জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

ও গণভোট

ক্লিক করুন

সংসদ অধিবেশন

পর্যালোচনার জন্য বিশেষ কমিটিতে পাঠানো হলো ১৩৩ অধ্যাদেশ

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ১৫ মার্চ ২০২৬, ১৫: ১৮
সংসদ অধিবেশন। ছবি: বিএনপির মিডিয়া সেল

পূর্বঘোষণা অনুযায়ী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনের বৈঠকে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ জাতীয় সংসদের একটি বিশেষ কমিটিতে পাঠানো হয়েছে। এই কমিটি অধ্যাদেশগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করে আগামী ২ এপ্রিলের মধ্যে সংসদে প্রতিবেদন জমা দেবে।

রোববার (১৫ মার্চ) বেলা ১১টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদের অধিবেশন শুরু হয়। দেড় ঘণ্টা প্রশ্নোত্তর শেষে বেলা সাড়ে ১২টার দিকে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান অধ্যাদেশগুলো বিশেষ কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব উত্থাপন করলে তা সংসদ কর্তৃক গৃহীত হয়।

সংবিধানের ৯৩ (২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি কর্তৃক জারি করা কোনো অধ্যাদেশ সংসদ গঠনের পর প্রথম বৈঠকেই সংসদে উপস্থাপন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সেই অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনের প্রথম দিনেই এই ১৩৩টি অধ্যাদেশ সংসদে উত্থাপন করেছিলেন আইনমন্ত্রী।

সাধারণত যেকোনো বিল বা অধ্যাদেশ পর্যালোচনার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়। তবে নবগঠিত সংসদে এখনো সংসদীয় স্থায়ী কমিটিগুলো গঠিত না হওয়ায়, এই বিশাল সংখ্যক অধ্যাদেশ পর্যালোচনার জন্য গত বৃহস্পতিবারের বৈঠকে একটি ‘বিশেষ কমিটি’ গঠন করা হয়েছিল।

এদিকে আজকের অধিবেশনে অনির্ধারিত আলোচনায় বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের ইসলামীর আমির সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন না ডাকায় সমালোচনা করেন। তিনি অভিযোগ করেন, ‘এটি বাস্তবায়ন না হওয়া জনগণের রায়ের অবমাননা।’ অন্যদিকে সরকারি দল বিএনপির পক্ষ থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দীন আহমদ পাল্টা বক্তব্য দেন। তিনি এই বাস্তবায়ন আদেশ এবং এর অধীনে নেওয়া শপথের সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

বিশেষ কমিটি এখন আগামী ১৫ দিনের (পঞ্জিকা দিবস) মধ্যে এই ১৩৩টি অধ্যাদেশের ভাগ্য নির্ধারণ করবে। ২ এপ্রিল কমিটি প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর বোঝা যাবে কোন অধ্যাদেশগুলো স্থায়ী আইন হিসেবে টিকে থাকছে আর কোনগুলো বাতিল বা সংশোধন হচ্ছে।

সম্পর্কিত