স্ট্রিম প্রতিবেদক

সরকার চালাতে গিয়ে কিছু ভুলত্রুটি হয়, শেখ হাসিনাও করেছেন বলে যুক্তি দিয়েছেন রাষ্ট্রনিযুক্ত শেখ হাসিনার আইনজীবী আমির হোসেন। আজ সোমবার (২০ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ১-এ যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করার সময় তিনি এমন মন্তব্য করেন। এ সময় আইনজীবী আমির হোসেন শেখ হাসিনাকে নিরপরাধ দাবি করেন এবং তাঁর খালাস চান।
শেখ হাসিনার আইনজীবী বলেন, ‘রাষ্ট্রের সঙ্গে পরিবারের একটি মিল আছে। রাষ্ট্রের যিনি প্রধান থাকেন, শুধু শেখ হাসিনাই তো একমাত্র রাষ্ট্রপ্রধান নন, এর আগেও তো অন্যরা ছিলেন, যিনি যখনই থাকেন, রাষ্ট্র প্রধানের অনেক দায়িত্ব থাকে এবং তাঁর একটা চেষ্টা থাকে, রাষ্ট্রকে ভালোভাবে পরিচালনা করা। সেই চেষ্টায় হয়তো কিছু ভুলত্রুটি হতেও পারে। হয়েও যায়। ভালো কাজও তো অনেক সময় খারাপ উদ্যোগে পরিণত হয়।’
এরপর তিনি তুর্কি সিরিজ সুলতান সুলেমানের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ‘সুলতান সুলেমান একজন ভালো শাসক ছিলেন। এই ভালো শাসকের ক্ষেত্রে তারই অনুগত, তারই নিয়োজিত বহু কর্মকর্তাকে তিনি ফাঁসি দিয়েছেন। এই যে ফাঁসিতে ঝুলিয়েছেন, এইটা তার হয়তো বিচক্ষণতার ভুল। আসলে প্রেক্ষাপটা এমন ছিল, এমনভাবে তাকে প্রলুব্ধ করা হয়েছে যে, এটা ফাঁসি দেওয়ার জন্য উপযুক্ত। নাটকের প্রেক্ষাপটে দেখা যায়, সে কোনো ভুলই করে নাই, ফাঁসি দেওয়ার মতো। রাষ্ট্র পরিচালনা করতে গেলেও, পৃথিবীর শুরু থেকেই এরকম সব সময় হয়ে এসেছে। এটা আদি থেকেই হয়ে আসছে। ইরানের বিপ্লবের পর ওই দেশের নেতা খামেনি কিছু কিছু নেতাকে হত্যা করেন নাই? মালয়েশিয়ার রূপকার মাহাথির মোহাম্মদ, তিনি কি কিছু মানুষকে বিচার করে বা না করে হত্যা করেন নাই? এই প্রেক্ষাপটে বলতে চাই, আমার আসামিরা এরকম কিছু করেছে, তা কিন্তু আমি বলছি না। একটি রাষ্ট্র চালাতে গেলে, একটি শাসনব্যবস্থা চালাতে গেলে অনেক কঠোর হতে হয়, সেই কঠোরতার সময় কিছু ভুলত্রুটি হতেই পারে।
এর আগে ১৬ অক্টোবর এ মামলায় প্রসিকিউশনের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়। প্রসিকিউশনের পক্ষে চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম মামলার দুই আসামি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সর্বোচ্চ শাস্তির আবেদন করেন। সেই সঙ্গে আসামিদের অবৈধ সম্পত্তি ক্রোক করে গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানান চিফ প্রসিকিউটর। একইসঙ্গে রাজসাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দেওয়া সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের শাস্তির বিষয়ে আদালতের ওপর ছেড়ে দেন তিনি।
এর আগে, ৮ অক্টোবর প্রসিকিউশনের পক্ষে সর্বশেষ ও ৫৪তম সাক্ষী তদন্ত কর্মকর্তা মো. আলমগীরকে আসামিপক্ষের জেরা শেষ হয়। আসামিরা পলাতক থাকায় আইন অনুযায়ী তাদের পক্ষে সাফাই সাক্ষ্য গ্রহণের সুযোগ নেই। ফলে তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্যগ্রহণের মধ্য দিয়েই এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। এর পরের ধাপই যুক্তিতর্ক উপস্থাপন। উভয় পক্ষের যুক্তিতর্কের পরেই মামলাটি রায়ের দিকে এগিয়ে যাবে। ১২ অক্টোবর থেকে টানা পাঁচদিন প্রসিকিউশন যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করে।
এ মামলায় শেখ হাসিনাসহ তিন জন আসামি। বাকি দুজন হলেন—সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও সাবেক আইজি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন। তবে মামুন পরে রাজসাক্ষী হিসেবে হাসিনা ও কামালের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়েছেন। তাঁর সাক্ষ্য মামলায় অভিযোগ প্রমাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করে প্রসিকিউশন সূত্র।

সরকার চালাতে গিয়ে কিছু ভুলত্রুটি হয়, শেখ হাসিনাও করেছেন বলে যুক্তি দিয়েছেন রাষ্ট্রনিযুক্ত শেখ হাসিনার আইনজীবী আমির হোসেন। আজ সোমবার (২০ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ১-এ যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করার সময় তিনি এমন মন্তব্য করেন। এ সময় আইনজীবী আমির হোসেন শেখ হাসিনাকে নিরপরাধ দাবি করেন এবং তাঁর খালাস চান।
শেখ হাসিনার আইনজীবী বলেন, ‘রাষ্ট্রের সঙ্গে পরিবারের একটি মিল আছে। রাষ্ট্রের যিনি প্রধান থাকেন, শুধু শেখ হাসিনাই তো একমাত্র রাষ্ট্রপ্রধান নন, এর আগেও তো অন্যরা ছিলেন, যিনি যখনই থাকেন, রাষ্ট্র প্রধানের অনেক দায়িত্ব থাকে এবং তাঁর একটা চেষ্টা থাকে, রাষ্ট্রকে ভালোভাবে পরিচালনা করা। সেই চেষ্টায় হয়তো কিছু ভুলত্রুটি হতেও পারে। হয়েও যায়। ভালো কাজও তো অনেক সময় খারাপ উদ্যোগে পরিণত হয়।’
এরপর তিনি তুর্কি সিরিজ সুলতান সুলেমানের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ‘সুলতান সুলেমান একজন ভালো শাসক ছিলেন। এই ভালো শাসকের ক্ষেত্রে তারই অনুগত, তারই নিয়োজিত বহু কর্মকর্তাকে তিনি ফাঁসি দিয়েছেন। এই যে ফাঁসিতে ঝুলিয়েছেন, এইটা তার হয়তো বিচক্ষণতার ভুল। আসলে প্রেক্ষাপটা এমন ছিল, এমনভাবে তাকে প্রলুব্ধ করা হয়েছে যে, এটা ফাঁসি দেওয়ার জন্য উপযুক্ত। নাটকের প্রেক্ষাপটে দেখা যায়, সে কোনো ভুলই করে নাই, ফাঁসি দেওয়ার মতো। রাষ্ট্র পরিচালনা করতে গেলেও, পৃথিবীর শুরু থেকেই এরকম সব সময় হয়ে এসেছে। এটা আদি থেকেই হয়ে আসছে। ইরানের বিপ্লবের পর ওই দেশের নেতা খামেনি কিছু কিছু নেতাকে হত্যা করেন নাই? মালয়েশিয়ার রূপকার মাহাথির মোহাম্মদ, তিনি কি কিছু মানুষকে বিচার করে বা না করে হত্যা করেন নাই? এই প্রেক্ষাপটে বলতে চাই, আমার আসামিরা এরকম কিছু করেছে, তা কিন্তু আমি বলছি না। একটি রাষ্ট্র চালাতে গেলে, একটি শাসনব্যবস্থা চালাতে গেলে অনেক কঠোর হতে হয়, সেই কঠোরতার সময় কিছু ভুলত্রুটি হতেই পারে।
এর আগে ১৬ অক্টোবর এ মামলায় প্রসিকিউশনের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়। প্রসিকিউশনের পক্ষে চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম মামলার দুই আসামি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সর্বোচ্চ শাস্তির আবেদন করেন। সেই সঙ্গে আসামিদের অবৈধ সম্পত্তি ক্রোক করে গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানান চিফ প্রসিকিউটর। একইসঙ্গে রাজসাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দেওয়া সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের শাস্তির বিষয়ে আদালতের ওপর ছেড়ে দেন তিনি।
এর আগে, ৮ অক্টোবর প্রসিকিউশনের পক্ষে সর্বশেষ ও ৫৪তম সাক্ষী তদন্ত কর্মকর্তা মো. আলমগীরকে আসামিপক্ষের জেরা শেষ হয়। আসামিরা পলাতক থাকায় আইন অনুযায়ী তাদের পক্ষে সাফাই সাক্ষ্য গ্রহণের সুযোগ নেই। ফলে তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্যগ্রহণের মধ্য দিয়েই এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। এর পরের ধাপই যুক্তিতর্ক উপস্থাপন। উভয় পক্ষের যুক্তিতর্কের পরেই মামলাটি রায়ের দিকে এগিয়ে যাবে। ১২ অক্টোবর থেকে টানা পাঁচদিন প্রসিকিউশন যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করে।
এ মামলায় শেখ হাসিনাসহ তিন জন আসামি। বাকি দুজন হলেন—সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও সাবেক আইজি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন। তবে মামুন পরে রাজসাক্ষী হিসেবে হাসিনা ও কামালের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়েছেন। তাঁর সাক্ষ্য মামলায় অভিযোগ প্রমাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করে প্রসিকিউশন সূত্র।

পেশাদার খেলোয়াড় তৈরি করতে চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সোমবার (২৭ এপ্রিল) সংসদে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক এই তথ্য জানান।
৫ মিনিট আগে
ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির কারণে বিদ্যুতের চাহিদা কমায় লোডশেডিং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে এসেছে। ফলে দুই সপ্তাহ পর চাহিদার সমান বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হয়েছে। তবে বড় বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো পূর্ণ সক্ষমতায় না ফেরায় ফের তীব্র লোডশেডিংয়ের আশঙ্কা রয়ে গেছে।
৩৩ মিনিট আগে
প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন সৌদি রাষ্ট্রদূত আব্দুল্লাহ জাফর। সোমবার (২৭ এপ্রিল) মন্ত্রণালয়ে এই দ্বিপক্ষীয় সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে অভিবাসন ব্যয় কমানো এবং রিক্রুটিং এজেন্সির নিবন্ধন সহজ করার আহ্বান জানান প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী।
১ ঘণ্টা আগে
রাজধানীসহ সারা দেশে অবৈধ সিসা লাউঞ্জ, মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে ৩০ এপ্রিলের পর সমন্বিত অভিযান চালানো হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ।
১ ঘণ্টা আগে