স্ট্রিম প্রতিবেদক

সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর। আজ বৃহস্পতিবার থেকে নির্ধারিত তিনটি স্লটের যেকোনো একটিতে টিকিট কেটে জাদুঘর পরিদর্শন করা যাবে। অনলাইনের পাশাপাশি জাদুঘরের নিজস্ব কাউন্টার থেকেও টিকিট সংগ্রহ করা যাবে।
এর আগে বুধবার এই জাদুঘর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস, একাধিক মন্ত্রী ও সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। তবে এদিন কেবল জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত ও শহীদদের পরিবারের সদস্য ও আমন্ত্রিতরা প্রবেশের সুযোগ পান।
জাদুঘর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রতিদিন তিনটি স্লটে দর্শনার্থীরা জাদুঘর পরিদর্শন করতে পারবেন। প্রথম স্লট বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত। দ্বিতীয় স্লট দুপুর দেড়টা থেকে বেলা সাড়ে ৩টা পর্যন্ত। তৃতীয় স্লট বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত।
অনলাইনে টিকিট পেতে দর্শনার্থীদের নিচের নিয়মগুলো অনুসরণ করতে হবে— প্রথমে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’-এর অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে যেতে হবে। সেখানে নতুন প্রোফাইল তৈরি করতে নিজের মোবাইল নম্বর দিতে হবে। এরপর ওই নম্বরে আসা ওটিপি দিয়ে ওয়েবসাইটে লগইন করে নাম ও ই-মেইল দিয়ে প্রোফাইল সম্পূর্ণ করতে হবে।
প্রোফাইল সম্পন্ন হলে ‘BUY TICKET’ অংশে ক্লিক করতে হবে। ভ্রমণের দিন বা তারিখ নিশ্চিত করলে ওই দিনের তিনটি স্লটের সময় এবং কোন স্লটে কয়টি টিকিট অবশিষ্ট আছে তা দেখা যাবে। এরপর নির্দিষ্ট সংখ্যক টিকিট নিশ্চিত করে ‘Proceed to Checkout’ বাটনে ক্লিক করতে হবে। সবশেষে অনলাইন ব্যাংকিং, মোবাইল ব্যাংকিং কিংবা বাংলা কিউআর-এর মাধ্যমে মূল্য পরিশোধ করলে টিকিট নিশ্চিত হবে।
জুলাই স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শনে প্রাপ্তবয়স্ক বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ৫০ টাকা এবং শিশুদের (৩ থেকে ১২ বছর) জন্য ২০ টাকা প্রবেশমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর বাইরে সার্কভুক্ত দেশের নাগরিকদের জন্য ৫০০ টাকা এবং অন্য দেশের নাগরিক জন্য টিকিটের দাম ধরা হয়েছে ২ হাজার টাকা।

সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর। আজ বৃহস্পতিবার থেকে নির্ধারিত তিনটি স্লটের যেকোনো একটিতে টিকিট কেটে জাদুঘর পরিদর্শন করা যাবে। অনলাইনের পাশাপাশি জাদুঘরের নিজস্ব কাউন্টার থেকেও টিকিট সংগ্রহ করা যাবে।
এর আগে বুধবার এই জাদুঘর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস, একাধিক মন্ত্রী ও সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। তবে এদিন কেবল জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত ও শহীদদের পরিবারের সদস্য ও আমন্ত্রিতরা প্রবেশের সুযোগ পান।
জাদুঘর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রতিদিন তিনটি স্লটে দর্শনার্থীরা জাদুঘর পরিদর্শন করতে পারবেন। প্রথম স্লট বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত। দ্বিতীয় স্লট দুপুর দেড়টা থেকে বেলা সাড়ে ৩টা পর্যন্ত। তৃতীয় স্লট বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত।
অনলাইনে টিকিট পেতে দর্শনার্থীদের নিচের নিয়মগুলো অনুসরণ করতে হবে— প্রথমে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’-এর অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে যেতে হবে। সেখানে নতুন প্রোফাইল তৈরি করতে নিজের মোবাইল নম্বর দিতে হবে। এরপর ওই নম্বরে আসা ওটিপি দিয়ে ওয়েবসাইটে লগইন করে নাম ও ই-মেইল দিয়ে প্রোফাইল সম্পূর্ণ করতে হবে।
প্রোফাইল সম্পন্ন হলে ‘BUY TICKET’ অংশে ক্লিক করতে হবে। ভ্রমণের দিন বা তারিখ নিশ্চিত করলে ওই দিনের তিনটি স্লটের সময় এবং কোন স্লটে কয়টি টিকিট অবশিষ্ট আছে তা দেখা যাবে। এরপর নির্দিষ্ট সংখ্যক টিকিট নিশ্চিত করে ‘Proceed to Checkout’ বাটনে ক্লিক করতে হবে। সবশেষে অনলাইন ব্যাংকিং, মোবাইল ব্যাংকিং কিংবা বাংলা কিউআর-এর মাধ্যমে মূল্য পরিশোধ করলে টিকিট নিশ্চিত হবে।
জুলাই স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শনে প্রাপ্তবয়স্ক বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ৫০ টাকা এবং শিশুদের (৩ থেকে ১২ বছর) জন্য ২০ টাকা প্রবেশমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর বাইরে সার্কভুক্ত দেশের নাগরিকদের জন্য ৫০০ টাকা এবং অন্য দেশের নাগরিক জন্য টিকিটের দাম ধরা হয়েছে ২ হাজার টাকা।
.png)

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে শুরুতে বিএনপির অন্তত চারজনের নাম সামনে এলেও এখন একজনকে ঘিরেই আলোচনা। এরমধ্যে জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এতে জমে উঠেছে নির্বাচন। রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল, রাষ্ট্রপতি পদে কাকে বেছে নেবে ক্ষমতাসীনরা।
৮ ঘণ্টা আগে
কুমিল্লার দেবিদ্বারে ভাড়াটিয়ার হাতে হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন ফরিদা ইয়াসমিন (৫০) নামে এক গৃহকর্ত্রী। হত্যার পর লাশ টুকরো টুকরো করে পলিথিনে মুড়িয়ে বাড়ির পেছনে ফেলে রাখা হয়।
৮ ঘণ্টা আগে
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলায় পাওনা টাকার জন্য শরিফুল ইসলাম হিরা (৪০) নামে এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। শনিবার (৮ আগষ্ট) গোয়ালন্দ বাজারের তোরাই মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
৯ ঘণ্টা আগে
লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের গভীর বন ছেড়ে অজগর প্রায়ই লোকালয়ে চলে আসছে। শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জের বনসংলগ্ন এলাকায় এসব অজগরের দেখা মিলছে। বাড়ির আঙিনা, হাঁস-মুরগির খামার, বাঁশঝাড়, চা-বাগান ও হাওড়ের আশপাশে অজগর পাওয়া যাচ্ছে। এতে স্থানীয় মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বাড়ছে।
৯ ঘণ্টা আগে