সরেজমিন
স্ট্রিম প্রতিবেদক

বাসভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ১১ পয়সা বাড়লেও তা এখনও কার্যকর হয়নি। মালিকরা নতুন তালিকা না দেওয়ায় আগের ভাড়াই নিচ্ছেন পরিবহন শ্রমিকরা। তবে যাত্রীদের আশঙ্কা, বাসমালিকরা দ্রুতই এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করবেন। মূল চিন্তা, সরকার নির্ধারিত ভাড়ার বেশি আদায় করে কিনা তা নিয়ে।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সরেজমিনে রাজধানীর মিরপুর-১, ১০, শেওড়াপাড়া, কাজিপাড়া, আগারগাঁও, ফার্মগেট ও কারওয়ান বাজার এলাকায় এ চিত্র দেখা গেছে।
এসব এলাকায় চলাচল করা বাসচালক ও তাদের সহকারীরা জানান, মালিকপক্ষ এখনো নতুন ভাড়ার তালিকা তৈরি করেনি। সেই তালিকা পেলে নতুন ভাড়া নেওয়া শুরু করবেন।
লাব্বাইক পরিবহনের এক বাসচালকের সহকারী জসিম স্ট্রিমকে বলেন, ‘এখনো আগের ভাড়ায় যাত্রী নেওয়া হচ্ছে। ভাড়া কী বাড়াবে, আমাদের আয় তো আর বাড়ছে না। যাত্রীরাও বেশি ভাড়া দিতে চায় না। এজন্য এখনো আগের ভাড়া নিচ্ছি।’
একই কথা জানিয়ে মিরপুর-১২ থেকে গুলিস্তান অভিমুখী বিহঙ্গ পরিবহনের চালকের সহকারী মানিক বলেন, ‘ভাড়া পরিবর্তন হয়নি, একই রয়েছে। মালিক এখনো কোনো সিদ্ধান্ত জানাননি। তাই আমরা আগের ভাড়াই নিচ্ছি।’
এদিকে তেলের দামের চেয়ে পাম্পের লাইন বেশি ভোগাচ্ছে জানিয়ে প্রজাপতি পরিবহনের চালক হিমেল স্ট্রিমকে বলেন, এখনো তেলের জন্য পাম্পেই যাচ্ছে ৪ থেকে ১০ ঘণ্টা। এরপরও অনেক সময় তেল পাওয়া যায় না। এর সমাধান হওয়াটা দরকার।
তবে ভাড়া বাড়ানোর পক্ষে মত দিয়ে দেওয়ান পরিবহনের চালক ইয়াসিন বলেন, ‘যখন তেলের দাম ১১৪ টাকা লিটার ছিল, তখন যে ভাড়া নির্ধারণ করা ছিল, এখনো সেই একই ভাড়া রয়েছে। পরে তেলের দাম ১১৫ টাকা লিটার হয়েছে। কিন্তু ভাড়া আর বাড়ানো হয়নি। এখন ভাড়া বাড়ানো প্রয়োজন।’
দুশ্চিন্তায় যাত্রীরা
এখনও আগের ভাড়া থাকলেও চিন্তা শুরু হয়ে গেছে যাত্রীদের। রাজধানীর বিভিন্ন রুটের যাত্রীদের ভাষ্য, বাসভাড়া একবার বাড়ানো হলে আর কমান না মালিকেরা। আবার সরকার যে ১১ পয়সা বাড়িয়েছে ভাড়া আদায়ের সময় নেওয়া হবে এরচেয়ে আরও বেশি। এতে অন্যান্য পণ্যের দামও বেড়ে যায়। সব কিছুর মূল্যই আকাশচুম্বি হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।
আগারগাঁওয়ের বাসিন্দা রেজাউল করিম মুন্না বলেন, ‘প্রতিটা পণ্যের দাম বেড়েছে। এতেই আমাদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। এখন আবার বাসভাড়াও বাড়ানো হবে বলছে। তখন তো চলাফেরা করাই কঠিন হয়ে যাবে।’
তেলের দাম কমার সঙ্গে সঙ্গে বাস ভাড়াও যেন কমে সেই কথা জানিয়ে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সুমন রহমান স্ট্রিমকে বলেন, ‘তেলের দাম যা বেড়েছে, সেই আনুপাতে ভাড়া বাড়ুক। তবে যখন তেলের দাম কমে যাবে, তখন আবার এটাকে কমাতে হবে।’

বাসভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ১১ পয়সা বাড়লেও তা এখনও কার্যকর হয়নি। মালিকরা নতুন তালিকা না দেওয়ায় আগের ভাড়াই নিচ্ছেন পরিবহন শ্রমিকরা। তবে যাত্রীদের আশঙ্কা, বাসমালিকরা দ্রুতই এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করবেন। মূল চিন্তা, সরকার নির্ধারিত ভাড়ার বেশি আদায় করে কিনা তা নিয়ে।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সরেজমিনে রাজধানীর মিরপুর-১, ১০, শেওড়াপাড়া, কাজিপাড়া, আগারগাঁও, ফার্মগেট ও কারওয়ান বাজার এলাকায় এ চিত্র দেখা গেছে।
এসব এলাকায় চলাচল করা বাসচালক ও তাদের সহকারীরা জানান, মালিকপক্ষ এখনো নতুন ভাড়ার তালিকা তৈরি করেনি। সেই তালিকা পেলে নতুন ভাড়া নেওয়া শুরু করবেন।
লাব্বাইক পরিবহনের এক বাসচালকের সহকারী জসিম স্ট্রিমকে বলেন, ‘এখনো আগের ভাড়ায় যাত্রী নেওয়া হচ্ছে। ভাড়া কী বাড়াবে, আমাদের আয় তো আর বাড়ছে না। যাত্রীরাও বেশি ভাড়া দিতে চায় না। এজন্য এখনো আগের ভাড়া নিচ্ছি।’
একই কথা জানিয়ে মিরপুর-১২ থেকে গুলিস্তান অভিমুখী বিহঙ্গ পরিবহনের চালকের সহকারী মানিক বলেন, ‘ভাড়া পরিবর্তন হয়নি, একই রয়েছে। মালিক এখনো কোনো সিদ্ধান্ত জানাননি। তাই আমরা আগের ভাড়াই নিচ্ছি।’
এদিকে তেলের দামের চেয়ে পাম্পের লাইন বেশি ভোগাচ্ছে জানিয়ে প্রজাপতি পরিবহনের চালক হিমেল স্ট্রিমকে বলেন, এখনো তেলের জন্য পাম্পেই যাচ্ছে ৪ থেকে ১০ ঘণ্টা। এরপরও অনেক সময় তেল পাওয়া যায় না। এর সমাধান হওয়াটা দরকার।
তবে ভাড়া বাড়ানোর পক্ষে মত দিয়ে দেওয়ান পরিবহনের চালক ইয়াসিন বলেন, ‘যখন তেলের দাম ১১৪ টাকা লিটার ছিল, তখন যে ভাড়া নির্ধারণ করা ছিল, এখনো সেই একই ভাড়া রয়েছে। পরে তেলের দাম ১১৫ টাকা লিটার হয়েছে। কিন্তু ভাড়া আর বাড়ানো হয়নি। এখন ভাড়া বাড়ানো প্রয়োজন।’
দুশ্চিন্তায় যাত্রীরা
এখনও আগের ভাড়া থাকলেও চিন্তা শুরু হয়ে গেছে যাত্রীদের। রাজধানীর বিভিন্ন রুটের যাত্রীদের ভাষ্য, বাসভাড়া একবার বাড়ানো হলে আর কমান না মালিকেরা। আবার সরকার যে ১১ পয়সা বাড়িয়েছে ভাড়া আদায়ের সময় নেওয়া হবে এরচেয়ে আরও বেশি। এতে অন্যান্য পণ্যের দামও বেড়ে যায়। সব কিছুর মূল্যই আকাশচুম্বি হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।
আগারগাঁওয়ের বাসিন্দা রেজাউল করিম মুন্না বলেন, ‘প্রতিটা পণ্যের দাম বেড়েছে। এতেই আমাদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। এখন আবার বাসভাড়াও বাড়ানো হবে বলছে। তখন তো চলাফেরা করাই কঠিন হয়ে যাবে।’
তেলের দাম কমার সঙ্গে সঙ্গে বাস ভাড়াও যেন কমে সেই কথা জানিয়ে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সুমন রহমান স্ট্রিমকে বলেন, ‘তেলের দাম যা বেড়েছে, সেই আনুপাতে ভাড়া বাড়ুক। তবে যখন তেলের দাম কমে যাবে, তখন আবার এটাকে কমাতে হবে।’

২০২৬-২৭ বাজেটে ৬৫ বছরের বেশি বয়সী নাগরিকদের জন্য বিনামূল্যে ট্রেনে যাতায়াতের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া, মেট্রোরেলে এসব নাগরিকদের ২৫ শতাংশ ছাড় দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।
৭ মিনিট আগে
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটকে গণবিরোধী আখ্যা দিয়ে এর প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। জাতীয় সংসদে বাজেট পেশ করার পর আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সন্ধ্যায় রাজধানীতে পৃথক সমাবেশ করেছে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ও উত্তর জামায়াত।
১৫ মিনিট আগে
স্বর্ণালংকার কেনার খরচ কমাতে বাজেটে বড় ছাড়ের প্রস্তাব দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট তিনি সোনা ও স্বর্ণালংকার কেনাবেচায় ভ্যাট এবং উৎসে কর কমানোর প্রস্তাব দেন।
১৫ মিনিট আগে
আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৪ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে ইসির জন্য বরাদ্দ ছিলো ৪ হাজার ৩৪৬ কোটি টাকা। আগামী অর্থবছরে মাত্র ৫৪ কোটি টাকা বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে।
১৬ মিনিট আগে