স্ট্রিম প্রতিবেদক

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিবন্ধনের তালিকায় ‘আমজনতার দল’-এর নাম না থাকায় ইসির প্রধান ফটকের সামনে গত মঙ্গলবার থেকে আমরণ অনশনে থাকা দলটির সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান অবশেষে অনশন ভেঙেছেন। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
রোববার (৯ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে তারকে রহমান অনশন ভাঙেন বলে স্ট্রিমকে জানিয়েছেন দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আব্দুল্লাহ আল হোসেন। তিনি বলেন, ‘ডাবের পানি পান করে অনশন ভেঙেছেন তারেক রহমান।’
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তারেক রহমানের শারীরিক অবস্থা খারাপ হতে থাকায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদের উপস্থিতিতে তাঁকে একটি অ্যাম্বুলেন্স যোগে রাজধানীর গণস্বাস্থ্য হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তাঁকে নিবিড় পরিচর্যা ইউনিটে (আইসিইউ) পর্যবেক্ষণে রাখা হবে বলে জানা গেছে।
অসুস্থ তারকেকে হাসপাতালে পাঠানোর পরে আগারগাওয়ে নির্বাচন ভবনের সামনে সালাহউদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমজনতার দলের সদস্যসচিব তারেক রহমান ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের উজ্জ্বল নক্ষত্র। এই আন্দোলনে তার সঙ্গে যারা ছিলেন, তাদের অনেকেই শহীদ হয়েছেন, অনেকেই পঙ্গু হয়েছেন। তারেকও বহুবার নির্যাতনের শিকার হয়েছেন; রিমান্ডে তাঁকে অমানবিক অত্যাচারের মুখোমুখি হতে হয়েছে।’
তিনি বলেন, আমজনতার দল ভবিষ্যতে গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে ভূমিকা রাখার উদ্দেশ্যে দল নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেছিল। কিন্তু দীর্ঘ প্রক্রিয়ার পর তাদের নিবন্ধন দেওয়া হয়নি। এ বিষয়ে আজ তারা নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে কথা বলেছেন।
সালাহউদ্দিন বলেন, ‘আমরা ইসিকে অনুরোধ করেছি—তারা যদি আগামীকাল আপিল করে, সেটা যেন সহানুভূতির সঙ্গে বিবেচনা করা হয়। মাঠ পর্যায়ে যেন সঠিক তদন্ত হয়। উপজেলা–জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের যথাযথ নির্দেশনা দেওয়া প্রয়োজন।’
বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, ‘আমি তারেকের শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত নাজুক শুনে এসেছি। ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে। তাই অনশন ভাঙানোর জন্য তাঁকে অনুরোধ করেছি। সে আমাদের অনুরোধ রেখেছে। এখন তাকে আইসিইউতে নিতে হবে। আশা করি সে দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবে।

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিবন্ধনের তালিকায় ‘আমজনতার দল’-এর নাম না থাকায় ইসির প্রধান ফটকের সামনে গত মঙ্গলবার থেকে আমরণ অনশনে থাকা দলটির সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান অবশেষে অনশন ভেঙেছেন। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
রোববার (৯ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে তারকে রহমান অনশন ভাঙেন বলে স্ট্রিমকে জানিয়েছেন দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আব্দুল্লাহ আল হোসেন। তিনি বলেন, ‘ডাবের পানি পান করে অনশন ভেঙেছেন তারেক রহমান।’
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তারেক রহমানের শারীরিক অবস্থা খারাপ হতে থাকায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদের উপস্থিতিতে তাঁকে একটি অ্যাম্বুলেন্স যোগে রাজধানীর গণস্বাস্থ্য হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তাঁকে নিবিড় পরিচর্যা ইউনিটে (আইসিইউ) পর্যবেক্ষণে রাখা হবে বলে জানা গেছে।
অসুস্থ তারকেকে হাসপাতালে পাঠানোর পরে আগারগাওয়ে নির্বাচন ভবনের সামনে সালাহউদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমজনতার দলের সদস্যসচিব তারেক রহমান ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের উজ্জ্বল নক্ষত্র। এই আন্দোলনে তার সঙ্গে যারা ছিলেন, তাদের অনেকেই শহীদ হয়েছেন, অনেকেই পঙ্গু হয়েছেন। তারেকও বহুবার নির্যাতনের শিকার হয়েছেন; রিমান্ডে তাঁকে অমানবিক অত্যাচারের মুখোমুখি হতে হয়েছে।’
তিনি বলেন, আমজনতার দল ভবিষ্যতে গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে ভূমিকা রাখার উদ্দেশ্যে দল নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেছিল। কিন্তু দীর্ঘ প্রক্রিয়ার পর তাদের নিবন্ধন দেওয়া হয়নি। এ বিষয়ে আজ তারা নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে কথা বলেছেন।
সালাহউদ্দিন বলেন, ‘আমরা ইসিকে অনুরোধ করেছি—তারা যদি আগামীকাল আপিল করে, সেটা যেন সহানুভূতির সঙ্গে বিবেচনা করা হয়। মাঠ পর্যায়ে যেন সঠিক তদন্ত হয়। উপজেলা–জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের যথাযথ নির্দেশনা দেওয়া প্রয়োজন।’
বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, ‘আমি তারেকের শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত নাজুক শুনে এসেছি। ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে। তাই অনশন ভাঙানোর জন্য তাঁকে অনুরোধ করেছি। সে আমাদের অনুরোধ রেখেছে। এখন তাকে আইসিইউতে নিতে হবে। আশা করি সে দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবে।

দেশ থেকে ফ্যাসিবাদ, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও দুঃশাসন দূর না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, মুক্তির মঞ্জিলের আন্দোলন গন্তব্যে না পৌঁছানো পর্যন্ত আমরা থামব না।
২০ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সৈকত আরিফ। আর সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন ফারহানা মানিক মুনা। শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুই দিনব্যাপী সম্মেলন শেষে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির তথ্য জানানো হয়েছে।
১ দিন আগে
জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ছেড়েছে খেলাফত মজলিস। শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে দলের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার তৃতীয় সাধারণ বৈঠক শেষে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
২৫ জুলাই ২০২৬
বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি মাঈন আহমেদ এবং শিক্ষা ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক মেঘমল্লার বসু সংগঠন থেকে পদত্যাগ করেছেন। একসঙ্গে কেন্দ্রীয় সংসদের সহসভাপতি নাজিফা জান্নাতকে সংগঠনের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
২৫ জুলাই ২০২৬