স্ট্রিম প্রতিবেদক
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য আব্দুল হান্নান মাসউদের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে আর্থিক সমঝোতার অভিযোগ তুলেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খান। তিনি দাবি করেছেন, গণ-অভ্যুত্থানের পর সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়েছেন হান্নান মাসউদ।
বুধবার (৩ জুন) নিজের ফেসবুক পোস্টে এসব অভিযোগ করেন ঝিনাইদহ-৪ আসনে বিএনপির সংসদ সদস্যপ্রার্থী ও গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান।
রাশেদ খান দাবি করেন, গণ-অভ্যুত্থানের পর হান্নান মাসউদ দুর্নীতিতে জড়িয়ে আওয়ামী লীগ নেতাদের দেশত্যাগে সহায়তা করার বৈঠকে অংশ নিয়েছেন। তাদের সঙ্গে একাধিক বৈঠকে অংশ নিয়েছেন তিনি এবং এসব বৈঠকে অর্থ লেনদেন ও রাজনৈতিক সমঝোতার আলোচনা হয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, নোয়াখালীর সাবেক আওয়ামী লীগ সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আলীকে দেশত্যাগে সহায়তার বিষয়ে কথাবার্তা হয়েছিল। এসময় তিনি এ সংক্রান্ত বিভিন্ন ঘটনার সাক্ষী হিসেবে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আব্দুল গাফফার জিসানের নাম উল্লেখ করেন।
রাশেদ খানের পোস্টটি শেয়ার করে জিসান নিজের ফেসবুক পোস্টে লেখেন, গণ-অভ্যুত্থানে সক্রিয় ভূমিকা পালন করলেও তিনি এনসিপিতে যোগ দেননি। কারণ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে দীর্ঘ আন্দোলনের পর দলটির নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ বা সমঝোতার ঘটনা তাঁকে হতাশ করেছিল। জিসান আরও অভিযোগ করেন, নোয়াখালী-৪ আসনের সাবেক আওয়ামী লীগ সংসদ সদস্য একরামুল করীম চৌধুরীকে অর্থের বিনিময়ে বিদেশে পাঠানোর বিষয়ে হান্নান মাসউদ আগ্রহী ছিলেন।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এনসিপির সংসদ সদস্য আব্দুল হান্নান মাসউদ। অভিযোগের জবাবে তিনি আব্দুল গাফফার জিসানের সঙ্গে একটি কথোপকথনের অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেন। প্রকাশিত কথোপকথনে হান্নান মাসউদকে বলতে শোনা যায়, 'আমি কবে একরামুল করীম চৌধুরীকে পার করে দিতে চাইলাম?' জবাবে জিসান বলেন, 'রাশেদ খানকে একটা কথা বলছিলাম, পরে সে আমাকে চেপে ধরছে। উনি আজকে পোস্ট দিয়ে পরে বলতেছে এটা নিউজ করাবে। রাশেদ খান মনে হয় প্রতিমন্ত্রী হওয়ার সিগন্যাল পাইছে।' কথোপকথনের একপর্যায়ে হান্নান মাসউদ অভিযোগগুলো সত্য নয় বলে দাবি করলে জিসান বলেন, 'মাফ কইরা দিও।'
হান্নান মাসউদ বলেন, 'আপনি নিজেই জানেন ৫ টাকাও অবৈধভাবে কামাই নাই। আর জাতীয়ভাবে আপনি আমাকে হিউমিলিয়েট করে দিলেন।' জবাবে জিসান বলেন, 'রাজনীতিতে এগুলো হয়, প্যারা নাই।'
এদিকে রাশেদ খান এবং হান্নান মাসউদের দাবি করা ঘটনার বিষয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আব্দুল গাফফার জিসানের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, 'রাশেদ খান ফেসবুক পোস্টে যেসব দাবি করেছেন তার সবটাই সত্য। আওয়ামী লীগ নেতা একরামুল করীম চৌধুরীসহ আরও অনেকের বিষয়েই সে কাজ করেছে।' তাহলে হান্নান মাসউদের কাছে কেন মাফ চাইলেন—জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'হান্নান মাসউদ আমার এলাকার ছোট ভাই। রাশেদ খানের ফেসবুক পোস্টের কারণে সে মন খারাপ করেছে। তাই ব্যক্তিগতভাবে তাঁর সঙ্গে কথা বলছিলাম যেন তাঁর মন ভালো হয়। কিন্তু সে ব্যক্তিগত কথা পুঁজি করে এই কাজ করেছে।'
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য আব্দুল হান্নান মাসউদের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে আর্থিক সমঝোতার অভিযোগ তুলেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খান। তিনি দাবি করেছেন, গণ-অভ্যুত্থানের পর সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়েছেন হান্নান মাসউদ।
বুধবার (৩ জুন) নিজের ফেসবুক পোস্টে এসব অভিযোগ করেন ঝিনাইদহ-৪ আসনে বিএনপির সংসদ সদস্যপ্রার্থী ও গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান।
রাশেদ খান দাবি করেন, গণ-অভ্যুত্থানের পর হান্নান মাসউদ দুর্নীতিতে জড়িয়ে আওয়ামী লীগ নেতাদের দেশত্যাগে সহায়তা করার বৈঠকে অংশ নিয়েছেন। তাদের সঙ্গে একাধিক বৈঠকে অংশ নিয়েছেন তিনি এবং এসব বৈঠকে অর্থ লেনদেন ও রাজনৈতিক সমঝোতার আলোচনা হয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, নোয়াখালীর সাবেক আওয়ামী লীগ সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আলীকে দেশত্যাগে সহায়তার বিষয়ে কথাবার্তা হয়েছিল। এসময় তিনি এ সংক্রান্ত বিভিন্ন ঘটনার সাক্ষী হিসেবে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আব্দুল গাফফার জিসানের নাম উল্লেখ করেন।
রাশেদ খানের পোস্টটি শেয়ার করে জিসান নিজের ফেসবুক পোস্টে লেখেন, গণ-অভ্যুত্থানে সক্রিয় ভূমিকা পালন করলেও তিনি এনসিপিতে যোগ দেননি। কারণ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে দীর্ঘ আন্দোলনের পর দলটির নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ বা সমঝোতার ঘটনা তাঁকে হতাশ করেছিল। জিসান আরও অভিযোগ করেন, নোয়াখালী-৪ আসনের সাবেক আওয়ামী লীগ সংসদ সদস্য একরামুল করীম চৌধুরীকে অর্থের বিনিময়ে বিদেশে পাঠানোর বিষয়ে হান্নান মাসউদ আগ্রহী ছিলেন।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এনসিপির সংসদ সদস্য আব্দুল হান্নান মাসউদ। অভিযোগের জবাবে তিনি আব্দুল গাফফার জিসানের সঙ্গে একটি কথোপকথনের অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেন। প্রকাশিত কথোপকথনে হান্নান মাসউদকে বলতে শোনা যায়, 'আমি কবে একরামুল করীম চৌধুরীকে পার করে দিতে চাইলাম?' জবাবে জিসান বলেন, 'রাশেদ খানকে একটা কথা বলছিলাম, পরে সে আমাকে চেপে ধরছে। উনি আজকে পোস্ট দিয়ে পরে বলতেছে এটা নিউজ করাবে। রাশেদ খান মনে হয় প্রতিমন্ত্রী হওয়ার সিগন্যাল পাইছে।' কথোপকথনের একপর্যায়ে হান্নান মাসউদ অভিযোগগুলো সত্য নয় বলে দাবি করলে জিসান বলেন, 'মাফ কইরা দিও।'
হান্নান মাসউদ বলেন, 'আপনি নিজেই জানেন ৫ টাকাও অবৈধভাবে কামাই নাই। আর জাতীয়ভাবে আপনি আমাকে হিউমিলিয়েট করে দিলেন।' জবাবে জিসান বলেন, 'রাজনীতিতে এগুলো হয়, প্যারা নাই।'
এদিকে রাশেদ খান এবং হান্নান মাসউদের দাবি করা ঘটনার বিষয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আব্দুল গাফফার জিসানের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, 'রাশেদ খান ফেসবুক পোস্টে যেসব দাবি করেছেন তার সবটাই সত্য। আওয়ামী লীগ নেতা একরামুল করীম চৌধুরীসহ আরও অনেকের বিষয়েই সে কাজ করেছে।' তাহলে হান্নান মাসউদের কাছে কেন মাফ চাইলেন—জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'হান্নান মাসউদ আমার এলাকার ছোট ভাই। রাশেদ খানের ফেসবুক পোস্টের কারণে সে মন খারাপ করেছে। তাই ব্যক্তিগতভাবে তাঁর সঙ্গে কথা বলছিলাম যেন তাঁর মন ভালো হয়। কিন্তু সে ব্যক্তিগত কথা পুঁজি করে এই কাজ করেছে।'

দেশ থেকে ফ্যাসিবাদ, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও দুঃশাসন দূর না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, মুক্তির মঞ্জিলের আন্দোলন গন্তব্যে না পৌঁছানো পর্যন্ত আমরা থামব না।
১৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সৈকত আরিফ। আর সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন ফারহানা মানিক মুনা। শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুই দিনব্যাপী সম্মেলন শেষে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির তথ্য জানানো হয়েছে।
১৬ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ছেড়েছে খেলাফত মজলিস। শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে দলের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার তৃতীয় সাধারণ বৈঠক শেষে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
২১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি মাঈন আহমেদ এবং শিক্ষা ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক মেঘমল্লার বসু সংগঠন থেকে পদত্যাগ করেছেন। একসঙ্গে কেন্দ্রীয় সংসদের সহসভাপতি নাজিফা জান্নাতকে সংগঠনের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
১ দিন আগে