স্ট্রিম প্রতিবেদক

ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দ্রুতই প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে বাতিল করবে বলে আশ্বাস দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম।
সাদিক কায়েম বলেন, ‘ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করা একটি স্বৈরতান্ত্রিক ও অগণতান্ত্রিক সিদ্ধান্ত। আমরা স্পষ্টভাবে এ সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি জানিয়েছি এবং কমিশন আমাদের আশ্বস্ত করেছে—খুব দ্রুতই এ বিষয়ে নতুন প্রজ্ঞাপন আসবে।’
সাদিক কায়েম অভিযোগ করেন, নির্বাচন প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে একটি মহল ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ ও পরোক্ষ ক্ষমতা হস্তান্তরের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। তিনি বলেন, ‘জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী সময়ে এ ধরনের কারচুপির চেষ্টা হলে তরুণ সমাজ তা মেনে নেবে না। চার কোটি তরুণ ভোটার এখন সজাগ রয়েছে।‘
বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোরকে (বিএনসিসি) নির্বাচন কার্যক্রম থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তে উদ্বেগ প্রকাশ করে সাদিক কায়েম বলেন, ‘বিএনসিসি একটি প্রশিক্ষিত ও পেশাদার বাহিনী। ছাত্র সংসদ নির্বাচনে তাদের ভূমিকা আমরা দেখেছি। আনসারের তুলনায় বিএনসিসির সংগঠিত আচরণ বেশি কার্যকর। আমরা এ সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছি।’ তবে এ বিষয়ে কিছু আইনি জটিলতা থাকলেও কমিশন বিষয়টি ইতিবাচকভাবে ভাবছে বলে জানান তিনি।
এর আগে সিইসির সঙ্গে বৈঠকে ডাকসুর পক্ষ থেকে চার দফা দাবি পেশ করা হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের ভেতর মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত বাতিল, ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েন করা, সকল প্রার্থীর জন্য ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ বা সমান সুযোগ নিশ্চিত করা এবং প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ রাখা।
বৈঠকে ডাকসু প্রতিনিধিরা প্রার্থীদের ওপর হামলা ও বিশেষ করে নারী প্রার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। সাদিক কায়েম বলেন, ‘যে দলই জিতুক—জামায়াতে ইসলামী, বিএনপি বা অন্য কেউ—আমাদের চাওয়া একটাই, গণতন্ত্রের জয়। কেউ পেছন দিক দিয়ে ক্ষমতা দখল করতে চাইলে সেটি প্রতিহত করা হবে।’ তিনি ভোটারদের নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।

ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দ্রুতই প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে বাতিল করবে বলে আশ্বাস দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম।
সাদিক কায়েম বলেন, ‘ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করা একটি স্বৈরতান্ত্রিক ও অগণতান্ত্রিক সিদ্ধান্ত। আমরা স্পষ্টভাবে এ সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি জানিয়েছি এবং কমিশন আমাদের আশ্বস্ত করেছে—খুব দ্রুতই এ বিষয়ে নতুন প্রজ্ঞাপন আসবে।’
সাদিক কায়েম অভিযোগ করেন, নির্বাচন প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে একটি মহল ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ ও পরোক্ষ ক্ষমতা হস্তান্তরের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। তিনি বলেন, ‘জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী সময়ে এ ধরনের কারচুপির চেষ্টা হলে তরুণ সমাজ তা মেনে নেবে না। চার কোটি তরুণ ভোটার এখন সজাগ রয়েছে।‘
বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোরকে (বিএনসিসি) নির্বাচন কার্যক্রম থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তে উদ্বেগ প্রকাশ করে সাদিক কায়েম বলেন, ‘বিএনসিসি একটি প্রশিক্ষিত ও পেশাদার বাহিনী। ছাত্র সংসদ নির্বাচনে তাদের ভূমিকা আমরা দেখেছি। আনসারের তুলনায় বিএনসিসির সংগঠিত আচরণ বেশি কার্যকর। আমরা এ সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছি।’ তবে এ বিষয়ে কিছু আইনি জটিলতা থাকলেও কমিশন বিষয়টি ইতিবাচকভাবে ভাবছে বলে জানান তিনি।
এর আগে সিইসির সঙ্গে বৈঠকে ডাকসুর পক্ষ থেকে চার দফা দাবি পেশ করা হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের ভেতর মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত বাতিল, ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েন করা, সকল প্রার্থীর জন্য ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ বা সমান সুযোগ নিশ্চিত করা এবং প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ রাখা।
বৈঠকে ডাকসু প্রতিনিধিরা প্রার্থীদের ওপর হামলা ও বিশেষ করে নারী প্রার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। সাদিক কায়েম বলেন, ‘যে দলই জিতুক—জামায়াতে ইসলামী, বিএনপি বা অন্য কেউ—আমাদের চাওয়া একটাই, গণতন্ত্রের জয়। কেউ পেছন দিক দিয়ে ক্ষমতা দখল করতে চাইলে সেটি প্রতিহত করা হবে।’ তিনি ভোটারদের নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।

দেশ থেকে ফ্যাসিবাদ, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও দুঃশাসন দূর না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, মুক্তির মঞ্জিলের আন্দোলন গন্তব্যে না পৌঁছানো পর্যন্ত আমরা থামব না।
১৮ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সৈকত আরিফ। আর সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন ফারহানা মানিক মুনা। শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুই দিনব্যাপী সম্মেলন শেষে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির তথ্য জানানো হয়েছে।
২০ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ছেড়েছে খেলাফত মজলিস। শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে দলের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার তৃতীয় সাধারণ বৈঠক শেষে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
২৫ জুলাই ২০২৬
বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি মাঈন আহমেদ এবং শিক্ষা ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক মেঘমল্লার বসু সংগঠন থেকে পদত্যাগ করেছেন। একসঙ্গে কেন্দ্রীয় সংসদের সহসভাপতি নাজিফা জান্নাতকে সংগঠনের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
২৫ জুলাই ২০২৬