স্ট্রিম প্রতিবেদক

ইরান যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট জ্বালানি সংকটের দায় সবাইকে সম্মিলিতভাবে বহন করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। বুধবার (১৫ এপ্রিল) সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
উপদেষ্টা বলেন, ‘সংকট এতটাই বড় যে এর বোঝা সবাইকে ভাগ করে নিতে হবে। মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের জন্য বরাদ্দ জ্বালানি প্রথমে কমানো হলেও সম্প্রতি আরও ৩০ শতাংশ হ্রাস করা হয়েছে। এ বরাদ্দে বাস্তবে চলা সম্ভব নয়, প্রয়োজনে ব্যক্তিগত খরচে জ্বালানি কিনতে হচ্ছে।’
ডা. জাহেদ আরও বলেন, ‘শুধু সরকারি খাত নয়, ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়েও জ্বালানির ব্যবহার কমাতে হবে। অপ্রয়োজনীয় যাতায়াত ও ব্যয় সীমিত করতে হবে।’ তবে অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে বাজার ও অফিস কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ না করার কথা জানান তিনি।
জ্বালানি সংকটের পরিপ্রেক্ষিতে অনলাইন ক্লাস শিশুদের জন্য নতুন সমস্যা তৈরি করবে কি না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে উপদেষ্টা বলেন, ‘শিশুদের মোবাইল আসক্তি এখন প্রত্যেক ঘরের বাস্তব সমস্যা। এই আসক্তি ভালো নয়—এটা যেমন সত্য, তেমনি বর্তমান বাস্তবতায় কিছু ক্ষেত্রে প্রযুক্তির ওপর নির্ভরশীলতাও বেড়েছে। পরিস্থিতির কারণে স্কুলে যাতায়াতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে পরিবহন ব্যবহার বেড়েছে, যা নিয়ন্ত্রণে আনার কথাও ভাবা হচ্ছে।’
সরকার জনগণের কল্যাণেই বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিচ্ছে উল্লেখ করে ডা. জাহেদ বলেন, সরকার চায় মানুষ ভালো থাকুক, কাজ করুক, আয় করুক। তাতে ভ্যাট ও কর আদায় বাড়বে, যা আবার জনকল্যাণে ব্যয় করা সম্ভব হবে। এ লক্ষ্যে সরকার পরিবার কার্ড, কৃষক কার্ডসহ সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি সম্প্রসারণের পরিকল্পনাও করছে।
সরকারি ব্যয়সংকোচন নীতি প্রসঙ্গে ডা. জাহেদ বলেন, মন্ত্রীদের জ্বালানি বরাদ্দ কমানোর পাশাপাশি কিছু ক্ষেত্রে নতুন সুবিধা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। যেমন—উপসচিব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের জন্য গাড়ি ঋণ সুবিধা আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে প্রশাসন ও বিচার বিভাগে জ্বালানি সুবিধা কমানোর বিষয়টি এখনো পুরোপুরি কার্যকর হয়নি।

ইরান যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট জ্বালানি সংকটের দায় সবাইকে সম্মিলিতভাবে বহন করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। বুধবার (১৫ এপ্রিল) সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
উপদেষ্টা বলেন, ‘সংকট এতটাই বড় যে এর বোঝা সবাইকে ভাগ করে নিতে হবে। মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের জন্য বরাদ্দ জ্বালানি প্রথমে কমানো হলেও সম্প্রতি আরও ৩০ শতাংশ হ্রাস করা হয়েছে। এ বরাদ্দে বাস্তবে চলা সম্ভব নয়, প্রয়োজনে ব্যক্তিগত খরচে জ্বালানি কিনতে হচ্ছে।’
ডা. জাহেদ আরও বলেন, ‘শুধু সরকারি খাত নয়, ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়েও জ্বালানির ব্যবহার কমাতে হবে। অপ্রয়োজনীয় যাতায়াত ও ব্যয় সীমিত করতে হবে।’ তবে অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে বাজার ও অফিস কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ না করার কথা জানান তিনি।
জ্বালানি সংকটের পরিপ্রেক্ষিতে অনলাইন ক্লাস শিশুদের জন্য নতুন সমস্যা তৈরি করবে কি না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে উপদেষ্টা বলেন, ‘শিশুদের মোবাইল আসক্তি এখন প্রত্যেক ঘরের বাস্তব সমস্যা। এই আসক্তি ভালো নয়—এটা যেমন সত্য, তেমনি বর্তমান বাস্তবতায় কিছু ক্ষেত্রে প্রযুক্তির ওপর নির্ভরশীলতাও বেড়েছে। পরিস্থিতির কারণে স্কুলে যাতায়াতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে পরিবহন ব্যবহার বেড়েছে, যা নিয়ন্ত্রণে আনার কথাও ভাবা হচ্ছে।’
সরকার জনগণের কল্যাণেই বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিচ্ছে উল্লেখ করে ডা. জাহেদ বলেন, সরকার চায় মানুষ ভালো থাকুক, কাজ করুক, আয় করুক। তাতে ভ্যাট ও কর আদায় বাড়বে, যা আবার জনকল্যাণে ব্যয় করা সম্ভব হবে। এ লক্ষ্যে সরকার পরিবার কার্ড, কৃষক কার্ডসহ সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি সম্প্রসারণের পরিকল্পনাও করছে।
সরকারি ব্যয়সংকোচন নীতি প্রসঙ্গে ডা. জাহেদ বলেন, মন্ত্রীদের জ্বালানি বরাদ্দ কমানোর পাশাপাশি কিছু ক্ষেত্রে নতুন সুবিধা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। যেমন—উপসচিব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের জন্য গাড়ি ঋণ সুবিধা আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে প্রশাসন ও বিচার বিভাগে জ্বালানি সুবিধা কমানোর বিষয়টি এখনো পুরোপুরি কার্যকর হয়নি।

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া মাছ বাজারে ৯১ হাজার ৫০০ টাকায় দুটি বড় কাতল মাছ বিক্রি হয়েছে। পদ্মা-যমুনার মোহনায় ধরা পড়া মাছ দুটির একটির ওজন সাড়ে ২৮ কেজি এবং অন্যটি ১৮ কেজি।
৩৫ মিনিট আগে
তেল দিতে দেরি হওয়ায় নাটোরের একটি ফিলিং স্টেশনে ভাঙচুর চালিয়েছেন এক ট্রাকচালক। এ ঘটনার পর থেকে স্টেশনটিতে তেল বিক্রি বন্ধ রাখা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহের শৈলকুপায় বাকিতে চা না দেওয়ায় সংঘর্ষে জড়িয়েছে দু’পক্ষ। এতে আহত হয়েছে অন্তত ১০ জন। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সকালে উপজেলার পৌর খালধারপাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে জ্বালানি তেলের বড় চালান নিয়ে আজ শুক্রবার চারটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাবে। এসব জাহাজে ১ লাখ ৯ হাজার টন ডিজেল ও ২৭ হাজার টন অকটেন রয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে