স্ট্রিম প্রতিবেদক

রাজধানীর গণপরিবহনের ওপর চাপ কমানোর প্রস্তাব দিয়েছে জাতীয় নাগরিক কমিটি (এনসিপি)। এরই অংশ হিসেবে জনপ্রিয় মেট্রোরেল সেবা রাজধানীর বাইরে সম্প্রসারণ, সমন্বিত গণপরিবহন এবং নগরীর ব্যয় ও দূষণ কমাতে বৈদ্যুতিক যান চালু করতে চায় দলটি।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর লেকশোর গ্র্যান্ড হোটেলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দলীয় ইশতেহারে এসব প্রস্তাবের সঙ্গে ৩৬ দফা দিয়েছে এনসিপি।
ইশতেহারে বলা হয়, রাজধানীর ওপর অতিরিক্ত জনসংখ্যা ও কর্মচাপ কমাতে মেট্রোরেলকে নগরের ভেতরে সীমাবদ্ধ না রেখে আঞ্চলিক কমিউটার রেলে রূপান্তর করা হবে। ধাপে ধাপে মেট্রোরেল সংযোগ সম্প্রসারণ করে ঢাকার সঙ্গে মুন্সীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী ও গাজীপুরে করিডোর তৈরি করবে।
এনসিপির মতে, এই সংযোগগুলোর মাধ্যমে মানুষ ঢাকার বাইরে বসবাস করেও দ্রুত, নির্ভরযোগ্য ও সাশ্রয়ী গণপরিবহনে কর্মস্থলে যাতায়াত করতে পারবে। ফলে আবাসন, শিল্প, শিক্ষা ও সেবাখাত ধীরে ধীরে ঢাকার বাইরের জেলায় বিস্তৃত হবে এবং রাজধানীর জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে। মেট্রোরেলের স্টেশন ঘিরে পরিকল্পিত ট্রানজিট-ওরিয়েন্টেড ডেভেলপমেন্ট (টিওডি) গড়ে তোলা হবে, যেখানে অফিস, আবাসন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা একসঙ্গে বিকশিত হবে।
নির্বাচনে জিতে সরকারে গেলে এনসিপি মেট্রোরেল, বাস ও রেলের মধ্যে সমন্বিত টিকিটিং এবং সূচির পরিকল্পনা দিয়েছে। বলেছে, ট্রান্সফার হাবগুলোতে নিরাপদে হাঁটার পথ এবং সেগুলোর স্পষ্ট নির্দেশনা (সাইনেজ) ছাড়াও গড়ে তোলা হবে নারী ও প্রতিবন্ধীবান্ধব করে। পরিকল্পিতভাবে ই-রিকশা, ই-স্কুটার ও সাইকেল যুক্ত করার প্রস্তাব দিয়েছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ছাত্র নেতৃত্বের এই দল।
যানজটের কারণে সময়, উৎপাদনশীলতা, জ্বালানি ও পরিবেশ সব ক্ষেত্রেই সাধারণ মানুষকে মূল্য দিতে হচ্ছে উল্লেখ করে এনসিপি ইশতেহারে নগর চলাচল, গণপরিবহন, মেট্রোরেল ও রেলব্যবস্থায় কাঠামোগত সংস্কারের প্রস্তাত দিয়েছে।
ক্ষমতায় যেতে পারলে যানজট কমাতে নগরে জোনভিত্তিক স্কুলবাস চালু, স্কুল ও উচ্চ যানজট সৃষ্টিকারী ভবনের জন্য বাধ্যতামূলক নিজস্ব ট্রাফিকব্যবস্থা কার্যকর এবং ভিআইপি সংজ্ঞা পুনর্নির্ধারণ করবে। শুধু রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রীয় অতিথির জন্য ভিআইপি ট্রাফিক সুবিধা সীমাবদ্ধ থাকবে।
নারীর চলাচল সহজ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তাদের জন্য আলাদা বাস চালু করার কথা বলা হয়েছে ইশতেহারে। নারীদের জন্য নির্দিষ্ট এই বাসগুলো গুরুত্বপূর্ণ পথে নির্ধারিত সূচি ধরে চলবে এবং মূল গণপরিবহন ব্যবস্থার সঙ্গে সমন্বিত থাকবে। পাসপোর্ট, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, প্রশাসনিক ও কর্মসংস্থান-সংক্রান্ত সেবার জন্য ঢাকাকেন্দ্রিক যাতায়াত কমাতে সেবা বিকেন্দ্রীকরণের কথাও বলেছে এনসিপি।
নির্বাচিত হয়ে ক্ষমতায় যেতে পারলে বাস, বিআরটি, মেট্রোরেল ও রেল একক কাঠামোর অধীনে এনে সমন্বিত গণপরিবহন ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করার কথা বলেছে এনসিপি। ইশতেহারে বলা হয়েছে, ঢাকা ও চট্টগ্রামে একীভূত ট্রান্সপোর্ট অথরিটি গঠন করে রুট র্যাশনালাইজেশন, লাইসেন্সিং, ভাড়া কাঠামো ও সেবামান নিয়ন্ত্রণ করা হবে। ফলে একটি শহরের সব গণপরিবহনে ওঠা যাবে এক টিকিটেই। সব পাবলিক বাসকে একক কর্তৃপক্ষের আওতায় আনলে অতিরিক্ত যান, দুর্ঘটনা ও অপ্রয়োজনীয় প্রতিযোগিতা কমবে। সমন্বিত গণপরিবহনের টিকিট প্যাকেজে শিক্ষার্থী ও সামাজিক সুরক্ষার আওতায় থাকা ব্যক্তিরা ভর্তুকি পাবেন।
ইশতেহারে বলা হয়েছে, পণ্য পরিবহন ব্যবস্থা সড়ক থেকে রেলে স্থানান্তর করার লক্ষ্য দিয়েছে এনসিপি। মহাসড়কে যানজট হ্রাস, জ্বালানি ব্যয় ও কার্বন নিঃসরণ কমাতে ড্রাই পোর্ট, আইসিডি, লজিস্টিক পার্ক ও পণ্যবাহী রেল করিডরের মাধ্যমে দীর্ঘপথে রেল এবং শহরে লাস্ট-মাইল ট্রাক বিভাজন কার্যকর করা হবে বলে জানিয়েছে এনসিপি।
ইশতেহারে বলা হয়, এই রূপান্তরের ভিত্তি ১০ বছর মেয়াদি ‘রেল রিভাইভাল প্ল্যান’। কীভাবে এসব বাস্তবায়ন করা হবে তার ধারণা দিতে গিয়ে দলটি বলেছে, রাষ্ট্রীয় মালিকানা বজায় রেখে প্রতিযোগিতা তৈরির জন্য শুরুতে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে বেসরকারি (দেশি/বিদেশি) ফ্রেইট অপারেটর কোম্পানিকে ৭ বছরের লিজ দেওয়া হবে। পরে ধাপে ধাপে অন্যান্য রুটে ভিন্ন ভিন্ন কোম্পানিকে লিজ দিয়ে প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরি করা হবে।
দলটি পণ্য পরিবহনে গার্মেন্টসসহ অন্যান্য শিল্পের আস্থা ফিরিয়ে আনতে চায়। এজন্য ফ্রেইট রেল সম্প্রসারণ এবং ভবিষ্যৎ ইলেকট্রিক রেলের প্রস্তুতি ‘রেল রিভাইভাল প্লানে’ নিশ্চিত করা হবে বলে ইশতেহারে উল্লেখ করেছে। ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-কুমিল্লা নতুন লাইন বসানোর পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছে এনসিপি।

রাজধানীর গণপরিবহনের ওপর চাপ কমানোর প্রস্তাব দিয়েছে জাতীয় নাগরিক কমিটি (এনসিপি)। এরই অংশ হিসেবে জনপ্রিয় মেট্রোরেল সেবা রাজধানীর বাইরে সম্প্রসারণ, সমন্বিত গণপরিবহন এবং নগরীর ব্যয় ও দূষণ কমাতে বৈদ্যুতিক যান চালু করতে চায় দলটি।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর লেকশোর গ্র্যান্ড হোটেলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দলীয় ইশতেহারে এসব প্রস্তাবের সঙ্গে ৩৬ দফা দিয়েছে এনসিপি।
ইশতেহারে বলা হয়, রাজধানীর ওপর অতিরিক্ত জনসংখ্যা ও কর্মচাপ কমাতে মেট্রোরেলকে নগরের ভেতরে সীমাবদ্ধ না রেখে আঞ্চলিক কমিউটার রেলে রূপান্তর করা হবে। ধাপে ধাপে মেট্রোরেল সংযোগ সম্প্রসারণ করে ঢাকার সঙ্গে মুন্সীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী ও গাজীপুরে করিডোর তৈরি করবে।
এনসিপির মতে, এই সংযোগগুলোর মাধ্যমে মানুষ ঢাকার বাইরে বসবাস করেও দ্রুত, নির্ভরযোগ্য ও সাশ্রয়ী গণপরিবহনে কর্মস্থলে যাতায়াত করতে পারবে। ফলে আবাসন, শিল্প, শিক্ষা ও সেবাখাত ধীরে ধীরে ঢাকার বাইরের জেলায় বিস্তৃত হবে এবং রাজধানীর জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে। মেট্রোরেলের স্টেশন ঘিরে পরিকল্পিত ট্রানজিট-ওরিয়েন্টেড ডেভেলপমেন্ট (টিওডি) গড়ে তোলা হবে, যেখানে অফিস, আবাসন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা একসঙ্গে বিকশিত হবে।
নির্বাচনে জিতে সরকারে গেলে এনসিপি মেট্রোরেল, বাস ও রেলের মধ্যে সমন্বিত টিকিটিং এবং সূচির পরিকল্পনা দিয়েছে। বলেছে, ট্রান্সফার হাবগুলোতে নিরাপদে হাঁটার পথ এবং সেগুলোর স্পষ্ট নির্দেশনা (সাইনেজ) ছাড়াও গড়ে তোলা হবে নারী ও প্রতিবন্ধীবান্ধব করে। পরিকল্পিতভাবে ই-রিকশা, ই-স্কুটার ও সাইকেল যুক্ত করার প্রস্তাব দিয়েছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ছাত্র নেতৃত্বের এই দল।
যানজটের কারণে সময়, উৎপাদনশীলতা, জ্বালানি ও পরিবেশ সব ক্ষেত্রেই সাধারণ মানুষকে মূল্য দিতে হচ্ছে উল্লেখ করে এনসিপি ইশতেহারে নগর চলাচল, গণপরিবহন, মেট্রোরেল ও রেলব্যবস্থায় কাঠামোগত সংস্কারের প্রস্তাত দিয়েছে।
ক্ষমতায় যেতে পারলে যানজট কমাতে নগরে জোনভিত্তিক স্কুলবাস চালু, স্কুল ও উচ্চ যানজট সৃষ্টিকারী ভবনের জন্য বাধ্যতামূলক নিজস্ব ট্রাফিকব্যবস্থা কার্যকর এবং ভিআইপি সংজ্ঞা পুনর্নির্ধারণ করবে। শুধু রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রীয় অতিথির জন্য ভিআইপি ট্রাফিক সুবিধা সীমাবদ্ধ থাকবে।
নারীর চলাচল সহজ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তাদের জন্য আলাদা বাস চালু করার কথা বলা হয়েছে ইশতেহারে। নারীদের জন্য নির্দিষ্ট এই বাসগুলো গুরুত্বপূর্ণ পথে নির্ধারিত সূচি ধরে চলবে এবং মূল গণপরিবহন ব্যবস্থার সঙ্গে সমন্বিত থাকবে। পাসপোর্ট, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, প্রশাসনিক ও কর্মসংস্থান-সংক্রান্ত সেবার জন্য ঢাকাকেন্দ্রিক যাতায়াত কমাতে সেবা বিকেন্দ্রীকরণের কথাও বলেছে এনসিপি।
নির্বাচিত হয়ে ক্ষমতায় যেতে পারলে বাস, বিআরটি, মেট্রোরেল ও রেল একক কাঠামোর অধীনে এনে সমন্বিত গণপরিবহন ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করার কথা বলেছে এনসিপি। ইশতেহারে বলা হয়েছে, ঢাকা ও চট্টগ্রামে একীভূত ট্রান্সপোর্ট অথরিটি গঠন করে রুট র্যাশনালাইজেশন, লাইসেন্সিং, ভাড়া কাঠামো ও সেবামান নিয়ন্ত্রণ করা হবে। ফলে একটি শহরের সব গণপরিবহনে ওঠা যাবে এক টিকিটেই। সব পাবলিক বাসকে একক কর্তৃপক্ষের আওতায় আনলে অতিরিক্ত যান, দুর্ঘটনা ও অপ্রয়োজনীয় প্রতিযোগিতা কমবে। সমন্বিত গণপরিবহনের টিকিট প্যাকেজে শিক্ষার্থী ও সামাজিক সুরক্ষার আওতায় থাকা ব্যক্তিরা ভর্তুকি পাবেন।
ইশতেহারে বলা হয়েছে, পণ্য পরিবহন ব্যবস্থা সড়ক থেকে রেলে স্থানান্তর করার লক্ষ্য দিয়েছে এনসিপি। মহাসড়কে যানজট হ্রাস, জ্বালানি ব্যয় ও কার্বন নিঃসরণ কমাতে ড্রাই পোর্ট, আইসিডি, লজিস্টিক পার্ক ও পণ্যবাহী রেল করিডরের মাধ্যমে দীর্ঘপথে রেল এবং শহরে লাস্ট-মাইল ট্রাক বিভাজন কার্যকর করা হবে বলে জানিয়েছে এনসিপি।
ইশতেহারে বলা হয়, এই রূপান্তরের ভিত্তি ১০ বছর মেয়াদি ‘রেল রিভাইভাল প্ল্যান’। কীভাবে এসব বাস্তবায়ন করা হবে তার ধারণা দিতে গিয়ে দলটি বলেছে, রাষ্ট্রীয় মালিকানা বজায় রেখে প্রতিযোগিতা তৈরির জন্য শুরুতে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে বেসরকারি (দেশি/বিদেশি) ফ্রেইট অপারেটর কোম্পানিকে ৭ বছরের লিজ দেওয়া হবে। পরে ধাপে ধাপে অন্যান্য রুটে ভিন্ন ভিন্ন কোম্পানিকে লিজ দিয়ে প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরি করা হবে।
দলটি পণ্য পরিবহনে গার্মেন্টসসহ অন্যান্য শিল্পের আস্থা ফিরিয়ে আনতে চায়। এজন্য ফ্রেইট রেল সম্প্রসারণ এবং ভবিষ্যৎ ইলেকট্রিক রেলের প্রস্তুতি ‘রেল রিভাইভাল প্লানে’ নিশ্চিত করা হবে বলে ইশতেহারে উল্লেখ করেছে। ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-কুমিল্লা নতুন লাইন বসানোর পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছে এনসিপি।

কার্যক্রম নিষিদ্ধের কারণে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে নেই আওয়ামী লীগ। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর দলটির শীর্ষ নেতারা আত্মগোপনে অথবা বিদেশে পালিয়েছেন। তবে এখনো দেশে তাদের লাখ লাখ নেতাকর্মী ও সমর্থক। সামাজিক মাধ্যমে আওয়ামী শিবির থেকে ভোট বয়কটের ডাক এলেও, আখেরে তা খুব কাজে দেবে না বলে মনে করছেন রাজনৈতিক ব
১ ঘণ্টা আগে
ভোট জিতে সরকারে গেলে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটলিয়ন (র্যাব) বিলুপ্ত করার ঘোষণা দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। বাহিনীটির বিকল্প হিসেবে ফরাসি মডেল ‘জেন্ডারমেরি’– এর আদলে বিশেষ ফোর্স গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে দলটি।
১ ঘণ্টা আগে
বেকারদের হাতে ভাতা তুলে দিয়ে জামায়াতে ইসলামী তাদের অপমান করতে চায় না বলে মন্তব্য করেছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। বিএনপিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, কেউ কেউ জুলাইয়ের অবদান অস্বীকার করছেন। যাদের জন্য অনেকে দেশে ফিরতে পেরেছে, জেল থেকে মুক্তি পেয়েছে, নির্বাচনের কথা বলতে পারছে, তাদের অবদান অস্বীকার করা ল
২ ঘণ্টা আগে
জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচনে অংশ নিলেও সরকার গঠন করলে কোনো নির্দিষ্ট দলের আদর্শ বা নীতি এককভাবে প্রাধান্য পাবে না বলে জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানী একটি হোটেলে ইশতেহার ঘোষণার সময় এসব বলেন তিনি।
২ ঘণ্টা আগে