বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন
স্ট্রিম প্রতিবেদক

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম অভিযোগ করছেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় মুখপাত্র সিনথিয়া জাহিন আয়েশা। তাঁর দাবি, সভাপতি রিফাত রশিদ, মুখ্য সমন্বয়ক হাসিব আল ইসলামসহ একটি চক্র সংগঠনের ফান্ডের অন্তত এক কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে এবং জবাবদিহিতা এড়াতে অবৈধভাবে সংগঠন স্থগিত করেছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যানটিনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ করেন। এ সময় সংগঠনের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং সম্মিলিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় উইংয়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে সিনথিয়া জাহিন আয়েশা বলেন, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালানোর জন্য একটি ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে কমপক্ষে এক কোটি টাকা সংগ্রহ করা হয়েছে। কিন্তু মুখপাত্র হওয়া সত্ত্বেও আমাকে বা কমিটির অন্যান্য দায়িত্বশীলদের এই ফান্ডের বিষয়ে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি। বরং তথ্য গোপন করে চরম অস্বচ্ছতা বজায় রাখা হয়েছে।’
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ফান্ডের বিষয়ে জানতে চাইলে বারবার এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে এবং যারা প্রশ্ন তুলেছেন তাদের ওপর দোষ চাপিয়ে সংগঠনকে অস্থিতিশীল করার তকমা দেওয়া হয়েছে।
লিখিত বক্তব্যে সিনথিয়া জানান, গত ১২ এপ্রিল সভাপতি রিফাত রশিদ একটি সভা ডাকেন। সেখানে খরচের হিসাব দেওয়ার আগেই উপস্থিত সবার মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। তিনি বলেন, ‘সবার ফোন নিয়ে নেওয়া হয়েছিল যাতে কেউ কোনো তথ্য-প্রমাণ বা হিসাবের ছবি সংরক্ষণ করতে না পারে। এটি একটি পরিকল্পিত আর্থিক অনিয়ম এবং আত্মসাতের স্পষ্ট ইঙ্গিত।’
আর্থিক লেনদেনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবং কোন উৎস থেকে কত টাকা এসেছে তা জানতে ইতিমধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে চিঠি দেওয়া হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে তথ্য পাওয়ার পর পরবর্তী পদক্ষেপ এবং বিস্তারিত তথ্য দেশবাসীকে জানানো হবে বলে জানান সিনথিয়া।
সিনথিয়া জাহিন আয়েশা সরাসরি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি রিফাত রশিদ, মুখ্য সমন্বয়ক হাসিব আল ইসলাম এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মঈনুল ইসলামের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক বাধা ও অনিয়মের অভিযোগ তোলেন। এছাড়া অর্থ আত্মসাতের সাথে দপ্তর সম্পাদক শাহাদাত হোসেন এবং লিগ্যাল সেল সম্পাদক মাহফুজ জড়িত রয়েছেন বলে তিনি দাবি করেন।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম অভিযোগ করছেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় মুখপাত্র সিনথিয়া জাহিন আয়েশা। তাঁর দাবি, সভাপতি রিফাত রশিদ, মুখ্য সমন্বয়ক হাসিব আল ইসলামসহ একটি চক্র সংগঠনের ফান্ডের অন্তত এক কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে এবং জবাবদিহিতা এড়াতে অবৈধভাবে সংগঠন স্থগিত করেছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যানটিনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ করেন। এ সময় সংগঠনের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং সম্মিলিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় উইংয়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে সিনথিয়া জাহিন আয়েশা বলেন, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালানোর জন্য একটি ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে কমপক্ষে এক কোটি টাকা সংগ্রহ করা হয়েছে। কিন্তু মুখপাত্র হওয়া সত্ত্বেও আমাকে বা কমিটির অন্যান্য দায়িত্বশীলদের এই ফান্ডের বিষয়ে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি। বরং তথ্য গোপন করে চরম অস্বচ্ছতা বজায় রাখা হয়েছে।’
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ফান্ডের বিষয়ে জানতে চাইলে বারবার এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে এবং যারা প্রশ্ন তুলেছেন তাদের ওপর দোষ চাপিয়ে সংগঠনকে অস্থিতিশীল করার তকমা দেওয়া হয়েছে।
লিখিত বক্তব্যে সিনথিয়া জানান, গত ১২ এপ্রিল সভাপতি রিফাত রশিদ একটি সভা ডাকেন। সেখানে খরচের হিসাব দেওয়ার আগেই উপস্থিত সবার মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। তিনি বলেন, ‘সবার ফোন নিয়ে নেওয়া হয়েছিল যাতে কেউ কোনো তথ্য-প্রমাণ বা হিসাবের ছবি সংরক্ষণ করতে না পারে। এটি একটি পরিকল্পিত আর্থিক অনিয়ম এবং আত্মসাতের স্পষ্ট ইঙ্গিত।’
আর্থিক লেনদেনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবং কোন উৎস থেকে কত টাকা এসেছে তা জানতে ইতিমধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে চিঠি দেওয়া হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে তথ্য পাওয়ার পর পরবর্তী পদক্ষেপ এবং বিস্তারিত তথ্য দেশবাসীকে জানানো হবে বলে জানান সিনথিয়া।
সিনথিয়া জাহিন আয়েশা সরাসরি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি রিফাত রশিদ, মুখ্য সমন্বয়ক হাসিব আল ইসলাম এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মঈনুল ইসলামের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক বাধা ও অনিয়মের অভিযোগ তোলেন। এছাড়া অর্থ আত্মসাতের সাথে দপ্তর সম্পাদক শাহাদাত হোসেন এবং লিগ্যাল সেল সম্পাদক মাহফুজ জড়িত রয়েছেন বলে তিনি দাবি করেন।

দেশ থেকে ফ্যাসিবাদ, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও দুঃশাসন দূর না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, মুক্তির মঞ্জিলের আন্দোলন গন্তব্যে না পৌঁছানো পর্যন্ত আমরা থামব না।
২৫ জুলাই ২০২৬
বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সৈকত আরিফ। আর সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন ফারহানা মানিক মুনা। শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুই দিনব্যাপী সম্মেলন শেষে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির তথ্য জানানো হয়েছে।
২৫ জুলাই ২০২৬
জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ছেড়েছে খেলাফত মজলিস। শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে দলের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার তৃতীয় সাধারণ বৈঠক শেষে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
২৫ জুলাই ২০২৬
বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি মাঈন আহমেদ এবং শিক্ষা ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক মেঘমল্লার বসু সংগঠন থেকে পদত্যাগ করেছেন। একসঙ্গে কেন্দ্রীয় সংসদের সহসভাপতি নাজিফা জান্নাতকে সংগঠনের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
২৫ জুলাই ২০২৬