ফারুক হোসাইন

কার্যক্রম নিষিদ্ধের কারণে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে নেই আওয়ামী লীগ। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর দলটির শীর্ষ নেতারা আত্মগোপনে অথবা বিদেশে পালিয়েছেন। তবে এখনো দেশে তাদের লাখ লাখ নেতাকর্মী ও সমর্থক। সামাজিক মাধ্যমে আওয়ামী শিবির থেকে ভোট বয়কটের ডাক এলেও, আখেরে তা খুব কাজে দেবে না বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
তাদের ভাষ্যে, এসব ভোট আসন্ন নির্বাচনের ফলাফলে ‘বড় নিয়ামক’ হয়ে উঠতে পারে। বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর ভোটের প্রচারেও বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে আওয়ামী লীগের ভোট ব্যাংক। কেউ কৌশলে, আবার কেউ সরাসরিই তা টানার চেষ্টা করছেন।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক কেএম মহিউদ্দিন স্ট্রিমকে বলেন, আওয়ামী লীগের ভোটাররা কেন্দ্রে যাবেন কিনা তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। না গেলে ভোটের টার্ন-আউট কম হবে। গেলে স্থানীয়ভাবে নিজের সুবিধাজনক প্রার্থীকে ভোট দেবেন। এতে স্থানীয় পর্যায়ে ব্যবধান তৈরি হতে পারে। বিষয়টি অনুধাবন করে বিএনপি, জামায়াতসহ বিভিন্ন দল, এমনকি স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও তাদের কাছে টানছেন।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দিনই তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ও দলের সভাপতি শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যান। মন্ত্রিসভার অধিকাংশ সদস্যসহ দলের শীর্ষ নেতারাও গোপনে দেশ ছাড়েন অথবা আত্মগোপনে আছেন। এরপর থেকে দলটির কার্যক্রম মূলত অনলাইননির্ভর। এর মধ্যে গত বছরের ১০ মে অন্তর্বর্তী সরকার রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করায় ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন থেকে ছিটকে গেছে দলটি।
বিগত সময়ের কাস্ট ভোট বিশ্লেষণে দেখা যায়, ১৯৯৬ সালে ৩৭ দশমিক ৪৪ শতাংশ, ২০০১ সালে ৪০ দশমিক ১৩ ও ২০০৮ সালে নির্বাচনে ৪৮ দশমিক ৪ শতাংশ ভোট পেয়েছে আওয়ামী লীগ। এর পরের তিনটি (২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সাল) নির্বাচন আওয়ামী লীগ নিজেদের অধীনে একতরফা করাই বিতর্ক রয়েছে। সঙ্গে বিগত সাড়ে ১৫ বছর দলটির নেতাকর্মীর নেতিবাচক কর্মকাণ্ডে জনসমর্থন কমলেও ‘ভোট ব্যাংক’ রাতারাতি উবে যায়নি বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ঘিরে একাধিক জনমতে আওয়ামী লীগের ভোটার মোটামুটি একই চিত্র পাওয়া গেছে। ২০২৫ সালের জুলাইয়ে প্রকাশিত ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (বিআইজিডি) ‘পালস সার্ভে’তে বলা হয়, ৭ দশমিক ৩ শতাংশ মানুষ ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগকে ভোট দিতে চান। ‘ইনোভিশন কনসাল্টিং’ নামের আরেক প্রতিষ্ঠানের ২০২৫ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত জরিপে এই সমর্থন ১৮ দশমিক ৮ শতাংশ।
আওয়ামী লীগের জেলা পর্যায়ের এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্ট্রিমকে বলেন, দলের পক্ষ থেকে এবারের নির্বাচন নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়নি। তবে দলীয় প্রধান শেখ হাসিনাসহ অনেকে নৌকা ছাড়া কীসের ভোট—এমন বলেছেন। তবে স্থানীয় পর্যায়ে আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মী নিজের পিঠ রক্ষায় এখন বিএনপি অথবা জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে কাজ করছেন বলেও জানান তিনি।
গত ২৮ জানুয়ারি ঠাকুরগাঁও-১ আসনে নির্বাচনী পথসভায় ধানের শীষের প্রার্থী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, আওয়ামী লীগের নিরপরাধ সমর্থনকারীদের পাশে তারা থাকবেন। দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ কক্সবাজার-১ আসন থেকে নির্বাচন করছেন। গত ২৫ জানুয়ারি চকরিয়ার বমুবিলছড়িতে নির্বাচনী পথসভায় তিনি বলেন, সবার তো আর দিল্লি যাওয়ার সুযোগ হয়নি, শেখ হাসিনাও সবাইকে নিয়ে যেতে পারেননি। দেশে যারা রয়ে গেছেন, তাদের অনেকে আমাদের ভাই-বন্ধু।
অন্যদিকে, গত ২২ জানুয়ারি জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও কুমিল্লা-১১ আসনের প্রার্থী ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের নির্বাচনী সমাবেশে চৌদ্দগ্রামে কালিকাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সালাউদ্দিন আহমেদ মজুমদার বক্তব্য দেন।
গত ২৮ জানুয়ারি জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল ও খুলনা-৫ আসনের প্রার্থী মিয়া গোলাম পরওয়ার নির্বাচনী সভায় বলেন, ‘আওয়ামী লীগ, বিএনপি কিংবা জাতীয় পার্টির সমর্থকরাও আমাদেরই ভাই-বন্ধু।’
এ বিষয়ে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য ও দলের ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু স্ট্রিমকে বলেন, আওয়ামী লীগের ভোট কোন দিকে যাবে সেটি হলফ করে বলা কঠিন। তবে তা নিশ্চয় স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির পক্ষে যাওয়ার কথা না। যাদের ক্ষমতায় আসার সম্ভাবনা বেশি, স্বাভাবিকভাবে তাদের দিকেই আওয়ামী লীগ ঝুঁকবে। কারণ, তারা এখন নিজেদের রক্ষা করতে চাইছেন।
জামায়াতের প্রচার বিভাগের প্রধান ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের স্ট্রিমকে বলেন, কাকে ভোট দেবে– এটা আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থকরাই ঠিক করবে। তাদের দল অতীতে নির্বাচন ব্যবস্থা ধ্বংস করেছে। তখন তারাও ভোট দিতে পারেনি। ফলে তাদের বোধদয় হওয়া উচিত। আমাদের প্রার্থীরা চিন্তা-ভাবনা করেই সবার কাছে যাচ্ছে। আশা করছি, জনগণ আমাদের সমর্থন দেবে।
আওয়ামী লীগকে বাইরে রেখে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হবে না বলে একাধিকবার মত দিয়েছেন তাদের জোটসঙ্গী জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের। তিনি স্ট্রিমকে বলেন, আওয়ামী লীগের লোকজন ভোট দিতে আসবে কিনা জানি না। তবে তাদের ভোটব্যাংক অবশ্যই বড় ফ্যাক্টর হবে। এখন দেখার বিষয় বিদ্যমান দলগুলো কীভাবে তাদের কাছে টানে।
সাবেক নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান এবং সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার স্ট্রিমকে বলেন, আওয়ামী লীগের ভোট টানতে রাজনৈতিক দলগুলো যে আশ্বাস ও কৌশল নিচ্ছে, সেটির নৈতিক জায়গা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। কারণ, যারা অন্যায় করেছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়ার কথা বলা অনুচিত। ঢালাওভাবে আশ্বাস দেওয়া ‘নির্বাচনী উৎকোচ’ বলে বিবেচিত।

কার্যক্রম নিষিদ্ধের কারণে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে নেই আওয়ামী লীগ। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর দলটির শীর্ষ নেতারা আত্মগোপনে অথবা বিদেশে পালিয়েছেন। তবে এখনো দেশে তাদের লাখ লাখ নেতাকর্মী ও সমর্থক। সামাজিক মাধ্যমে আওয়ামী শিবির থেকে ভোট বয়কটের ডাক এলেও, আখেরে তা খুব কাজে দেবে না বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
তাদের ভাষ্যে, এসব ভোট আসন্ন নির্বাচনের ফলাফলে ‘বড় নিয়ামক’ হয়ে উঠতে পারে। বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর ভোটের প্রচারেও বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে আওয়ামী লীগের ভোট ব্যাংক। কেউ কৌশলে, আবার কেউ সরাসরিই তা টানার চেষ্টা করছেন।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক কেএম মহিউদ্দিন স্ট্রিমকে বলেন, আওয়ামী লীগের ভোটাররা কেন্দ্রে যাবেন কিনা তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। না গেলে ভোটের টার্ন-আউট কম হবে। গেলে স্থানীয়ভাবে নিজের সুবিধাজনক প্রার্থীকে ভোট দেবেন। এতে স্থানীয় পর্যায়ে ব্যবধান তৈরি হতে পারে। বিষয়টি অনুধাবন করে বিএনপি, জামায়াতসহ বিভিন্ন দল, এমনকি স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও তাদের কাছে টানছেন।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দিনই তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ও দলের সভাপতি শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যান। মন্ত্রিসভার অধিকাংশ সদস্যসহ দলের শীর্ষ নেতারাও গোপনে দেশ ছাড়েন অথবা আত্মগোপনে আছেন। এরপর থেকে দলটির কার্যক্রম মূলত অনলাইননির্ভর। এর মধ্যে গত বছরের ১০ মে অন্তর্বর্তী সরকার রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করায় ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন থেকে ছিটকে গেছে দলটি।
বিগত সময়ের কাস্ট ভোট বিশ্লেষণে দেখা যায়, ১৯৯৬ সালে ৩৭ দশমিক ৪৪ শতাংশ, ২০০১ সালে ৪০ দশমিক ১৩ ও ২০০৮ সালে নির্বাচনে ৪৮ দশমিক ৪ শতাংশ ভোট পেয়েছে আওয়ামী লীগ। এর পরের তিনটি (২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সাল) নির্বাচন আওয়ামী লীগ নিজেদের অধীনে একতরফা করাই বিতর্ক রয়েছে। সঙ্গে বিগত সাড়ে ১৫ বছর দলটির নেতাকর্মীর নেতিবাচক কর্মকাণ্ডে জনসমর্থন কমলেও ‘ভোট ব্যাংক’ রাতারাতি উবে যায়নি বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ঘিরে একাধিক জনমতে আওয়ামী লীগের ভোটার মোটামুটি একই চিত্র পাওয়া গেছে। ২০২৫ সালের জুলাইয়ে প্রকাশিত ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (বিআইজিডি) ‘পালস সার্ভে’তে বলা হয়, ৭ দশমিক ৩ শতাংশ মানুষ ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগকে ভোট দিতে চান। ‘ইনোভিশন কনসাল্টিং’ নামের আরেক প্রতিষ্ঠানের ২০২৫ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত জরিপে এই সমর্থন ১৮ দশমিক ৮ শতাংশ।
আওয়ামী লীগের জেলা পর্যায়ের এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্ট্রিমকে বলেন, দলের পক্ষ থেকে এবারের নির্বাচন নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়নি। তবে দলীয় প্রধান শেখ হাসিনাসহ অনেকে নৌকা ছাড়া কীসের ভোট—এমন বলেছেন। তবে স্থানীয় পর্যায়ে আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মী নিজের পিঠ রক্ষায় এখন বিএনপি অথবা জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে কাজ করছেন বলেও জানান তিনি।
গত ২৮ জানুয়ারি ঠাকুরগাঁও-১ আসনে নির্বাচনী পথসভায় ধানের শীষের প্রার্থী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, আওয়ামী লীগের নিরপরাধ সমর্থনকারীদের পাশে তারা থাকবেন। দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ কক্সবাজার-১ আসন থেকে নির্বাচন করছেন। গত ২৫ জানুয়ারি চকরিয়ার বমুবিলছড়িতে নির্বাচনী পথসভায় তিনি বলেন, সবার তো আর দিল্লি যাওয়ার সুযোগ হয়নি, শেখ হাসিনাও সবাইকে নিয়ে যেতে পারেননি। দেশে যারা রয়ে গেছেন, তাদের অনেকে আমাদের ভাই-বন্ধু।
অন্যদিকে, গত ২২ জানুয়ারি জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও কুমিল্লা-১১ আসনের প্রার্থী ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের নির্বাচনী সমাবেশে চৌদ্দগ্রামে কালিকাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সালাউদ্দিন আহমেদ মজুমদার বক্তব্য দেন।
গত ২৮ জানুয়ারি জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল ও খুলনা-৫ আসনের প্রার্থী মিয়া গোলাম পরওয়ার নির্বাচনী সভায় বলেন, ‘আওয়ামী লীগ, বিএনপি কিংবা জাতীয় পার্টির সমর্থকরাও আমাদেরই ভাই-বন্ধু।’
এ বিষয়ে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য ও দলের ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু স্ট্রিমকে বলেন, আওয়ামী লীগের ভোট কোন দিকে যাবে সেটি হলফ করে বলা কঠিন। তবে তা নিশ্চয় স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির পক্ষে যাওয়ার কথা না। যাদের ক্ষমতায় আসার সম্ভাবনা বেশি, স্বাভাবিকভাবে তাদের দিকেই আওয়ামী লীগ ঝুঁকবে। কারণ, তারা এখন নিজেদের রক্ষা করতে চাইছেন।
জামায়াতের প্রচার বিভাগের প্রধান ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের স্ট্রিমকে বলেন, কাকে ভোট দেবে– এটা আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থকরাই ঠিক করবে। তাদের দল অতীতে নির্বাচন ব্যবস্থা ধ্বংস করেছে। তখন তারাও ভোট দিতে পারেনি। ফলে তাদের বোধদয় হওয়া উচিত। আমাদের প্রার্থীরা চিন্তা-ভাবনা করেই সবার কাছে যাচ্ছে। আশা করছি, জনগণ আমাদের সমর্থন দেবে।
আওয়ামী লীগকে বাইরে রেখে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হবে না বলে একাধিকবার মত দিয়েছেন তাদের জোটসঙ্গী জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের। তিনি স্ট্রিমকে বলেন, আওয়ামী লীগের লোকজন ভোট দিতে আসবে কিনা জানি না। তবে তাদের ভোটব্যাংক অবশ্যই বড় ফ্যাক্টর হবে। এখন দেখার বিষয় বিদ্যমান দলগুলো কীভাবে তাদের কাছে টানে।
সাবেক নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান এবং সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার স্ট্রিমকে বলেন, আওয়ামী লীগের ভোট টানতে রাজনৈতিক দলগুলো যে আশ্বাস ও কৌশল নিচ্ছে, সেটির নৈতিক জায়গা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। কারণ, যারা অন্যায় করেছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়ার কথা বলা অনুচিত। ঢালাওভাবে আশ্বাস দেওয়া ‘নির্বাচনী উৎকোচ’ বলে বিবেচিত।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন একইসঙ্গে ‘গণভোট’ অনুষ্ঠিত হবে। গণভোটের পক্ষে সারা দেশে প্রচারণার ঘোষণা দিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ। সংগঠনটি জানিয়েছে, দেশে ফ্যাসিবাদের পুনরাবৃত্তি রোধ এবং রাষ্ট্রক্ষমতা তথাকথিত এলিট শ্রেণির হাত থেকে সাধারণ মেহনতি মানুষের কাছে হস্তান্তর করতেই তারা এই গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের ডাক
৩৩ মিনিট আগে
ভোট জিতে সরকারে গেলে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটলিয়ন (র্যাব) বিলুপ্ত করার ঘোষণা দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। বাহিনীটির বিকল্প হিসেবে ফরাসি মডেল ‘জেন্ডারমেরি’– এর আদলে বিশেষ ফোর্স গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে দলটি।
৩ ঘণ্টা আগে
বেকারদের হাতে ভাতা তুলে দিয়ে জামায়াতে ইসলামী তাদের অপমান করতে চায় না বলে মন্তব্য করেছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। বিএনপিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, কেউ কেউ জুলাইয়ের অবদান অস্বীকার করছেন। যাদের জন্য অনেকে দেশে ফিরতে পেরেছে, জেল থেকে মুক্তি পেয়েছে, নির্বাচনের কথা বলতে পারছে, তাদের অবদান অস্বীকার করা ল
৩ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর গণপরিবহনের ওপর চাপ কমানোর প্রস্তাব দিয়েছে জাতীয় নাগরিক কমিটি (এনসিপি)। এরই অংশ হিসেবে জনপ্রিয় মেট্রোরেল সেবা রাজধানীর বাইরে সম্প্রসারণ, সমন্বিত গণপরিবহন এবং নগরীর ব্যয় ও দূষণ কমাতে বৈদ্যুতিক যান চালু করতে চায় দলটি।
৩ ঘণ্টা আগে