স্ট্রিম প্রতিবেদক

জুলাই সনদ অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় সংস্কার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে বিপুল ব্যবধানে ‘হ্যাঁ’ ভোটের জয় হয়েছে। এর ফলে রাষ্ট্র সংস্কারের বিভিন্ন পথ উন্মোচিত হয়েছে। তবে সেই সংস্কারের প্রস্তাবগুলোর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়—সরকার প্রধান ও দলীয় প্রধান আলাদা রাখার যে প্রস্তাব জুলাই সনদে ছিল, তা বাস্তবায়িত হচ্ছে না।
এর কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে সরকার প্রধান ও দলীয় প্রধান একই ব্যক্তি হতে পারবেন—এমন অবস্থান স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে। যেহেতু ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ২০৯টি আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে, তাই জুলাই সনদের বিধান অনুযায়ী দলটির নির্বাচনী ইশতেহারই কার্যকর হওয়ার কথা। ফলে সরকার প্রধান ও দলীয় প্রধান আলাদা রাখার প্রস্তাবটি বাস্তবায়নের সম্ভাবনা নেই।
জুলাই সনদে প্রস্তাব করা হয়েছিল, সংবিধানে এমন বিধান যুক্ত করা হবে যাতে প্রধানমন্ত্রী পদে আসীন ব্যক্তি একই সঙ্গে দলীয় প্রধানের দায়িত্বে থাকতে না পারেন। এই প্রস্তাবের বিপক্ষে বিএনপিসহ চারটি রাজনৈতিক দল ‘নোট অব ডিসেন্ট’ দেয়। বিএনপি সেসময় জানায়, প্রধানমন্ত্রী একই সঙ্গে দলীয় প্রধান থাকতে পারবেন।
শুধু জুলাই সনদে আপত্তি জানানোতেই সীমাবদ্ধ থাকেনি দলটি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ইশতেহারেও বিএনপি একই অবস্থান ঘোষণা করে। সেখানে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর পদে আসীন ব্যক্তি একই সঙ্গে দলীয় প্রধানের পদেও অধিষ্ঠিত থাকতে পারবেন। নির্বাচনী ইশতেহারে এ ঘোষণা দেওয়ায় এখন সেটিই বাস্তবায়নের পথে রয়েছে।
জুলাই সনদে আরও উল্লেখ করা হয়, কোনো রাজনৈতিক দল বা জোট যদি তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে উল্লিখিত প্রস্তাবের ভিত্তিতে জনগণের ম্যান্ডেট লাভ করে, তাহলে তারা সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে। সেই হিসেবে যেহেতু বিএনপির ইশতেহার জনগণের ম্যান্ডেট পেয়েছে, তাই দলীয় প্রধান ও সরকার প্রধান আলাদা রাখার প্রস্তাবটি বাস্তবায়নের সম্ভাবনা কমে গেছে।
তবে এ প্রস্তাব বাস্তবায়ন না হলেও আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেটি হলো—একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ ১০ বছর প্রধানমন্ত্রী পদে থাকতে পারবেন। এ বিষয়ে বিএনপির কোনো আপত্তি ছিল না এবং দলটি তাদের ইশতেহারেও এ ধরনের সীমা নির্ধারণের কথা জানিয়েছে। ফলে এই প্রস্তাব বাস্তবায়নের পথ উন্মুক্ত রয়েছে।
জুলাই জাতীয় সনদে প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতায় ভারসাম্য আনার লক্ষ্যে বেশ কিছু সাংবিধানিক সংস্কারের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ছিল বিভিন্ন সাংবিধানিক ও নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর একক ক্ষমতা কমিয়ে একটি বাছাই কমিটি গঠনের প্রস্তাব।
এই প্রস্তাব অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন, সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি), মহাহিসাব নিরীক্ষক, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)সহ বিভিন্ন নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের ক্ষেত্রে একটি বাছাই কমিটি থাকবে। ওই কমিটিতে সরকারি দল, বিরোধী দল এবং ক্ষেত্রবিশেষে বিচার বিভাগের প্রতিনিধিও থাকবেন। কমিটি যাদের বাছাই করবে, তাদের রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দেবেন।
এছাড়া প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার ভারসাম্য আনয়নের লক্ষ্যে সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৮(৩)-এর সংশোধনের প্রস্তাবও রয়েছে জুলাই সনদে। এতে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি যেন কারও পরামর্শ বা সুপারিশ ছাড়াই নিজ এখতিয়ারবলে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ দিতে পারেন।
এর মধ্যে রয়েছে—জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্য, তথ্য কমিশনের প্রধান তথ্য কমিশনার ও কমিশনার, বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ও সদস্য, আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্য, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এবং বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যরা।
এছাড়া জরুরি অবস্থা জারির ক্ষেত্রেও প্রধানমন্ত্রীর একক সিদ্ধান্তের পরিবর্তে মন্ত্রিসভা এবং বিরোধীদলীয় নেতার লিখিত সম্মতির প্রস্তাব রাখা হয়েছে জুলাই সনদে।
তবে এসব প্রস্তাবের সবকটিতে বিএনপি একমত ছিল না। বিশেষ করে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এবং বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির একক ক্ষমতা দেওয়ার প্রস্তাবে দলটি ‘নোট অব ডিসেন্ট’ দেয়।
অন্যদিকে, বিএনপি তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার মধ্যে ভারসাম্য আনার কথাও উল্লেখ করেছে। ফলে জুলাই সনদে দেওয়া প্রস্তাবগুলোর মধ্যে যেগুলোতে বিএনপির আপত্তি নেই, সেগুলো বাস্তবায়নের সম্ভাবনা রয়েছে। আর যেগুলোতে দলটি আপত্তি জানিয়েছে, সেগুলো বাস্তবায়ন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
সব মিলিয়ে, জুলাই সনদের মাধ্যমে রাষ্ট্র সংস্কারের নানা পথ উন্মোচিত হলেও সরকার প্রধান ও দলীয় প্রধান পৃথক রাখার প্রস্তাবটি আপাতত বাস্তবায়নের সম্ভাবনা নেই। তবে প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদসীমা নির্ধারণ ও ক্ষমতার ভারসাম্য আনার মতো কিছু প্রস্তাব বাস্তবায়নের পথে এগোতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

জুলাই সনদ অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় সংস্কার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে বিপুল ব্যবধানে ‘হ্যাঁ’ ভোটের জয় হয়েছে। এর ফলে রাষ্ট্র সংস্কারের বিভিন্ন পথ উন্মোচিত হয়েছে। তবে সেই সংস্কারের প্রস্তাবগুলোর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়—সরকার প্রধান ও দলীয় প্রধান আলাদা রাখার যে প্রস্তাব জুলাই সনদে ছিল, তা বাস্তবায়িত হচ্ছে না।
এর কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে সরকার প্রধান ও দলীয় প্রধান একই ব্যক্তি হতে পারবেন—এমন অবস্থান স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে। যেহেতু ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ২০৯টি আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে, তাই জুলাই সনদের বিধান অনুযায়ী দলটির নির্বাচনী ইশতেহারই কার্যকর হওয়ার কথা। ফলে সরকার প্রধান ও দলীয় প্রধান আলাদা রাখার প্রস্তাবটি বাস্তবায়নের সম্ভাবনা নেই।
জুলাই সনদে প্রস্তাব করা হয়েছিল, সংবিধানে এমন বিধান যুক্ত করা হবে যাতে প্রধানমন্ত্রী পদে আসীন ব্যক্তি একই সঙ্গে দলীয় প্রধানের দায়িত্বে থাকতে না পারেন। এই প্রস্তাবের বিপক্ষে বিএনপিসহ চারটি রাজনৈতিক দল ‘নোট অব ডিসেন্ট’ দেয়। বিএনপি সেসময় জানায়, প্রধানমন্ত্রী একই সঙ্গে দলীয় প্রধান থাকতে পারবেন।
শুধু জুলাই সনদে আপত্তি জানানোতেই সীমাবদ্ধ থাকেনি দলটি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ইশতেহারেও বিএনপি একই অবস্থান ঘোষণা করে। সেখানে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর পদে আসীন ব্যক্তি একই সঙ্গে দলীয় প্রধানের পদেও অধিষ্ঠিত থাকতে পারবেন। নির্বাচনী ইশতেহারে এ ঘোষণা দেওয়ায় এখন সেটিই বাস্তবায়নের পথে রয়েছে।
জুলাই সনদে আরও উল্লেখ করা হয়, কোনো রাজনৈতিক দল বা জোট যদি তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে উল্লিখিত প্রস্তাবের ভিত্তিতে জনগণের ম্যান্ডেট লাভ করে, তাহলে তারা সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে। সেই হিসেবে যেহেতু বিএনপির ইশতেহার জনগণের ম্যান্ডেট পেয়েছে, তাই দলীয় প্রধান ও সরকার প্রধান আলাদা রাখার প্রস্তাবটি বাস্তবায়নের সম্ভাবনা কমে গেছে।
তবে এ প্রস্তাব বাস্তবায়ন না হলেও আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেটি হলো—একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ ১০ বছর প্রধানমন্ত্রী পদে থাকতে পারবেন। এ বিষয়ে বিএনপির কোনো আপত্তি ছিল না এবং দলটি তাদের ইশতেহারেও এ ধরনের সীমা নির্ধারণের কথা জানিয়েছে। ফলে এই প্রস্তাব বাস্তবায়নের পথ উন্মুক্ত রয়েছে।
জুলাই জাতীয় সনদে প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতায় ভারসাম্য আনার লক্ষ্যে বেশ কিছু সাংবিধানিক সংস্কারের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ছিল বিভিন্ন সাংবিধানিক ও নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর একক ক্ষমতা কমিয়ে একটি বাছাই কমিটি গঠনের প্রস্তাব।
এই প্রস্তাব অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন, সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি), মহাহিসাব নিরীক্ষক, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)সহ বিভিন্ন নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের ক্ষেত্রে একটি বাছাই কমিটি থাকবে। ওই কমিটিতে সরকারি দল, বিরোধী দল এবং ক্ষেত্রবিশেষে বিচার বিভাগের প্রতিনিধিও থাকবেন। কমিটি যাদের বাছাই করবে, তাদের রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দেবেন।
এছাড়া প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার ভারসাম্য আনয়নের লক্ষ্যে সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৮(৩)-এর সংশোধনের প্রস্তাবও রয়েছে জুলাই সনদে। এতে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি যেন কারও পরামর্শ বা সুপারিশ ছাড়াই নিজ এখতিয়ারবলে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ দিতে পারেন।
এর মধ্যে রয়েছে—জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্য, তথ্য কমিশনের প্রধান তথ্য কমিশনার ও কমিশনার, বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ও সদস্য, আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্য, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এবং বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যরা।
এছাড়া জরুরি অবস্থা জারির ক্ষেত্রেও প্রধানমন্ত্রীর একক সিদ্ধান্তের পরিবর্তে মন্ত্রিসভা এবং বিরোধীদলীয় নেতার লিখিত সম্মতির প্রস্তাব রাখা হয়েছে জুলাই সনদে।
তবে এসব প্রস্তাবের সবকটিতে বিএনপি একমত ছিল না। বিশেষ করে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এবং বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির একক ক্ষমতা দেওয়ার প্রস্তাবে দলটি ‘নোট অব ডিসেন্ট’ দেয়।
অন্যদিকে, বিএনপি তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার মধ্যে ভারসাম্য আনার কথাও উল্লেখ করেছে। ফলে জুলাই সনদে দেওয়া প্রস্তাবগুলোর মধ্যে যেগুলোতে বিএনপির আপত্তি নেই, সেগুলো বাস্তবায়নের সম্ভাবনা রয়েছে। আর যেগুলোতে দলটি আপত্তি জানিয়েছে, সেগুলো বাস্তবায়ন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
সব মিলিয়ে, জুলাই সনদের মাধ্যমে রাষ্ট্র সংস্কারের নানা পথ উন্মোচিত হলেও সরকার প্রধান ও দলীয় প্রধান পৃথক রাখার প্রস্তাবটি আপাতত বাস্তবায়নের সম্ভাবনা নেই। তবে প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদসীমা নির্ধারণ ও ক্ষমতার ভারসাম্য আনার মতো কিছু প্রস্তাব বাস্তবায়নের পথে এগোতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এনসিপির নেতাকর্মীদের বাড়িঘর ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলার অভিযোগ তুলেছেন দলটির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। তিনি দাবি করেছেন, পঞ্চগড়-১ আসনে এখন পর্যন্ত প্রায় ৩০টির বেশি স্থানে তাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, ভাঙচুর ও হুমকির ঘটনা ঘটেছে।
১ ঘণ্টা আগে
দেশের উত্তরাঞ্চলের দুই বিভাগ রাজশাহী ও রংপুরের ১৬ জেলার ৭২টি সংসদীয় আসনে একমাত্র নারী সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল। সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে জয়ী হয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
চুয়াডাঙ্গায় জামায়াতে ইসলামী কর্মীদের বিরুদ্ধে বিএনপির এক কর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) জুমার নামাজের পর শহরের পৌর এলাকার নুরনগর কলোনীপাড়ার জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে।
৪ ঘণ্টা আগে
তাঁর অভিযোগ, যেসব আসনে এনসিপির ‘শাপলা কলি’ প্রতীকের প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন বা জয়লাভের কাছাকাছি ছিলেন, সেসব এলাকায় ফলাফল প্রভাবিত করার চেষ্টা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মী ও প্রশাসনিক সহযোগিতায় এসব ঘটনা ঘটেছে এবং নির্বাচন কমিশন এই বিষয়ে দায়িত্বশীল ভূমিকা নেয়নি।
৫ ঘণ্টা আগে