স্ট্রিম প্রতিবেদক

নির্বাচনের পর ১১ দলীয় ঐক্যের কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলাকে ‘ফ্যাসিবাদী তৎপরতা’ আখ্যা দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেেন, হামলা বন্ধ না হলে আমরা রাজপথে নামব।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জামায়াত আমির এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা ইতিবাচক ও সুস্থ ধারার রাজনীতি করতে চাই। কিন্তু নির্বাচনের পর দেশের বিভিন্ন জায়গায় আমাদের জোটের কর্মী, এজেন্ট ও ভোটারদের ওপর হামলা হচ্ছে, এমনকি বাড়িঘরে আগুন দেওয়া হচ্ছে। এটি ফ্যাসিবাদী তৎপরতা ছাড়া আর কিছু নয়। ২০২৬ সালের নির্বাচন যে ফ্যাসিবাদের ধ্বংসস্তূপের ওপর হয়েছে, সেখানে আবারও একই চিত্র দেখা গেলে তা জাতির জন্য দুর্ভাগ্যজনক হবে।’
সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পাওয়া দলকেই এই পরিস্থিতির দায় নিতে হবে উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, ‘যাঁরা সরকার গঠন করবেন, দেশের শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব তাঁদেরই। এসব অপকর্ম বন্ধ না হলে আমরা যেকোনো কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হব এবং প্রয়োজনে রাজপথে নামব।’
নির্বাচনী ফলাফল নিয়ে অভিযোগ তুলে জামায়াত আমির বলেন, ভোটের দিন বেশ কিছু জায়গায় হঠাৎ ফলাফল ঘোষণা বন্ধ করে দেওয়া হয়। হাজার হাজার ভোটে এগিয়ে থাকা প্রার্থীকে রহস্যজনকভাবে পরাজিত দেখানো হয়েছে এবং রেজাল্ট শিটে ঘষামাজা করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ‘দ্বৈতনীতি’র অভিযোগ এনে ডা. শফিক বলেন, ‘নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারীর আসনে যে যুক্তিতে অন্য প্রার্থীর ব্যালট গ্রহণ করা হয়েছে, আল্লামা মামুনুল হকের আসনে একই কারণে তা বাতিল করা হয়েছে। এক দেশে দুই নিয়ম চলতে পারে না।’
এ ছাড়া অনেক প্রার্থী ঋণখেলাপির তথ্য গোপন করলেও নির্বাচন কমিশন তা আমলে নেয়নি বলে অভিযোগ করে ডা. শফিক জানান, অন্যায়ের প্রতিকার না পেলে এবং জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হলে জোট কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবে।
সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নেতা মামুনুল হক, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ ১১-দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

নির্বাচনের পর ১১ দলীয় ঐক্যের কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলাকে ‘ফ্যাসিবাদী তৎপরতা’ আখ্যা দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেেন, হামলা বন্ধ না হলে আমরা রাজপথে নামব।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জামায়াত আমির এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা ইতিবাচক ও সুস্থ ধারার রাজনীতি করতে চাই। কিন্তু নির্বাচনের পর দেশের বিভিন্ন জায়গায় আমাদের জোটের কর্মী, এজেন্ট ও ভোটারদের ওপর হামলা হচ্ছে, এমনকি বাড়িঘরে আগুন দেওয়া হচ্ছে। এটি ফ্যাসিবাদী তৎপরতা ছাড়া আর কিছু নয়। ২০২৬ সালের নির্বাচন যে ফ্যাসিবাদের ধ্বংসস্তূপের ওপর হয়েছে, সেখানে আবারও একই চিত্র দেখা গেলে তা জাতির জন্য দুর্ভাগ্যজনক হবে।’
সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পাওয়া দলকেই এই পরিস্থিতির দায় নিতে হবে উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, ‘যাঁরা সরকার গঠন করবেন, দেশের শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব তাঁদেরই। এসব অপকর্ম বন্ধ না হলে আমরা যেকোনো কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হব এবং প্রয়োজনে রাজপথে নামব।’
নির্বাচনী ফলাফল নিয়ে অভিযোগ তুলে জামায়াত আমির বলেন, ভোটের দিন বেশ কিছু জায়গায় হঠাৎ ফলাফল ঘোষণা বন্ধ করে দেওয়া হয়। হাজার হাজার ভোটে এগিয়ে থাকা প্রার্থীকে রহস্যজনকভাবে পরাজিত দেখানো হয়েছে এবং রেজাল্ট শিটে ঘষামাজা করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ‘দ্বৈতনীতি’র অভিযোগ এনে ডা. শফিক বলেন, ‘নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারীর আসনে যে যুক্তিতে অন্য প্রার্থীর ব্যালট গ্রহণ করা হয়েছে, আল্লামা মামুনুল হকের আসনে একই কারণে তা বাতিল করা হয়েছে। এক দেশে দুই নিয়ম চলতে পারে না।’
এ ছাড়া অনেক প্রার্থী ঋণখেলাপির তথ্য গোপন করলেও নির্বাচন কমিশন তা আমলে নেয়নি বলে অভিযোগ করে ডা. শফিক জানান, অন্যায়ের প্রতিকার না পেলে এবং জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হলে জোট কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবে।
সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নেতা মামুনুল হক, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ ১১-দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

রাজশাহী-২ (সদর) আসনের সদ্য বিজয়ী বিএনপির প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, ‘আমি এখানে জন্ম নিয়েছি। আমি জানি, কারা কী করে না করে এখানে। প্রত্যেককে কঠোর হস্তে দমন করা হবে।’
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে লড়ছেন ২৭৩ স্বতন্ত্র প্রার্থী। তাদের মধ্যে বিএনপি থেকে বিদ্রোহী হয়েছিলেন ৭৯ জন। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা সাতটি আসনে জয় পেয়েছে। তাদের মধ্যে পাঁচজন ধানের শীষ এবং একজন শাপলা কলি ও আরেকজন বিএনপির জোটের শরিক খেজুর গাছ প্রতীকের বিরুদ্ধে জয় পেয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে একসময় ফাঁসির দণ্ডাদেশ পাওয়া এ টি এম আজহারুল ইসলাম এবারের নির্বাচনে রংপুর-২ আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
রংপুর-৪ (পীরগাছা-কাউনিয়া) আসনের নির্বাচনের ফলাফল পাল্টে দেওয়ার অভিযোগ তুলে ভোট পুনর্গণনার দাবি জানিয়েছেন বিএনপি প্রার্থী এমদাদুল হক ভরসা। একই সঙ্গে তার সমর্থকদের বিক্ষোভ চলাকালে এনসিপির নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ করেছেন বিজয়ী প্রার্থী আখতার হোসেন। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে
২ ঘণ্টা আগে