স্ট্রিম প্রতিবেদক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ভিপি পদের প্রার্থিতা ফিরে পেতে জুলিয়াস সিজার তালুকদারের করা রিট সরাসরি খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।
আজ সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) রিটের শুনানি শেষে বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া এবং বিচারপতি বিশ্বজিৎ দেবনাথের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী সরদার আবুল হোসেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী শিশির মনির। আদেশের পর শিশিরি মনির বলেন, ‘রিটটি সরাসরি খারিজ করেছেন হাইকোর্ট। ফলে জুলিয়াস সিজারের প্রার্থিতা বাতিলই থাকবে। এরই মধ্যে ডাকসু নির্বাচনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আশা করি, কাল উৎসবমুখর পরিবেশে ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।’
এর আগে ৩১ আগস্ট হাইকোর্টে একটি রিট করেন সিজার, সেটি আদালত কার্যতালিকা থেকে বাদ দেয়। এরপর তিনি আবার এই রিট করেন।
ডাকসু নির্বাচনে মো. জুলিয়াস সিজার তালুকদার ভিপি প্রার্থী ছিলেন। বাছাই শেষে ২৬ আগস্ট নির্বাচন কমিশন ডাকসু নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে। চূড়ান্ত তালিকায় ভিপি প্রার্থী হিসেবে জুলিয়াস সিজার তালুকদারের নাম ছিল। তার ব্যালট নম্বর ছিল ২৬।
চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পর সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের হাউজ টিউটর ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা নির্বাচন কমিশনে জুলিয়াস সিজার তালুকদারের বিরুদ্ধে নিষিদ্ধ সন্ত্রাসী সংগঠন ছাত্রলীগে সম্পৃক্ততার অভিযোগ তোলেন। পরে অভিযোগের বিষয়ে নির্বাচনি আপিল ট্রাইব্যুনালে শুনানি হয়। কিন্তু নির্বাচনি আপিল ট্রাইব্যুনাল তাঁর প্রার্থিতার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত না দিয়ে নির্বাচন কমিশনে সুপারিশ পাঠায়। সেই সুপারিশের ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশন জুলিয়াস সিজারের প্রার্থিতা ও ব্যালট নম্বর বাদ দেয়।
অভিযোগের বিষয়ে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দেওয়ার কথা উল্লেখ করে ২৭ আগস্ট চিফ রিটার্নিং অফিসারকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠান জুলিয়াস সিজার তালুকদার। সাড়া না পেয়ে প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার নির্দেশনা চেয়ে ৩১ আগস্ট হাইকোর্টে রিট আবেদন দায়ের করেন তিনি।
উল্লেখ্য, ডাকসু নির্বাচনে জিএস প্রার্থী এসএম ফরহাদের প্রার্থিতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে দায়ের করা রিট এবং এর পরিপ্রেক্ষিতে দেওয়া আদেশের বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে নিষ্পত্তি হয়েছে। আগামীকাল ডাকসু নির্বাচনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ভিপি পদের প্রার্থিতা ফিরে পেতে জুলিয়াস সিজার তালুকদারের করা রিট সরাসরি খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।
আজ সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) রিটের শুনানি শেষে বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া এবং বিচারপতি বিশ্বজিৎ দেবনাথের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী সরদার আবুল হোসেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী শিশির মনির। আদেশের পর শিশিরি মনির বলেন, ‘রিটটি সরাসরি খারিজ করেছেন হাইকোর্ট। ফলে জুলিয়াস সিজারের প্রার্থিতা বাতিলই থাকবে। এরই মধ্যে ডাকসু নির্বাচনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আশা করি, কাল উৎসবমুখর পরিবেশে ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।’
এর আগে ৩১ আগস্ট হাইকোর্টে একটি রিট করেন সিজার, সেটি আদালত কার্যতালিকা থেকে বাদ দেয়। এরপর তিনি আবার এই রিট করেন।
ডাকসু নির্বাচনে মো. জুলিয়াস সিজার তালুকদার ভিপি প্রার্থী ছিলেন। বাছাই শেষে ২৬ আগস্ট নির্বাচন কমিশন ডাকসু নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে। চূড়ান্ত তালিকায় ভিপি প্রার্থী হিসেবে জুলিয়াস সিজার তালুকদারের নাম ছিল। তার ব্যালট নম্বর ছিল ২৬।
চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পর সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের হাউজ টিউটর ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা নির্বাচন কমিশনে জুলিয়াস সিজার তালুকদারের বিরুদ্ধে নিষিদ্ধ সন্ত্রাসী সংগঠন ছাত্রলীগে সম্পৃক্ততার অভিযোগ তোলেন। পরে অভিযোগের বিষয়ে নির্বাচনি আপিল ট্রাইব্যুনালে শুনানি হয়। কিন্তু নির্বাচনি আপিল ট্রাইব্যুনাল তাঁর প্রার্থিতার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত না দিয়ে নির্বাচন কমিশনে সুপারিশ পাঠায়। সেই সুপারিশের ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশন জুলিয়াস সিজারের প্রার্থিতা ও ব্যালট নম্বর বাদ দেয়।
অভিযোগের বিষয়ে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দেওয়ার কথা উল্লেখ করে ২৭ আগস্ট চিফ রিটার্নিং অফিসারকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠান জুলিয়াস সিজার তালুকদার। সাড়া না পেয়ে প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার নির্দেশনা চেয়ে ৩১ আগস্ট হাইকোর্টে রিট আবেদন দায়ের করেন তিনি।
উল্লেখ্য, ডাকসু নির্বাচনে জিএস প্রার্থী এসএম ফরহাদের প্রার্থিতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে দায়ের করা রিট এবং এর পরিপ্রেক্ষিতে দেওয়া আদেশের বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে নিষ্পত্তি হয়েছে। আগামীকাল ডাকসু নির্বাচনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে সামাজিক অবকাঠামো খাতে প্রায় ২ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করেছে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
২৫ মিনিট আগে
প্রস্তাবিত বাজেটে সামগ্রিক ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা। আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে উপস্থাপিত বাজেট প্রস্তাবের আয় ও ব্যয়ের হিসাব বিশ্লেষণ করে এই তথ্য পাওয়া গেছে।
২৫ মিনিট আগে
প্রস্তাবিত বাজেটে বেসরকারি খাতের কর্মীদের জন্য সর্বজনীন পেনশন ফান্ডের আওতায় অবসরের সময়ে মোট অর্থের ৩০ শতাংশ গ্র্যাচুইটি বা আনুতোষিক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
৩৬ মিনিট আগে
সুনীল অর্থনীতি বা ‘ব্লু ইকোনমি’কে কাজে লাগিয়ে ২০৩০ সালের মধ্যে মৎস্য রপ্তানি আয় ১ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার উচ্চাকাঙ্ক্ষী লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে।
৪৩ মিনিট আগে