স্ট্রিম প্রতিবেদক

ছাত্রত্ব না থাকায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) নির্বাচনে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের শীর্ষ দুই নেতা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারছেন না। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের হল সংসদের নির্বাচনেও সংগঠনটি প্রার্থী ঘোষণা করেনি।
আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রার্থী ঘোষণা না করলেও ছাত্রশিবিরের কর্মীরা হল সংসদে নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে জানিয়েছেন নেতারা। তবে ছাত্র সংগঠনটির পরিচয়ে নয়, তাঁরা সাধারণ শিক্ষার্থী পরিচয়ে লড়বেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জাবি ছাত্রশিবিরের সভাপতি বাংলা বিভাগের ৪৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মহিবুর রহমান মুহিবের ছাত্রত্ব শেষ হয়েছে। সেক্রেটারি দর্শন বিভাগের ৪৭তম ব্যাচের মোস্তাফিজুর রহমানের পড়াশোনাও শেষ। এই কারণে জাকসু নির্বাচনে তাঁরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারছেন না।
জাকসুতে ছাত্রশিবির ঘোষিত প্যানেলের নাম দেওয়া হয়েছে ‘সমন্বিত শিক্ষার্থী জোট’। গত বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) ঘোষিত এ প্যানেলের ২৫ সদস্যের সবাই অবশ্য ছাত্রশিবিরের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত নয় বলে জানিয়েছে সংগঠনটি। প্যানেলের ১০ জন শিবিরের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত। বাকি ১৫ জন বিভিন্ন ‘সামাজিক সংগঠনের’ ও ‘সাধারণ শিক্ষার্থী’ বলে দাবি করা হয়েছে।
এ প্যানেল থেকে সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে লড়বেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সদস্য ও ফার্মেসি বিভাগের ৪৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আরিফুল্লাহ আদিব। প্যানেলটি থেকে সাধারণ সম্পাদক (জিএস) প্রার্থী হয়েছেন মাজহারুল ইসলাম। ইংরেজি বিভাগের ৪৮তম ব্যাচের এই শিক্ষার্থী শাখা ছাত্রশিবিরের দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক।
আগামী ১১ সেপ্টেম্বর জাকসু নির্বাচনসহ একযোগে ২১টি হল সংসদে ভোটগ্রহণ হবে। হল সংসদে নিজেদের প্রার্থী ঘোষণা করেনি ছাত্রশিবির। তবে ছাত্রশিবিরের যাঁরা হল সংসদে লড়বেন, তাঁরা সাধারণ শিক্ষার্থী পরিচয় দেবেন।
জাবি ছাত্রশিবিরের সভাপতি মুহিব এ বিষয়ে স্ট্রিমকে বলেছেন, ‘আমাদের সংগঠনের সঙ্গে জড়িতদের যাঁরা হলগুলোতে নির্বাচন করতে চায় তাঁদের সাধারণ শিক্ষার্থী হিসেবে নির্বাচন করতে বলা হয়েছে। আমরা কোনভাবে তাঁদের পেট্রোনাইজ (পৃষ্ঠপোষকতা) করিনি। তাই সেখানে আমাদের সংগঠনের বাইরের সমর্থিত কোনো প্রার্থী নেই। মেয়েদের হলগুলোতে আমাদের সংগঠনের কোনো কর্মী নেই।’
জানা গেছে, ছাত্রশিবিরের ১৭ সদস্য বিশিষ্ট জাবি শাখা কমিটির ৯জন নেতা জাকসু নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। সভাপতি ও সম্পাদকের পাশাপাশি দাওয়াহ সম্পাদক মশিউর রহমানেরও ছাত্রত্ব নেই। কমিটির তিনজন নির্বাচনে অংশ নেবেন না। বাকি দুইজনের হল সংসদে নির্বাচন করার ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
তাঁরা হলেন শাখা ছাত্রশিবিরের ছাত্র অধিকার সম্পাদক মো. রাকিব হোসেন ও তথ্যপ্রযুক্তি সম্পাদক আলী আহম্মদ। এদের মধ্যে ১০ নম্বর ছাত্র হলের সহসভাপতি (ভিপি) পদে নির্বাচন করবেন রাকিব ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম হলের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে লড়বেন আলী আহম্মদ।
জাবি ছাত্রশিবিরের সভাপতি মুহিব বলেন, ‘ছেলেদের হলগুলোতে কারা দাঁড়াচ্ছে সে বিষয়ে আসলে আমাদের কাছে তেমন কোনো তথ্য নেই। রাকিব ও আলীর আহম্মদের ব্যাপারে জানি।’

ছাত্রত্ব না থাকায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) নির্বাচনে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের শীর্ষ দুই নেতা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারছেন না। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের হল সংসদের নির্বাচনেও সংগঠনটি প্রার্থী ঘোষণা করেনি।
আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রার্থী ঘোষণা না করলেও ছাত্রশিবিরের কর্মীরা হল সংসদে নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে জানিয়েছেন নেতারা। তবে ছাত্র সংগঠনটির পরিচয়ে নয়, তাঁরা সাধারণ শিক্ষার্থী পরিচয়ে লড়বেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জাবি ছাত্রশিবিরের সভাপতি বাংলা বিভাগের ৪৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মহিবুর রহমান মুহিবের ছাত্রত্ব শেষ হয়েছে। সেক্রেটারি দর্শন বিভাগের ৪৭তম ব্যাচের মোস্তাফিজুর রহমানের পড়াশোনাও শেষ। এই কারণে জাকসু নির্বাচনে তাঁরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারছেন না।
জাকসুতে ছাত্রশিবির ঘোষিত প্যানেলের নাম দেওয়া হয়েছে ‘সমন্বিত শিক্ষার্থী জোট’। গত বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) ঘোষিত এ প্যানেলের ২৫ সদস্যের সবাই অবশ্য ছাত্রশিবিরের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত নয় বলে জানিয়েছে সংগঠনটি। প্যানেলের ১০ জন শিবিরের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত। বাকি ১৫ জন বিভিন্ন ‘সামাজিক সংগঠনের’ ও ‘সাধারণ শিক্ষার্থী’ বলে দাবি করা হয়েছে।
এ প্যানেল থেকে সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে লড়বেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সদস্য ও ফার্মেসি বিভাগের ৪৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আরিফুল্লাহ আদিব। প্যানেলটি থেকে সাধারণ সম্পাদক (জিএস) প্রার্থী হয়েছেন মাজহারুল ইসলাম। ইংরেজি বিভাগের ৪৮তম ব্যাচের এই শিক্ষার্থী শাখা ছাত্রশিবিরের দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক।
আগামী ১১ সেপ্টেম্বর জাকসু নির্বাচনসহ একযোগে ২১টি হল সংসদে ভোটগ্রহণ হবে। হল সংসদে নিজেদের প্রার্থী ঘোষণা করেনি ছাত্রশিবির। তবে ছাত্রশিবিরের যাঁরা হল সংসদে লড়বেন, তাঁরা সাধারণ শিক্ষার্থী পরিচয় দেবেন।
জাবি ছাত্রশিবিরের সভাপতি মুহিব এ বিষয়ে স্ট্রিমকে বলেছেন, ‘আমাদের সংগঠনের সঙ্গে জড়িতদের যাঁরা হলগুলোতে নির্বাচন করতে চায় তাঁদের সাধারণ শিক্ষার্থী হিসেবে নির্বাচন করতে বলা হয়েছে। আমরা কোনভাবে তাঁদের পেট্রোনাইজ (পৃষ্ঠপোষকতা) করিনি। তাই সেখানে আমাদের সংগঠনের বাইরের সমর্থিত কোনো প্রার্থী নেই। মেয়েদের হলগুলোতে আমাদের সংগঠনের কোনো কর্মী নেই।’
জানা গেছে, ছাত্রশিবিরের ১৭ সদস্য বিশিষ্ট জাবি শাখা কমিটির ৯জন নেতা জাকসু নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। সভাপতি ও সম্পাদকের পাশাপাশি দাওয়াহ সম্পাদক মশিউর রহমানেরও ছাত্রত্ব নেই। কমিটির তিনজন নির্বাচনে অংশ নেবেন না। বাকি দুইজনের হল সংসদে নির্বাচন করার ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
তাঁরা হলেন শাখা ছাত্রশিবিরের ছাত্র অধিকার সম্পাদক মো. রাকিব হোসেন ও তথ্যপ্রযুক্তি সম্পাদক আলী আহম্মদ। এদের মধ্যে ১০ নম্বর ছাত্র হলের সহসভাপতি (ভিপি) পদে নির্বাচন করবেন রাকিব ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম হলের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে লড়বেন আলী আহম্মদ।
জাবি ছাত্রশিবিরের সভাপতি মুহিব বলেন, ‘ছেলেদের হলগুলোতে কারা দাঁড়াচ্ছে সে বিষয়ে আসলে আমাদের কাছে তেমন কোনো তথ্য নেই। রাকিব ও আলীর আহম্মদের ব্যাপারে জানি।’

দেশ থেকে ফ্যাসিবাদ, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও দুঃশাসন দূর না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, মুক্তির মঞ্জিলের আন্দোলন গন্তব্যে না পৌঁছানো পর্যন্ত আমরা থামব না।
১৯ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সৈকত আরিফ। আর সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন ফারহানা মানিক মুনা। শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুই দিনব্যাপী সম্মেলন শেষে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির তথ্য জানানো হয়েছে।
২১ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ছেড়েছে খেলাফত মজলিস। শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে দলের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার তৃতীয় সাধারণ বৈঠক শেষে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
২৫ জুলাই ২০২৬
বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি মাঈন আহমেদ এবং শিক্ষা ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক মেঘমল্লার বসু সংগঠন থেকে পদত্যাগ করেছেন। একসঙ্গে কেন্দ্রীয় সংসদের সহসভাপতি নাজিফা জান্নাতকে সংগঠনের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
২৫ জুলাই ২০২৬