স্ট্রিম প্রতিবেদক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা জুলিয়াস সিজার তালুকদারের প্রার্থিতা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে আলোচনার ঝড়। ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে প্রার্থিতার বিষয়ে নিশ্চিত করেন জুলিয়াস সিজার। সিজার এবার ডাকসুতে ভিপি পদে নির্বাচন করার জন্য লড়ছেন।
বিষয়টি জানার পরে প্রতিবাদ জানায় শিক্ষার্থীরা। পরে চিফ রিটার্নিং অফিসার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জসীম উদ্দিনের কাছে লিখিত এবং মৌখিক অভিযোগ জানিয়ে এসেছেন শিক্ষার্থীরা।
ওই সময়েই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে ২০১৯ সালের ডাকসু নির্বাচনের সময় সিজারের সহিংসতার প্রমাণ। তৎকালীন শামসুন্নাহার হলের ভিপি তাসনিম আফরোজ ইমি তাঁর ফেসবুক পোস্টে জানান, ‘এস এম হলে ফরিদ নামের ছেলেটাকে পিটায়ে ছাত্রলীগ হল থেকে বের করে দিলে তার প্রতিবাদ জানাতে যাই আমরা কয়েকজন। তখন এই সিজারের নেতৃত্বে আমাদের ওপর হামলা করা হয়।’ সহিংসতার প্রমাণ হিসেবে তিনি একটি ছবিও সংযুক্ত করেন।
নারী সহযোদ্ধাদের বাঁচাতে গিয়ে সিজারের হামলার শিকার হন ঢাবির সাবেক শিক্ষার্থী আজহার উদ্দীন অনিক। তিনি ২০১৯ সালের একটি পোস্ট শেয়ার করে ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করেন, ‘আমাদের উপরে জুলিয়াস সিজারের হামলার দিন, ৬ বছর আগে। অন্য অনেকের উপরে শুধু ডিম মারা হইলেও আমাদের কয়েকজনকে মাটিতে ফেলে পেটানো এবং লাথি দেওয়া হইছিলো। নারী সহযোদ্ধাদের বাঁচাইতে গিয়ে ঐদিন আমি আর ফয়সাল ভাই সবচেয়ে বেশি মার খেয়েছিলাম যতদূর মনে পড়ে।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিবির সভাপতি সাদিক কায়েম তাঁর ফেসবুক পোস্টে হতাশা প্রকাশ করে উল্লেখ করেন, ‘সিজারের অপরাধের সুস্পষ্ট ডকুমেন্টস থাকা সত্ত্বেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কর্তৃক তাকে মনোনয়নের সুযোগ প্রদান শিক্ষার্থীদেরকে যারপরনাই হতাশ ও ক্ষুব্ধ করেছে।’
অন্যদিকে সিজার তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও বার্তা শেয়ার করে বলেন, ‘ভোটের নির্বাচনই সবচেয়ে বড় আদালত। ভোটার শিক্ষর্থীরাই বিচারক। তাদের ভোটই আমার রায়।’
জুলিয়াস সিজার তালুকদার ২০১৯ সাল থেকে নিরাপত্তা মঞ্চ নামক একটি প্ল্যাটফর্ম পরিচালনা করতেন। শিক্ষার্থীদের নানা আইনি ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করতো প্লাটফর্মটি।
আগামী ৯ সেপ্টেম্বর ডাকসু নির্বাচনের লক্ষে তফসিল ঘোষণা করা হয়। সেখানে নির্বাচন ও ভোটার সংক্রান্ত যাবতীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়। গ্রহণ করা হয় ২০১৮-১৯ সেশনের ভোট সম্পর্কিত সিদ্ধান্তও। সেই মোতাবেক সাধারণ শিক্ষার্থীরা প্রশ্ন তুলছে সিজারের ছাত্রত্ব থাকার বৈধতা নিয়ে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা জুলিয়াস সিজার তালুকদারের প্রার্থিতা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে আলোচনার ঝড়। ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে প্রার্থিতার বিষয়ে নিশ্চিত করেন জুলিয়াস সিজার। সিজার এবার ডাকসুতে ভিপি পদে নির্বাচন করার জন্য লড়ছেন।
বিষয়টি জানার পরে প্রতিবাদ জানায় শিক্ষার্থীরা। পরে চিফ রিটার্নিং অফিসার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জসীম উদ্দিনের কাছে লিখিত এবং মৌখিক অভিযোগ জানিয়ে এসেছেন শিক্ষার্থীরা।
ওই সময়েই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে ২০১৯ সালের ডাকসু নির্বাচনের সময় সিজারের সহিংসতার প্রমাণ। তৎকালীন শামসুন্নাহার হলের ভিপি তাসনিম আফরোজ ইমি তাঁর ফেসবুক পোস্টে জানান, ‘এস এম হলে ফরিদ নামের ছেলেটাকে পিটায়ে ছাত্রলীগ হল থেকে বের করে দিলে তার প্রতিবাদ জানাতে যাই আমরা কয়েকজন। তখন এই সিজারের নেতৃত্বে আমাদের ওপর হামলা করা হয়।’ সহিংসতার প্রমাণ হিসেবে তিনি একটি ছবিও সংযুক্ত করেন।
নারী সহযোদ্ধাদের বাঁচাতে গিয়ে সিজারের হামলার শিকার হন ঢাবির সাবেক শিক্ষার্থী আজহার উদ্দীন অনিক। তিনি ২০১৯ সালের একটি পোস্ট শেয়ার করে ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করেন, ‘আমাদের উপরে জুলিয়াস সিজারের হামলার দিন, ৬ বছর আগে। অন্য অনেকের উপরে শুধু ডিম মারা হইলেও আমাদের কয়েকজনকে মাটিতে ফেলে পেটানো এবং লাথি দেওয়া হইছিলো। নারী সহযোদ্ধাদের বাঁচাইতে গিয়ে ঐদিন আমি আর ফয়সাল ভাই সবচেয়ে বেশি মার খেয়েছিলাম যতদূর মনে পড়ে।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিবির সভাপতি সাদিক কায়েম তাঁর ফেসবুক পোস্টে হতাশা প্রকাশ করে উল্লেখ করেন, ‘সিজারের অপরাধের সুস্পষ্ট ডকুমেন্টস থাকা সত্ত্বেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কর্তৃক তাকে মনোনয়নের সুযোগ প্রদান শিক্ষার্থীদেরকে যারপরনাই হতাশ ও ক্ষুব্ধ করেছে।’
অন্যদিকে সিজার তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও বার্তা শেয়ার করে বলেন, ‘ভোটের নির্বাচনই সবচেয়ে বড় আদালত। ভোটার শিক্ষর্থীরাই বিচারক। তাদের ভোটই আমার রায়।’
জুলিয়াস সিজার তালুকদার ২০১৯ সাল থেকে নিরাপত্তা মঞ্চ নামক একটি প্ল্যাটফর্ম পরিচালনা করতেন। শিক্ষার্থীদের নানা আইনি ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করতো প্লাটফর্মটি।
আগামী ৯ সেপ্টেম্বর ডাকসু নির্বাচনের লক্ষে তফসিল ঘোষণা করা হয়। সেখানে নির্বাচন ও ভোটার সংক্রান্ত যাবতীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়। গ্রহণ করা হয় ২০১৮-১৯ সেশনের ভোট সম্পর্কিত সিদ্ধান্তও। সেই মোতাবেক সাধারণ শিক্ষার্থীরা প্রশ্ন তুলছে সিজারের ছাত্রত্ব থাকার বৈধতা নিয়ে।

রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় তিনজনের মৃত্যুর পর পুলিশের এক উপ-পরিদর্শককে (এসআই) কান ধরিয়ে দাঁড় করিয়ে রাখে স্থানীয় উত্তেজিত জনতা। গত রোববার (২৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় উপজেলার পোল্লাপুকুর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। এ সময় সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকেও (ওসি) অবরুদ্ধ করে রাখা হয়।
৪ মিনিট আগে
দেশের ভেতরে পোস্টাল ব্যালট বিতরণ শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সচিব আখতার আহমেদ। তিনি বলেন, সরকারি চাকরিজীবী, নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারী ও আইনি হেফাজতে থাকা নিবন্ধিত ভোটার– এই তিন শ্রেণির মানুষের হাতে সোমবার থেকে পোস্টাল ব্যালট দেওয়া হচ্ছে।
৩৩ মিনিট আগে
গতকাল রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ওই ঘটনার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। এতে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠের দক্ষিণ-পূর্ব কোনায় প্রায় ৩০ জন কিশোর-তরুণ সারিতে দাঁড়িয়ে কান ধরে উঠবস করছেন। তাঁদের সামনে একটি লাঠি হাতে দাঁড়িয়ে আছেন সর্বমিত্র চাকমা।
১ ঘণ্টা আগে
ডিজিটাল সংযোগ স্থাপন (ইডিসি) প্রকল্পের আওতায় দেশের ১০০টি উপজেলায় ‘উপজেলা সেবা ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র’ উদ্বোধন করা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে