স্ট্রিম প্রতিবেদক

বর্তমান সরকার দঙ্গলবাজি দমাতে ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন। সোমবার (১৮ মে) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্য এলাকায় এক বিক্ষোভ সমাবেশে সংগঠনটির নেতারা এমন মন্তব্য করেন।
সারা দেশে মাজারে সংঘটিত হামলা-হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিচার এবং আক্রান্ত দরগাহ, খানকা ও আক্রান্ত সম্প্রদায়গুলোকে রাষ্ট্রীয়ভাবে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবিতে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
এ সময় নেতারা বলেন, বাঙালি, আদিবাসী, খ্রিষ্টান, মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধসহ বহু জাতি ও ধর্মীয় বিশ্বাস এবং চর্চার দেশ বাংলাদেশ। ধর্মীয় উগ্রবাদ ও জাতিগত আধিপত্য সমাজে ঘৃণা ও সহিংসতা সৃষ্টি করে। তাঁরা বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর শুধু মুখের কথায় চিড়ে ভিজবে না। মাজারে হামলার ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের এখনো আটক করা হয়নি। দঙ্গলবাজদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সৈকত আরিফ বলেন, ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মৌন সমর্থনে জুলাই-পরবর্তী সময়ে আমরা সারা দেশে অসংখ্য দঙ্গলবাজির ঘটনা দেখেছি। দেশব্যাপী সংখ্যালঘু বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী ও মতের মানুষের ওপর হামলা হয়েছে। কখনো কখনো হত্যাকাণ্ডের মতো ঘটনাও ঘটেছে। দেশের প্রধান পত্রিকা প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার অফিসে এবং সংগীত বিদ্যালয় ছায়ানটে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অথর্ব স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ পুরো সরকার সেসব দঙ্গল দমন করতে চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছিল; এমনকি এসব ঘটনায় সরকার কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।’
তিনি আরও বলেন, ‘১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের পর বর্তমান সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিলেন আর কোনো দঙ্গলবাজির ঘটনা ঘটবে না। কিন্তু আমরা অত্যন্ত উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ করছি, বর্তমান সরকারও দঙ্গলবাজি দমাতে ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে। আমরা সরকারের কাছে দাবি জানাই, অবিলম্বে মিরপুরে শাহ আলী মাজারে হামলাকারীদের বিচার এবং অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে প্রত্যেকটি দঙ্গলবাজির ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার করতে হবে।’
বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আরমানুল হকের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের সাবেক সভাপতি গোলাম মোস্তফা, সুরেশ্বর দরবার শরিফের প্রতিনিধি হাবিবুর রহমান, সংগঠক মাহাথির মোহাম্মদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি সজীব হোসেন, ঢাকা মহানগর ছাত্র ফেডারেশনের আহ্বায়ক আল-আমিন রহমান ও নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির সভাপতি সাইদুর রহমান প্রমুখ।
সমাবেশ শেষে একটি মিছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাজু ভাস্কর্যে এসে শেষ হয়।

বর্তমান সরকার দঙ্গলবাজি দমাতে ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন। সোমবার (১৮ মে) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্য এলাকায় এক বিক্ষোভ সমাবেশে সংগঠনটির নেতারা এমন মন্তব্য করেন।
সারা দেশে মাজারে সংঘটিত হামলা-হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিচার এবং আক্রান্ত দরগাহ, খানকা ও আক্রান্ত সম্প্রদায়গুলোকে রাষ্ট্রীয়ভাবে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবিতে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
এ সময় নেতারা বলেন, বাঙালি, আদিবাসী, খ্রিষ্টান, মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধসহ বহু জাতি ও ধর্মীয় বিশ্বাস এবং চর্চার দেশ বাংলাদেশ। ধর্মীয় উগ্রবাদ ও জাতিগত আধিপত্য সমাজে ঘৃণা ও সহিংসতা সৃষ্টি করে। তাঁরা বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর শুধু মুখের কথায় চিড়ে ভিজবে না। মাজারে হামলার ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের এখনো আটক করা হয়নি। দঙ্গলবাজদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সৈকত আরিফ বলেন, ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মৌন সমর্থনে জুলাই-পরবর্তী সময়ে আমরা সারা দেশে অসংখ্য দঙ্গলবাজির ঘটনা দেখেছি। দেশব্যাপী সংখ্যালঘু বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী ও মতের মানুষের ওপর হামলা হয়েছে। কখনো কখনো হত্যাকাণ্ডের মতো ঘটনাও ঘটেছে। দেশের প্রধান পত্রিকা প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার অফিসে এবং সংগীত বিদ্যালয় ছায়ানটে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অথর্ব স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ পুরো সরকার সেসব দঙ্গল দমন করতে চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছিল; এমনকি এসব ঘটনায় সরকার কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।’
তিনি আরও বলেন, ‘১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের পর বর্তমান সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিলেন আর কোনো দঙ্গলবাজির ঘটনা ঘটবে না। কিন্তু আমরা অত্যন্ত উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ করছি, বর্তমান সরকারও দঙ্গলবাজি দমাতে ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে। আমরা সরকারের কাছে দাবি জানাই, অবিলম্বে মিরপুরে শাহ আলী মাজারে হামলাকারীদের বিচার এবং অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে প্রত্যেকটি দঙ্গলবাজির ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার করতে হবে।’
বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আরমানুল হকের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের সাবেক সভাপতি গোলাম মোস্তফা, সুরেশ্বর দরবার শরিফের প্রতিনিধি হাবিবুর রহমান, সংগঠক মাহাথির মোহাম্মদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি সজীব হোসেন, ঢাকা মহানগর ছাত্র ফেডারেশনের আহ্বায়ক আল-আমিন রহমান ও নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির সভাপতি সাইদুর রহমান প্রমুখ।
সমাবেশ শেষে একটি মিছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাজু ভাস্কর্যে এসে শেষ হয়।

দেশ থেকে ফ্যাসিবাদ, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও দুঃশাসন দূর না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, মুক্তির মঞ্জিলের আন্দোলন গন্তব্যে না পৌঁছানো পর্যন্ত আমরা থামব না।
১৮ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সৈকত আরিফ। আর সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন ফারহানা মানিক মুনা। শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুই দিনব্যাপী সম্মেলন শেষে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির তথ্য জানানো হয়েছে।
২০ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ছেড়েছে খেলাফত মজলিস। শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে দলের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার তৃতীয় সাধারণ বৈঠক শেষে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
২৫ জুলাই ২০২৬
বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি মাঈন আহমেদ এবং শিক্ষা ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক মেঘমল্লার বসু সংগঠন থেকে পদত্যাগ করেছেন। একসঙ্গে কেন্দ্রীয় সংসদের সহসভাপতি নাজিফা জান্নাতকে সংগঠনের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
২৫ জুলাই ২০২৬