স্ট্রিম প্রতিবেদক

একই দিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের জন্য নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। রিট আবেদনে গত ১১ ডিসেম্বর ঘোষিত ওই তফসিলের কার্যকারিতা স্থগিত চাওয়ার পাশাপাশি তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করে নতুন করে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।
আজ সোমবার (৫ জানুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় জনস্বার্থে এ রিট দায়ের করেন। রিটে প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ (সিইসি) সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।
চলতি সপ্তাহে বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে রিট আবেদনটির ওপর শুনানি হতে পারে।
রিট আবেদনে মূল প্রশ্ন তোলা হয়েছে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাংবিধানিক বৈধতা এবং একই দিনে দুটি ভিন্ন প্রকৃতির নির্বাচন আয়োজনের আইনি ভিত্তি নিয়ে।
রিট দায়েরের পর আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ সংবিধান ও প্রচলিত আইনের বিভিন্ন ধারা উল্লেখ করে রিটের পক্ষে তার যুক্তি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সংবিধানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নামক কোনো ব্যবস্থার উল্লেখ নেই। সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, আইন ছাড়া কোনো রাষ্ট্রীয় কার্যক্রম পরিচালনা করা যায় না। তাই বিদ্যমান কোনো আইন বা সাংবিধানিক ভিত্তি ছাড়া এই সরকার নির্বাচন বা গণভোট পরিচালনা করতে পারে না।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের প্রসঙ্গ টেনে তিনি দাবি করেন, ২০১১ সালে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হলেও জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্টের ৬, ৬এ ও ৭ ধারা এবং সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের রায় পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, কোনো আইন বাতিল হলেও তার প্রভাব সম্পূর্ণ শেষ হয়ে যায় না। সেই আইনি ব্যাখ্যা এবং আপিল বিভাগের সিদ্ধান্ত অনুসারে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে এখনো নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব।
একই দিনে দুটি নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘একই দিনে দুটি নির্বাচন (সংসদ ও গণভোট) আয়োজনের কোনো বিধান গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) কিংবা সংবিধানে উল্লেখ নেই। তাই বিষয়টি আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত।’
সংবিধানের ১১ অনুচ্ছেদের প্রসঙ্গ টেনে রিটকারী আইনজীবী বলেন, গণতন্ত্রের মূল শর্ত হলো সকলের অংশগ্রহণে প্রতিনিধিত্বমূলক নির্বাচন। কিন্তু বর্তমানে সরকারি নিষেধাজ্ঞার কারণে আওয়ামী লীগসহ ১৪ দলের শরিক কয়েকটি রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশ নিতে পারছে না। এমনকি যেসব দল নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে, তাদের মধ্যেও অনেকে এই মুহূর্তে নির্বাচন চায় না। অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত না হলে তা সংবিধানের মূল চেতনার পরিপন্থী হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
এদিকে নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন এই আইনজীবী। তিনি জানান, ঢাকা-১৭ ও ঢাকা-৬ আসনে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে তিনি মনোনয়নপত্র জমা দিতে গিয়েছিলেন। কিন্তু বিকেল ৫টার সময় গেট বন্ধ করে দেওয়ায় তাঁর আবেদন জমা নেওয়া হয়নি। এই ঘটনায় তিনি আরেকটি পৃথক রিট দায়ের করেছেন, যা একই দিনে শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত হয়েছে।

একই দিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের জন্য নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। রিট আবেদনে গত ১১ ডিসেম্বর ঘোষিত ওই তফসিলের কার্যকারিতা স্থগিত চাওয়ার পাশাপাশি তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করে নতুন করে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।
আজ সোমবার (৫ জানুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় জনস্বার্থে এ রিট দায়ের করেন। রিটে প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ (সিইসি) সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।
চলতি সপ্তাহে বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে রিট আবেদনটির ওপর শুনানি হতে পারে।
রিট আবেদনে মূল প্রশ্ন তোলা হয়েছে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাংবিধানিক বৈধতা এবং একই দিনে দুটি ভিন্ন প্রকৃতির নির্বাচন আয়োজনের আইনি ভিত্তি নিয়ে।
রিট দায়েরের পর আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ সংবিধান ও প্রচলিত আইনের বিভিন্ন ধারা উল্লেখ করে রিটের পক্ষে তার যুক্তি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সংবিধানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নামক কোনো ব্যবস্থার উল্লেখ নেই। সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, আইন ছাড়া কোনো রাষ্ট্রীয় কার্যক্রম পরিচালনা করা যায় না। তাই বিদ্যমান কোনো আইন বা সাংবিধানিক ভিত্তি ছাড়া এই সরকার নির্বাচন বা গণভোট পরিচালনা করতে পারে না।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের প্রসঙ্গ টেনে তিনি দাবি করেন, ২০১১ সালে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হলেও জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্টের ৬, ৬এ ও ৭ ধারা এবং সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের রায় পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, কোনো আইন বাতিল হলেও তার প্রভাব সম্পূর্ণ শেষ হয়ে যায় না। সেই আইনি ব্যাখ্যা এবং আপিল বিভাগের সিদ্ধান্ত অনুসারে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে এখনো নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব।
একই দিনে দুটি নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘একই দিনে দুটি নির্বাচন (সংসদ ও গণভোট) আয়োজনের কোনো বিধান গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) কিংবা সংবিধানে উল্লেখ নেই। তাই বিষয়টি আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত।’
সংবিধানের ১১ অনুচ্ছেদের প্রসঙ্গ টেনে রিটকারী আইনজীবী বলেন, গণতন্ত্রের মূল শর্ত হলো সকলের অংশগ্রহণে প্রতিনিধিত্বমূলক নির্বাচন। কিন্তু বর্তমানে সরকারি নিষেধাজ্ঞার কারণে আওয়ামী লীগসহ ১৪ দলের শরিক কয়েকটি রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশ নিতে পারছে না। এমনকি যেসব দল নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে, তাদের মধ্যেও অনেকে এই মুহূর্তে নির্বাচন চায় না। অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত না হলে তা সংবিধানের মূল চেতনার পরিপন্থী হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
এদিকে নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন এই আইনজীবী। তিনি জানান, ঢাকা-১৭ ও ঢাকা-৬ আসনে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে তিনি মনোনয়নপত্র জমা দিতে গিয়েছিলেন। কিন্তু বিকেল ৫টার সময় গেট বন্ধ করে দেওয়ায় তাঁর আবেদন জমা নেওয়া হয়নি। এই ঘটনায় তিনি আরেকটি পৃথক রিট দায়ের করেছেন, যা একই দিনে শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত হয়েছে।

বইমেলার পঞ্চম দিন চলছে। তবে মেলার সার্বিক নিরাপত্তা নিয়ে পুলিশের মধ্যে হেলদোল নেই। মেলার প্রবেশদ্বারগুলো দিয়ে দর্শনার্থীরা কোনোরকম তল্লাশি ছাড়াই প্রবেশ করছেন। ফটকে পুলিশ থাকলেও তারা তল্লাশি করছে না।
২ মিনিট আগে
নীলফামারীর সৈয়দপুরে তুলার গুদামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে চারটি দোকানঘর ও পাশের ভবনের দুটি ব্যাংকের আসবাব পুড়ে গেছে। সোমবার (২ মার্চ) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে শহরের ডা. জিকরুল হক রোডের এই অগ্নিকাণ্ড ঘটে৷ পরে ফায়ার সার্ভিসের ৮টি ইউনিট দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
১৭ মিনিট আগে
যশোরে প্রায় চার মাস ধরে বেতন না পেয়ে অনলাইন গ্রোসারি শপ ‘চালডাল ডটকমের’ ছয় শতাধিক কর্মী আন্দোলনে নেমেছেন। শহরের আইটি পার্কে অবস্থিত প্রতিষ্ঠানটির কার্যালয়ে অবস্থান নিয়ে আন্দোলন করছেন তাঁরা। তবে প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা নিজস্ব লোক ব্যবহার করে কর্মীদের ভয়ভীতি ও চাপ প্রয়োগ করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা প্রেস ক্লাবে ঢুকে সভাপতি সামিউল ইমাম আযম মনিরকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আনোয়ারুর ইসলাম আঙ্গুরের বিরুদ্ধে।
১ ঘণ্টা আগে