ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সাথে অনুষ্ঠিত হওয়া ঐতিহাসিক গণভোটে বড় ব্যবধানে জয়ী হয়েছে ‘হ্যাঁ’ পক্ষ। স্বভাবতই মানুষের প্রশ্ন জাগছে, ‘হ্যাঁ’ ভোট জেতার ফলে জুলাই সনদের ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাবের আলোকে আগামী দিনে কী কী বড় পরিবর্তন আসতে যাচ্ছ?
স্ট্রিম ডেস্ক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সাথে অনুষ্ঠিত হওয়া ঐতিহাসিক গণভোটে বড় ব্যবধানে জয়ী হয়েছে ‘হ্যাঁ’ পক্ষ। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ৬০.২৬ শতাংশ ভোটার এই গণভোটে অংশ নিয়েছেন এবং ৪ কোটি ৮০ লাখেরও বেশি মানুষ ‘জুলাই সনদ’-এর পক্ষে রায় দিয়েছেন। এই জয়ের ফলে এখন বাংলাদেশের রাষ্ট্রকাঠামো ও সংবিধানে আমূল পরিবর্তনের পথ প্রশস্ত হলো।
স্বভাবতই মানুষের প্রশ্ন জাগছে, ‘হ্যাঁ’ ভোট জেতার ফলে জুলাই সনদের ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাবের আলোকে আগামী দিনে কী কী বড় পরিবর্তন আসতে যাচ্ছ?
প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার লাগাম ও মেয়াদের সীমাবদ্ধতা
এতদিন বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদের কোনো সীমা ছিল না। কিন্তু গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হওয়ায় এখন একজন ব্যক্তি জীবনে সর্বোচ্চ দুই মেয়াদে (১০ বছর) প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন। এছাড়া ক্ষমতা এক ব্যক্তিতে কেন্দ্রীভূত হওয়া ঠেকাতে এখন থেকে প্রধানমন্ত্রী একই সাথে দলপ্রধান এবং সরকারপ্রধানের দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না। এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে দলীয় প্রভাব ও প্রশাসনিক ক্ষমতার দূরত্ব তৈরি হবে।
রাষ্ট্রপতির ক্ষমতায়ন ও নতুন নির্বাচন পদ্ধতি
রাষ্ট্রপতি এখন আর কেবল আলংকারিক পদে সীমাবদ্ধ থাকবেন না। ‘হ্যাঁ’ ভোটের বিজয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পদ্ধতিতে বদল আসছে। এখন থেকে উচ্চকক্ষ ও নিম্নকক্ষের সদস্যদের গোপন ব্যালটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন। এছাড়া রাষ্ট্রপতি স্বাধীনভাবে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও তথ্য কমিশনের মতো গুরুত্বপূর্ণ সংস্থাগুলোর প্রধান নিয়োগ দিতে পারবেন। অপরাধীকে ক্ষমা করার ক্ষেত্রেও রাষ্ট্রপতিকে এখন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সম্মতি নিতে হবে।
দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ ও পিআর পদ্ধতি
বাংলাদেশ এখন এককক্ষবিশিষ্ট সংসদ থেকে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদের যুগে প্রবেশ করবে। নির্বাচিত এমপিদের নিয়ে গঠিত হবে ‘নিম্নকক্ষ’ এবং ১০০ সদস্যের একটি ‘উচ্চকক্ষ’ বা সিনেট গঠিত হবে। এই সিনেট গঠন করা হবে ‘সংখ্যানুপাতিক’ বা পিআর পদ্ধতিতে। এর ফলে ছোট রাজনৈতিক দলগুলোও তাদের প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে সংসদে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পাবে। তড়িঘড়ি করে বিতর্কিত আইন পাস বন্ধে উচ্চকক্ষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা
সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদ সংশোধনের মাধ্যমে বিচার বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ বন্ধ হতে যাচ্ছে। এখন থেকে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি নিয়োগের জন্য একটি স্বাধীন কমিশন গঠিত হবে। এছাড়া নিম্ন আদালতের বিচারকদের বদলি ও পদোন্নতির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ আইন মন্ত্রণালয় থেকে সুপ্রিম কোর্টের হাতে চলে যাবে। আপিল বিভাগের বিচারপতিদের মধ্য থেকেই জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে প্রধান বিচারপতি নিয়োগ বাধ্যতামূলক হবে।
নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার প্রত্যাবর্তন
ভোট নিয়ে বিতর্ক দূর করতে সংবিধানে আবার ফিরে আসছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা। তবে এবারের কাঠামো হবে আরও সর্বজনীন। সরকারি দল, প্রধান বিরোধী দল এবং দ্বিতীয় বিরোধী দলের সম্মিলিত মতামতের ভিত্তিতে প্রধান উপদেষ্টা ও অন্য উপদেষ্টাদের নিয়োগ দেওয়া হবে, যাতে নির্বাচনকালীন সরকার সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হয়।
এমপিদের ভোট দেওয়ার স্বাধীনতা (৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধন)
দলের ভুল সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কথা বলার সুযোগ পাবেন সংসদ সদস্যরা। এখন থেকে বাজেট পাস এবং সরকারের প্রতি অনাস্থা ভোটের বিষয় ছাড়া অন্য যেকোনো বিলে এমপিরা চাইলে দলের সিদ্ধান্তের বাইরেও স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারবেন। এর ফলে সংসদীয় গণতন্ত্রে এমপিদের ব্যক্তিগত জবাবদিহি নিশ্চিত হবে।
জাতীয় পরিচয় ও ইন্টারনেটকে মৌলিক অধিকারের স্বীকৃতি
নাগরিক পরিচয় নিয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্ক অবসান হতে যাচ্ছে। এখন থেকে পরিচয় হবে কেবল ‘বাংলাদেশি’। এছাড়া বাংলা রাষ্ট্রভাষা হিসেবে থাকলেও দেশের অন্য সব মাতৃভাষাকে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়া হবে। যুগের প্রয়োজনে ‘ইন্টারনেট’কে মৌলিক অধিকার হিসেবে সংবিধানে যুক্ত করা হচ্ছে এবং নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে। এমনকি জরুরি অবস্থার সময়ও নাগরিকদের মৌলিক অধিকার আর খর্ব করা যাবে না।
সংবিধান সংশোধন হবে কঠিন ও গণভোটনির্ভর
চাইলেই এখন আর যেকোনো সরকার সংবিধানের মূল কাঠামো পরিবর্তন করতে পারবে না। সংবিধানের মৌলিক কোনো অনুচ্ছেদ বদলাতে হলে এখন থেকে নিম্নকক্ষের দুই-তৃতীয়াংশ ভোট ও উচ্চকক্ষের সম্মতির পাশাপাশি জনগণের সরাসরি রায় বা ‘গণভোট’ বাধ্যতামূলক করা হবে।
বাস্তবায়নের সময়সীমা
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জেতার অর্থ হলো নবনির্বাচিত সংসদ এখন ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’ গঠন করতে বাধ্য। সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরুর ২৭০ দিন বা ৯ মাসের মধ্যে এই জুলাই সনদের আলোকে সংবিধানের প্রয়োজনীয় সব সংশোধনী সম্পন্ন করতে হবে। যদি সংসদ সদস্যরা এতে গড়িমসি করেন, তবে অন্তর্বর্তী সরকারের তৈরি করা খাসড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে পাস বলে গণ্য হবে।
গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর এই বিজয় বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে একচ্ছত্র ক্ষমতার অধ্যায় শেষ করে ভারসাম্য ও জবাবদিহির এক নতুন যুগের সূচনা করতে যাচ্ছে। ১২ ফেব্রুয়ারির এই গণরায় এখন ‘নতুন বাংলাদেশ’ গড়ার আইনি ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সাথে অনুষ্ঠিত হওয়া ঐতিহাসিক গণভোটে বড় ব্যবধানে জয়ী হয়েছে ‘হ্যাঁ’ পক্ষ। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ৬০.২৬ শতাংশ ভোটার এই গণভোটে অংশ নিয়েছেন এবং ৪ কোটি ৮০ লাখেরও বেশি মানুষ ‘জুলাই সনদ’-এর পক্ষে রায় দিয়েছেন। এই জয়ের ফলে এখন বাংলাদেশের রাষ্ট্রকাঠামো ও সংবিধানে আমূল পরিবর্তনের পথ প্রশস্ত হলো।
স্বভাবতই মানুষের প্রশ্ন জাগছে, ‘হ্যাঁ’ ভোট জেতার ফলে জুলাই সনদের ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাবের আলোকে আগামী দিনে কী কী বড় পরিবর্তন আসতে যাচ্ছ?
প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার লাগাম ও মেয়াদের সীমাবদ্ধতা
এতদিন বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদের কোনো সীমা ছিল না। কিন্তু গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হওয়ায় এখন একজন ব্যক্তি জীবনে সর্বোচ্চ দুই মেয়াদে (১০ বছর) প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন। এছাড়া ক্ষমতা এক ব্যক্তিতে কেন্দ্রীভূত হওয়া ঠেকাতে এখন থেকে প্রধানমন্ত্রী একই সাথে দলপ্রধান এবং সরকারপ্রধানের দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না। এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে দলীয় প্রভাব ও প্রশাসনিক ক্ষমতার দূরত্ব তৈরি হবে।
রাষ্ট্রপতির ক্ষমতায়ন ও নতুন নির্বাচন পদ্ধতি
রাষ্ট্রপতি এখন আর কেবল আলংকারিক পদে সীমাবদ্ধ থাকবেন না। ‘হ্যাঁ’ ভোটের বিজয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পদ্ধতিতে বদল আসছে। এখন থেকে উচ্চকক্ষ ও নিম্নকক্ষের সদস্যদের গোপন ব্যালটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন। এছাড়া রাষ্ট্রপতি স্বাধীনভাবে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও তথ্য কমিশনের মতো গুরুত্বপূর্ণ সংস্থাগুলোর প্রধান নিয়োগ দিতে পারবেন। অপরাধীকে ক্ষমা করার ক্ষেত্রেও রাষ্ট্রপতিকে এখন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সম্মতি নিতে হবে।
দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ ও পিআর পদ্ধতি
বাংলাদেশ এখন এককক্ষবিশিষ্ট সংসদ থেকে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদের যুগে প্রবেশ করবে। নির্বাচিত এমপিদের নিয়ে গঠিত হবে ‘নিম্নকক্ষ’ এবং ১০০ সদস্যের একটি ‘উচ্চকক্ষ’ বা সিনেট গঠিত হবে। এই সিনেট গঠন করা হবে ‘সংখ্যানুপাতিক’ বা পিআর পদ্ধতিতে। এর ফলে ছোট রাজনৈতিক দলগুলোও তাদের প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে সংসদে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পাবে। তড়িঘড়ি করে বিতর্কিত আইন পাস বন্ধে উচ্চকক্ষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা
সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদ সংশোধনের মাধ্যমে বিচার বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ বন্ধ হতে যাচ্ছে। এখন থেকে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি নিয়োগের জন্য একটি স্বাধীন কমিশন গঠিত হবে। এছাড়া নিম্ন আদালতের বিচারকদের বদলি ও পদোন্নতির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ আইন মন্ত্রণালয় থেকে সুপ্রিম কোর্টের হাতে চলে যাবে। আপিল বিভাগের বিচারপতিদের মধ্য থেকেই জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে প্রধান বিচারপতি নিয়োগ বাধ্যতামূলক হবে।
নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার প্রত্যাবর্তন
ভোট নিয়ে বিতর্ক দূর করতে সংবিধানে আবার ফিরে আসছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা। তবে এবারের কাঠামো হবে আরও সর্বজনীন। সরকারি দল, প্রধান বিরোধী দল এবং দ্বিতীয় বিরোধী দলের সম্মিলিত মতামতের ভিত্তিতে প্রধান উপদেষ্টা ও অন্য উপদেষ্টাদের নিয়োগ দেওয়া হবে, যাতে নির্বাচনকালীন সরকার সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হয়।
এমপিদের ভোট দেওয়ার স্বাধীনতা (৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধন)
দলের ভুল সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কথা বলার সুযোগ পাবেন সংসদ সদস্যরা। এখন থেকে বাজেট পাস এবং সরকারের প্রতি অনাস্থা ভোটের বিষয় ছাড়া অন্য যেকোনো বিলে এমপিরা চাইলে দলের সিদ্ধান্তের বাইরেও স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারবেন। এর ফলে সংসদীয় গণতন্ত্রে এমপিদের ব্যক্তিগত জবাবদিহি নিশ্চিত হবে।
জাতীয় পরিচয় ও ইন্টারনেটকে মৌলিক অধিকারের স্বীকৃতি
নাগরিক পরিচয় নিয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্ক অবসান হতে যাচ্ছে। এখন থেকে পরিচয় হবে কেবল ‘বাংলাদেশি’। এছাড়া বাংলা রাষ্ট্রভাষা হিসেবে থাকলেও দেশের অন্য সব মাতৃভাষাকে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়া হবে। যুগের প্রয়োজনে ‘ইন্টারনেট’কে মৌলিক অধিকার হিসেবে সংবিধানে যুক্ত করা হচ্ছে এবং নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে। এমনকি জরুরি অবস্থার সময়ও নাগরিকদের মৌলিক অধিকার আর খর্ব করা যাবে না।
সংবিধান সংশোধন হবে কঠিন ও গণভোটনির্ভর
চাইলেই এখন আর যেকোনো সরকার সংবিধানের মূল কাঠামো পরিবর্তন করতে পারবে না। সংবিধানের মৌলিক কোনো অনুচ্ছেদ বদলাতে হলে এখন থেকে নিম্নকক্ষের দুই-তৃতীয়াংশ ভোট ও উচ্চকক্ষের সম্মতির পাশাপাশি জনগণের সরাসরি রায় বা ‘গণভোট’ বাধ্যতামূলক করা হবে।
বাস্তবায়নের সময়সীমা
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জেতার অর্থ হলো নবনির্বাচিত সংসদ এখন ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’ গঠন করতে বাধ্য। সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরুর ২৭০ দিন বা ৯ মাসের মধ্যে এই জুলাই সনদের আলোকে সংবিধানের প্রয়োজনীয় সব সংশোধনী সম্পন্ন করতে হবে। যদি সংসদ সদস্যরা এতে গড়িমসি করেন, তবে অন্তর্বর্তী সরকারের তৈরি করা খাসড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে পাস বলে গণ্য হবে।
গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর এই বিজয় বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে একচ্ছত্র ক্ষমতার অধ্যায় শেষ করে ভারসাম্য ও জবাবদিহির এক নতুন যুগের সূচনা করতে যাচ্ছে। ১২ ফেব্রুয়ারির এই গণরায় এখন ‘নতুন বাংলাদেশ’ গড়ার আইনি ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।

৩০০ আসনের সংসদে সরকার গড়তে প্রয়োজন ১৫১টি আসন। যখন নির্বাচনে কোনো দলই এককভাবে এই সংখ্যা ছুঁতে পারে না, তখনই সৃষ্টি হয় রাজনৈতিক অচলাবস্থা ও জোটের সমীকরণ। নির্বাচনের এই টানটান উত্তেজনার মুহূর্তে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগে—ঝুলন্ত সংসদ আসলে কী, একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার সমীকরণটা কী তবে?
২ দিন আগে
জুলাই অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার পতন ও পালিয়ে ভারতে চলে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে প্রথমবার দেশে জাতীয় নির্বাচন হতে যাচ্ছে। ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি জুলাই সনদের ওপর গণভোটও অনুষ্ঠিত হবে।
৩ দিন আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের আর দুই দিন বাকি। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্র সংস্কারের উদ্দেশ্যে তৈরি হওয়া ‘জুলাই সনদ’ রয়েছে গণভোটের কেন্দ্রে। অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্যোগ ৪টি প্রধান বিষয়ের পাশাপাশি সংবিধানের ৪৮টি সংশোধনীর কথা বলা হয়েছে।
৩ দিন আগে
বাংলাদেশের বস্ত্র ও তৈরি পোশাক খাত দেশের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি। মোট রপ্তানির ৮০ শতাংশের বেশি এই খাত থেকে আসে এবং এই খাতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কাজ করেন কয়েক কোটি মানুষ। তবে ২০২৫ সালের শেষ দিক থেকে এ খাতের সুতা শিল্প গভীর সংকটে পড়েছে।
৩ দিন আগে