রংপুর-৪ আসন
স্ট্রিম সংবাদদাতা

রংপুর-৪ (পীরগাছা-কাউনিয়া) আসনের নির্বাচনের ফলাফল পাল্টে দেওয়ার অভিযোগ তুলে ভোট পুনর্গণনার দাবি জানিয়েছেন বিএনপি প্রার্থী এমদাদুল হক ভরসা। একই সঙ্গে তার সমর্থকদের বিক্ষোভ চলাকালে এনসিপির নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ করেছেন বিজয়ী প্রার্থী আখতার হোসেন। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিএনপি।
রাত সাড়ে ৮টার দিকে ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এনসিপির প্রার্থী আখতার হোসেন অভিযোগ করেন, বিএনপির নেতা-কর্মীরা হারাগাছ এলাকায় তাঁর দলীয় নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে।
পোস্টে তিনি দাবি করেন, মাইকিং করে এনসিপির কর্মীদের খুঁজে বের করে মারধর করা হচ্ছে। কয়েকটি বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়েছে এবং মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়েছে। বাড়িঘরে আগুন দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
রাত ১০টার দিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে হারাগাছে নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা ও বাড়িঘর ভাঙচুরের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়ার কথা জানান তিনি।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বিএনপি নেতারা দাবি করেছেন, এনসিপির লোকজন নিজেরাই ভাঙচুর করে বিএনপির ওপর দোষ চাপাচ্ছে।
এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে বলে জানিয়েছেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের হারাগাছ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অশোক চোহান। তিনি বলেন, হাজার হাজার লোক হারাগাছ–রংপুর সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছে। এই পরিস্থিতিতে পুলিশের পক্ষে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে বলেও তিনি জানান।
এদিকে শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রংপুর জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে ফলাফল পুনর্গণনার আবেদন জমা দেন এমদাদুল হক ভরসা। তিনি অভিযোগ করেন, প্রশাসনের সহায়তায় ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ করে ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্য সমর্থিত এনসিপির প্রার্থী আখতার হোসেনকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে।
ভরসা বলেন, তিনি জনগণের রায়ে বিজয়ী হবেন বলে শতভাগ আশাবাদী ছিলেন। কিন্তু বেলা তিনটা থেকে পাঁচটার মধ্যে প্রতিপক্ষের লোকজন মব সৃষ্টি করে এবং প্রশাসনের সহযোগিতায় ফলাফল পরিবর্তন করা হয়েছে বলে দাবি করেন।
ভরসা আরও অভিযোগ করেন, প্রায় ৮ হাজার ৫০০ ভোট বাতিল করা হয়েছে, যা সন্দেহজনক। পুনর্গণনা করলে প্রকৃত ফলাফল বেরিয়ে আসবে বলেও জানান তিনি। সঠিক বিচার না পেলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দেন বিএনপির এই প্রার্থী।
বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, এই আসনে এনসিপির প্রার্থী আখতার হোসেন শাপলা প্রতীকে ১ লাখ ৪৯ হাজার ৯৬৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এমদাদুল হক ভরসা পেয়েছেন ১ লাখ ৪০ হাজার ৫৬৪ ভোট। জাতীয় পার্টির প্রার্থী আবু নাসের শাহ মো. মাহবুবার রহমান পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৬৬৪ ভোট।
শুক্রবার বিকেল ৪টার দিকে কাউনিয়া উপজেলার হারাগাছ পৌর এলাকার হকবাজারে ভরসার সমর্থকেরা ভোট পুনর্গণনার দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করেন। তারা হারাগাছ–রংপুর সড়ক অবরোধ করে সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে প্রতিবাদ জানান। রাত ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত বিক্ষোভ চলতে দেখা গেছে। এ সময় বিএনপির নেতা-কর্মী ও সমর্থকেরা সেখানে জড়ো হন।

রংপুর-৪ (পীরগাছা-কাউনিয়া) আসনের নির্বাচনের ফলাফল পাল্টে দেওয়ার অভিযোগ তুলে ভোট পুনর্গণনার দাবি জানিয়েছেন বিএনপি প্রার্থী এমদাদুল হক ভরসা। একই সঙ্গে তার সমর্থকদের বিক্ষোভ চলাকালে এনসিপির নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ করেছেন বিজয়ী প্রার্থী আখতার হোসেন। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিএনপি।
রাত সাড়ে ৮টার দিকে ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এনসিপির প্রার্থী আখতার হোসেন অভিযোগ করেন, বিএনপির নেতা-কর্মীরা হারাগাছ এলাকায় তাঁর দলীয় নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে।
পোস্টে তিনি দাবি করেন, মাইকিং করে এনসিপির কর্মীদের খুঁজে বের করে মারধর করা হচ্ছে। কয়েকটি বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়েছে এবং মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়েছে। বাড়িঘরে আগুন দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
রাত ১০টার দিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে হারাগাছে নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা ও বাড়িঘর ভাঙচুরের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়ার কথা জানান তিনি।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বিএনপি নেতারা দাবি করেছেন, এনসিপির লোকজন নিজেরাই ভাঙচুর করে বিএনপির ওপর দোষ চাপাচ্ছে।
এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে বলে জানিয়েছেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের হারাগাছ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অশোক চোহান। তিনি বলেন, হাজার হাজার লোক হারাগাছ–রংপুর সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছে। এই পরিস্থিতিতে পুলিশের পক্ষে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে বলেও তিনি জানান।
এদিকে শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রংপুর জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে ফলাফল পুনর্গণনার আবেদন জমা দেন এমদাদুল হক ভরসা। তিনি অভিযোগ করেন, প্রশাসনের সহায়তায় ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ করে ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্য সমর্থিত এনসিপির প্রার্থী আখতার হোসেনকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে।
ভরসা বলেন, তিনি জনগণের রায়ে বিজয়ী হবেন বলে শতভাগ আশাবাদী ছিলেন। কিন্তু বেলা তিনটা থেকে পাঁচটার মধ্যে প্রতিপক্ষের লোকজন মব সৃষ্টি করে এবং প্রশাসনের সহযোগিতায় ফলাফল পরিবর্তন করা হয়েছে বলে দাবি করেন।
ভরসা আরও অভিযোগ করেন, প্রায় ৮ হাজার ৫০০ ভোট বাতিল করা হয়েছে, যা সন্দেহজনক। পুনর্গণনা করলে প্রকৃত ফলাফল বেরিয়ে আসবে বলেও জানান তিনি। সঠিক বিচার না পেলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দেন বিএনপির এই প্রার্থী।
বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, এই আসনে এনসিপির প্রার্থী আখতার হোসেন শাপলা প্রতীকে ১ লাখ ৪৯ হাজার ৯৬৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এমদাদুল হক ভরসা পেয়েছেন ১ লাখ ৪০ হাজার ৫৬৪ ভোট। জাতীয় পার্টির প্রার্থী আবু নাসের শাহ মো. মাহবুবার রহমান পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৬৬৪ ভোট।
শুক্রবার বিকেল ৪টার দিকে কাউনিয়া উপজেলার হারাগাছ পৌর এলাকার হকবাজারে ভরসার সমর্থকেরা ভোট পুনর্গণনার দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করেন। তারা হারাগাছ–রংপুর সড়ক অবরোধ করে সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে প্রতিবাদ জানান। রাত ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত বিক্ষোভ চলতে দেখা গেছে। এ সময় বিএনপির নেতা-কর্মী ও সমর্থকেরা সেখানে জড়ো হন।

রাজশাহী-২ (সদর) আসনের সদ্য বিজয়ী বিএনপির প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, ‘আমি এখানে জন্ম নিয়েছি। আমি জানি, কারা কী করে না করে এখানে। প্রত্যেককে কঠোর হস্তে দমন করা হবে।’
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে লড়ছেন ২৭৩ স্বতন্ত্র প্রার্থী। তাদের মধ্যে বিএনপি থেকে বিদ্রোহী হয়েছিলেন ৭৯ জন। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা সাতটি আসনে জয় পেয়েছে। তাদের মধ্যে পাঁচজন ধানের শীষ এবং একজন শাপলা কলি ও আরেকজন বিএনপির জোটের শরিক খেজুর গাছ প্রতীকের বিরুদ্ধে জয় পেয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে একসময় ফাঁসির দণ্ডাদেশ পাওয়া এ টি এম আজহারুল ইসলাম এবারের নির্বাচনে রংপুর-২ আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনের পর ১১-দলীয় জোটের কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলাকে ‘ফ্যাসিবাদী তৎপরতা’ আখ্যা দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, হামলা বন্ধ না হলে আমরা রাজপথে নামব।
২ ঘণ্টা আগে