খুলনায় জামায়াতের নির্বাচনী জনসভা
স্ট্রিম সংবাদদাতা

জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় এলে হিন্দুরা (সনাতন ধর্মাবলম্বী) বাংলাদেশে থাকতে না পারার প্রচারের সমালোচনা করে খুলনা-১ আসনে (বটিয়াঘাটা ও দাকোপ) দলটির মনোনীত প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী বলেছেন, জামায়াত ক্ষমতায় এলে হিন্দুদের এ দেশে জামাই-আদরে রাখবে। তিনি বলেছেন, ‘হিন্দুদের বলা হয়, জামায়াত ক্ষমতায় আসলে হিন্দুরা এ দেশে থাকতে পারবে না। কিন্তু আমি বলতে চাই, জামায়াত ক্ষমতায় আসলে (এলে) এ দেশে জামাই-আদরে রাখবে।’
আজ মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে খুলনার সার্কিট হাউস ময়দানে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় কৃষ্ণ নন্দী এ কথা বলেন। জামায়াতে খুলনা জেলা ও মহানগর শাখা আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন দলটির কেন্দ্রীয় আমির ডা. শফিকুর রহমান।
কৃষ্ণ নন্দী বলেন, ‘জামায়াত টাকা দিয়ে ভোট কেনে না। টাকা দিয়ে গরু, ছাগল বিক্রি হয়। একটি দল বস্তার মুখ খুলে দিয়েছে। আপনারা টাকায় ভোট বিক্রি করবেন না।’
জামায়াত ক্ষমতায় গেলে এলাকাভিত্তিক সমস্যা সমাধানের পথ বের করা হবে জানিয়ে দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেলে কোনো শিল্পপ্রতিষ্ঠান বন্ধ নয়, বরং বন্ধ মিল-কারখানা চালু করার পাশাপাশি নতুন শিল্প গড়ে তোলা হবে। দেশবাসী যদি আমাদের দায়িত্ব দেয়, আমরা জনগণের সঙ্গে বসে ডায়ালগের মাধ্যমে এলাকাভিত্তিক সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সমাধানের পথ বের করব।’

জামায়াতের নারী শাখার প্রচারে বাধা দেওয়ার সমালোচনা করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘একটি রাজনৈতিক দল একদিকে ফ্যামিলি কার্ড দিচ্ছে, অন্যদিকে মায়েদের ওপর নির্যাতন চালাচ্ছে। অনেকে পুরাতন ফ্যাসিবাদের অ্যাপ্রোন গায়ে দিতে চায়। আপনাদের কালো হাত আর তুলবেন না। আপনারা পায়ে পা দিয়ে ঝগড়া করতে চাইলে আমরাও ছেড়ে দেব না, কড়ায়-গন্ডায় বুঝে নেব।’
চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী দেশের চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আমরা অন্য ধর্মের সম্পদ ও ইজ্জতের পাহারাদার হয়ে গিয়েছিলাম। যেটি অন্য দল পারেনি। অন্য সব দলকে তো পরীক্ষা করা হয়েছে এখন জামায়াতের নেতৃত্বে ১১ দলীয় জোটকে পরীক্ষা নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ওইদিন জোটের প্রার্থীদের পক্ষে ভোট দিন।’
খুলনা মহানগর জামায়াতের নেতা মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে জনসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, খুলনা-২ আসনের প্রার্থী শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল, খুলনা-৬ আসনের প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ, খুলনা-৪ আসনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী সাখাওয়াত হোসাইনসহ অন্যরা।

জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় এলে হিন্দুরা (সনাতন ধর্মাবলম্বী) বাংলাদেশে থাকতে না পারার প্রচারের সমালোচনা করে খুলনা-১ আসনে (বটিয়াঘাটা ও দাকোপ) দলটির মনোনীত প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী বলেছেন, জামায়াত ক্ষমতায় এলে হিন্দুদের এ দেশে জামাই-আদরে রাখবে। তিনি বলেছেন, ‘হিন্দুদের বলা হয়, জামায়াত ক্ষমতায় আসলে হিন্দুরা এ দেশে থাকতে পারবে না। কিন্তু আমি বলতে চাই, জামায়াত ক্ষমতায় আসলে (এলে) এ দেশে জামাই-আদরে রাখবে।’
আজ মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে খুলনার সার্কিট হাউস ময়দানে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় কৃষ্ণ নন্দী এ কথা বলেন। জামায়াতে খুলনা জেলা ও মহানগর শাখা আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন দলটির কেন্দ্রীয় আমির ডা. শফিকুর রহমান।
কৃষ্ণ নন্দী বলেন, ‘জামায়াত টাকা দিয়ে ভোট কেনে না। টাকা দিয়ে গরু, ছাগল বিক্রি হয়। একটি দল বস্তার মুখ খুলে দিয়েছে। আপনারা টাকায় ভোট বিক্রি করবেন না।’
জামায়াত ক্ষমতায় গেলে এলাকাভিত্তিক সমস্যা সমাধানের পথ বের করা হবে জানিয়ে দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেলে কোনো শিল্পপ্রতিষ্ঠান বন্ধ নয়, বরং বন্ধ মিল-কারখানা চালু করার পাশাপাশি নতুন শিল্প গড়ে তোলা হবে। দেশবাসী যদি আমাদের দায়িত্ব দেয়, আমরা জনগণের সঙ্গে বসে ডায়ালগের মাধ্যমে এলাকাভিত্তিক সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সমাধানের পথ বের করব।’

জামায়াতের নারী শাখার প্রচারে বাধা দেওয়ার সমালোচনা করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘একটি রাজনৈতিক দল একদিকে ফ্যামিলি কার্ড দিচ্ছে, অন্যদিকে মায়েদের ওপর নির্যাতন চালাচ্ছে। অনেকে পুরাতন ফ্যাসিবাদের অ্যাপ্রোন গায়ে দিতে চায়। আপনাদের কালো হাত আর তুলবেন না। আপনারা পায়ে পা দিয়ে ঝগড়া করতে চাইলে আমরাও ছেড়ে দেব না, কড়ায়-গন্ডায় বুঝে নেব।’
চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী দেশের চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আমরা অন্য ধর্মের সম্পদ ও ইজ্জতের পাহারাদার হয়ে গিয়েছিলাম। যেটি অন্য দল পারেনি। অন্য সব দলকে তো পরীক্ষা করা হয়েছে এখন জামায়াতের নেতৃত্বে ১১ দলীয় জোটকে পরীক্ষা নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ওইদিন জোটের প্রার্থীদের পক্ষে ভোট দিন।’
খুলনা মহানগর জামায়াতের নেতা মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে জনসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, খুলনা-২ আসনের প্রার্থী শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল, খুলনা-৬ আসনের প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ, খুলনা-৪ আসনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী সাখাওয়াত হোসাইনসহ অন্যরা।

নির্বাচনী প্রচারে সারাদেশে নারীকর্মীদের হেনস্থা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ জামায়াতে ইসলামীর। এই ঘটনার প্রতিবাদসহ ছয় দাবিতে আগামী শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী সমাবেশ করবে দলটি।
১ ঘণ্টা আগে
ফেনীর তিনটি সংসদীয় আসনের মধ্যে ফেনী-৩ আসনেই সবচেয়ে বেশি ভোটার। এখানে মূল লড়াই হচ্ছে ত্রিমুখী—বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ আব্দুল আউয়াল মিন্টু, জামায়াতে ইসলামীর ফখরুদ্দিন মানিক এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সাইফুদ্দিন শিফনের মধ্যে।
১ ঘণ্টা আগে
তরুণ ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এই বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠীই আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ফেনীর তিনটি সংসদীয় আসনের ফলাফল নির্ধারণে ‘গেম চেঞ্জার’ হিসেবে ভূমিকা রাখবে।
১ ঘণ্টা আগে
ঢাকা-৮ সংসদীয় আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য মনোনীত প্রার্থী নাসীরউদ্দীন পাটোয়ারীর নির্বাচনী প্রচারণায় হামলার ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি।
২ ঘণ্টা আগে