স্ট্রিম প্রতিবেদক

সুপ্রিম কোর্টের জন্য স্বাধীন সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করতে হাইকোর্টের দেওয়া রায় স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগ। এ বিষয়ে রাষ্ট্রের করা আপিলের ওপর শুনানি হবে আগামী ১৬ জুন। আপিলটি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত রায়টি স্থগিত থাকবে।
মঙ্গলবার (৯ জুন) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
এ বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, হাইকোর্টের যেই রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদের সংশোধনী বাতিল করা হয়েছিল এবং একটি স্বতন্ত্র সচিবালয় প্রতিষ্ঠার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল, আজকের আদেশের ফলে সেটি স্থগিত থাকবে। আর ২০১৭ সালের বিধি মোতাবেক বিচারকদের বিষয়গুলো পরিচালিত হবে।
স্থগিতাদেশ চাওয়ার কারণ ও বিচার প্রশাসনে স্থবিরতার আশঙ্কা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আমি আদালতকে বলেছি, এই রায় যদি স্থগিত করা না হয় তাহলে আমাদের বিচার আইনে বা প্রশাসনে এক ধরনের স্থবিরতা কাজ করবে। কারণ যে অধ্যাদেশের মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্টের জন্য স্বতন্ত্র সচিবালয় করা হয়েছিল সেটি পার্লামেন্টে গৃহীত হয়নি। অধিকতর যাচাই-বাছাইয়ের জন্য এটা পার্লামেন্টে পাস করা হয়নি।’
অ্যাটর্নি জেনারেল আরও বলেন, স্বার্থ সুরক্ষার স্বার্থে পার্লামেন্টে রহিতকরণের যে কারণটি উল্লেখ করা হয়েছে—আমার মনে হয় সরকারের পক্ষ থেকে সেটিই করা হবে, এটা আমাদের প্রত্যাশা। তবে এই মুহূর্তে রায়টা স্থগিত না হলে একটি সাংবিধানিক জটিলতা এবং বিচার বিভাগের কর্মকর্তাদের ব্যাপারে স্থবিরতা তৈরি হতো।
এর আগে ২০২৫ সালের ২ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্টের জন্য তিন মাসের মধ্যে স্বাধীন সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করতে রায়টি দেন হাইকোর্ট। গত ২০ নভেম্বর এটি অন্তর্বর্তী সরকারের অনুমোদন পায়। তার ১০ দিনের মাথায় ৩০ নভেম্বর ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করা হয়।
ওই অধ্যাদেশ জারির ফলে নিম্ন আদালতের বিচারক নিয়োগ, বদলি, পদোন্নতি, শৃঙ্খলাজনিত বিষয়, ছুটির পাশাপাশি সব কিছুর দায়িত্ব পায় সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়।
গত ১১ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা করে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়। সুপ্রিম কোর্টের প্রশাসনিক ভবন-৪ এ সচিবালয়টি উদ্বোধন করেন তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ।
তবে নির্বাচিত বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর বিচারক নিয়োগ ও সচিবালয় সংক্রান্ত অধ্যাদেশগুলো রহিত করার সিদ্ধান্ত নেয়। গত ৯ এপ্রিল জাতীয় সংসদে ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় রহিতকরণ বিল, ২০২৬’ পাস হয়। সংসদের ওই আইন পাসের মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্টের স্বতন্ত্র সচিবালয় আইনগত ভিত্তি হারায়। এতে বিচারক নিয়োগ ও প্রশাসনিক সব কার্যক্রম আবার পুরোনো কাঠামোয় অর্থাৎ আইন মন্ত্রণালয়ের অধীনে ফিরে যায়। এর ধারাবাহিকতায় ১৯ মে বিলুপ্ত সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ে কর্মরত জুডিসিয়াল সার্ভিসের ১৫ কর্মকর্তা ও বিচারককে আইন ও বিচার বিভাগে ফেরত নেওয়া হয়।

সুপ্রিম কোর্টের জন্য স্বাধীন সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করতে হাইকোর্টের দেওয়া রায় স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগ। এ বিষয়ে রাষ্ট্রের করা আপিলের ওপর শুনানি হবে আগামী ১৬ জুন। আপিলটি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত রায়টি স্থগিত থাকবে।
মঙ্গলবার (৯ জুন) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
এ বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, হাইকোর্টের যেই রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদের সংশোধনী বাতিল করা হয়েছিল এবং একটি স্বতন্ত্র সচিবালয় প্রতিষ্ঠার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল, আজকের আদেশের ফলে সেটি স্থগিত থাকবে। আর ২০১৭ সালের বিধি মোতাবেক বিচারকদের বিষয়গুলো পরিচালিত হবে।
স্থগিতাদেশ চাওয়ার কারণ ও বিচার প্রশাসনে স্থবিরতার আশঙ্কা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আমি আদালতকে বলেছি, এই রায় যদি স্থগিত করা না হয় তাহলে আমাদের বিচার আইনে বা প্রশাসনে এক ধরনের স্থবিরতা কাজ করবে। কারণ যে অধ্যাদেশের মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্টের জন্য স্বতন্ত্র সচিবালয় করা হয়েছিল সেটি পার্লামেন্টে গৃহীত হয়নি। অধিকতর যাচাই-বাছাইয়ের জন্য এটা পার্লামেন্টে পাস করা হয়নি।’
অ্যাটর্নি জেনারেল আরও বলেন, স্বার্থ সুরক্ষার স্বার্থে পার্লামেন্টে রহিতকরণের যে কারণটি উল্লেখ করা হয়েছে—আমার মনে হয় সরকারের পক্ষ থেকে সেটিই করা হবে, এটা আমাদের প্রত্যাশা। তবে এই মুহূর্তে রায়টা স্থগিত না হলে একটি সাংবিধানিক জটিলতা এবং বিচার বিভাগের কর্মকর্তাদের ব্যাপারে স্থবিরতা তৈরি হতো।
এর আগে ২০২৫ সালের ২ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্টের জন্য তিন মাসের মধ্যে স্বাধীন সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করতে রায়টি দেন হাইকোর্ট। গত ২০ নভেম্বর এটি অন্তর্বর্তী সরকারের অনুমোদন পায়। তার ১০ দিনের মাথায় ৩০ নভেম্বর ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করা হয়।
ওই অধ্যাদেশ জারির ফলে নিম্ন আদালতের বিচারক নিয়োগ, বদলি, পদোন্নতি, শৃঙ্খলাজনিত বিষয়, ছুটির পাশাপাশি সব কিছুর দায়িত্ব পায় সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়।
গত ১১ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা করে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়। সুপ্রিম কোর্টের প্রশাসনিক ভবন-৪ এ সচিবালয়টি উদ্বোধন করেন তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ।
তবে নির্বাচিত বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর বিচারক নিয়োগ ও সচিবালয় সংক্রান্ত অধ্যাদেশগুলো রহিত করার সিদ্ধান্ত নেয়। গত ৯ এপ্রিল জাতীয় সংসদে ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় রহিতকরণ বিল, ২০২৬’ পাস হয়। সংসদের ওই আইন পাসের মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্টের স্বতন্ত্র সচিবালয় আইনগত ভিত্তি হারায়। এতে বিচারক নিয়োগ ও প্রশাসনিক সব কার্যক্রম আবার পুরোনো কাঠামোয় অর্থাৎ আইন মন্ত্রণালয়ের অধীনে ফিরে যায়। এর ধারাবাহিকতায় ১৯ মে বিলুপ্ত সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ে কর্মরত জুডিসিয়াল সার্ভিসের ১৫ কর্মকর্তা ও বিচারককে আইন ও বিচার বিভাগে ফেরত নেওয়া হয়।
.png)
-64ec3b.jpeg)
অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশকে পুনর্গঠনে বর্তমান সরকার দিন-রাত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তবে মাত্র ছয় মাস বয়সী একটি গণতান্ত্রিক সরকারের পক্ষে রাতারাতি সব সংকট জাদু দিয়ে সমাধান করা অবাস্তব বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
৩৪ মিনিট আগে
সাতক্ষীরার তালায় চিকিৎসক দেখানোর কথা বলে নিয়ে গৃহবধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় গতকাল শুক্রবার রাতে দুই যুবক ও তাদের সহযোগী এক নারীর বিরুদ্ধে তালা থানায় মামলা করেছেন ভুক্তভোগী।
১ ঘণ্টা আগে-9002dc.jpeg)
সংসারের অভাব দূর করার লক্ষ্যে সীতাকুণ্ডের ফেরদৌস স্টিল শিপব্রেকিং ইয়ার্ডে চাকরি নিয়েছিলেন গাইবান্ধার রানা মিয়া (২৩) ও খোকন মিয়া (২৬)। কিন্তু শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকালে গ্যাস বিষক্রিয়ার ঘটনায় প্রাণ হারান তারা। দুজনের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে শেষ হয়ে গেল দুটি পরিবারের স্বচ্ছলতায় ফেরার আশা।
১ ঘণ্টা আগে
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ১৫ আগস্ট উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের জন্য ভোজের আয়োজন করা হয়েছে। ভোজে গরুর নাম ‘বাকশাল’ রেখে জবাই করা হয়। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মারের নেতৃত্বে হওয়া এ আয়োজন ঘিরে সমালোচনা দেখা দিয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে