leadT1ad

শিল্পী-সাহিত্যিকদের রাষ্ট্রীয় পেনশনের প্রতিশ্রুতি জামায়াতের

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক

ইশতেহার ঘোষণা করছেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। সংগৃহীত ছবি

শিল্পী ও সাহিত্যিকদের জন্য রাষ্ট্রীয় পেনশন ব্যবস্থা চালু এবং দেশীয় সংস্কৃতি সংরক্ষণে জাতীয় সাংস্কৃতিক কমিশন গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বনানীর হোটেল শেরাটনে আনুষ্ঠানিকভাবে এই নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেন জামায়াতের আমীর ডা. শফিকুর রহমান। ইশতেহারে বলা হয়, সাহিত্যিক ও শিল্পীদের অবদানের ভিত্তিতে সম্মানজনক রাষ্ট্রীয় পেনশন ব্যবস্থা চালু করা হবে এবং দুস্থ ও প্রতিভাবান শিল্পীদের সহায়তায় শিল্পীকল্যাণ তহবিলের বাজেট বৃদ্ধি করা হবে।

ঘোষিত ইশতেহার অনুযায়ী, জামায়াত স্বাধীন বাংলাদেশের স্বতন্ত্র ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির পূর্ণাঙ্গ বিকাশে সুদূর অতীত থেকে বর্তমান পর্যন্ত এই জনপদের পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস দালিলিকভাবে সংরক্ষণ করবে। শিক্ষাক্ষেত্রে উপেক্ষিত ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বদের পরিচিতি তুলে ধরা এবং ঐতিহাসিক ঘটনাবলির আলোকে চলচ্চিত্র নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এ ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক দিনগুলোকে বিশেষ দিবস হিসেবে ঘোষণা করে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় পালনের ব্যবস্থা করা হবে।

সাংস্কৃতিক নীতি প্রণয়ন ও আন্তর্জাতিক সংস্কৃতি বিনিময়ের লক্ষ্যে শিক্ষাবিদ ও গবেষকদের নিয়ে একটি ‘জাতীয় সাংস্কৃতিক কমিশন’ গঠনের কথা বলেছে দলটি। জামায়াত জানায়, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ ২১টি দপ্তর বা সংস্থার মান উন্নয়নে একটি বিশেষজ্ঞ টিম গঠন করা হবে। অধিভুক্ত প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে সংস্কৃতি চর্চার শক্তিশালী কেন্দ্রে রূপান্তর করা হবে।

ইশতেহারে আরও বলা হয়েছে, দেশের মানুষের বোধ ও বিশ্বাস অনুযায়ী সকল সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হবে। শিল্প-সংস্কৃতির ক্ষেত্রে ‘অশ্লীলতা পরিহার’ এবং যেকোনো ‘ধর্মের প্রতি অবমাননাকর’ উপস্থাপনা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হবে। এ ছাড়া প্রবাসী নতুন প্রজন্মকে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতিতে উদ্বুদ্ধ করতে এবং বিদেশে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে বিভিন্ন দেশে ‘বাংলাদেশি কালচারাল সেন্টার’ প্রতিষ্ঠা করার পরিকল্পনা রয়েছে দলটির।

Ad 300x250

সম্পর্কিত