স্ট্রিম প্রতিবেদক

অর্থপাচার রোধে দেশে ও বিদেশে ৭২ হাজার ৩৪৩ কোটি টাকার সম্পদ জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। আজ সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনার সমাপনী বক্তব্যে তিনি এই তথ্য জানান।
এ সময় তিনি বলেন, ‘ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতে অনিয়ম এবং পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে আনার বিষয়ে অনেকেই মন্তব্য করেছেন। আমি আজ দেশবাসীকে এ সংক্রান্ত দুটি বিষয়ে আশ্বস্ত করতে চাই। একটি হলো, জনগণের টাকা যারা আত্মসাৎ করেছে বা বিদেশে পাচার করেছে তাদের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে। ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১১টি অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত মামলায় দেশে ও বিদেশে প্রায় ৭২ হাজার ৩৪৩ কোটি টাকার সম্পদ জব্দ বা ফ্রিজ করা হয়েছে। বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদ ফিরিয়ে আনতে ইতিমধ্যে ১৩টি দেশে ২৩টি চিঠি পাঠানো হয়েছে। মালয়েশিয়া এবং হংকং-এর সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত হয়েছে। একই সঙ্গে ১১টি অগ্রাধিকার মামলার মধ্যে ছয়টি বড় ঋণগ্রহীতা গ্রুপের বিরুদ্ধে প্রথম ধাপে সিভিল প্রসিডিংস শুরু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ১৫টির বেশি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যাংক আন্তর্জাতিক সম্পদ পুনরুদ্ধার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ৬০টির বেশি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি আমানতকারীদের আশ্বস্ত করতে চাই সাধারণ মানুষের আমানত রক্ষাই সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। একীভূত পাঁচটি ব্যাংকের ব্যক্তিগত আমানতকারীরা তাঁদের চলতি ও সঞ্চয়ী হিসাব থেকে ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত প্রাপ্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। অবশিষ্ট অর্থ ধাপে ধাপে ফেরত দেওয়া হবে। কিডনি ডায়ালাইসিস, ক্যানসারসহ জটিল ও ব্যয়বহুল রোগে আক্রান্ত আমানতকারী এবং হজ সঞ্চয়কারীদের জন্য বিশেষ মানবিক ছাড় রাখা হয়েছে। ডিপিএস হিসাবের ক্ষেত্রে ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত তাৎক্ষণিক উত্তোলনযোগ্য থাকবে এবং বাকি অংশ নিয়ম অনুযায়ী পরিশোধ করা হবে। আমাদের বার্তা স্পষ্ট, যারা জনগণের সম্পদ লুট করেছে, তাদের ছাড় দেওয়া হবে না। অন্যদিকে, আমানতকারীদের আমানতের সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে।’
পুঁজিবাজারের টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে অর্থ বিলে একগুচ্ছ সংশোধনী প্রস্তাব আনা হয়েছে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমি আজ জিরো কুপন বন্ডের আয়কে করমুক্ত রাখার প্রস্তাব করছি, যেকোনো পরিমাণ শেয়ার হস্তান্তরপূর্বক শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হলেই আড়াই শতাংশ কর হ্রাসের প্রস্তাব করছি। আরপিও’র মাধ্যমে ১০ শতাংশ অথবা ততোধিক শেয়ার স্টক এক্সচেঞ্জে কেনাবেচার জন্য অফলোড করা হলে আরও আড়াই শতাংশ কর হ্রাসের প্রস্তাব করছি। লিস্টেড বা নন-লিস্টেড যেকোনো কোম্পানি তাদের সব লেনদেন ব্যাংকিং চ্যানেলে সম্পাদন করলে অতিরিক্ত আড়াই শতাংশ কর সুবিধা প্রদানের প্রস্তাব করছি। এ ছাড়া কোম্পানি করদাতাদের লভ্যাংশের ওপর প্রদেয় করের হার কমিয়ে ২০ শতাংশ এবং ব্যক্তি করদাতাদের লভ্যাংশের ওপর প্রদেয় করের হার কমিয়ে ১৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করছি। মিউচ্যুয়াল ফান্ডের বিনিয়োগের ওপর কর রেয়াত প্রাপ্তির ক্ষেত্রে ৫ লাখ টাকার বিনিয়োগ সীমা প্রত্যাহারের প্রস্তাব করছি।’
আইএমএফের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) হতে সরকার শূন্য হাতে ফিরেছে মর্মে বক্তব্য এসেছে। আমি এ প্রসঙ্গে বলতে চাই, সরকার আইএমএফ হতে শূন্য হাতে ফেরেনি। বরং ফ্যাসিবাদী সরকারের সময়ে গৃহীত প্রোগ্রামের কিছু কিছু শর্ত দেশ ও জনগণের স্বার্থ বিবেচনায় আমাদের কাছে গ্রহণযোগ্য মনে না হওয়ায় আমরা উক্ত প্রোগ্রাম থেকে নিজেরাই বেরিয়ে এসেছি। আমরা দেশ ও জনগণের স্বার্থ বিবেচনায় রেখে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনাক্রমে নতুন প্রোগ্রাম গ্রহণ করব।’
সরকারের প্রধান নীতি সংস্কার বিনিয়ন্ত্রণকরণ জানিয়ে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘আমাদের সরকারের অন্যতম প্রধান নীতি সংস্কার হচ্ছে বিনিয়ন্ত্রণকরণ। এই নীতির মূল লক্ষ্য হচ্ছে অপ্রয়োজনীয় প্রশাসনিক জটিলতা দূর করা, ব্যবসার ব্যয় কমানো এবং রাষ্ট্রকে অনুমোদননির্ভর কাঠামো থেকে সেবানির্ভর কাঠামোয় রূপান্তর করা। আমাদের লক্ষ্য হলো, রাষ্ট্র যেন বিনিয়োগের প্রতিবন্ধক নয় বরং সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করে। দেশীয় বিনিয়োগ বৃদ্ধির পাশাপাশি বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছি। প্রতিটি সেবা প্রদানের সময়সীমা সুনির্দিষ্ট করা হয়েছে, যাতে উদ্যোক্তাদের অনিশ্চয়তার মধ্যে অপেক্ষা করতে না হয়। আমরা এমন একটি অর্থনীতি গড়ে তুলতে চাই, যেখানে তরুণদের প্রধান শক্তি হবে তাদের মেধা, দক্ষতা ও উদ্ভাবনী সক্ষমতা।’
তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী প্রস্তাবিত বাজেট সম্পর্কে যে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেছেন আমি সেই দিকনির্দেশনাসমূহ যুক্তিযুক্ত মনে করছি এবং সংসদের সব সদস্যকে উক্ত নির্দেশনাসমূহ গ্রহণ করার জন্য প্রস্তাব করছি। আমি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট এবং এ সংক্রান্ত বিলসমূহ পাসের জন্য জাতীয় সংসদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।’

অর্থপাচার রোধে দেশে ও বিদেশে ৭২ হাজার ৩৪৩ কোটি টাকার সম্পদ জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। আজ সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনার সমাপনী বক্তব্যে তিনি এই তথ্য জানান।
এ সময় তিনি বলেন, ‘ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতে অনিয়ম এবং পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে আনার বিষয়ে অনেকেই মন্তব্য করেছেন। আমি আজ দেশবাসীকে এ সংক্রান্ত দুটি বিষয়ে আশ্বস্ত করতে চাই। একটি হলো, জনগণের টাকা যারা আত্মসাৎ করেছে বা বিদেশে পাচার করেছে তাদের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে। ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১১টি অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত মামলায় দেশে ও বিদেশে প্রায় ৭২ হাজার ৩৪৩ কোটি টাকার সম্পদ জব্দ বা ফ্রিজ করা হয়েছে। বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদ ফিরিয়ে আনতে ইতিমধ্যে ১৩টি দেশে ২৩টি চিঠি পাঠানো হয়েছে। মালয়েশিয়া এবং হংকং-এর সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত হয়েছে। একই সঙ্গে ১১টি অগ্রাধিকার মামলার মধ্যে ছয়টি বড় ঋণগ্রহীতা গ্রুপের বিরুদ্ধে প্রথম ধাপে সিভিল প্রসিডিংস শুরু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ১৫টির বেশি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যাংক আন্তর্জাতিক সম্পদ পুনরুদ্ধার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ৬০টির বেশি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি আমানতকারীদের আশ্বস্ত করতে চাই সাধারণ মানুষের আমানত রক্ষাই সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। একীভূত পাঁচটি ব্যাংকের ব্যক্তিগত আমানতকারীরা তাঁদের চলতি ও সঞ্চয়ী হিসাব থেকে ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত প্রাপ্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। অবশিষ্ট অর্থ ধাপে ধাপে ফেরত দেওয়া হবে। কিডনি ডায়ালাইসিস, ক্যানসারসহ জটিল ও ব্যয়বহুল রোগে আক্রান্ত আমানতকারী এবং হজ সঞ্চয়কারীদের জন্য বিশেষ মানবিক ছাড় রাখা হয়েছে। ডিপিএস হিসাবের ক্ষেত্রে ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত তাৎক্ষণিক উত্তোলনযোগ্য থাকবে এবং বাকি অংশ নিয়ম অনুযায়ী পরিশোধ করা হবে। আমাদের বার্তা স্পষ্ট, যারা জনগণের সম্পদ লুট করেছে, তাদের ছাড় দেওয়া হবে না। অন্যদিকে, আমানতকারীদের আমানতের সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে।’
পুঁজিবাজারের টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে অর্থ বিলে একগুচ্ছ সংশোধনী প্রস্তাব আনা হয়েছে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমি আজ জিরো কুপন বন্ডের আয়কে করমুক্ত রাখার প্রস্তাব করছি, যেকোনো পরিমাণ শেয়ার হস্তান্তরপূর্বক শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হলেই আড়াই শতাংশ কর হ্রাসের প্রস্তাব করছি। আরপিও’র মাধ্যমে ১০ শতাংশ অথবা ততোধিক শেয়ার স্টক এক্সচেঞ্জে কেনাবেচার জন্য অফলোড করা হলে আরও আড়াই শতাংশ কর হ্রাসের প্রস্তাব করছি। লিস্টেড বা নন-লিস্টেড যেকোনো কোম্পানি তাদের সব লেনদেন ব্যাংকিং চ্যানেলে সম্পাদন করলে অতিরিক্ত আড়াই শতাংশ কর সুবিধা প্রদানের প্রস্তাব করছি। এ ছাড়া কোম্পানি করদাতাদের লভ্যাংশের ওপর প্রদেয় করের হার কমিয়ে ২০ শতাংশ এবং ব্যক্তি করদাতাদের লভ্যাংশের ওপর প্রদেয় করের হার কমিয়ে ১৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করছি। মিউচ্যুয়াল ফান্ডের বিনিয়োগের ওপর কর রেয়াত প্রাপ্তির ক্ষেত্রে ৫ লাখ টাকার বিনিয়োগ সীমা প্রত্যাহারের প্রস্তাব করছি।’
আইএমএফের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) হতে সরকার শূন্য হাতে ফিরেছে মর্মে বক্তব্য এসেছে। আমি এ প্রসঙ্গে বলতে চাই, সরকার আইএমএফ হতে শূন্য হাতে ফেরেনি। বরং ফ্যাসিবাদী সরকারের সময়ে গৃহীত প্রোগ্রামের কিছু কিছু শর্ত দেশ ও জনগণের স্বার্থ বিবেচনায় আমাদের কাছে গ্রহণযোগ্য মনে না হওয়ায় আমরা উক্ত প্রোগ্রাম থেকে নিজেরাই বেরিয়ে এসেছি। আমরা দেশ ও জনগণের স্বার্থ বিবেচনায় রেখে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনাক্রমে নতুন প্রোগ্রাম গ্রহণ করব।’
সরকারের প্রধান নীতি সংস্কার বিনিয়ন্ত্রণকরণ জানিয়ে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘আমাদের সরকারের অন্যতম প্রধান নীতি সংস্কার হচ্ছে বিনিয়ন্ত্রণকরণ। এই নীতির মূল লক্ষ্য হচ্ছে অপ্রয়োজনীয় প্রশাসনিক জটিলতা দূর করা, ব্যবসার ব্যয় কমানো এবং রাষ্ট্রকে অনুমোদননির্ভর কাঠামো থেকে সেবানির্ভর কাঠামোয় রূপান্তর করা। আমাদের লক্ষ্য হলো, রাষ্ট্র যেন বিনিয়োগের প্রতিবন্ধক নয় বরং সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করে। দেশীয় বিনিয়োগ বৃদ্ধির পাশাপাশি বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছি। প্রতিটি সেবা প্রদানের সময়সীমা সুনির্দিষ্ট করা হয়েছে, যাতে উদ্যোক্তাদের অনিশ্চয়তার মধ্যে অপেক্ষা করতে না হয়। আমরা এমন একটি অর্থনীতি গড়ে তুলতে চাই, যেখানে তরুণদের প্রধান শক্তি হবে তাদের মেধা, দক্ষতা ও উদ্ভাবনী সক্ষমতা।’
তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী প্রস্তাবিত বাজেট সম্পর্কে যে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেছেন আমি সেই দিকনির্দেশনাসমূহ যুক্তিযুক্ত মনে করছি এবং সংসদের সব সদস্যকে উক্ত নির্দেশনাসমূহ গ্রহণ করার জন্য প্রস্তাব করছি। আমি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট এবং এ সংক্রান্ত বিলসমূহ পাসের জন্য জাতীয় সংসদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।’
.png)

কক্সবাজারের টেকনাফে বঙ্গোপসাগর থেকে মাছ ধরার একটি ট্রলারসহ পাঁচ রোহিঙ্গা জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মি। রোববার (২৮ জুন) সকালে টেকনাফের উপকূল সংলগ্ন সাগর এলাকা থেকে তাদের ধরে নিয়ে যাওয়া হয়।
১০ মিনিট আগে
‘এক শিক্ষার্থী, এক গাছ’ স্লোগানে সারা দেশের মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একসঙ্গে ২৯ হাজারের বেশি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এই কার্যক্রমের সূচনা করলেন তিনি।
১ ঘণ্টা আগে
সারা দেশে চলমান ভ্যাপসা গরমের মধ্যে কিছুটা স্বস্তির খবর দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। দেশের কয়েকটি জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া মৃদু তাপপ্রবাহ প্রশমিত হতে পারে। আগামী ১০ দিন সারা দেশেই বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়বে, কোথাও কোথাও হতে পারে অতি ভারী বর্ষণ।
২ ঘণ্টা আগে
তিস্তা ব্যারাজ মাস্টারপ্ল্যানকে জাতীয় অগ্রাধিকার প্রকল্প হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান বলেছেন, দেশের পানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং উত্তরাঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে যেকোনো মূল্যে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।
২ ঘণ্টা আগে