স্ট্রিম প্রতিবেদক

এবারের একুশে বইমেলায় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন প্রকাশকেরা। রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অস্থিরতা এবং পবিত্র রমজান মাসের কারণে স্বাভাবিক বছরের তুলনায় প্রায় ৭০ শতাংশ বই বিক্রি কমেছে। এই বিপর্যয় থেকে ঘুরে দাঁড়াতে ক্ষতিগ্রস্ত প্রকাশকদের কাছ থেকে সরকারিভাবে বই ক্রয়সহ ৫ দফা দাবি জানিয়েছে ‘প্রকাশক ঐক্য’।
শনিবার (১৪ মার্চ) বিকেল ৪টায় বাংলা একাডেমির কবি শামসুর রাহমান সেমিনার কক্ষে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে মেলা নিয়ে নিজেদের প্রাপ্তি, হতাশা ও প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন প্রকাশকেরা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যের প্রথম অংশ পাঠ করেন অ্যার্ডনের স্বত্বাধিকারী জাকির হোসেন। দ্বিতীয় অংশ পাঠ করেন ইউপিএলের মাহরুখ মহিউদ্দিন। দাবিসংবলিত তৃতীয় অংশটি পাঠ করেন আদর্শর প্রকাশক মাহবুবুর রহমান।
সংবাদ সম্মেলনে প্রকাশকেরা জানান, নির্বাচিত নতুন সরকারের প্রতি সমর্থন ও সহযোগিতার বার্তা হিসেবে নিজেদের নিশ্চিত ব্যবসায়িক ক্ষতির বিষয়টি জেনেও পবিত্র রমজান মাসে তারা মেলায় অংশ নিয়েছিলেন। কিন্তু মেলা নিয়ে তাদের আশঙ্কাই বাস্তবে পরিণত হয়েছে।
তারা জানান, গত ২০২৫ সালের বইমেলায় বিক্রি কমেছিল ২০২৪ সালের তুলনায় প্রায় ৬০ ভাগ। আর চলমান ২০২৬ সালের মেলায় বিক্রি কমেছে ২০২৫ সালের তুলনায় প্রায় ৮০ ভাগ! সামগ্রিকভাবে অন্যান্য স্বাভাবিক বছরের তুলনায় এবার বই বিক্রি প্রায় ৭০ শতাংশ কম, যা ২০২১ সালের করোনাকালীন মেলার চেয়েও কম। অংশগ্রহণকারী প্রায় ৯০ ভাগ প্রকাশকের স্টল নির্মাণের প্রাথমিক খরচটুকুও ওঠেনি এবং প্রায় ৩০ ভাগ প্রকাশকের ৫ হাজার টাকার বইও বিক্রি হয়নি।
স্টল ভাড়া সম্পূর্ণ মওকুফ করা এবং সংকট নিরসনে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর সদিচ্ছাকে সাধুবাদ জানান প্রকাশকেরা। এ ছাড়া প্যাভিলিয়ন প্রথা বাতিল করায় বাংলা একাডেমিকেও ধন্যবাদ জানানো হয়। তবে অস্বচ্ছভাবে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে ৫ ইউনিটের অধিক স্টল দিয়ে সমতার নীতি ক্ষুণ্ন করার বিষয়েও তারা দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। যানজট ও রোজার কষ্ট উপেক্ষা করে মেলায় আসা পাঠকদের প্রতিও তারা বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
ভবিষ্যৎ প্রকাশনা শিল্পকে বাঁচাতে সংবাদ সম্মেলন থেকে ৫টি দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত প্রকাশকদের সহায়তায় সরকারিভাবে প্রতিটি অংশগ্রহণকারী প্রকাশকের অন্তত একটি করে মানসম্পন্ন বইয়ের ৩০০ থেকে ৫০০ কপি ক্রয়ের জরুরি ব্যবস্থা; সরকারি বই ক্রয়ের বাজেট বাস্তবসম্মতভাবে বৃদ্ধি করা এবং সৃজনশীল প্রকাশনায় পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য সরকারি উদ্যোগে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা; শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘লাইব্রেরি ক্লাস’ বাধ্যতামূলক করা, বন্ধ হয়ে যাওয়া লাইব্রেরি চালু করা; আগামী বছরের বইমেলার তারিখ অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে এখনই নির্ধারণ করা এবং স্টল ভাড়ার বিষয়ে যৌক্তিক সিদ্ধান্তে আসা; মেলার ওপর প্রকাশনা শিল্পের মাত্রাতিরিক্ত নির্ভরশীলতা কমাতে ‘জাতীয় গ্রন্থনীতি’ হালনাগাদ করা।

এবারের একুশে বইমেলায় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন প্রকাশকেরা। রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অস্থিরতা এবং পবিত্র রমজান মাসের কারণে স্বাভাবিক বছরের তুলনায় প্রায় ৭০ শতাংশ বই বিক্রি কমেছে। এই বিপর্যয় থেকে ঘুরে দাঁড়াতে ক্ষতিগ্রস্ত প্রকাশকদের কাছ থেকে সরকারিভাবে বই ক্রয়সহ ৫ দফা দাবি জানিয়েছে ‘প্রকাশক ঐক্য’।
শনিবার (১৪ মার্চ) বিকেল ৪টায় বাংলা একাডেমির কবি শামসুর রাহমান সেমিনার কক্ষে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে মেলা নিয়ে নিজেদের প্রাপ্তি, হতাশা ও প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন প্রকাশকেরা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যের প্রথম অংশ পাঠ করেন অ্যার্ডনের স্বত্বাধিকারী জাকির হোসেন। দ্বিতীয় অংশ পাঠ করেন ইউপিএলের মাহরুখ মহিউদ্দিন। দাবিসংবলিত তৃতীয় অংশটি পাঠ করেন আদর্শর প্রকাশক মাহবুবুর রহমান।
সংবাদ সম্মেলনে প্রকাশকেরা জানান, নির্বাচিত নতুন সরকারের প্রতি সমর্থন ও সহযোগিতার বার্তা হিসেবে নিজেদের নিশ্চিত ব্যবসায়িক ক্ষতির বিষয়টি জেনেও পবিত্র রমজান মাসে তারা মেলায় অংশ নিয়েছিলেন। কিন্তু মেলা নিয়ে তাদের আশঙ্কাই বাস্তবে পরিণত হয়েছে।
তারা জানান, গত ২০২৫ সালের বইমেলায় বিক্রি কমেছিল ২০২৪ সালের তুলনায় প্রায় ৬০ ভাগ। আর চলমান ২০২৬ সালের মেলায় বিক্রি কমেছে ২০২৫ সালের তুলনায় প্রায় ৮০ ভাগ! সামগ্রিকভাবে অন্যান্য স্বাভাবিক বছরের তুলনায় এবার বই বিক্রি প্রায় ৭০ শতাংশ কম, যা ২০২১ সালের করোনাকালীন মেলার চেয়েও কম। অংশগ্রহণকারী প্রায় ৯০ ভাগ প্রকাশকের স্টল নির্মাণের প্রাথমিক খরচটুকুও ওঠেনি এবং প্রায় ৩০ ভাগ প্রকাশকের ৫ হাজার টাকার বইও বিক্রি হয়নি।
স্টল ভাড়া সম্পূর্ণ মওকুফ করা এবং সংকট নিরসনে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর সদিচ্ছাকে সাধুবাদ জানান প্রকাশকেরা। এ ছাড়া প্যাভিলিয়ন প্রথা বাতিল করায় বাংলা একাডেমিকেও ধন্যবাদ জানানো হয়। তবে অস্বচ্ছভাবে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে ৫ ইউনিটের অধিক স্টল দিয়ে সমতার নীতি ক্ষুণ্ন করার বিষয়েও তারা দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। যানজট ও রোজার কষ্ট উপেক্ষা করে মেলায় আসা পাঠকদের প্রতিও তারা বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
ভবিষ্যৎ প্রকাশনা শিল্পকে বাঁচাতে সংবাদ সম্মেলন থেকে ৫টি দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত প্রকাশকদের সহায়তায় সরকারিভাবে প্রতিটি অংশগ্রহণকারী প্রকাশকের অন্তত একটি করে মানসম্পন্ন বইয়ের ৩০০ থেকে ৫০০ কপি ক্রয়ের জরুরি ব্যবস্থা; সরকারি বই ক্রয়ের বাজেট বাস্তবসম্মতভাবে বৃদ্ধি করা এবং সৃজনশীল প্রকাশনায় পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য সরকারি উদ্যোগে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা; শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘লাইব্রেরি ক্লাস’ বাধ্যতামূলক করা, বন্ধ হয়ে যাওয়া লাইব্রেরি চালু করা; আগামী বছরের বইমেলার তারিখ অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে এখনই নির্ধারণ করা এবং স্টল ভাড়ার বিষয়ে যৌক্তিক সিদ্ধান্তে আসা; মেলার ওপর প্রকাশনা শিল্পের মাত্রাতিরিক্ত নির্ভরশীলতা কমাতে ‘জাতীয় গ্রন্থনীতি’ হালনাগাদ করা।
.png)

রাজধানীর অদূরে আশুলিয়ায় ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর (বিএটি) একটি গুদামে আগুন লেগেছে। বুধবার (৫ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে আশুলিয়ার নলাম এলাকায় ওই গুদামে আগুন লাগে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সাতটি ইউনিট কাজ শুরু করেছে।
৮ মিনিট আগে
বাংলাদেশ আর কখনোই তাঁবেদারি রাষ্ট্রে পরিণত হবে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (৫ আগস্ট) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
১ ঘণ্টা আগে
জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তিতে শহীদদের আত্মত্যাগ স্মরণ করে জাতীয় ঐক্য ধরে রাখার আহ্বান জানিয়েছেন রাজনৈতিক নেতারা। তবে বিশ্লেষকদেরসহ অনেকের মতেই, গণতন্ত্র, সুশাসন, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার ও অর্থনৈতিক স্বস্তিসহ গণঅভ্যুত্থানের বহু প্রত্যাশা দুই বছর পরও পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি।
১ ঘণ্টা আগে
কারফিউ, দেখামাত্র গুলির ভয়, যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতা– কোনো কিছুই শেষ পর্যন্ত বাধা হতে পারেনি। বেলা গড়াতেই ছাত্র-জনতার উত্তাল স্রোত আছড়ে পড়ে রাজধানীর বুকে। এতেই দীর্ঘ সাড়ে ১৫ বছরের একচ্ছত্র ক্ষমতা ছেড়ে ভারতে পালান শেখ হাসিনা। জন্ম হয় এক নতুন সম্ভাবনাময় বাংলাদেশের।
২ ঘণ্টা আগে