স্ট্রিম সংবাদদাতা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, ‘আমাকে শুধুমাত্র আমার আসনের প্রতিদ্বন্দ্বীর সঙ্গেই লড়তে হয়নি। বিএনপি এখানে সর্বশক্তি দিয়ে আমার বিরুদ্ধে নেমেছিল। তারা বিষয়টি এমনভাবে নিয়েছিল যে, দলের চেয়ে ব্যক্তির ইমেজ ভালো হতে পারে না। আমি রুমিন হয়েছি শুধুমাত্র বিএনপি একসময় করতাম এইজন্য; তারা বলেছিল যে, রুমিনকে হারাতেই হবে।’
আজ শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সরাইলের শাহবাজপুরে নিজ বাড়িতে জয়ের পর সাংবাদিকদের কাছে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।
রুমিন ফারহানা বলেন, ‘আমার এই নির্বাচনের প্রস্তুতি ২২ দিন বা ২৫ দিনের প্রস্তুতি না। ৫ আগস্টের পর থেকে আমি প্রতি সপ্তাহে অন্তত চার-পাঁচদিন এলাকায় থাকতাম। এই প্রস্তুতি অনেক আগের। এটা আমার নেতাকর্মীদের প্রস্তুতি। এই জয়টা আমার না। এই জয় আমার ভোটারের।’
তিনি বলেন, ‘যাঁরা আমাকে ভোট দেয়নি, আমাকে নিয়ে অশালীন কুৎসিত মন্তব্য করেছে- বিএনপির পদধারী নেতারা, আমি তাদের কাছেও কৃতজ্ঞ। কারণ তারা যদি এতটা কদর্য আচরণ না করত, তাহলে হয়তো আমি এতো ভোটের ব্যবধানে জিততাম না। মানুষ ব্যালটে তাদের সমস্ত অন্যায়, অবিচার ও অকৃতজ্ঞতার জবাব দিয়ে দিয়েছে।’
বিএনপির কার্যক্রমে ক্ষোভ জানিয়ে রুমিন ফারহানা আরও বলেন, ‘বিএনপির আন্দোলন-সংগ্রাম ছিল ভোটের অধিকারের জন্য; সুষ্ঠু-নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য; সেই আন্দোলনের আমিও শরিক ছিলাম। কিন্তু দলের ১৮ মাসের কার্যক্রমে আমরা দেখেছি কী করে মানুষের কাছ থেকে পয়সা আদায় করা যায়, কী করে জুলুম করা যায়, কী করে জমি-ব্যবসা দখল করা যায়, কী করে চাঁদাবাজি করা যায়; আমি কি সেগুলোরও সঙ্গী হব? তাতো নয় নিশ্চয়।’
তিনি বলেন, ‘আমার রাজনীতি আমার, দলের রাজনীতি দলের। আমি আশা করব তারা ২০০১ থেকে ২০২৬ এ যে ভুলগুলো করেছে, তার পুনরাবৃত্তি তাদের হবে না। গত দেড় বছর তারা মানুষকে নানারকমভাবে বিরক্ত করেছে, সেটার পুনরাবৃত্তি হবে না। এটুকুই আমার আশা থাকবে।’
প্রসঙ্গত, গতকাল বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ‘হাঁস’ প্রতীকে ১ লাখ ১৮ হাজার ৫৪৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন আলোচিত নারী নেত্রী রুমিন ফারহানা। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোট সমর্থিত প্রার্থী মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব ‘খেজুর গাছ’ প্রতীকে পেয়েছেন ৮০ হাজার ৪৩৪ ভোট। দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় বিএনপি থেকে বহিষ্কার হন রুমিন ফারহানা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, ‘আমাকে শুধুমাত্র আমার আসনের প্রতিদ্বন্দ্বীর সঙ্গেই লড়তে হয়নি। বিএনপি এখানে সর্বশক্তি দিয়ে আমার বিরুদ্ধে নেমেছিল। তারা বিষয়টি এমনভাবে নিয়েছিল যে, দলের চেয়ে ব্যক্তির ইমেজ ভালো হতে পারে না। আমি রুমিন হয়েছি শুধুমাত্র বিএনপি একসময় করতাম এইজন্য; তারা বলেছিল যে, রুমিনকে হারাতেই হবে।’
আজ শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সরাইলের শাহবাজপুরে নিজ বাড়িতে জয়ের পর সাংবাদিকদের কাছে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।
রুমিন ফারহানা বলেন, ‘আমার এই নির্বাচনের প্রস্তুতি ২২ দিন বা ২৫ দিনের প্রস্তুতি না। ৫ আগস্টের পর থেকে আমি প্রতি সপ্তাহে অন্তত চার-পাঁচদিন এলাকায় থাকতাম। এই প্রস্তুতি অনেক আগের। এটা আমার নেতাকর্মীদের প্রস্তুতি। এই জয়টা আমার না। এই জয় আমার ভোটারের।’
তিনি বলেন, ‘যাঁরা আমাকে ভোট দেয়নি, আমাকে নিয়ে অশালীন কুৎসিত মন্তব্য করেছে- বিএনপির পদধারী নেতারা, আমি তাদের কাছেও কৃতজ্ঞ। কারণ তারা যদি এতটা কদর্য আচরণ না করত, তাহলে হয়তো আমি এতো ভোটের ব্যবধানে জিততাম না। মানুষ ব্যালটে তাদের সমস্ত অন্যায়, অবিচার ও অকৃতজ্ঞতার জবাব দিয়ে দিয়েছে।’
বিএনপির কার্যক্রমে ক্ষোভ জানিয়ে রুমিন ফারহানা আরও বলেন, ‘বিএনপির আন্দোলন-সংগ্রাম ছিল ভোটের অধিকারের জন্য; সুষ্ঠু-নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য; সেই আন্দোলনের আমিও শরিক ছিলাম। কিন্তু দলের ১৮ মাসের কার্যক্রমে আমরা দেখেছি কী করে মানুষের কাছ থেকে পয়সা আদায় করা যায়, কী করে জুলুম করা যায়, কী করে জমি-ব্যবসা দখল করা যায়, কী করে চাঁদাবাজি করা যায়; আমি কি সেগুলোরও সঙ্গী হব? তাতো নয় নিশ্চয়।’
তিনি বলেন, ‘আমার রাজনীতি আমার, দলের রাজনীতি দলের। আমি আশা করব তারা ২০০১ থেকে ২০২৬ এ যে ভুলগুলো করেছে, তার পুনরাবৃত্তি তাদের হবে না। গত দেড় বছর তারা মানুষকে নানারকমভাবে বিরক্ত করেছে, সেটার পুনরাবৃত্তি হবে না। এটুকুই আমার আশা থাকবে।’
প্রসঙ্গত, গতকাল বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ‘হাঁস’ প্রতীকে ১ লাখ ১৮ হাজার ৫৪৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন আলোচিত নারী নেত্রী রুমিন ফারহানা। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোট সমর্থিত প্রার্থী মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব ‘খেজুর গাছ’ প্রতীকে পেয়েছেন ৮০ হাজার ৪৩৪ ভোট। দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় বিএনপি থেকে বহিষ্কার হন রুমিন ফারহানা।

গণভোটের রায় অমান্য করে ক্ষমতাসীন বিএনপি স্বৈরাচারের পথে চলছে বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক।
১ ঘণ্টা আগে
উপদেষ্টারা ইঞ্জিনিয়ারিং করে বিএনপিকে ক্ষমতায় এনেছেন উল্লেখ করে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে রাজপথে আন্দোলনে নামার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
৩ ঘণ্টা আগে
বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়বিষয়কমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘দেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান। তিনি ঘোষণা দেওয়ার পর সেনাবাহিনীর সামরিক সদস্যরা মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন।’
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠনের পর প্রথমবারের মতো সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির সভা ডেকেছে ক্ষমতাসীন দল বিএনপি।
৬ ঘণ্টা আগে