এমন বিলম্ব করা হয় যেন মানুষ যেকোনোভাবেই হোক কাজটি করিয়ে নিতে বাধ্য হয়। এগুলো তদন্তের জন্য ১৯৮০ সালের আইনেই সুস্পষ্ট পদ্ধতি দেওয়া আছে। এরপরও এই পদে নিয়োগ না দেওয়ার অর্থ হচ্ছে— আমি এমন কাউকে নিয়োগ দেব না, যিনি এই দুর্নীতিগুলো দেখবেন।'

নোয়াখালীর সেনবাগে প্রকাশ্য স্থানে গাঁজা সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে আরাফাত হোসেন ফাহিম (২২) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর মৌচাকে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা বিল্লাল হোসেনকে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় আরও দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। বুধবার (১০ জুন) রাতে লক্ষ্মীপুরে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
৩ ঘণ্টা আগেঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনীর খাইয়ারা রাস্তার মাথা এলাকায় থেমে থাকা ট্রাকের পেছনে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় দুজন নিহত হয়েছে। স্থানীয়সহ আহত হয়েছেন আরও আটজন। তাদের মধ্যে পাঁচজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
বরিশাল নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে যুবদল নেতা মনির খানের (৩৮) মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চিকিৎসক ও হাসপাতাল কর্মীদের সঙ্গে স্বজনের সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয়পক্ষে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
১৩ ঘণ্টা আগে