স্ট্রিম প্রতিবেদক

বছরব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করে শেষ হয়েছে আন্তর্জাতিক খতমে নবুওয়ত মহাসম্মেলন। শনিবার (১৫ নভেম্বর) সকালে শুরু হওয়ার পরে দুপুরে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। ‘কাদিয়ানিইস্যুতে আয়োজিত এ সম্মেলনে অংশ নেন দেশ-বিদেশের প্রভাবশালী রাজনৈতিক ও ধর্মীয় ব্যক্তিরা।
আগামী এক বছরের ভেতর দাবি আদায় না হলে পরবর্তী করণীয় ঠিক করতে দেশের প্রতিনিধিত্বশীল শীর্ষ আলেমদের নিয়ে ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে জাতীয় ওলামা-মাশায়েখ সম্মেলন আহ্বান করা হবে বলে সম্মেলন থেকে জানানো হয়।
সমাবেশে আন্তর্জাতিক মজলিসে তাহাফ্ফুজে খতমে নবুওয়ত বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা মুহিউদ্দিন রাব্বানী জানান, ‘কাদিয়ানি’ ইস্যুতে তাদের দাবি না মানা হলে জাতীয় ওলামা-মাশায়েখ সম্মেলন থেকে কঠিন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
ঘোষিত কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে আগামী বছরের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত আলেম-ওলামা ও তৌহিদি জনতার গণস্বাক্ষর গ্রহণ; মে ও জুন মাসে দেশের প্রতিটি জেলার ডিসিকে স্মারকলিপি প্রদান; জুলাই থেকে নভেম্বর পর্যন্ত পাঁচ মাসে প্রতিটি বিভাগে পর্যায়ক্রমে বিভাগীয় খতমে নবুওয়ত সম্মেলন আয়োজন। এর ভেতর দাবি আদায় না হলে পরবর্তী কর্মপন্থা নির্ধারণে দেশের প্রতিনিধিত্বশীল আলেম-ওলামাদের নিয়ে ডিসেম্বরে জাতীয় ওলামা-মাশায়েখ সম্মেলন করা হবে।
সম্মেলনে বিএনপি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসসহ হেফাজতে ইসলামের নেতারা বক্তব্য দেন।
সম্মিলিত খতমে নবুওয়ত পরিষদের আহ্বায়ক ও খতমে নবুওয়াত সংরক্ষণ কমিটি বাংলাদেশের আমির মাওলানা আবদুল হামিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের সদস্য ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম পাকিস্তানের সভাপতি মাওলানা ফজলুর রহমান, সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল গফুর হায়দরি, পাকিস্তানের বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়ার মহাসচিব মাওলানা হানিফ জালন্দরি, ইউসুফ বিন্নুরি টাউন মাদ্রাসার সহপরিচালক ড. আহমাদ ইউসুফ বিন্নুরি, দারুল উলুম করাচির উপ-উপাচার্য মাওলানা যুবায়ের উসমানি, পাঞ্জাবের সারগোদার মারকাজ আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের প্রধান মাওলানা ইলিয়াছ গুম্মান, জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ ভারতের সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য মাওলানা সায়্যিদ মাহমুদ মাদানি, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম নেপালের সভাপতি ও সংসদ সদস্য মাওলানা খালেদ সিদ্দিকি, ইন্টারন্যাশনাল খতমে নবুওয়ত মুভমেন্টের ওয়ার্ল্ড নায়েবে আমির শায়খ আব্দুর রউফ মক্কি, মিসরের আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. শায়খ মুসআব নাবীল ইবরাহিম প্রমুখ অংশ নেন।
বাংলাদেশের রাজনীতিবিদদের মধ্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম, জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির মাওলানা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সভাপতি মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি আবদুল মালেক প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, ক্ষমতায় গেলে তারা জাতীয় সংসদে আলোচনা করে কাদিয়ানিদের বিষয়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবেন।
জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান তাঁর বক্তৃতায় খতমে নবুয়তের এই আন্দোলনকে আরও জোরদার করার আহ্বান জানান।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেন, ‘কাদিয়ানি’ ইস্যুর সমাধান না হলে শুধু ঢাকা নয়, প্রয়োজনে জাতীয় সংসদের দিকে লং মার্চ করতে হবে; বাংলাদেশ অবরুদ্ধ করতে হবে।
দৈনিক ইনকিলাবের সম্পাদক ও বাংলাদেশ জমিয়তুল মোদাররেসিনের সভাপতি এএমএম বাহাউদ্দিন তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘খতমে নবুওয়ত ঐতিহাসিক আন্দোলন, দীর্ঘদিন ধরে এটি চালিয়ে আসছে, এই আন্দোলনের সঙ্গে বাংলাদেশ জমিয়তুল মোদাররেসিন ও ইনকিলাব সব সময়ই আছে ও থাকবে।’ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কাদিয়ানি সম্প্রদায়ের উপস্থিতি ভীষণভাবে বেড়ে গেছে জানিয়ে সেদিকেও মনোযোগ দিতে আহ্বান জানান তিনি।
অন্যদিকে জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ ভারতের সভাপতি সাইয়েদ মাহমুদ মাদানি তাঁর উর্দু বয়ানে বলেন, ‘আমাদের দায়িত্ব হলো, গ্রামে গ্রামে পাড়ায় পাড়ায় আমাদের পৌঁছতে হবে এবং খতমে নবুওয়তের হেফাজত করতে হবে। এটা আমাদের দায়িত্ব, কোনো সরকারের দায়িত্ব নয়।’
জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম নেপালের সভাপতি ও সংসদ সদস্য মাওলানা খালেদ সিদ্দিকি বলেন, ‘এই মঞ্চ থেকে সারা দুনিয়ায় এই বার্তা যাক যে, সকল ধর্মবিশ্বাসীরা মিলে এই ফেতনার মোকাবেলা করুন, বিশেষ করে ভারতীয় উপমহাদেশে।’

বছরব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করে শেষ হয়েছে আন্তর্জাতিক খতমে নবুওয়ত মহাসম্মেলন। শনিবার (১৫ নভেম্বর) সকালে শুরু হওয়ার পরে দুপুরে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। ‘কাদিয়ানিইস্যুতে আয়োজিত এ সম্মেলনে অংশ নেন দেশ-বিদেশের প্রভাবশালী রাজনৈতিক ও ধর্মীয় ব্যক্তিরা।
আগামী এক বছরের ভেতর দাবি আদায় না হলে পরবর্তী করণীয় ঠিক করতে দেশের প্রতিনিধিত্বশীল শীর্ষ আলেমদের নিয়ে ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে জাতীয় ওলামা-মাশায়েখ সম্মেলন আহ্বান করা হবে বলে সম্মেলন থেকে জানানো হয়।
সমাবেশে আন্তর্জাতিক মজলিসে তাহাফ্ফুজে খতমে নবুওয়ত বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা মুহিউদ্দিন রাব্বানী জানান, ‘কাদিয়ানি’ ইস্যুতে তাদের দাবি না মানা হলে জাতীয় ওলামা-মাশায়েখ সম্মেলন থেকে কঠিন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
ঘোষিত কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে আগামী বছরের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত আলেম-ওলামা ও তৌহিদি জনতার গণস্বাক্ষর গ্রহণ; মে ও জুন মাসে দেশের প্রতিটি জেলার ডিসিকে স্মারকলিপি প্রদান; জুলাই থেকে নভেম্বর পর্যন্ত পাঁচ মাসে প্রতিটি বিভাগে পর্যায়ক্রমে বিভাগীয় খতমে নবুওয়ত সম্মেলন আয়োজন। এর ভেতর দাবি আদায় না হলে পরবর্তী কর্মপন্থা নির্ধারণে দেশের প্রতিনিধিত্বশীল আলেম-ওলামাদের নিয়ে ডিসেম্বরে জাতীয় ওলামা-মাশায়েখ সম্মেলন করা হবে।
সম্মেলনে বিএনপি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসসহ হেফাজতে ইসলামের নেতারা বক্তব্য দেন।
সম্মিলিত খতমে নবুওয়ত পরিষদের আহ্বায়ক ও খতমে নবুওয়াত সংরক্ষণ কমিটি বাংলাদেশের আমির মাওলানা আবদুল হামিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের সদস্য ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম পাকিস্তানের সভাপতি মাওলানা ফজলুর রহমান, সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল গফুর হায়দরি, পাকিস্তানের বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়ার মহাসচিব মাওলানা হানিফ জালন্দরি, ইউসুফ বিন্নুরি টাউন মাদ্রাসার সহপরিচালক ড. আহমাদ ইউসুফ বিন্নুরি, দারুল উলুম করাচির উপ-উপাচার্য মাওলানা যুবায়ের উসমানি, পাঞ্জাবের সারগোদার মারকাজ আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের প্রধান মাওলানা ইলিয়াছ গুম্মান, জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ ভারতের সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য মাওলানা সায়্যিদ মাহমুদ মাদানি, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম নেপালের সভাপতি ও সংসদ সদস্য মাওলানা খালেদ সিদ্দিকি, ইন্টারন্যাশনাল খতমে নবুওয়ত মুভমেন্টের ওয়ার্ল্ড নায়েবে আমির শায়খ আব্দুর রউফ মক্কি, মিসরের আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. শায়খ মুসআব নাবীল ইবরাহিম প্রমুখ অংশ নেন।
বাংলাদেশের রাজনীতিবিদদের মধ্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম, জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির মাওলানা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সভাপতি মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি আবদুল মালেক প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, ক্ষমতায় গেলে তারা জাতীয় সংসদে আলোচনা করে কাদিয়ানিদের বিষয়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবেন।
জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান তাঁর বক্তৃতায় খতমে নবুয়তের এই আন্দোলনকে আরও জোরদার করার আহ্বান জানান।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেন, ‘কাদিয়ানি’ ইস্যুর সমাধান না হলে শুধু ঢাকা নয়, প্রয়োজনে জাতীয় সংসদের দিকে লং মার্চ করতে হবে; বাংলাদেশ অবরুদ্ধ করতে হবে।
দৈনিক ইনকিলাবের সম্পাদক ও বাংলাদেশ জমিয়তুল মোদাররেসিনের সভাপতি এএমএম বাহাউদ্দিন তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘খতমে নবুওয়ত ঐতিহাসিক আন্দোলন, দীর্ঘদিন ধরে এটি চালিয়ে আসছে, এই আন্দোলনের সঙ্গে বাংলাদেশ জমিয়তুল মোদাররেসিন ও ইনকিলাব সব সময়ই আছে ও থাকবে।’ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কাদিয়ানি সম্প্রদায়ের উপস্থিতি ভীষণভাবে বেড়ে গেছে জানিয়ে সেদিকেও মনোযোগ দিতে আহ্বান জানান তিনি।
অন্যদিকে জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ ভারতের সভাপতি সাইয়েদ মাহমুদ মাদানি তাঁর উর্দু বয়ানে বলেন, ‘আমাদের দায়িত্ব হলো, গ্রামে গ্রামে পাড়ায় পাড়ায় আমাদের পৌঁছতে হবে এবং খতমে নবুওয়তের হেফাজত করতে হবে। এটা আমাদের দায়িত্ব, কোনো সরকারের দায়িত্ব নয়।’
জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম নেপালের সভাপতি ও সংসদ সদস্য মাওলানা খালেদ সিদ্দিকি বলেন, ‘এই মঞ্চ থেকে সারা দুনিয়ায় এই বার্তা যাক যে, সকল ধর্মবিশ্বাসীরা মিলে এই ফেতনার মোকাবেলা করুন, বিশেষ করে ভারতীয় উপমহাদেশে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।
৪০ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আগামী ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি বুধ ও বৃহস্পতিবার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। পাশাপাশি শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক ও কর্মচারীদের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) বিশেষ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
উত্তরাঞ্চলের মানুষের জন্য আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে নীলফামারীতে এক হাজার শয্যার চিকিৎসাকেন্দ্র গড়ে তোলা হচ্ছে। বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী জেনারেল হাসপাতাল’ নামে এই প্রকল্প একনেক সভায় অনুমোদন পেয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন ঢাকা-১৮ আসনে জামায়াত-এনসিপি ১০ দলীয় জোট সমর্থিত প্রার্থী মো. আরিফুল ইসলাম। আজ সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে উত্তরার বিএনএস সেন্টারে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ শঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
২ ঘণ্টা আগে