স্ট্রিম প্রতিবেদক

জাতীয় সংসদ নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে ধর্ষণ, হত্যা, মন্দিরে ককটেল বিস্ফোরণ, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট এবং আদিবাসীদের ওপর সাম্প্রদায়িক হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শুক্রবার (১৩ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এই মানববন্ধনের আয়োজন করে ‘বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ’।
বিক্ষোভ মিছিল চলাকালে আন্দোলনকারীরা ‘আমার মাটি আমার মা, বাংলাদেশ ছাড়ব না’, ‘দিয়েছি তো রক্ত, আরও দেব রক্ত’, ‘কথায় কথায় বাংলা ছাড়, বাংলা কি তোর বাপ-দাদার’, ‘মৌলবাদের আস্তানা, ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও’—প্রভৃতি স্লোগান দেন। মানববন্ধনে বক্তারা দেশজুড়ে চলমান ধর্ষণ ও হত্যা বন্ধের দাবি জানান। তাঁরা বলেন, মৌলবাদ দমন করে সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়তে হবে এবং এই দায়িত্ব নবনির্বাচিত সরকারকেই নিতে হবে।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ‘বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট’-এর সাধারণ সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় কুমার রায় স্ট্রিমকে বলেন, “গত ২২ ফেব্রুয়ারি ভোলায় একজন বাকপ্রতিবন্ধী হিন্দু নারীকে দুর্বৃত্তরা তুলে নিয়ে পাশবিক নির্যাতন করল। গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে কুড়াল দিয়ে একজনকে আঘাত করা হলো। গত ৬ ও ৭ তারিখে—প্রায় ১৪ ঘণ্টার ব্যবধানে সানিয়াকান্দিতে ঘটনাগুলো ঘটল। আমরা এই যে পৌনঃপুনিক ঘটনার পরম্পরা দেখতে পাচ্ছি, এটি আর কতদিন চলবে?”
তিনি আরও বলেন, “১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে এ দেশের মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান মিলে এই দেশকে স্বাধীন করেছি। সুতরাং সেই সামাজিক ন্যায়বিচার, সুশাসন ও সাম্য, যার ভিত্তিতে আমরা মুক্তিযুদ্ধ করেছিলাম—সেই শাসন যেন বিরাজমান হয়। ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে যে বৈষম্যবিহীন রাজনীতির কথা বলা হয়েছে, তার মাধ্যমে এখানে যেন সবার জন্য একটি নিরাপদ দেশ ও সুশাসন বিরাজ করে—সেই দাবি আমরা জানাচ্ছি।” তিনি আরও যোগ করেন, সরকার যেন এসব ঘটনা শক্ত হাতে নিয়ন্ত্রণ করে এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে আর্থিক পুনর্বাসনের পাশাপাশি অপরাধীদের কঠিন শাস্তির ব্যবস্থা করে।
‘বিশ্ব হিন্দু ফেডারেশন (বাংলাদেশ)’-এর সভাপতি বরুণ চন্দ্র সরকার বলেন, “আমরা আজকে যে আন্দোলনে এসেছি, এটি কোনো রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে নয়, সরকারের বিরুদ্ধেও নয়। এই প্রতিবাদ খুন, ধর্ষণ, রাহাজানি ও অগ্নিসংযোগের বিরুদ্ধে। আমরা সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি যেন আমাদের এই দাবিগুলো গুরুত্ব দিয়ে সমাধান করা হয়।” তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, “যদি এসব দমন করা না হয়, তবে বিশ্বজুড়ে বাংলাদেশের নেতিবাচক ভাবমূর্তি তৈরি হবে। আমরা শান্তিপূর্ণ দেশের মানুষ, আমরা সবাই মিলে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে থাকতে চাই।”

জাতীয় সংসদ নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে ধর্ষণ, হত্যা, মন্দিরে ককটেল বিস্ফোরণ, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট এবং আদিবাসীদের ওপর সাম্প্রদায়িক হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শুক্রবার (১৩ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এই মানববন্ধনের আয়োজন করে ‘বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ’।
বিক্ষোভ মিছিল চলাকালে আন্দোলনকারীরা ‘আমার মাটি আমার মা, বাংলাদেশ ছাড়ব না’, ‘দিয়েছি তো রক্ত, আরও দেব রক্ত’, ‘কথায় কথায় বাংলা ছাড়, বাংলা কি তোর বাপ-দাদার’, ‘মৌলবাদের আস্তানা, ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও’—প্রভৃতি স্লোগান দেন। মানববন্ধনে বক্তারা দেশজুড়ে চলমান ধর্ষণ ও হত্যা বন্ধের দাবি জানান। তাঁরা বলেন, মৌলবাদ দমন করে সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়তে হবে এবং এই দায়িত্ব নবনির্বাচিত সরকারকেই নিতে হবে।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ‘বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট’-এর সাধারণ সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় কুমার রায় স্ট্রিমকে বলেন, “গত ২২ ফেব্রুয়ারি ভোলায় একজন বাকপ্রতিবন্ধী হিন্দু নারীকে দুর্বৃত্তরা তুলে নিয়ে পাশবিক নির্যাতন করল। গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে কুড়াল দিয়ে একজনকে আঘাত করা হলো। গত ৬ ও ৭ তারিখে—প্রায় ১৪ ঘণ্টার ব্যবধানে সানিয়াকান্দিতে ঘটনাগুলো ঘটল। আমরা এই যে পৌনঃপুনিক ঘটনার পরম্পরা দেখতে পাচ্ছি, এটি আর কতদিন চলবে?”
তিনি আরও বলেন, “১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে এ দেশের মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান মিলে এই দেশকে স্বাধীন করেছি। সুতরাং সেই সামাজিক ন্যায়বিচার, সুশাসন ও সাম্য, যার ভিত্তিতে আমরা মুক্তিযুদ্ধ করেছিলাম—সেই শাসন যেন বিরাজমান হয়। ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে যে বৈষম্যবিহীন রাজনীতির কথা বলা হয়েছে, তার মাধ্যমে এখানে যেন সবার জন্য একটি নিরাপদ দেশ ও সুশাসন বিরাজ করে—সেই দাবি আমরা জানাচ্ছি।” তিনি আরও যোগ করেন, সরকার যেন এসব ঘটনা শক্ত হাতে নিয়ন্ত্রণ করে এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে আর্থিক পুনর্বাসনের পাশাপাশি অপরাধীদের কঠিন শাস্তির ব্যবস্থা করে।
‘বিশ্ব হিন্দু ফেডারেশন (বাংলাদেশ)’-এর সভাপতি বরুণ চন্দ্র সরকার বলেন, “আমরা আজকে যে আন্দোলনে এসেছি, এটি কোনো রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে নয়, সরকারের বিরুদ্ধেও নয়। এই প্রতিবাদ খুন, ধর্ষণ, রাহাজানি ও অগ্নিসংযোগের বিরুদ্ধে। আমরা সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি যেন আমাদের এই দাবিগুলো গুরুত্ব দিয়ে সমাধান করা হয়।” তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, “যদি এসব দমন করা না হয়, তবে বিশ্বজুড়ে বাংলাদেশের নেতিবাচক ভাবমূর্তি তৈরি হবে। আমরা শান্তিপূর্ণ দেশের মানুষ, আমরা সবাই মিলে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে থাকতে চাই।”

গণমাধ্যমের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
৫ মিনিট আগে
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও মির্জা আব্বাসকে দেখতে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে গেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিএনপির এ জ্যেষ্ঠ নেতা প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টাও।
১৭ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তিন দিন আগে (৯ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্বাক্ষরিত বাণিজ্য ও বিনিয়োগ চুক্তিকে ‘অসম’, ‘ঔপনিবেশিক দাসত্বের দলিল’ এবং ‘সংবিধান পরিপন্থী’ বলে আখ্যায়িত করেছে ‘গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি’।
১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার হিসেবে ব্যারিস্টার কায়সার কামালের দায়িত্ব গ্রহণ নিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়।
১ ঘণ্টা আগে