স্ট্রিম প্রতিবেদক

র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) বিলুপ্ত করে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন’ (এসআরবি) নামে নতুন বাহিনী গঠন করছে সরকার। এ লক্ষ্যে ‘এসআরবি আইন, ২০২৬’-এর খসড়া আইন প্রকাশ করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
গত মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে খসড়া প্রকাশ করে জনগণের মতামত চাওয়া হয়। পরে মন্ত্রিপরিষদের অনুমোদন শেষে খসড়া আইনটি জাতীয় সংসদে উত্থাপন করা হবে। আইন পাস হলে ১৯৭৯ সালের যে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন অর্ডিন্যান্সের অধীনে র্যাব গঠিত হয়েছিল, তা রদ হবে। এর ফলে র্যাবের বিদ্যমান সব স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ, কর্মকর্তা-কর্মচারী, তহবিল, দায়দেনা, চলমান মামলা ও প্রশাসনিক চুক্তি নতুন বাহিনী এসআরবিতে স্থানান্তরিত হবে। নতুন বিধিমালা না হওয়া পর্যন্ত র্যাবের বিদ্যমান নিয়ম বহাল থাকবে।
প্রস্তাবিত আইন অনুযায়ী, এসআরবি বাংলাদেশ পুলিশের অধীনে থাকবে। অতিরিক্ত আইজিপি পদমর্যাদার ডিরেক্টর জেনারেল (ডিজি) এই বাহিনীর প্রধান হবেন। ঢাকায় এই বাহিনীর প্রধান কার্যালয় হবে এবং দেশের যেকোনো স্থানে প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যাটালিয়ন, কোম্পানি, প্লাটুন ও সেকশন প্রতিষ্ঠার ক্ষমতা সরকারের হাতে থাকবে। সেনাবাহিনীসহ অন্যান্য বাহিনী থেকে প্রেষণে ন্যূনতম দুই বছরের জন্য কর্মকর্তা ও সদস্য নিয়োগের সুযোগ রয়েছে খসড়া আইনে।
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী এসআরবি সদস্যদের তল্লাশি, সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত ও গ্রেপ্তারের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। নতুন এই বাহিনী মাদকদ্রব্য, অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ, বিস্ফোরক, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, মানবপাচার, সংগঠিত অপরাধ, সাইবার অপরাধ এবং জাতীয় নিরাপত্তায় হুমকিস্বরূপ অপরাধ দমনে কাজ করবে। এ ছাড়া আদালত, সরকার বা আইজিপির নির্দেশে সাব-ইনস্পেক্টর (এসআই) বা তাঁর ওপরের পদের কর্মকর্তারা ফৌজদারি কার্যবিধি ও পুলিশ প্রবিধান অনুসরণ করে অপরাধের তদন্ত করতে পারবেন। তদন্তের সুবিধার্থে নতুন এই বাহিনী নিজস্ব আটক সেল, আলামত সংরক্ষণাগার ও জিজ্ঞাসাবাদ কক্ষ পরিচালনা করবে।
অতীতে র্যাবের বিরুদ্ধে বিচারবহির্ভূত হত্যা, গুম ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ব্যাপক অভিযোগ উঠেছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে নতুন বাহিনীতে জবাবদিহি সুসংহত করতে একটি ‘অভিযোগ প্রতিকার কমিটি’ (গ্রিভেন্স রিড্রেস কমিটি) গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে।
এসআরবির একজন অতিরিক্ত ডিরেক্টর জেনারেলের সভাপতিত্বে এই কমিটি হবে। কমিটিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, এসআরবি লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া ডিরেক্টরেটের প্রতিনিধি এবং সরকার মনোনীত ১০ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একজন আইনি বা মানবাধিকার বিশেষজ্ঞ থাকবেন। কমিটি সাধারণ নাগরিকদের করা অভিযোগ তদন্তে টিম গঠন করবে এবং প্রাথমিক প্রমাণ মিললে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করবে। এ ছাড়া বেআইনি প্রভাব খাটানো, হয়রানি, পদোন্নতি ও পদায়নে অনিয়ম, শৃঙ্খলাভঙ্গসহ অন্যান্য অসদাচরণের অভিযোগও এই কমিটি পর্যালোচনা করবে।
খসড়া আইনে বিভিন্ন অপরাধের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক বিধান রাখা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে কর্তব্যরত অবস্থায় মাদকসেবন, আদেশ অমান্য করা, অবহেলা, অনৈতিক অর্থ আদায়, সরকারি অস্ত্রের অপব্যবহার ও অপরাধীদের সহায়তা।
অপরাধ প্রমাণিত হলে সদস্যকে মূল বাহিনীতে ফেরত পাঠিয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। কোনো সদস্য অপরাধ করে পালিয়ে গেলে ব্যাটালিয়ন কমান্ডার তাকে গ্রেপ্তারের ক্ষমতা রাখবেন।
২০০৪ সালে গঠিত র্যাব দীর্ঘ দুই দশক এলিট ফোর্স হিসেবে কাজ করলেও দেশে-বিদেশে নানা সমালোচনার মুখে পড়ে। প্রস্তাবিত এই সংস্কারে বাহিনীর নাম ও আইনি কাঠামো পরিবর্তনের পাশাপাশি নতুন জবাবদিহি যুক্ত হয়েছে। তবে তল্লাশি, গ্রেপ্তার ও তদন্তসহ বাহিনীর অধিকাংশ বিদ্যমান ক্ষমতা বহাল রাখা হয়েছে।

র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) বিলুপ্ত করে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন’ (এসআরবি) নামে নতুন বাহিনী গঠন করছে সরকার। এ লক্ষ্যে ‘এসআরবি আইন, ২০২৬’-এর খসড়া আইন প্রকাশ করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
গত মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে খসড়া প্রকাশ করে জনগণের মতামত চাওয়া হয়। পরে মন্ত্রিপরিষদের অনুমোদন শেষে খসড়া আইনটি জাতীয় সংসদে উত্থাপন করা হবে। আইন পাস হলে ১৯৭৯ সালের যে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন অর্ডিন্যান্সের অধীনে র্যাব গঠিত হয়েছিল, তা রদ হবে। এর ফলে র্যাবের বিদ্যমান সব স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ, কর্মকর্তা-কর্মচারী, তহবিল, দায়দেনা, চলমান মামলা ও প্রশাসনিক চুক্তি নতুন বাহিনী এসআরবিতে স্থানান্তরিত হবে। নতুন বিধিমালা না হওয়া পর্যন্ত র্যাবের বিদ্যমান নিয়ম বহাল থাকবে।
প্রস্তাবিত আইন অনুযায়ী, এসআরবি বাংলাদেশ পুলিশের অধীনে থাকবে। অতিরিক্ত আইজিপি পদমর্যাদার ডিরেক্টর জেনারেল (ডিজি) এই বাহিনীর প্রধান হবেন। ঢাকায় এই বাহিনীর প্রধান কার্যালয় হবে এবং দেশের যেকোনো স্থানে প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যাটালিয়ন, কোম্পানি, প্লাটুন ও সেকশন প্রতিষ্ঠার ক্ষমতা সরকারের হাতে থাকবে। সেনাবাহিনীসহ অন্যান্য বাহিনী থেকে প্রেষণে ন্যূনতম দুই বছরের জন্য কর্মকর্তা ও সদস্য নিয়োগের সুযোগ রয়েছে খসড়া আইনে।
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী এসআরবি সদস্যদের তল্লাশি, সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত ও গ্রেপ্তারের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। নতুন এই বাহিনী মাদকদ্রব্য, অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ, বিস্ফোরক, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, মানবপাচার, সংগঠিত অপরাধ, সাইবার অপরাধ এবং জাতীয় নিরাপত্তায় হুমকিস্বরূপ অপরাধ দমনে কাজ করবে। এ ছাড়া আদালত, সরকার বা আইজিপির নির্দেশে সাব-ইনস্পেক্টর (এসআই) বা তাঁর ওপরের পদের কর্মকর্তারা ফৌজদারি কার্যবিধি ও পুলিশ প্রবিধান অনুসরণ করে অপরাধের তদন্ত করতে পারবেন। তদন্তের সুবিধার্থে নতুন এই বাহিনী নিজস্ব আটক সেল, আলামত সংরক্ষণাগার ও জিজ্ঞাসাবাদ কক্ষ পরিচালনা করবে।
অতীতে র্যাবের বিরুদ্ধে বিচারবহির্ভূত হত্যা, গুম ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ব্যাপক অভিযোগ উঠেছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে নতুন বাহিনীতে জবাবদিহি সুসংহত করতে একটি ‘অভিযোগ প্রতিকার কমিটি’ (গ্রিভেন্স রিড্রেস কমিটি) গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে।
এসআরবির একজন অতিরিক্ত ডিরেক্টর জেনারেলের সভাপতিত্বে এই কমিটি হবে। কমিটিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, এসআরবি লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া ডিরেক্টরেটের প্রতিনিধি এবং সরকার মনোনীত ১০ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একজন আইনি বা মানবাধিকার বিশেষজ্ঞ থাকবেন। কমিটি সাধারণ নাগরিকদের করা অভিযোগ তদন্তে টিম গঠন করবে এবং প্রাথমিক প্রমাণ মিললে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করবে। এ ছাড়া বেআইনি প্রভাব খাটানো, হয়রানি, পদোন্নতি ও পদায়নে অনিয়ম, শৃঙ্খলাভঙ্গসহ অন্যান্য অসদাচরণের অভিযোগও এই কমিটি পর্যালোচনা করবে।
খসড়া আইনে বিভিন্ন অপরাধের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক বিধান রাখা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে কর্তব্যরত অবস্থায় মাদকসেবন, আদেশ অমান্য করা, অবহেলা, অনৈতিক অর্থ আদায়, সরকারি অস্ত্রের অপব্যবহার ও অপরাধীদের সহায়তা।
অপরাধ প্রমাণিত হলে সদস্যকে মূল বাহিনীতে ফেরত পাঠিয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। কোনো সদস্য অপরাধ করে পালিয়ে গেলে ব্যাটালিয়ন কমান্ডার তাকে গ্রেপ্তারের ক্ষমতা রাখবেন।
২০০৪ সালে গঠিত র্যাব দীর্ঘ দুই দশক এলিট ফোর্স হিসেবে কাজ করলেও দেশে-বিদেশে নানা সমালোচনার মুখে পড়ে। প্রস্তাবিত এই সংস্কারে বাহিনীর নাম ও আইনি কাঠামো পরিবর্তনের পাশাপাশি নতুন জবাবদিহি যুক্ত হয়েছে। তবে তল্লাশি, গ্রেপ্তার ও তদন্তসহ বাহিনীর অধিকাংশ বিদ্যমান ক্ষমতা বহাল রাখা হয়েছে।
.png)

কেন্দ্রীয় কারাগারে উজ্জ্বল মিয়া (৩২) নামের এক হাজতি মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে ঢাকার কেরানীগঞ্জে অবস্থিত কেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে প্রথমে কারা হাসপাতালে নেওয়া হয়।
৬ মিনিট আগে
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য দ্রুত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের এক বিরল সুযোগ তৈরি করেছে বলে জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক। উপযুক্ত নীতি ও অবকাঠামো নিশ্চিত করা গেলে এক দশকেই এক শতাব্দীর সমান অগ্রগতি সম্ভব।
২৮ মিনিট আগে
আগামী ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রথম শ্রেণিতে কোনো ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে না। লটারির মাধ্যমে প্রথম শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে, তবে প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের অন্যান্য শ্রেণিতে পরীক্ষার মাধ্যমেই ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।
১ ঘণ্টা আগে
কক্সবাজারের উখিয়ায় শূন্যরেখার মিয়ানমার অংশে স্থলমাইন বিস্ফোরণে বদি আলম (৩২) নামে এক বাংলাদেশি গুরুতর আহত হয়েছেন। বিস্ফোরণের ঘটনায় তার ডান পায়ের গোড়ালি বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের বালুখালী সীমান্তসংলগ্ন নাফ নদী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে