স্ট্রিম প্রতিবেদক

নতুন অর্থবছরের বাজেটকে ধন্যবাদ না জানানোয় বিরোধী দলকে চোখ, কান ও মন পরিষ্কার করার আহ্বান জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
আজ বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট বক্তৃতায় অংশ নিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান।
আইনমন্ত্রী বলেন, ‘এবারের বাজেট দেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন। উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, সামাজিক সুরক্ষা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেওয়ার রূপরেখা এতে তুলে ধরা হয়েছে। কিন্তু যাঁরা এ বাজেটকে ধন্যবাদ জানাতে পারেননি তাঁদের বলব—হয় আপনাদের মনটা পরিষ্কার করেন, না হয় চোখটা পরিষ্কার করেন, আর না হয় কানটা পরিষ্কার করেন। বাজেট যখন উপস্থাপিত হয় তখন দেখেছি বিরোধী দলের অনেক বন্ধু হাততালি দিয়েছেন। তাঁরা হাততালি দিয়েছিলেন কারণ তাঁদের বিবেক জাগ্রত হয়েছে। আর অনেক বন্ধু নির্জীব হয়ে বসে ছিলেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিরোধী দলের বন্ধুরা একটা ছায়া বাজেট দিয়েছিলেন। সেই ছায়া বাজেট যেসব খাতে দেওয়া হয়েছে, সেটার সঙ্গে আমাদেরটা মেলালে যাঁরা বাজেট পর্যালোচনা করেন তাঁরা বুঝবেন, ছায়া বাজেট এ বাজেটের ধারেকাছেও নেই। এবারের বাজেটে যাঁরা মদ খান, তাঁদের জন্য কম পয়সায় মদ খাওয়ার ব্যবস্থা নেই; যাঁরা সিগারেট খান, নিকোটিন খান, তাঁদের কম পয়সায় সিগারেট কিংবা নিকোটিন খাওয়ার পথ রুদ্ধ করা হয়েছে।’
আইনমন্ত্রী বলেন, ‘একসময় বাজেট উপস্থাপনের পর গরিব মারা বাজেট কিংবা বড়লোকের বাজেট বলে সমালোচনা করা হতো। কিন্তু এবারের বাজেটকে ঘিরে তেমন কোনো নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি। কারণ, এই বাজেট গরিব, মধ্যবিত্ত, প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, ব্যবসায়ী ও কর্মপ্রত্যাশী তরুণদের স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়ে প্রণয়ন করা হয়েছে। সরকারের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনার ধারাবাহিকতায় এ বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। এটি কোনো এক দিনের চিন্তার ফল নয়, বরং দেশের উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দীর্ঘদিনের পরিকল্পনার বাস্তব প্রতিফলন।’
তিনি বলেন, ‘যে জাতি স্বপ্ন দেখতে পারে না, সে জাতি এগিয়ে যেতে পারে না। উচ্চাভিলাষ ছাড়া উন্নয়ন সম্ভব নয়। বাংলাদেশকে একটি শক্তিশালী ও স্বনির্ভর রাষ্ট্রে পরিণত করতে হলে বড় লক্ষ্য নিয়ে এগোতে হবে। প্রস্তাবিত বাজেটে কৃষি খাতে ভর্তুকি অব্যাহত রাখা হয়েছে। কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড, উৎপাদন বৃদ্ধির উদ্যোগ এবং বিভিন্ন সহায়তা কর্মসূচি রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতা বাড়িয়ে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় সরকারি সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সরকার দায়িত্ব গ্রহণের সময় নানা অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে। অর্থ পাচার, ব্যাংক খাতের দুর্বলতা এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেও সরকার একটি বাস্তবমুখী ও উন্নয়নবান্ধব বাজেট প্রণয়ন করেছে। কর্মসংস্থান বৃদ্ধির জন্য খাল ও নদী পুনঃখনন, ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি এবং অন্যান্য উন্নয়ন কর্মকাণ্ড গ্রহণ করা হয়েছে। এসব উদ্যোগ নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে।’

নতুন অর্থবছরের বাজেটকে ধন্যবাদ না জানানোয় বিরোধী দলকে চোখ, কান ও মন পরিষ্কার করার আহ্বান জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
আজ বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট বক্তৃতায় অংশ নিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান।
আইনমন্ত্রী বলেন, ‘এবারের বাজেট দেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন। উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, সামাজিক সুরক্ষা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেওয়ার রূপরেখা এতে তুলে ধরা হয়েছে। কিন্তু যাঁরা এ বাজেটকে ধন্যবাদ জানাতে পারেননি তাঁদের বলব—হয় আপনাদের মনটা পরিষ্কার করেন, না হয় চোখটা পরিষ্কার করেন, আর না হয় কানটা পরিষ্কার করেন। বাজেট যখন উপস্থাপিত হয় তখন দেখেছি বিরোধী দলের অনেক বন্ধু হাততালি দিয়েছেন। তাঁরা হাততালি দিয়েছিলেন কারণ তাঁদের বিবেক জাগ্রত হয়েছে। আর অনেক বন্ধু নির্জীব হয়ে বসে ছিলেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিরোধী দলের বন্ধুরা একটা ছায়া বাজেট দিয়েছিলেন। সেই ছায়া বাজেট যেসব খাতে দেওয়া হয়েছে, সেটার সঙ্গে আমাদেরটা মেলালে যাঁরা বাজেট পর্যালোচনা করেন তাঁরা বুঝবেন, ছায়া বাজেট এ বাজেটের ধারেকাছেও নেই। এবারের বাজেটে যাঁরা মদ খান, তাঁদের জন্য কম পয়সায় মদ খাওয়ার ব্যবস্থা নেই; যাঁরা সিগারেট খান, নিকোটিন খান, তাঁদের কম পয়সায় সিগারেট কিংবা নিকোটিন খাওয়ার পথ রুদ্ধ করা হয়েছে।’
আইনমন্ত্রী বলেন, ‘একসময় বাজেট উপস্থাপনের পর গরিব মারা বাজেট কিংবা বড়লোকের বাজেট বলে সমালোচনা করা হতো। কিন্তু এবারের বাজেটকে ঘিরে তেমন কোনো নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি। কারণ, এই বাজেট গরিব, মধ্যবিত্ত, প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, ব্যবসায়ী ও কর্মপ্রত্যাশী তরুণদের স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়ে প্রণয়ন করা হয়েছে। সরকারের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনার ধারাবাহিকতায় এ বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। এটি কোনো এক দিনের চিন্তার ফল নয়, বরং দেশের উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দীর্ঘদিনের পরিকল্পনার বাস্তব প্রতিফলন।’
তিনি বলেন, ‘যে জাতি স্বপ্ন দেখতে পারে না, সে জাতি এগিয়ে যেতে পারে না। উচ্চাভিলাষ ছাড়া উন্নয়ন সম্ভব নয়। বাংলাদেশকে একটি শক্তিশালী ও স্বনির্ভর রাষ্ট্রে পরিণত করতে হলে বড় লক্ষ্য নিয়ে এগোতে হবে। প্রস্তাবিত বাজেটে কৃষি খাতে ভর্তুকি অব্যাহত রাখা হয়েছে। কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড, উৎপাদন বৃদ্ধির উদ্যোগ এবং বিভিন্ন সহায়তা কর্মসূচি রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতা বাড়িয়ে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় সরকারি সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সরকার দায়িত্ব গ্রহণের সময় নানা অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে। অর্থ পাচার, ব্যাংক খাতের দুর্বলতা এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেও সরকার একটি বাস্তবমুখী ও উন্নয়নবান্ধব বাজেট প্রণয়ন করেছে। কর্মসংস্থান বৃদ্ধির জন্য খাল ও নদী পুনঃখনন, ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি এবং অন্যান্য উন্নয়ন কর্মকাণ্ড গ্রহণ করা হয়েছে। এসব উদ্যোগ নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে।’
.png)
-64ec3b.jpeg)
অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশকে পুনর্গঠনে বর্তমান সরকার দিন-রাত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তবে মাত্র ছয় মাস বয়সী একটি গণতান্ত্রিক সরকারের পক্ষে রাতারাতি সব সংকট জাদু দিয়ে সমাধান করা অবাস্তব বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
৩৫ মিনিট আগে
সাতক্ষীরার তালায় চিকিৎসক দেখানোর কথা বলে নিয়ে গৃহবধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় গতকাল শুক্রবার রাতে দুই যুবক ও তাদের সহযোগী এক নারীর বিরুদ্ধে তালা থানায় মামলা করেছেন ভুক্তভোগী।
১ ঘণ্টা আগে-9002dc.jpeg)
সংসারের অভাব দূর করার লক্ষ্যে সীতাকুণ্ডের ফেরদৌস স্টিল শিপব্রেকিং ইয়ার্ডে চাকরি নিয়েছিলেন গাইবান্ধার রানা মিয়া (২৩) ও খোকন মিয়া (২৬)। কিন্তু শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকালে গ্যাস বিষক্রিয়ার ঘটনায় প্রাণ হারান তারা। দুজনের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে শেষ হয়ে গেল দুটি পরিবারের স্বচ্ছলতায় ফেরার আশা।
১ ঘণ্টা আগে
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ১৫ আগস্ট উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের জন্য ভোজের আয়োজন করা হয়েছে। ভোজে গরুর নাম ‘বাকশাল’ রেখে জবাই করা হয়। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মারের নেতৃত্বে হওয়া এ আয়োজন ঘিরে সমালোচনা দেখা দিয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে