ওলিউর রহমান

ঈদের আর মাত্র এক সপ্তাহ বাকি। শপিংয়ে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন ক্রেতা-বিক্রেতারা। ফুটপাত থেকে শুরু করে বড় বড় বিপণিবিতান—সবখানেই ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে মানুষের ভিড় ও কেনাকাটার ব্যস্ততা। প্রত্যেকেই নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী ঈদের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
এদিকে রমজানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়—শেষ দশ দিন—ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। এই দশ দিনের মধ্যেই রয়েছে শবে কদর; কোরআনের ভাষায় যা হাজার মাসের চেয়েও উত্তম। বছরের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ এই রাতগুলোর গুরুত্ব মুসলমানদের কাছে অপরিসীম। তাই ইবাদতের এই মহামূল্যবান সময়ে ঈদের কেনাকাটায় অতিরিক্ত সময় ব্যয় করা ইসলামের দৃষ্টিতে কতটা যুক্তিসঙ্গত—তা একটু ভেবে দেখা প্রয়োজন।
ঈদ অর্থ আনন্দ। বছর ঘুরে মুসলমানদের জীবনে যে কয়েকটি আনন্দঘন উপলক্ষ আসে, ঈদ তার অন্যতম। ছোট-বড় সবার কাছেই ঈদের নতুন জামা-জুতা আনন্দের একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ। ঈদের দিনে নতুন কিংবা সুন্দর পোশাক পরা রাসূলের সুন্নতও বটে। ফলে নতুন জামা-জুতার জন্য কেনাকাটা করতেই হবে। তাই ঈদের শপিং কোনো দোষণীয় কাজ নয়; বরং ইসলামের দৃষ্টিতে এটি স্বাভাবিক ও গ্রহণযোগ্য।
ঈদকে কেন্দ্র করে যে ব্যাপক বাজার সৃষ্টি হয়, তা দেশের অর্থনীতির চাকাকেও সচল করে। ফুটপাতের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সামান্য লাভ থেকে পরিবারের জন্য ঈদের সেমাই-নুডুলস কেনেন। আবার অভিজাত মার্কেটের দোকানদার ঈদের বেচাকেনা থেকে কর্মচারীদের বেতন ও বোনাস দেন। সেই কর্মচারীরাও এই আয় দিয়ে স্ত্রী-সন্তানের মুখে হাসি ফোটান।
অন্যদিকে হালাল পথে উপার্জন করা ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান। সংসারের খরচ জোগানোর জন্য বৈধ উপার্জনের চেষ্টা অনেক ক্ষেত্রেই ইবাদত হিসেবেও গণ্য হয়। তাই কেউ যদি স্ত্রী-সন্তান ও পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর নিয়তে রমজানে ব্যবসা করেন বা চাকরি করেন, তবে সেটিও সওয়াবের কাজ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—রমজানের এই মহামূল্যবান সময় যেন সম্পূর্ণটাই কেনাকাটা ও ব্যস্ততার মধ্যে হারিয়ে না যায়। ক্রেতাদের উচিত প্রয়োজনীয় কেনাকাটা স্বল্প সময়ের মধ্যে শেষ করা। অযথা মার্কেটে ঘুরে সময় নষ্ট না করে প্রয়োজনীয় পণ্য দ্রুত কিনে নেওয়াই উত্তম।
বিশেষ করে রমজানের শেষ দশকের বিজোড় রাতগুলো যেন কোনোভাবেই হেলায় কেটে না যায়। কেননা এই রাতগুলো সম্ভাব্য শবে কদর। হাজার মাস থেকে উত্তম রাত৷ সম্ভব হলে এসব রাতে মার্কেটে না যাওয়াই ভালো। আর সবচেয়ে উত্তম হলো—রমজানের আগেই প্রয়োজনীয় কেনাকাটা সেরে ফেলা।
অন্যদিকে বিক্রেতাদেরও উচিত সততা ও ন্যায্যতার সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনা করা। পাশাপাশি দিনের একটি নির্দিষ্ট সময় নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত ও জিকিরের জন্য বরাদ্দ রাখা। রমজানের বিজোড় রাতগুলোতে কিছু সময়ের জন্য হলেও ইবাদতে মনোনিবেশ করা প্রয়োজন।
ব্যবসা বা চাকরি সৎ নিয়তের কারণে ইবাদতে পরিণত হতে পারে বটে; কিন্তু বাস্তবে এসব কাজে আল্লাহর স্মরণ অনেক সময় কম হয়ে যায়। অথচ সকল ইবাদতের মূল লক্ষ্যই হলো আল্লাহকে স্মরণ করা। তাই ব্যবসায়ী বা দোকানদার ভাইদের উচিত—সব ব্যস্ততার মধ্যেও কিছু সময় আল্লাহর জিকির ও কোরআন তিলাওয়াতে ব্যয় করা।

ঈদের আর মাত্র এক সপ্তাহ বাকি। শপিংয়ে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন ক্রেতা-বিক্রেতারা। ফুটপাত থেকে শুরু করে বড় বড় বিপণিবিতান—সবখানেই ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে মানুষের ভিড় ও কেনাকাটার ব্যস্ততা। প্রত্যেকেই নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী ঈদের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
এদিকে রমজানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়—শেষ দশ দিন—ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। এই দশ দিনের মধ্যেই রয়েছে শবে কদর; কোরআনের ভাষায় যা হাজার মাসের চেয়েও উত্তম। বছরের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ এই রাতগুলোর গুরুত্ব মুসলমানদের কাছে অপরিসীম। তাই ইবাদতের এই মহামূল্যবান সময়ে ঈদের কেনাকাটায় অতিরিক্ত সময় ব্যয় করা ইসলামের দৃষ্টিতে কতটা যুক্তিসঙ্গত—তা একটু ভেবে দেখা প্রয়োজন।
ঈদ অর্থ আনন্দ। বছর ঘুরে মুসলমানদের জীবনে যে কয়েকটি আনন্দঘন উপলক্ষ আসে, ঈদ তার অন্যতম। ছোট-বড় সবার কাছেই ঈদের নতুন জামা-জুতা আনন্দের একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ। ঈদের দিনে নতুন কিংবা সুন্দর পোশাক পরা রাসূলের সুন্নতও বটে। ফলে নতুন জামা-জুতার জন্য কেনাকাটা করতেই হবে। তাই ঈদের শপিং কোনো দোষণীয় কাজ নয়; বরং ইসলামের দৃষ্টিতে এটি স্বাভাবিক ও গ্রহণযোগ্য।
ঈদকে কেন্দ্র করে যে ব্যাপক বাজার সৃষ্টি হয়, তা দেশের অর্থনীতির চাকাকেও সচল করে। ফুটপাতের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সামান্য লাভ থেকে পরিবারের জন্য ঈদের সেমাই-নুডুলস কেনেন। আবার অভিজাত মার্কেটের দোকানদার ঈদের বেচাকেনা থেকে কর্মচারীদের বেতন ও বোনাস দেন। সেই কর্মচারীরাও এই আয় দিয়ে স্ত্রী-সন্তানের মুখে হাসি ফোটান।
অন্যদিকে হালাল পথে উপার্জন করা ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান। সংসারের খরচ জোগানোর জন্য বৈধ উপার্জনের চেষ্টা অনেক ক্ষেত্রেই ইবাদত হিসেবেও গণ্য হয়। তাই কেউ যদি স্ত্রী-সন্তান ও পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর নিয়তে রমজানে ব্যবসা করেন বা চাকরি করেন, তবে সেটিও সওয়াবের কাজ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—রমজানের এই মহামূল্যবান সময় যেন সম্পূর্ণটাই কেনাকাটা ও ব্যস্ততার মধ্যে হারিয়ে না যায়। ক্রেতাদের উচিত প্রয়োজনীয় কেনাকাটা স্বল্প সময়ের মধ্যে শেষ করা। অযথা মার্কেটে ঘুরে সময় নষ্ট না করে প্রয়োজনীয় পণ্য দ্রুত কিনে নেওয়াই উত্তম।
বিশেষ করে রমজানের শেষ দশকের বিজোড় রাতগুলো যেন কোনোভাবেই হেলায় কেটে না যায়। কেননা এই রাতগুলো সম্ভাব্য শবে কদর। হাজার মাস থেকে উত্তম রাত৷ সম্ভব হলে এসব রাতে মার্কেটে না যাওয়াই ভালো। আর সবচেয়ে উত্তম হলো—রমজানের আগেই প্রয়োজনীয় কেনাকাটা সেরে ফেলা।
অন্যদিকে বিক্রেতাদেরও উচিত সততা ও ন্যায্যতার সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনা করা। পাশাপাশি দিনের একটি নির্দিষ্ট সময় নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত ও জিকিরের জন্য বরাদ্দ রাখা। রমজানের বিজোড় রাতগুলোতে কিছু সময়ের জন্য হলেও ইবাদতে মনোনিবেশ করা প্রয়োজন।
ব্যবসা বা চাকরি সৎ নিয়তের কারণে ইবাদতে পরিণত হতে পারে বটে; কিন্তু বাস্তবে এসব কাজে আল্লাহর স্মরণ অনেক সময় কম হয়ে যায়। অথচ সকল ইবাদতের মূল লক্ষ্যই হলো আল্লাহকে স্মরণ করা। তাই ব্যবসায়ী বা দোকানদার ভাইদের উচিত—সব ব্যস্ততার মধ্যেও কিছু সময় আল্লাহর জিকির ও কোরআন তিলাওয়াতে ব্যয় করা।
.png)

দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটির তালিকায় এমন কিছু দিন আছে, যেগুলোর সঙ্গে এ দেশের মুসলিম সমাজের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক স্মৃতি গভীরভাবে জড়িয়ে আছে। আখেরি চাহার শোম্বা তেমনই একটি দিন। আজ ১২ আগস্ট আখেরি চাহার শোম্বা উপলক্ষে দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো ছুটি রয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
দিনভর ব্যস্ততা, দুশ্চিন্তা ও হিসাব-নিকাশের মধ্য দিয়ে কাটে আমাদের জীবন। কিন্তু নামাজ শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে একজন মুমিনের সামনে খুলে যায় এক ভিন্ন জগত। যেখানে তিনি একান্তে নিজের প্রতিপালকের সঙ্গে কথোপকথনে দাঁড়ান। সে মুহূর্তে অন্তরের একাগ্রতা, বিনয় ও আল্লাহমুখিতা—এসবই নামাজের প্রকৃত সৌন্দর্য।
৩১ জুলাই ২০২৬
উপমহাদেশে মুসলিম পুনর্জাগরণের অন্যতম রূপকার ছিলেন শাহ ওয়ালিউল্লাহ দেহলভী। খ্রিস্টীয় আঠারো শতকের চরম রাজনৈতিক ও সামাজিক দুর্যোগের সময়ে ভারতীয় মুসলমানদের চিন্তা, শিক্ষা ও নৈতিক সংস্কারে তিনি এক যুগান্তকারী বিপ্লব সাধন করেন।
২৪ জুলাই ২০২৬
সমরকন্দ মুসলিম জ্ঞানসভ্যতার ইতিহাসে এক কিংবদন্তি নাম। শতাব্দীর পর শতাব্দী এই নগরী ছিল জ্ঞান, সভ্যতা ও সংস্কৃতির এক উজ্জ্বল কেন্দ্র। বিশাল মাদরাসার প্রাঙ্গণে প্রতিধ্বনিত হতো কুরআন ও হাদিসের দরস, খানকাগুলো মুখর থাকত আধ্যাত্মিক সাধনায়,
১৭ জুলাই ২০২৬