জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

ও গণভোট

ক্লিক করুন

শৈলকুপায় ভিজিএফের কার্ড নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৫০

স্ট্রিম সংবাদদাতা
স্ট্রিম সংবাদদাতা
ঝিনাইদহ

শৈলকুপায় ভিজিএফের কার্ড নিয়ে সংঘর্ষে আহত একজনকে হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে। স্ট্রিম ছবি

ঝিনাইদহের শৈলকুপায় ভিজিএফের কার্ড নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়িয়েছে দু’পক্ষ। এতে অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) রাতে উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের চরগোলকনগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, ঈদ উপলক্ষে দরিদ্রদের ভিজিএফের চাল দেওয়ার জন্য মির্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদ থেকে কার্ড ইস্যু করা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সায়েম আলীর কাছে সেই কার্ড চান যুবদল কর্মী শামীম হোসেন লস্কর। এ নিয়ে দু’জনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে সন্ধ্যায় স্থানীয় বিএনপি নেতাদের মধ্যস্থতায় একটি সমঝোতা বৈঠক বসে।

অভিযোগ উঠেছে, ওই বৈঠক শেষে বাড়ি ফেরার পথে শামীমের সমর্থকদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় সায়েম মণ্ডলের লোকজন। মুহূর্তের পুরো গ্রাম রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। উভয়পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে রাত ৮টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত দফায় দফায় সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনী লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

সংঘর্ষের পর ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ইটের টুকরা। স্ট্রিম ছবি
সংঘর্ষের পর ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ইটের টুকরা। স্ট্রিম ছবি

যুবদল কর্মী শামীম হোসেন লস্কর বলেন, ‘ওয়ার্ড সভাপতি হিসেবে সায়েম আলীর কাছে অনেকগুলো কার্ড ছিল। আমার কিছু সমর্থকের জন্য কার্ড চাইলে তিনি অত্যন্ত খারাপ ব্যবহার করেন এবং তার লোকজন আমাকে হুমকি দেয়। এরপর সমঝোতা বৈঠকের নামে তারা আমাদের ওপর হামলা করেছে।’

অন্যদিকে ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি সায়েম মন্ডল বলেন, ‘আমি নিয়ম অনুযায়ী সবাইকে কার্ড ভাগ করে দিয়েছি। শামীম যুবদল করে, সে আমার সঙ্গে মূল দল (বিএনপি) করে না, তাই তাকে কার্ড দেইনি।’

শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির মোল্লা জানান, আহতদের শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল ও কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সংঘর্ষ এড়াতে ওই এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন আছে। এ ঘটনায় চারজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

সম্পর্কিত