স্ট্রিম প্রতিবেদক

জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচনে অংশ নিলেও সরকার গঠন করলে কোনো নির্দিষ্ট দলের আদর্শ বা নীতি এককভাবে প্রাধান্য পাবে না বলে জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানী একটি হোটেলে ইশতেহার ঘোষণার সময় এসব বলেন তিনি।
‘তারুণ্য ও মর্যাদার ইশতেহার’ প্রকাশের অনুষ্ঠানে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের চেতনা এবং নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের আকাঙ্ক্ষা থেকেই এই ইশতেহার প্রণয়ন করা হয়েছে। ১১ দলীয় জোটের মাধ্যমে নির্বাচনে অংশ নিলেও সরকার গঠনে কোনো নির্দিষ্ট দলের আদর্শ বা নীতি এককভাবে প্রাধান্য পাবে না। বরং আমরা সংস্কার, বিচার, দুর্নীতি ও আধিপত্যবাদ বিরোধিতার মতো ন্যূনতম রাজনৈতিক কর্মসূচির ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করব।’
তিনি আরও উল্লেখ করেন, জোটের শরিক হিসেবে এনসিপি সরকারের ভেতরে থেকে তাদের নিজস্ব অগ্রাধিকারগুলো বাস্তবায়নের চেষ্টা করবে। এ কারণেই জোটের বাইরেও এনসিপি আলাদাভাবে নিজস্ব ইশতেহার ঘোষণা করছে।
ইশতেহারে ‘তারুণ্য’ ও ‘মর্যাদা’—এই দুটি বিষয়কে মূল স্তম্ভ হিসেবে ধরা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে নাহিদ ইসলাম বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর তরুণদের মধ্যে যে দেশপ্রেম ও রাজনৈতিক সচেতনতা তৈরি হয়েছে, তাকে কাজে লাগানোই আগামী দিনের প্রধান চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা। কর্মসংস্থান ও জীবনমান উন্নয়নের মাধ্যমে একটি নতুন প্রজন্ম তৈরি করতে হবে।
এছাড়া মানবাধিকার, অর্থনৈতিক অধিকার রক্ষা এবং আধিপত্যবাদ মোকাবিলার মাধ্যমে বিশ্বমঞ্চে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
এনসিপির ইশতেহারে মোট ৩৬টি বিষয়কে অগ্রাধিকার হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যা ১২টি অধ্যায়ে বিভক্ত। নাহিদ ইসলাম উল্লেখ করেন, ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপ এবং নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের যে লড়াই ৩ আগস্ট শহীদ মিনার থেকে শুরু হয়েছিল, তা এখনো চলমান। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও সংবিধান সংস্কার প্রক্রিয়ায় পুরোপুরি লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হলেও নির্বাচনের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদী লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন তিনি।
ইশতেহার প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় সারা দেশের মানুষ, বিশেষজ্ঞ এবং তরুণ সমাজের মতামত নেওয়া হয়েছে বলে জানান এনসিপির এই নেতা।
এনসিপির ইশতেহার প্রকাশ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা, সিভিল সোসাইটিসহ বিদেশি অতিথিরা।
রাজনৈতিক দলের মধ্যে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা আবদুল হালিম, বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া গণমাধ্যম থেকে দ্য ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম, কবি ও চিন্তক ফরহাদ মজহার উপস্থিত ছিলেন।

জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচনে অংশ নিলেও সরকার গঠন করলে কোনো নির্দিষ্ট দলের আদর্শ বা নীতি এককভাবে প্রাধান্য পাবে না বলে জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানী একটি হোটেলে ইশতেহার ঘোষণার সময় এসব বলেন তিনি।
‘তারুণ্য ও মর্যাদার ইশতেহার’ প্রকাশের অনুষ্ঠানে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের চেতনা এবং নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের আকাঙ্ক্ষা থেকেই এই ইশতেহার প্রণয়ন করা হয়েছে। ১১ দলীয় জোটের মাধ্যমে নির্বাচনে অংশ নিলেও সরকার গঠনে কোনো নির্দিষ্ট দলের আদর্শ বা নীতি এককভাবে প্রাধান্য পাবে না। বরং আমরা সংস্কার, বিচার, দুর্নীতি ও আধিপত্যবাদ বিরোধিতার মতো ন্যূনতম রাজনৈতিক কর্মসূচির ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করব।’
তিনি আরও উল্লেখ করেন, জোটের শরিক হিসেবে এনসিপি সরকারের ভেতরে থেকে তাদের নিজস্ব অগ্রাধিকারগুলো বাস্তবায়নের চেষ্টা করবে। এ কারণেই জোটের বাইরেও এনসিপি আলাদাভাবে নিজস্ব ইশতেহার ঘোষণা করছে।
ইশতেহারে ‘তারুণ্য’ ও ‘মর্যাদা’—এই দুটি বিষয়কে মূল স্তম্ভ হিসেবে ধরা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে নাহিদ ইসলাম বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর তরুণদের মধ্যে যে দেশপ্রেম ও রাজনৈতিক সচেতনতা তৈরি হয়েছে, তাকে কাজে লাগানোই আগামী দিনের প্রধান চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা। কর্মসংস্থান ও জীবনমান উন্নয়নের মাধ্যমে একটি নতুন প্রজন্ম তৈরি করতে হবে।
এছাড়া মানবাধিকার, অর্থনৈতিক অধিকার রক্ষা এবং আধিপত্যবাদ মোকাবিলার মাধ্যমে বিশ্বমঞ্চে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
এনসিপির ইশতেহারে মোট ৩৬টি বিষয়কে অগ্রাধিকার হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যা ১২টি অধ্যায়ে বিভক্ত। নাহিদ ইসলাম উল্লেখ করেন, ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপ এবং নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের যে লড়াই ৩ আগস্ট শহীদ মিনার থেকে শুরু হয়েছিল, তা এখনো চলমান। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও সংবিধান সংস্কার প্রক্রিয়ায় পুরোপুরি লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হলেও নির্বাচনের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদী লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন তিনি।
ইশতেহার প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় সারা দেশের মানুষ, বিশেষজ্ঞ এবং তরুণ সমাজের মতামত নেওয়া হয়েছে বলে জানান এনসিপির এই নেতা।
এনসিপির ইশতেহার প্রকাশ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা, সিভিল সোসাইটিসহ বিদেশি অতিথিরা।
রাজনৈতিক দলের মধ্যে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা আবদুল হালিম, বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া গণমাধ্যম থেকে দ্য ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম, কবি ও চিন্তক ফরহাদ মজহার উপস্থিত ছিলেন।

কার্যক্রম নিষিদ্ধের কারণে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে নেই আওয়ামী লীগ। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর দলটির শীর্ষ নেতারা আত্মগোপনে অথবা বিদেশে পালিয়েছেন। তবে এখনো দেশে তাদের লাখ লাখ নেতাকর্মী ও সমর্থক। সামাজিক মাধ্যমে আওয়ামী শিবির থেকে ভোট বয়কটের ডাক এলেও, আখেরে তা খুব কাজে দেবে না বলে মনে করছেন রাজনৈতিক ব
১ ঘণ্টা আগে
ভোট জিতে সরকারে গেলে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটলিয়ন (র্যাব) বিলুপ্ত করার ঘোষণা দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। বাহিনীটির বিকল্প হিসেবে ফরাসি মডেল ‘জেন্ডারমেরি’– এর আদলে বিশেষ ফোর্স গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে দলটি।
১ ঘণ্টা আগে
বেকারদের হাতে ভাতা তুলে দিয়ে জামায়াতে ইসলামী তাদের অপমান করতে চায় না বলে মন্তব্য করেছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। বিএনপিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, কেউ কেউ জুলাইয়ের অবদান অস্বীকার করছেন। যাদের জন্য অনেকে দেশে ফিরতে পেরেছে, জেল থেকে মুক্তি পেয়েছে, নির্বাচনের কথা বলতে পারছে, তাদের অবদান অস্বীকার করা ল
২ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর গণপরিবহনের ওপর চাপ কমানোর প্রস্তাব দিয়েছে জাতীয় নাগরিক কমিটি (এনসিপি)। এরই অংশ হিসেবে জনপ্রিয় মেট্রোরেল সেবা রাজধানীর বাইরে সম্প্রসারণ, সমন্বিত গণপরিবহন এবং নগরীর ব্যয় ও দূষণ কমাতে বৈদ্যুতিক যান চালু করতে চায় দলটি।
২ ঘণ্টা আগে