স্ট্রিম সংবাদদাতা

ঢাকার সাভারে পরিত্যক্ত পৌরসভা কমিউনিটি সেন্টারে জোড়া মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় মশিউর রহমান খান সম্রাট (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, তিনি প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই দুই হত্যাকাণ্ডসহ মোট ছয়টি হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে সাভার মডেল থানায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ঢাকা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম, অপস্ ও ট্রাফিক উত্তর) আরাফাতুল ইসলাম।
তিনি জানান, গত ৫ মাসে সাভার এলাকায় ধারাবাহিকভাবে ছয়টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি মরদেহ পাওয়া যায় সাভার মডেল মসজিদের সামনে, আর বাকি পাঁচটি পরিত্যক্ত পৌর কমিউনিটি সেন্টারে। এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তি প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ছয়টি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গেই নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন।
গ্রেপ্তার মশিউর রহমান খান সম্রাট সাভারের ব্যাংক কলোনী এলাকার মৃত সালামের ছেলে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ২৯ আগস্ট কমিউনিটি সেন্টারের দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষ থেকে সাদা পাঞ্জাবি ও কালো ট্রাউজার পরিহিত অজ্ঞাত এক যুবকের (প্রায় ৩০) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাঁর দুই হাত গামছা দিয়ে বাঁধা ছিল। শরীরের বিভিন্ন অংশে পচন ধরায় আঘাতের চিহ্ন শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। এ ঘটনায় সেদিনই সাভার মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।

এরপর একই বছরের ১১ অক্টোবর একই ভবনের দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষের বাথরুমের পাশে অজ্ঞাত এক নারীর (৩০) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাঁর মাথা ও গলায় কাটা জখমের চিহ্ন পাওয়া যায়। ধারণা করা হয়, তাঁকে হত্যা করে মরদেহ ফেলে যাওয়া হয়। এ ঘটনায় ১৩ অক্টোবর একটি মামলা হয়।
এর দুই মাস পর, ১৯ ডিসেম্বর একই ভবনের দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষের বাথরুমের ভেতর থেকে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির (৩৫) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহটি আগুনে পোড়া ও গলিত থাকায় পরিচয় শনাক্ত বা আঘাতের চিহ্ন নির্ণয় করা সম্ভব হয়নি। দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন পোড়া ও গলিত মাথার খুলি এবং পায়ের হাঁটুর নিচের অংশ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় সেদিনই একটি মামলা করা হয়।

সবশেষ, গত ১৮ জানুয়ারি একই ভবনের দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষের বাথরুমের ভেতর থেকে এক ব্যক্তি (২৫) ও এক কিশোরীর (১৩) আগুনে পোড়া মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পোড়া থাকায় তাঁদের পরিচয় ও আঘাতের চিহ্ন শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়, তাঁদের হত্যা করে মরদেহ ফেলে যাওয়া হয়েছে।
এর আগে, ২০২৫ সালের ৪ জুলাই সাভার মডেল মসজিদসংলগ্ন একটি চায়ের দোকানের পাশ থেকে অজ্ঞাত এক বৃদ্ধার (৭৫) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়, তাঁকেও হত্যা করা হয়েছিল। এ ঘটনায় অজ্ঞাত আসামির বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়।
পুলিশ জানায়, প্রতিটি ঘটনার পরপরই তদন্ত শুরু করা হয়। সাভার মডেল থানা ও ডিটেকটিভ ব্রাঞ্চ (ডিবি) যৌথভাবে তদন্তে যুক্ত হয়। একটি বিশেষ দল নিয়মিতভাবে কমিউনিটি সেন্টার এলাকায় নজরদারি শুরু করে। পৌরসভার সহায়তায় এলাকাটি পরিষ্কার করা হয়, আলোর ব্যবস্থা জোরদার করা হয় এবং একাধিক সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়।
জোড়া মরদেহ উদ্ধারের আগের দিনও ওই এলাকায় সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তবে তখন কিছু পাওয়া যায়নি। পরদিন মরদেহ উদ্ধারের পর সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে এক ব্যক্তিকে সন্দেহভাজন হিসেবে শনাক্ত করা হয়।

আরাফাতুল ইসলাম জানান, ফুটেজে সন্দেহজনকভাবে ওই ব্যক্তিকে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। তাঁর চলাফেরা, সময় ও অবস্থান মিলিয়ে নজরদারি বাড়ানো হয়। পরে অভিযান চালিয়ে মশিউর রহমান খান সম্রাটকে আটক করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি একই জায়গায় পাওয়া দুই মরদেহের ঘটনা এবং আগের চারটি হত্যাকাণ্ডসহ মোট ছয়টি হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানান, অভিযুক্তকে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং ১০ দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়েছে। রিমান্ড মঞ্জুর হলে হত্যাকাণ্ডগুলোর উদ্দেশ্য, অন্য কেউ জড়িত আছে কি না এবং অন্য কোথাও তিনি এমন অপরাধ করেছেন কি না—এসব বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।
তিনি আরও জানান, অভিযুক্ত যে ঠিকানা (ব্যাংক কলোনি) দিয়েছেন, সেখানে অভিযান চালানো হলেও তাঁর সঠিক ঠিকানা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ ছাড়া হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি মাফলার ও আগুন লাগানোর কাজে ব্যবহৃত একটি দেশলাই উদ্ধার করে আলামত হিসেবে জব্দ করা হয়েছে।
পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, অল্প সময়ের মধ্যেই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করা গেলে ঘটনার আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উদ্ঘাটনের আশা করা হচ্ছে।

ঢাকার সাভারে পরিত্যক্ত পৌরসভা কমিউনিটি সেন্টারে জোড়া মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় মশিউর রহমান খান সম্রাট (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, তিনি প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই দুই হত্যাকাণ্ডসহ মোট ছয়টি হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে সাভার মডেল থানায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ঢাকা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম, অপস্ ও ট্রাফিক উত্তর) আরাফাতুল ইসলাম।
তিনি জানান, গত ৫ মাসে সাভার এলাকায় ধারাবাহিকভাবে ছয়টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি মরদেহ পাওয়া যায় সাভার মডেল মসজিদের সামনে, আর বাকি পাঁচটি পরিত্যক্ত পৌর কমিউনিটি সেন্টারে। এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তি প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ছয়টি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গেই নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন।
গ্রেপ্তার মশিউর রহমান খান সম্রাট সাভারের ব্যাংক কলোনী এলাকার মৃত সালামের ছেলে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ২৯ আগস্ট কমিউনিটি সেন্টারের দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষ থেকে সাদা পাঞ্জাবি ও কালো ট্রাউজার পরিহিত অজ্ঞাত এক যুবকের (প্রায় ৩০) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাঁর দুই হাত গামছা দিয়ে বাঁধা ছিল। শরীরের বিভিন্ন অংশে পচন ধরায় আঘাতের চিহ্ন শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। এ ঘটনায় সেদিনই সাভার মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।

এরপর একই বছরের ১১ অক্টোবর একই ভবনের দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষের বাথরুমের পাশে অজ্ঞাত এক নারীর (৩০) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাঁর মাথা ও গলায় কাটা জখমের চিহ্ন পাওয়া যায়। ধারণা করা হয়, তাঁকে হত্যা করে মরদেহ ফেলে যাওয়া হয়। এ ঘটনায় ১৩ অক্টোবর একটি মামলা হয়।
এর দুই মাস পর, ১৯ ডিসেম্বর একই ভবনের দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষের বাথরুমের ভেতর থেকে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির (৩৫) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহটি আগুনে পোড়া ও গলিত থাকায় পরিচয় শনাক্ত বা আঘাতের চিহ্ন নির্ণয় করা সম্ভব হয়নি। দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন পোড়া ও গলিত মাথার খুলি এবং পায়ের হাঁটুর নিচের অংশ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় সেদিনই একটি মামলা করা হয়।

সবশেষ, গত ১৮ জানুয়ারি একই ভবনের দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষের বাথরুমের ভেতর থেকে এক ব্যক্তি (২৫) ও এক কিশোরীর (১৩) আগুনে পোড়া মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পোড়া থাকায় তাঁদের পরিচয় ও আঘাতের চিহ্ন শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়, তাঁদের হত্যা করে মরদেহ ফেলে যাওয়া হয়েছে।
এর আগে, ২০২৫ সালের ৪ জুলাই সাভার মডেল মসজিদসংলগ্ন একটি চায়ের দোকানের পাশ থেকে অজ্ঞাত এক বৃদ্ধার (৭৫) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়, তাঁকেও হত্যা করা হয়েছিল। এ ঘটনায় অজ্ঞাত আসামির বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়।
পুলিশ জানায়, প্রতিটি ঘটনার পরপরই তদন্ত শুরু করা হয়। সাভার মডেল থানা ও ডিটেকটিভ ব্রাঞ্চ (ডিবি) যৌথভাবে তদন্তে যুক্ত হয়। একটি বিশেষ দল নিয়মিতভাবে কমিউনিটি সেন্টার এলাকায় নজরদারি শুরু করে। পৌরসভার সহায়তায় এলাকাটি পরিষ্কার করা হয়, আলোর ব্যবস্থা জোরদার করা হয় এবং একাধিক সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়।
জোড়া মরদেহ উদ্ধারের আগের দিনও ওই এলাকায় সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তবে তখন কিছু পাওয়া যায়নি। পরদিন মরদেহ উদ্ধারের পর সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে এক ব্যক্তিকে সন্দেহভাজন হিসেবে শনাক্ত করা হয়।

আরাফাতুল ইসলাম জানান, ফুটেজে সন্দেহজনকভাবে ওই ব্যক্তিকে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। তাঁর চলাফেরা, সময় ও অবস্থান মিলিয়ে নজরদারি বাড়ানো হয়। পরে অভিযান চালিয়ে মশিউর রহমান খান সম্রাটকে আটক করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি একই জায়গায় পাওয়া দুই মরদেহের ঘটনা এবং আগের চারটি হত্যাকাণ্ডসহ মোট ছয়টি হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানান, অভিযুক্তকে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং ১০ দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়েছে। রিমান্ড মঞ্জুর হলে হত্যাকাণ্ডগুলোর উদ্দেশ্য, অন্য কেউ জড়িত আছে কি না এবং অন্য কোথাও তিনি এমন অপরাধ করেছেন কি না—এসব বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।
তিনি আরও জানান, অভিযুক্ত যে ঠিকানা (ব্যাংক কলোনি) দিয়েছেন, সেখানে অভিযান চালানো হলেও তাঁর সঠিক ঠিকানা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ ছাড়া হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি মাফলার ও আগুন লাগানোর কাজে ব্যবহৃত একটি দেশলাই উদ্ধার করে আলামত হিসেবে জব্দ করা হয়েছে।
পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, অল্প সময়ের মধ্যেই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করা গেলে ঘটনার আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উদ্ঘাটনের আশা করা হচ্ছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ৩১ জানুয়ারির মধ্যে সব বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র নিকটস্থ থানায় জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। তবে বৈধ প্রার্থী ও তাঁদের সশস্ত্র দেহরক্ষীদের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে না। গত রোববার (১৮ জানুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়।
১ ঘণ্টা আগে
সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে দায়িত্ব পালন না করার ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সদস্যরা। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান ভবনের শিক্ষক মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে তাঁরা এই ঘোষণা দেন।
১ ঘণ্টা আগে
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চূড়ান্ত ক্ষণে রাজধানীর চানখারপুল এলাকায় পুলিশের গুলিতে ছয়জনকে হত্যার দায়ে ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ আটজনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ঘোষণা করা হবে আগামীকাল মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি)।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেল বা জেআইসিতে বছরের পর বছর আটকে রেখে গুম, নির্মম নির্যাতন ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবেক ও বর্তমান ১২ সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) থেকে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হচ্ছে।
৭ ঘণ্টা আগে