ডিজিএফআই পুনর্গঠনের ঘোষণা
এনসিপির ইশতেহারে র্যাবের বিকল্প হিসেবে জেন্ডারমেরি মডেলে বিশেষায়িত ফোর্স গঠনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
স্ট্রিম প্রতিবেদক

ভোট জিতে সরকারে গেলে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটলিয়ন (র্যাব) বিলুপ্ত করার ঘোষণা দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। বাহিনীটির বিকল্প হিসেবে ফরাসি মডেল ‘জেন্ডারমেরি’– এর আদলে বিশেষ ফোর্স গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে দলটি।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর লেকশোর গ্র্যান্ড হোটেলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দলীয় ইশতেহারে এনসিপি সামরিক বাহিনীর গোয়েন্দা সংস্থা– ডিজিএফআই পুনর্গঠন ও পুলিশ বাহিনী সংস্কারের প্রস্তাব রেখেছে।
‘তারুণ্য ও মর্যাদার ইশতেহার ২০২৬’ শিরোনামের এই দলিলে এনসিপির পক্ষ থেকে রাষ্ট্র সংস্কার, অর্থনীতি ও জনজীবনের মানোন্নয়নে ৩৬ দফা এবং ১২টি বিস্তারিত অধ্যায় তুলে ধরা হয়েছে। ইশতেহারে প্রচলিত রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির বাইরে গিয়ে ‘রাষ্ট্রের মানবিকীকরণ’ এবং একটি ‘সেকেন্ড রিপাবলিক’ বা দ্বিতীয় প্রজাতন্ত্র গড়ে তোলার রূপরেখা দেওয়া হয়েছে।
ইশতেহারের ১ নম্বর অধ্যায়ের নাগরিক অধিকার, নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার অংশে বলা হয়েছে, ব্রিটিশ আমলে তৈরি প্রশাসন, পুলিশ, বিচারব্যবস্থা ও গোয়েন্দা কাঠামো কখনোই সাধারণ মানুষের সেবা দেওয়ার জন্য হয়নি। এগুলো তৈরি হয়েছিল জনগণকে শাসনের অধীন রাখতে, প্রতিরোধ দমন করতে এবং ক্ষমতাকে প্রশ্নাতীত করতে।
ইশতেহারে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, ‘মানবতাবিরোধী অপরাধে সংশ্লিষ্টতার প্রেক্ষিতে র্যাব বিলুপ্ত করা হবে এবং ডিজিএফআইকে পুনর্গঠন করা হবে।’ র্যাবের বিকল্প হিসেবে পুলিশের মধ্যেই ‘জেন্ডারমেরি’ মডেলে একটি আধুনিক ও দক্ষ এলিট ফোর্স গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে।
পুলিশ সংস্কারের বিষয়ে ইশতেহারে বলা হয়েছে, ১৮৬১ সালের ঔপনিবেশিক পুলিশ আইন পরিবর্তন করা হবে। স্বচ্ছতা নিশ্চিতে পুলিশের বডিওর্ন ক্যামেরা এবং যানবাহনে ড্যাশক্যাম বাধ্যতামূলক করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।
জেন্ডারমেরি ‘এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা’ অনুসারে, জেন্ডারমেরি হলো এমন একটি সামরিক বা আধাসামরিক বাহিনী, যা বেসামরিক জনগণের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশি দায়িত্ব পালন করে। এটি মূলত পুলিশ ও সামরিক বৈশিষ্ট্যের একটি সংমিশ্রণ।
এটি এমন একটি বিশেষায়িত বাহিনী, যা সামরিক বাহিনীর মতো কঠোর শৃঙ্খলা ও কাঠামোর অধীনে পরিচালিত হয়, কিন্তু তাদের মূল কাজ হলো সাধারণ জনগণের মধ্যে পুলিশি দায়িত্ব পালন করা। উনিশ শতকের ফরাসি এই মডেলে গড়া বাহিনী বর্তমানে ইতালি, তুরস্ক, ফ্রান্সসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রচলিত। সাধারণ পুলিশের পাশাপাশি এই বাহিনী বিশেষ পরিস্থিতি ও বড় ধরনের দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণে কাজ করে।
রাষ্ট্র যখন মনে করে সাধারণ পুলিশ দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়, আবার সেনাবাহিনী নামানোও অতিরিক্ত কঠোরতা হয়ে যাবে, তখনই এই ‘মধ্যবর্তী’ বা ‘হাইব্রিড’ বাহিনীটি কাজ করে।
ইউরোপীয় পুলিশিং ব্যবস্থার ইতিহাস নিয়ে বিখ্যাত ইতিহাসবিদ ক্লাইভ এমসলে তাঁর গবেষণায় উল্লেখ করেছেন, ‘জেন্ডারমেরি’ শব্দটি ফরাসি ‘Gens d'armes’ থেকে এসেছে, যার অর্থ ‘সশস্ত্র ব্যক্তি’ বা ‘Men-at-arms’।
এমসলের বই ‘জেন্ডারমেরি অ্যান্ড দ্যা স্টেট ইন নাইন্টিন্থ সেঞ্চুরি ইউরোপ’ গ্রন্থে বলা হয়, মধ্যযুগীয় ফ্রান্সে ‘মারেচৌসি’ নামে একটি বিশেষ বাহিনী ছিল। শুরুতে এদের কাজ ছিল শুধু সেনাবাহিনীর শৃঙ্খলা রক্ষা করা এবং যুদ্ধক্ষেত্রে পলাতক সৈন্যদের ধরা। কিন্তু ধীরে ধীরে রাজা তাদের সাধারণ জনগণ, বিশেষ করে গ্রাম ও মহাসড়কের নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্ব দেন।
১৭৯১ সালে ফরাসি বিপ্লবের সময় জেন্ডারমেরি মডেলের আধুনিক রূপ গঠিত হয়। বিপ্লবীরা রাজতন্ত্রের প্রতীক পুরোনো মারেচৌসি বিলুপ্ত করে নতুন নাম দেন ‘জেন্ডারমেরি ন্যাশনালে’। এই সময় আইন করে বলা হয় যে, এটি এমন একটি বাহিনী হবে যা সেনাবাহিনীর অংশ, কিন্তু তাদের কাজ হবে বেসামরিক জনগণের মধ্যে পুলিশি দায়িত্ব পালন করা। এটাই ছিল বিশ্বের প্রথম আধুনিক জেন্ডারমেরি বাহিনী।
পরে ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়ন বোনাপার্ট এই মডেলটিকে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় ও শক্তিশালী করেন। তিনি জেন্ডারমেরিকে রাষ্ট্রের ‘চোখ ও কান’ হিসেবে ব্যবহার করতেন। নেপোলিয়ন যখন ইউরোপের বিভিন্ন দেশ জয় করেন, তখন তিনি ইতালি, নেদারল্যান্ডস ও জার্মানিসহ বিভিন্ন দেশে এই ফরাসি মডেলের পুলিশি ব্যবস্থা চালু করেন।
নেপোলিয়নের পতনের পরেও এই মডেলটি টিকে যায় এবং বিভিন্ন দেশ তাদের নিজস্ব প্রয়োজনে এটি গ্রহণ করে। এই মডেলেই ১৮১৪ সালে ইতালিতে গঠিত হয় বিখ্যাত ‘কারাবিনিয়েরি’। এরপর স্পেন ও তুরস্কেও যথাক্রমে ‘সিভিল গার্ড’ ও ‘জান্দারমা’ নামে এই মডেলের বাহিনী গঠিত হয়।

ভোট জিতে সরকারে গেলে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটলিয়ন (র্যাব) বিলুপ্ত করার ঘোষণা দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। বাহিনীটির বিকল্প হিসেবে ফরাসি মডেল ‘জেন্ডারমেরি’– এর আদলে বিশেষ ফোর্স গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে দলটি।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর লেকশোর গ্র্যান্ড হোটেলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দলীয় ইশতেহারে এনসিপি সামরিক বাহিনীর গোয়েন্দা সংস্থা– ডিজিএফআই পুনর্গঠন ও পুলিশ বাহিনী সংস্কারের প্রস্তাব রেখেছে।
‘তারুণ্য ও মর্যাদার ইশতেহার ২০২৬’ শিরোনামের এই দলিলে এনসিপির পক্ষ থেকে রাষ্ট্র সংস্কার, অর্থনীতি ও জনজীবনের মানোন্নয়নে ৩৬ দফা এবং ১২টি বিস্তারিত অধ্যায় তুলে ধরা হয়েছে। ইশতেহারে প্রচলিত রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির বাইরে গিয়ে ‘রাষ্ট্রের মানবিকীকরণ’ এবং একটি ‘সেকেন্ড রিপাবলিক’ বা দ্বিতীয় প্রজাতন্ত্র গড়ে তোলার রূপরেখা দেওয়া হয়েছে।
ইশতেহারের ১ নম্বর অধ্যায়ের নাগরিক অধিকার, নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার অংশে বলা হয়েছে, ব্রিটিশ আমলে তৈরি প্রশাসন, পুলিশ, বিচারব্যবস্থা ও গোয়েন্দা কাঠামো কখনোই সাধারণ মানুষের সেবা দেওয়ার জন্য হয়নি। এগুলো তৈরি হয়েছিল জনগণকে শাসনের অধীন রাখতে, প্রতিরোধ দমন করতে এবং ক্ষমতাকে প্রশ্নাতীত করতে।
ইশতেহারে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, ‘মানবতাবিরোধী অপরাধে সংশ্লিষ্টতার প্রেক্ষিতে র্যাব বিলুপ্ত করা হবে এবং ডিজিএফআইকে পুনর্গঠন করা হবে।’ র্যাবের বিকল্প হিসেবে পুলিশের মধ্যেই ‘জেন্ডারমেরি’ মডেলে একটি আধুনিক ও দক্ষ এলিট ফোর্স গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে।
পুলিশ সংস্কারের বিষয়ে ইশতেহারে বলা হয়েছে, ১৮৬১ সালের ঔপনিবেশিক পুলিশ আইন পরিবর্তন করা হবে। স্বচ্ছতা নিশ্চিতে পুলিশের বডিওর্ন ক্যামেরা এবং যানবাহনে ড্যাশক্যাম বাধ্যতামূলক করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।
জেন্ডারমেরি ‘এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা’ অনুসারে, জেন্ডারমেরি হলো এমন একটি সামরিক বা আধাসামরিক বাহিনী, যা বেসামরিক জনগণের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশি দায়িত্ব পালন করে। এটি মূলত পুলিশ ও সামরিক বৈশিষ্ট্যের একটি সংমিশ্রণ।
এটি এমন একটি বিশেষায়িত বাহিনী, যা সামরিক বাহিনীর মতো কঠোর শৃঙ্খলা ও কাঠামোর অধীনে পরিচালিত হয়, কিন্তু তাদের মূল কাজ হলো সাধারণ জনগণের মধ্যে পুলিশি দায়িত্ব পালন করা। উনিশ শতকের ফরাসি এই মডেলে গড়া বাহিনী বর্তমানে ইতালি, তুরস্ক, ফ্রান্সসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রচলিত। সাধারণ পুলিশের পাশাপাশি এই বাহিনী বিশেষ পরিস্থিতি ও বড় ধরনের দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণে কাজ করে।
রাষ্ট্র যখন মনে করে সাধারণ পুলিশ দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়, আবার সেনাবাহিনী নামানোও অতিরিক্ত কঠোরতা হয়ে যাবে, তখনই এই ‘মধ্যবর্তী’ বা ‘হাইব্রিড’ বাহিনীটি কাজ করে।
ইউরোপীয় পুলিশিং ব্যবস্থার ইতিহাস নিয়ে বিখ্যাত ইতিহাসবিদ ক্লাইভ এমসলে তাঁর গবেষণায় উল্লেখ করেছেন, ‘জেন্ডারমেরি’ শব্দটি ফরাসি ‘Gens d'armes’ থেকে এসেছে, যার অর্থ ‘সশস্ত্র ব্যক্তি’ বা ‘Men-at-arms’।
এমসলের বই ‘জেন্ডারমেরি অ্যান্ড দ্যা স্টেট ইন নাইন্টিন্থ সেঞ্চুরি ইউরোপ’ গ্রন্থে বলা হয়, মধ্যযুগীয় ফ্রান্সে ‘মারেচৌসি’ নামে একটি বিশেষ বাহিনী ছিল। শুরুতে এদের কাজ ছিল শুধু সেনাবাহিনীর শৃঙ্খলা রক্ষা করা এবং যুদ্ধক্ষেত্রে পলাতক সৈন্যদের ধরা। কিন্তু ধীরে ধীরে রাজা তাদের সাধারণ জনগণ, বিশেষ করে গ্রাম ও মহাসড়কের নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্ব দেন।
১৭৯১ সালে ফরাসি বিপ্লবের সময় জেন্ডারমেরি মডেলের আধুনিক রূপ গঠিত হয়। বিপ্লবীরা রাজতন্ত্রের প্রতীক পুরোনো মারেচৌসি বিলুপ্ত করে নতুন নাম দেন ‘জেন্ডারমেরি ন্যাশনালে’। এই সময় আইন করে বলা হয় যে, এটি এমন একটি বাহিনী হবে যা সেনাবাহিনীর অংশ, কিন্তু তাদের কাজ হবে বেসামরিক জনগণের মধ্যে পুলিশি দায়িত্ব পালন করা। এটাই ছিল বিশ্বের প্রথম আধুনিক জেন্ডারমেরি বাহিনী।
পরে ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়ন বোনাপার্ট এই মডেলটিকে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় ও শক্তিশালী করেন। তিনি জেন্ডারমেরিকে রাষ্ট্রের ‘চোখ ও কান’ হিসেবে ব্যবহার করতেন। নেপোলিয়ন যখন ইউরোপের বিভিন্ন দেশ জয় করেন, তখন তিনি ইতালি, নেদারল্যান্ডস ও জার্মানিসহ বিভিন্ন দেশে এই ফরাসি মডেলের পুলিশি ব্যবস্থা চালু করেন।
নেপোলিয়নের পতনের পরেও এই মডেলটি টিকে যায় এবং বিভিন্ন দেশ তাদের নিজস্ব প্রয়োজনে এটি গ্রহণ করে। এই মডেলেই ১৮১৪ সালে ইতালিতে গঠিত হয় বিখ্যাত ‘কারাবিনিয়েরি’। এরপর স্পেন ও তুরস্কেও যথাক্রমে ‘সিভিল গার্ড’ ও ‘জান্দারমা’ নামে এই মডেলের বাহিনী গঠিত হয়।

কার্যক্রম নিষিদ্ধের কারণে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে নেই আওয়ামী লীগ। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর দলটির শীর্ষ নেতারা আত্মগোপনে অথবা বিদেশে পালিয়েছেন। তবে এখনো দেশে তাদের লাখ লাখ নেতাকর্মী ও সমর্থক। সামাজিক মাধ্যমে আওয়ামী শিবির থেকে ভোট বয়কটের ডাক এলেও, আখেরে তা খুব কাজে দেবে না বলে মনে করছেন রাজনৈতিক ব
১ ঘণ্টা আগে
বেকারদের হাতে ভাতা তুলে দিয়ে জামায়াতে ইসলামী তাদের অপমান করতে চায় না বলে মন্তব্য করেছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। বিএনপিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, কেউ কেউ জুলাইয়ের অবদান অস্বীকার করছেন। যাদের জন্য অনেকে দেশে ফিরতে পেরেছে, জেল থেকে মুক্তি পেয়েছে, নির্বাচনের কথা বলতে পারছে, তাদের অবদান অস্বীকার করা ল
২ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর গণপরিবহনের ওপর চাপ কমানোর প্রস্তাব দিয়েছে জাতীয় নাগরিক কমিটি (এনসিপি)। এরই অংশ হিসেবে জনপ্রিয় মেট্রোরেল সেবা রাজধানীর বাইরে সম্প্রসারণ, সমন্বিত গণপরিবহন এবং নগরীর ব্যয় ও দূষণ কমাতে বৈদ্যুতিক যান চালু করতে চায় দলটি।
২ ঘণ্টা আগে
জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচনে অংশ নিলেও সরকার গঠন করলে কোনো নির্দিষ্ট দলের আদর্শ বা নীতি এককভাবে প্রাধান্য পাবে না বলে জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানী একটি হোটেলে ইশতেহার ঘোষণার সময় এসব বলেন তিনি।
২ ঘণ্টা আগে