জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

ও গণভোট

ক্লিক করুন

জাপা জনগণের প্রত্যাখ্যাত, আ.লীগ নাই হয়ে গেছে: আখতার হোসেন

স্ট্রিম সংবাদদাতা
স্ট্রিম সংবাদদাতা
রংপুর

প্রকাশ : ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৭: ৪৪
আখতার হোসেন। ছবি: সংগৃহীত

রংপুর-৪ (কাউনিয়া-পীরগাছা) আসনে বিজয়ের পর নিজের প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী আখতার হোসেন বলেছেন, ‘এবারের নির্বাচনে রংপুরের জনগণ জাতীয় পার্টিকে (জাপা) প্রত্যাখ্যান করেছে এবং আওয়ামী লীগও রাজনৈতিকভাবে অস্তিত্বহীন হয়ে পড়েছে।’

আজ শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৪টার দিকে রংপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে তিনি এসব কথা বলেন।

আখতার হোসেন বলেন, 'আমরা একটি জিনিস আপনাদেরকে খুব জোরালোভাবে বলতে চাই—এবার রংপুরের ছয়টি আসনে ১১ দলীয় জোট থেকে একটি আসনে শাপলা ফুল, পাঁচটি আসনে দাঁড়িপাল্লার বিজয়ের মধ্য দিয়ে একদিকে আওয়ামী লীগ একবারে নাই হয়ে গেছে। আর জাতীয় পার্টিও কিন্তু এবারের নির্বাচনের মধ্য দিয়ে প্রত্যাখ্যাত হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘তারা ৫ আগস্ট যেমন প্রত্যাখ্যাত হয়েছিল, আজকে ১২ ফেব্রুয়ারি রংপুরের জনগণ জাতীয় পার্টিকে প্রত্যাখ্যান করেছে। এই স্বৈরাচারের দোসরদের প্রত্যাখ্যান করেছে। এটা আমাদের কাছে একটা বড় ধরনের বিজয়।’

এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেন, ‘সারাদেশের নির্বাচনে কোথাও কারচুপি, কোথাও সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। এসব বিষয়ে আমাদের দল ও জোট পর্যালোচনা করছে। খুব শিগগিরই আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেওয়া হবে।’

বিজয় অর্জনে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘এই বিজয় অর্জনের ক্ষেত্রে যারা নিরপেক্ষ ভোটের ক্ষেত্রে কাজ করেছেন, এই রংপুর চার আসনের আপামর জনতা, যারা প্রশাসনের কর্তারা আছেন, যারা মিডিয়াকর্মী আছেন, আপনাদের সবাইকে আমরা ধন্যবাদ জানাই।'

নির্বাচন নিয়ে আখতার হোসেন বলেন, ‘সারাদেশে নির্বাচনে বিভিন্ন জায়গায় কারচুপি হয়েছে, বিভিন্ন জায়গায় মারামারি হয়েছে, মানুষের রক্ত ঝরেছে। এই প্রত্যেকটা বিষয় নিয়ে আমাদের পর্যালোচনা চলছে। আমাদের দলের পক্ষ থেকে, আমাদের জোটের পক্ষ থেকে আমরা আলোচনা করছি। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই আমরা আমাদের দলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি এবং জোটের পক্ষ থেকেও আমরা সেই আনুষ্ঠানিক বিবৃতিগুলো আপনাদের কাছে উপস্থাপন করব।’

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল আহসান বলেন, ‘রংপুর-৪ আসনে বর্তমানে মোট ভোটার ৫ লাখ ৯ হাজার ৯০৬ জন। দুই উপজেলার ১৬৩টি ভোট কেন্দ্রের ৯৪৪টি বুথে ৩ লাখ ৩৮ হাজার ৩১৪ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। তাঁর মধ্যে ৮ হাজার ২৬৩টি ভোট বাতিল হয়। বৈধ ভোট সংখ্যা ৩ লাখ ৩০ হাজার ৫১টি। আখতার হোসেন শাপলা কলি প্রতীকে মোট ১ লাখ ৪৯ হাজার ৯৬৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী এমদাদুল হক ভরসা ধানের শীষ প্রতীকে মোট ১ লাখ ৪০ হাজার ৫৬৪টি ভোট পান। এ আসনে হ্যাঁ ভোট জয়যুক্ত হয়।’

Ad 300x250

সম্পর্কিত