স্ট্রিম প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনপ্রতিধি আদেশে রাজনৈতিক দলগুলোর কমপক্ষে ৫ শতাংশ নারী প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়ার নির্দেশনা ছিল। কিন্তু জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রায় ৭ শতাংশ ছাড়া বড় দলগুলোর কোনোটিই ৫ শতাংশ নারী মনোনয়ন দেয়নি। জামায়াত ইসলামী কোনো নারী প্রার্থীই দেয়নি, বিএনপি দিয়েছিল ৩ শতাংশের মতো।
এ প্রসঙ্গে সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক ও সাবেক ঐকমত্য কমিশনের সদস্য বদিউল আলম মজুমদার বলেন, কতসংখ্যক নারীকে মনোনয়ন দেওয়া হবে, সে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা ছিল রাজনৈতিক দলের। সংস্কার কমিশনের পক্ষে কোনো সিদ্ধান্ত দলগুলোর ওপর চাপিয়ে দেওয়ার সুযোগ ছিল না। নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন নারীর ন্যায্য অধিকার। দুর্ভাগ্যবশত তা প্রতিষ্ঠিত হয়নি। দলগুলো লিখিতভাবে অঙ্গীকার করেছিল ৫ শতাংশ মনোনয়ন দেবে, সেটাও দেয়নি।
এদিকে নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, ২৯৯ আসনের মধ্যে মাত্র ৭ জন নারী প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। এর মধ্যে ৬ জন বিএনপির এবং একজন স্বতন্ত্র (বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত)।
বিজয়ী নারী প্রার্থীরা হলেন—আফরোজা খান রিতা (মানিকগঞ্জ-৩), ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো (ঝালকাঠি-২), তাহসিনা রুশদীর লুনা (সিলেট-২), শামা ওবায়েদ (ফরিদপুর-২), নায়াব ইউসুফ কামাল (ফরিদপুর-৩), ফারজানা শারমিন পুতুল (নাটোর-১) এবং ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২)।
আগের নির্বাচনগুলোতে বিজয়ী নারী প্রার্থী
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৯৬ নারী প্রার্থী ভোটের লড়াইয়ে অংশ নিয়েছিলেন। জয়ী হয়েছিলেন ১৯ জন। অন্যদিকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারী প্রার্থী ছিলেন ৬৮ জন। বিজয়ী হয়েছিলেন ২২ জন। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯ জন নারী প্রার্থীর ১৮ জন নির্বাচিত হন। নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ২৩টি আসনে ১৯ জন নারী বিজয়ী হয়েছিলেন। এদের মধ্যে শেখ হাসিনা ও বেগম খালেদা জিয়া ৩টি করে আসনে বিজয়ী হন। অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৫৯ নারীর মধ্যে ১৯, সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩৮ নারীর মধ্যে ৬, ষষ্ঠ জাতীয় নির্বাচনে ৩৬ নারীর মধ্যে ৮ এবং ১৯৯১ সালে পঞ্চম জাতীয় নির্বাচনে ৩৯ নারী প্রার্থীর মধ্যে ৫ জন জয়ী হয়েছিলেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনপ্রতিধি আদেশে রাজনৈতিক দলগুলোর কমপক্ষে ৫ শতাংশ নারী প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়ার নির্দেশনা ছিল। কিন্তু জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রায় ৭ শতাংশ ছাড়া বড় দলগুলোর কোনোটিই ৫ শতাংশ নারী মনোনয়ন দেয়নি। জামায়াত ইসলামী কোনো নারী প্রার্থীই দেয়নি, বিএনপি দিয়েছিল ৩ শতাংশের মতো।
এ প্রসঙ্গে সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক ও সাবেক ঐকমত্য কমিশনের সদস্য বদিউল আলম মজুমদার বলেন, কতসংখ্যক নারীকে মনোনয়ন দেওয়া হবে, সে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা ছিল রাজনৈতিক দলের। সংস্কার কমিশনের পক্ষে কোনো সিদ্ধান্ত দলগুলোর ওপর চাপিয়ে দেওয়ার সুযোগ ছিল না। নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন নারীর ন্যায্য অধিকার। দুর্ভাগ্যবশত তা প্রতিষ্ঠিত হয়নি। দলগুলো লিখিতভাবে অঙ্গীকার করেছিল ৫ শতাংশ মনোনয়ন দেবে, সেটাও দেয়নি।
এদিকে নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, ২৯৯ আসনের মধ্যে মাত্র ৭ জন নারী প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। এর মধ্যে ৬ জন বিএনপির এবং একজন স্বতন্ত্র (বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত)।
বিজয়ী নারী প্রার্থীরা হলেন—আফরোজা খান রিতা (মানিকগঞ্জ-৩), ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো (ঝালকাঠি-২), তাহসিনা রুশদীর লুনা (সিলেট-২), শামা ওবায়েদ (ফরিদপুর-২), নায়াব ইউসুফ কামাল (ফরিদপুর-৩), ফারজানা শারমিন পুতুল (নাটোর-১) এবং ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২)।
আগের নির্বাচনগুলোতে বিজয়ী নারী প্রার্থী
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৯৬ নারী প্রার্থী ভোটের লড়াইয়ে অংশ নিয়েছিলেন। জয়ী হয়েছিলেন ১৯ জন। অন্যদিকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারী প্রার্থী ছিলেন ৬৮ জন। বিজয়ী হয়েছিলেন ২২ জন। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯ জন নারী প্রার্থীর ১৮ জন নির্বাচিত হন। নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ২৩টি আসনে ১৯ জন নারী বিজয়ী হয়েছিলেন। এদের মধ্যে শেখ হাসিনা ও বেগম খালেদা জিয়া ৩টি করে আসনে বিজয়ী হন। অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৫৯ নারীর মধ্যে ১৯, সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩৮ নারীর মধ্যে ৬, ষষ্ঠ জাতীয় নির্বাচনে ৩৬ নারীর মধ্যে ৮ এবং ১৯৯১ সালে পঞ্চম জাতীয় নির্বাচনে ৩৯ নারী প্রার্থীর মধ্যে ৫ জন জয়ী হয়েছিলেন।

জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল নিপীড়ন, বৈষম্য ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে দেশের মানুষের ঐক্যবদ্ধ অবস্থানের বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু। তিনি জানান, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটদাতাদের ঐক্যবদ্ধ করে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে কাজ করা হবে।
১০ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) পুশইন এবং সীমান্ত হত্যার প্রতিবাদে শুক্রবার (১২ জুন) দেশের সীমান্তবর্তী সব জেলা ও পয়েন্টে প্রতিবাদ সমাবেশ করবে জামায়াত-এনসিপিসহ ১১ দলীয় ঐক্য।
১৫ ঘণ্টা আগে
ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের বিরুদ্ধে সরকারি টাকায় নির্বাচনী প্রচার চালানোর অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা। রাজধানীর নাখালপাড়ার মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেলে এনসিপির বৃক্ষ বিতরণ কর্মসূচিতে এমন মন্তব্য করেন তারা।
১ দিন আগে
জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৮ লাখ ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব দিয়েছে। জিডিপি ১২ দশমিক ১৪ শতাংশের সমান এই বাজেটকে তারা জনমুখী ও বাস্তবসম্মত বলে দাবি করেছে।
২ দিন আগে