স্ট্রিম প্রতিবেদক

ভোলায় সরকারের সমালোচনা করে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ার অভিযোগে জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগের এক কর্মীকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সংগঠনটি। এ ঘটনাকে সরকারের অগণতান্ত্রিক আচরণের বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি নূরুন্নিসা সিদ্দীকা।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ কথা বলা হয়।
নূরুন্নিসা সিদ্দীকা জানান, ভোলার বিবি সাওদা (৩৭) জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগের একজন কর্মী। তিনি ফেসবুকে দেশের জ্বালানি পরিস্থিতি ও রাষ্ট্রীয় বিষয়ে মতামত প্রকাশ করেছিলেন। গত ৫ এপ্রিল দিবাগত রাতে ভোলা সদর মডেল থানার অধীনে পরিচালিত অভিযানে জেলা গোয়েন্দা শাখার সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল তাঁকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে। পরে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় (বিনা পরোয়ানায় গ্রেপ্তার) তাঁকে আদালতে চালান দিয়ে জেলহাজতে আটক রাখার আবেদন জানানো হয়েছে। তাঁর ‘অপরাধ’ মূলত সরকারের নীতির সমালোচনা করা।
মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি বলেন, একজন নারীকে রাতে বাড়ি থেকে আটক করা কোনো আইনি প্রক্রিয়া হতে পারে না। সাইবার ক্রাইম সেল ব্যবহার করে ফেসবুক পোস্টের জন্য নাগরিকদের গ্রেপ্তার করা গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের জন্য এক অশনিসংকেত। বিপ্লবোত্তর দেশে এমন গ্রেপ্তারের ঘটনা মেনে নেওয়া হবে না।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, রাতের গভীরে গৃহ থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া কোনো সাধারণ ঘটনা হতে পারে না। এটি নারীর মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় চরম হস্তক্ষেপ। একদিকে নারীর ক্ষমতায়নের কথা বলা হলেও অন্যদিকে তাঁর গণতান্ত্রিক অধিকার ক্ষুণ্ণ করা হয়েছে, যা এক ভীতিজাগানিয়া শাসনব্যবস্থার ইঙ্গিত দেয়।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মহিলা বিভাগের পক্ষ থেকে এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে নূরুন্নিসা সিদ্দীকা বলেন, আমরা অবিলম্বে বিবি সাওদার নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করছি। একই সঙ্গে দেশের সকল নারীর মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের ব্যাপারে সরকারের বিশেষ দৃষ্টি দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।

ভোলায় সরকারের সমালোচনা করে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ার অভিযোগে জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগের এক কর্মীকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সংগঠনটি। এ ঘটনাকে সরকারের অগণতান্ত্রিক আচরণের বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি নূরুন্নিসা সিদ্দীকা।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ কথা বলা হয়।
নূরুন্নিসা সিদ্দীকা জানান, ভোলার বিবি সাওদা (৩৭) জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগের একজন কর্মী। তিনি ফেসবুকে দেশের জ্বালানি পরিস্থিতি ও রাষ্ট্রীয় বিষয়ে মতামত প্রকাশ করেছিলেন। গত ৫ এপ্রিল দিবাগত রাতে ভোলা সদর মডেল থানার অধীনে পরিচালিত অভিযানে জেলা গোয়েন্দা শাখার সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল তাঁকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে। পরে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় (বিনা পরোয়ানায় গ্রেপ্তার) তাঁকে আদালতে চালান দিয়ে জেলহাজতে আটক রাখার আবেদন জানানো হয়েছে। তাঁর ‘অপরাধ’ মূলত সরকারের নীতির সমালোচনা করা।
মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি বলেন, একজন নারীকে রাতে বাড়ি থেকে আটক করা কোনো আইনি প্রক্রিয়া হতে পারে না। সাইবার ক্রাইম সেল ব্যবহার করে ফেসবুক পোস্টের জন্য নাগরিকদের গ্রেপ্তার করা গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের জন্য এক অশনিসংকেত। বিপ্লবোত্তর দেশে এমন গ্রেপ্তারের ঘটনা মেনে নেওয়া হবে না।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, রাতের গভীরে গৃহ থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া কোনো সাধারণ ঘটনা হতে পারে না। এটি নারীর মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় চরম হস্তক্ষেপ। একদিকে নারীর ক্ষমতায়নের কথা বলা হলেও অন্যদিকে তাঁর গণতান্ত্রিক অধিকার ক্ষুণ্ণ করা হয়েছে, যা এক ভীতিজাগানিয়া শাসনব্যবস্থার ইঙ্গিত দেয়।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মহিলা বিভাগের পক্ষ থেকে এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে নূরুন্নিসা সিদ্দীকা বলেন, আমরা অবিলম্বে বিবি সাওদার নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করছি। একই সঙ্গে দেশের সকল নারীর মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের ব্যাপারে সরকারের বিশেষ দৃষ্টি দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।

দেশ থেকে ফ্যাসিবাদ, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও দুঃশাসন দূর না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, মুক্তির মঞ্জিলের আন্দোলন গন্তব্যে না পৌঁছানো পর্যন্ত আমরা থামব না।
১৯ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সৈকত আরিফ। আর সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন ফারহানা মানিক মুনা। শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুই দিনব্যাপী সম্মেলন শেষে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির তথ্য জানানো হয়েছে।
২১ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ছেড়েছে খেলাফত মজলিস। শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে দলের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার তৃতীয় সাধারণ বৈঠক শেষে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
২৫ জুলাই ২০২৬
বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি মাঈন আহমেদ এবং শিক্ষা ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক মেঘমল্লার বসু সংগঠন থেকে পদত্যাগ করেছেন। একসঙ্গে কেন্দ্রীয় সংসদের সহসভাপতি নাজিফা জান্নাতকে সংগঠনের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
২৫ জুলাই ২০২৬