স্ট্রিম সংবাদদাতা

চুয়াডাঙ্গায় জামায়াতে ইসলামী কর্মীদের বিরুদ্ধে বিএনপির এক কর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) জুমার নামাজের পর শহরের পৌর এলাকার নুরনগর কলোনীপাড়ার জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে।
মারধরের শিকার মনজুর আলী (৫২) বর্তমানে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাঁর অভিযোগ, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত এবং দেশবাসীর কল্যাণ কামনায় ঘোষিত দোয়া কর্মসূচির অংশ হিসেবে তিনি স্থানীয় মসজিদের ইমামকে দোয়ার আয়োজনের অনুরোধ জানান। এর কিছুক্ষণ পর স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর কর্মী মোস্তফা, বাবু, মজনু, খবা, শাহ আলম, ফজলু, ছলেমান, শিপন ও সাহাদতসহ কয়েকজন তাঁর ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
আহত মনজুর আলী নুরনগর কলোনীপাড়ার মৃত বাবর আলীর ছেলে। হামলার পর স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয়রা হাসপাতালে ভর্তি করেন।
চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও ধানের শীষ প্রতীকের পরাজিত প্রার্থী শরীফুজ্জামান শরীফ বলেন, খবর পেয়ে তিনি সদর হাসপাতালে গিয়ে আহত কর্মীর খোঁজখবর নিয়েছেন।
তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর থেকেই জেলার বিভিন্ন স্থানে বিএনপির কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটছে। দোয়া কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে মনজুর আলীর ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।
অন্যদিকে, জেলা জামায়াতে ইসলামীর প্রচার সম্পাদক মফিজ উদ্দিন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, প্রথমে তাদের একজন কর্মীকে মারধর করা হয়। এর প্রতিবাদ করতে গিয়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে এবং ওই বিএনপি কর্মী সামান্য আহত হয়ে থাকতে পারেন। তিনি আরও দাবি করেন, এ ঘটনার প্রতিবাদে স্থানীয়রা মানববন্ধন করেছেন।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জুনিয়র সার্জারি কনসালটেন্ট ডা. এহসানুল হক তন্ময় জানান, মনজুর আলীর শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, কিল-ঘুষির আঘাতে এসব চিহ্ন হয়েছে। তবে তিনি বর্তমানে আশঙ্কামুক্ত রয়েছেন।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, দোয়া কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে মসজিদের ভেতরে জামায়াত ও বিএনপির কর্মীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এতে একজন বিএনপি কর্মী আহত হয়েছেন। সেনাবাহিনীসহ পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

চুয়াডাঙ্গায় জামায়াতে ইসলামী কর্মীদের বিরুদ্ধে বিএনপির এক কর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) জুমার নামাজের পর শহরের পৌর এলাকার নুরনগর কলোনীপাড়ার জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে।
মারধরের শিকার মনজুর আলী (৫২) বর্তমানে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাঁর অভিযোগ, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত এবং দেশবাসীর কল্যাণ কামনায় ঘোষিত দোয়া কর্মসূচির অংশ হিসেবে তিনি স্থানীয় মসজিদের ইমামকে দোয়ার আয়োজনের অনুরোধ জানান। এর কিছুক্ষণ পর স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর কর্মী মোস্তফা, বাবু, মজনু, খবা, শাহ আলম, ফজলু, ছলেমান, শিপন ও সাহাদতসহ কয়েকজন তাঁর ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
আহত মনজুর আলী নুরনগর কলোনীপাড়ার মৃত বাবর আলীর ছেলে। হামলার পর স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয়রা হাসপাতালে ভর্তি করেন।
চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও ধানের শীষ প্রতীকের পরাজিত প্রার্থী শরীফুজ্জামান শরীফ বলেন, খবর পেয়ে তিনি সদর হাসপাতালে গিয়ে আহত কর্মীর খোঁজখবর নিয়েছেন।
তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর থেকেই জেলার বিভিন্ন স্থানে বিএনপির কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটছে। দোয়া কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে মনজুর আলীর ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।
অন্যদিকে, জেলা জামায়াতে ইসলামীর প্রচার সম্পাদক মফিজ উদ্দিন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, প্রথমে তাদের একজন কর্মীকে মারধর করা হয়। এর প্রতিবাদ করতে গিয়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে এবং ওই বিএনপি কর্মী সামান্য আহত হয়ে থাকতে পারেন। তিনি আরও দাবি করেন, এ ঘটনার প্রতিবাদে স্থানীয়রা মানববন্ধন করেছেন।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জুনিয়র সার্জারি কনসালটেন্ট ডা. এহসানুল হক তন্ময় জানান, মনজুর আলীর শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, কিল-ঘুষির আঘাতে এসব চিহ্ন হয়েছে। তবে তিনি বর্তমানে আশঙ্কামুক্ত রয়েছেন।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, দোয়া কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে মসজিদের ভেতরে জামায়াত ও বিএনপির কর্মীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এতে একজন বিএনপি কর্মী আহত হয়েছেন। সেনাবাহিনীসহ পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

জুলাই সনদ অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় সংস্কার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে বিপুল ব্যবধানে ‘হ্যাঁ’ ভোটের জয় হয়েছে। এর ফলে রাষ্ট্র সংস্কারের বিভিন্ন পথ উন্মোচিত হয়েছে।
৫ মিনিট আগে
দেশের উত্তরাঞ্চলের দুই বিভাগ রাজশাহী ও রংপুরের ১৬ জেলার ৭২টি সংসদীয় আসনে একমাত্র নারী সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল। সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে জয়ী হয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
তাঁর অভিযোগ, যেসব আসনে এনসিপির ‘শাপলা কলি’ প্রতীকের প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন বা জয়লাভের কাছাকাছি ছিলেন, সেসব এলাকায় ফলাফল প্রভাবিত করার চেষ্টা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মী ও প্রশাসনিক সহযোগিতায় এসব ঘটনা ঘটেছে এবং নির্বাচন কমিশন এই বিষয়ে দায়িত্বশীল ভূমিকা নেয়নি।
৩ ঘণ্টা আগে
রাজশাহী-২ (সদর) আসনের সদ্য বিজয়ী বিএনপির প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, ‘আমি এখানে জন্ম নিয়েছি। আমি জানি, কারা কী করে না করে এখানে। প্রত্যেককে কঠোর হস্তে দমন করা হবে।’
৫ ঘণ্টা আগে