স্ট্রিম প্রতিবেদক

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি পরিবেশবান্ধব রাষ্ট্রে পরিণত করার লক্ষ্য নিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। দলটি এই লক্ষ্যের নাম দিয়েছে ‘তিন শূন্য ভিশন’। পাশাপাশি ভেজাল খাদ্যের বিরুদ্ধে ‘যুদ্ধের ঘোষণা’ দিয়েছে দলটি।
আজ বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় বনানীর হোটেল শেরাটনে আনুষ্ঠানিকভাবে ইশতেহার ঘোষণা করেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান।
ঘোষিত ইশতেহারে পরিবেশ রক্ষায় ২০৩০ সালের মধ্যে ‘তিন শূন্য ভিশন’ বাস্তবায়নের রূপরেখা এবং খাদ্যে ভেজাল রোধে ‘যুদ্ধ ঘোষণা’ করা হয়।
ইশতেহারে উল্লেখ করা হয়, ‘২০৩০ সালের মধ্যে “তিন শূন্য ভিশন” (পরিবেশগত অবক্ষয়ের শূন্যতা, বর্জ্যের শূন্যতা এবং বন্যা-ঝুঁকির শূন্যতা) বাস্তবায়নের মাধ্যমে সবুজ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য এগিয়ে নেওয়া হবে।’
নগরজীবনে প্লাস্টিক দূষণ কমাতে বিশেষ উদ্যোগের কথাও বলছে দলটি। ইশতেহারে বলা হয়, ‘প্লাস্টিক বোতলের বিনিময়ে গাছ’ আন্দোলন চালু করা হবে। এছাড়া ঢাকার চারপাশের নদীগুলোকে রাজধানীর ‘লাইফলাইন’ বিবেচনা করে দূষণমুক্ত করার অঙ্গীকার করা হয়েছে।
ইশতেহারে কৃষি খাতকে কেবল উৎপাদনের উৎস হিসেবে না দেখে, একে লাভজনক ও সম্মানজনক পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। সারের দাম কমানো এবং কৃষি যান্ত্রিকীকরণের পাশাপাশি এবারই প্রথম ‘প্রিসিশন এগ্রিকালচার’ বা নির্ভুল কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে দলটি।
কৃষকের দীর্ঘদিনের আক্ষেপ উৎপাদন খরচ ও ফসলের ন্যায্যমূল্য না পাওয়া। এ প্রসঙ্গে ইশতেহারে বলা হয়েছে, ‘কৃষি উপকরণে (বীজ, সার, বালাইনাশক, যন্ত্রপাতি প্রভৃতি) নিজেদের সক্ষমতা বাড়ানোর মাধ্যমে কৃষকের কৃষি উপকরণের প্রাপ্তি নিশ্চিত ও ফসলের উৎপাদন খরচ কমিয়ে খাদ্যপণ্যের দাম সহনশীল পর্যায়ে নামিয়ে আনা হবে।’
উত্তরাঞ্চলের কৃষি বাঁচাতে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের সুনির্দিষ্ট অঙ্গীকারও করা হয়েছে। বলা হয়েছে, ‘তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে উত্তরাঞ্চলের কৃষি উৎপাদন টেকসই করা হবে।’
এছাড়া আন্তর্জাতিক মানদণ্ড মেনে উৎপাদন এবং বিদেশে দক্ষ কৃষি শ্রমিক পাঠানোর মাধ্যমে কৃষিকে রপ্তানিমুখী করার পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়েছে।
জনস্বাস্থ্য ও ভোক্তা অধিকার রক্ষায় এবারের ইশতেহারে কঠোর অবস্থানের কথা জানানো হয়েছে। হোটেল-রেস্তোরাঁর রান্নাঘরে সিসিটিভি ক্যামেরা বাধ্যতামূলক করা এবং খাদ্যে ভেজালকারীদের লাইসেন্স বাতিলসহ ফৌজদারি মামলার বিধান রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।
খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিতে একটি স্বতন্ত্র তদারকি সংস্থা গঠনের ঘোষণা দিয়ে ইশতেহারে বলা হয়, ‘ফুড অ্যান্ড ড্রাগ রেগুলেটরি অথরিটি’ গঠন করে খাদ্য এবং পানীয়তে ভেজাল, নিম্নমানের ওষুধ ও চিকিৎসা প্রতারণার বিরুদ্ধে কঠোর রাষ্ট্রীয় নজরদারি এবং যুদ্ধ ঘোষণা করা হবে।
বাজার সিন্ডিকেট ও মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ‘স্বয়ংক্রিয় স্থিতিকরণ নীতি’ প্রয়োগের বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে। ইশতেহার অনুযায়ী, ‘বাজারে অস্থিরতা দেখা দিলে ওএমএস ও টিসিবির কার্যক্রম তাৎক্ষণিকভাবে বৃদ্ধি করা হবে।’
এছাড়া খাদ্য বিতরণে স্বচ্ছতা আনতে ব্লকচেইন প্রযুক্তি ও জিপিএস ট্র্যাকিং ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে বড় ধরনের সংস্কারের আভাস দিয়েছে জামায়াত। হাওর অঞ্চলের ইজারা প্রথা বাতিলের কথা জানিয়েছে দলটি। জীববৈচিত্র্য রক্ষার ক্ষেত্রে বলা হয়েছে, ‘হাওরের বর্তমান সরকারি লিজ প্রথা বাতিল করে সেগুলোকে অভয়ারণ্য ও সংরক্ষণ করা হবে।’
পাশাপাশি খামারিদের ঝুঁকি কমাতে ‘প্রাণীবীমা’ চালু এবং পশুখাদ্যের দাম কমানোর উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে ইশতেহারে। ইলিশ ও দেশীয় মাছের প্রজনন রক্ষায় হালদা নদী ও হাওরগুলোকে অভয়ারণ্য ঘোষণা এবং প্রজনন মৌসুমে মাছ ধরা নিষিদ্ধ রাখার কঠোর বিধান রাখা হয়েছে।

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি পরিবেশবান্ধব রাষ্ট্রে পরিণত করার লক্ষ্য নিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। দলটি এই লক্ষ্যের নাম দিয়েছে ‘তিন শূন্য ভিশন’। পাশাপাশি ভেজাল খাদ্যের বিরুদ্ধে ‘যুদ্ধের ঘোষণা’ দিয়েছে দলটি।
আজ বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় বনানীর হোটেল শেরাটনে আনুষ্ঠানিকভাবে ইশতেহার ঘোষণা করেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান।
ঘোষিত ইশতেহারে পরিবেশ রক্ষায় ২০৩০ সালের মধ্যে ‘তিন শূন্য ভিশন’ বাস্তবায়নের রূপরেখা এবং খাদ্যে ভেজাল রোধে ‘যুদ্ধ ঘোষণা’ করা হয়।
ইশতেহারে উল্লেখ করা হয়, ‘২০৩০ সালের মধ্যে “তিন শূন্য ভিশন” (পরিবেশগত অবক্ষয়ের শূন্যতা, বর্জ্যের শূন্যতা এবং বন্যা-ঝুঁকির শূন্যতা) বাস্তবায়নের মাধ্যমে সবুজ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য এগিয়ে নেওয়া হবে।’
নগরজীবনে প্লাস্টিক দূষণ কমাতে বিশেষ উদ্যোগের কথাও বলছে দলটি। ইশতেহারে বলা হয়, ‘প্লাস্টিক বোতলের বিনিময়ে গাছ’ আন্দোলন চালু করা হবে। এছাড়া ঢাকার চারপাশের নদীগুলোকে রাজধানীর ‘লাইফলাইন’ বিবেচনা করে দূষণমুক্ত করার অঙ্গীকার করা হয়েছে।
ইশতেহারে কৃষি খাতকে কেবল উৎপাদনের উৎস হিসেবে না দেখে, একে লাভজনক ও সম্মানজনক পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। সারের দাম কমানো এবং কৃষি যান্ত্রিকীকরণের পাশাপাশি এবারই প্রথম ‘প্রিসিশন এগ্রিকালচার’ বা নির্ভুল কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে দলটি।
কৃষকের দীর্ঘদিনের আক্ষেপ উৎপাদন খরচ ও ফসলের ন্যায্যমূল্য না পাওয়া। এ প্রসঙ্গে ইশতেহারে বলা হয়েছে, ‘কৃষি উপকরণে (বীজ, সার, বালাইনাশক, যন্ত্রপাতি প্রভৃতি) নিজেদের সক্ষমতা বাড়ানোর মাধ্যমে কৃষকের কৃষি উপকরণের প্রাপ্তি নিশ্চিত ও ফসলের উৎপাদন খরচ কমিয়ে খাদ্যপণ্যের দাম সহনশীল পর্যায়ে নামিয়ে আনা হবে।’
উত্তরাঞ্চলের কৃষি বাঁচাতে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের সুনির্দিষ্ট অঙ্গীকারও করা হয়েছে। বলা হয়েছে, ‘তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে উত্তরাঞ্চলের কৃষি উৎপাদন টেকসই করা হবে।’
এছাড়া আন্তর্জাতিক মানদণ্ড মেনে উৎপাদন এবং বিদেশে দক্ষ কৃষি শ্রমিক পাঠানোর মাধ্যমে কৃষিকে রপ্তানিমুখী করার পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়েছে।
জনস্বাস্থ্য ও ভোক্তা অধিকার রক্ষায় এবারের ইশতেহারে কঠোর অবস্থানের কথা জানানো হয়েছে। হোটেল-রেস্তোরাঁর রান্নাঘরে সিসিটিভি ক্যামেরা বাধ্যতামূলক করা এবং খাদ্যে ভেজালকারীদের লাইসেন্স বাতিলসহ ফৌজদারি মামলার বিধান রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।
খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিতে একটি স্বতন্ত্র তদারকি সংস্থা গঠনের ঘোষণা দিয়ে ইশতেহারে বলা হয়, ‘ফুড অ্যান্ড ড্রাগ রেগুলেটরি অথরিটি’ গঠন করে খাদ্য এবং পানীয়তে ভেজাল, নিম্নমানের ওষুধ ও চিকিৎসা প্রতারণার বিরুদ্ধে কঠোর রাষ্ট্রীয় নজরদারি এবং যুদ্ধ ঘোষণা করা হবে।
বাজার সিন্ডিকেট ও মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ‘স্বয়ংক্রিয় স্থিতিকরণ নীতি’ প্রয়োগের বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে। ইশতেহার অনুযায়ী, ‘বাজারে অস্থিরতা দেখা দিলে ওএমএস ও টিসিবির কার্যক্রম তাৎক্ষণিকভাবে বৃদ্ধি করা হবে।’
এছাড়া খাদ্য বিতরণে স্বচ্ছতা আনতে ব্লকচেইন প্রযুক্তি ও জিপিএস ট্র্যাকিং ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে বড় ধরনের সংস্কারের আভাস দিয়েছে জামায়াত। হাওর অঞ্চলের ইজারা প্রথা বাতিলের কথা জানিয়েছে দলটি। জীববৈচিত্র্য রক্ষার ক্ষেত্রে বলা হয়েছে, ‘হাওরের বর্তমান সরকারি লিজ প্রথা বাতিল করে সেগুলোকে অভয়ারণ্য ও সংরক্ষণ করা হবে।’
পাশাপাশি খামারিদের ঝুঁকি কমাতে ‘প্রাণীবীমা’ চালু এবং পশুখাদ্যের দাম কমানোর উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে ইশতেহারে। ইলিশ ও দেশীয় মাছের প্রজনন রক্ষায় হালদা নদী ও হাওরগুলোকে অভয়ারণ্য ঘোষণা এবং প্রজনন মৌসুমে মাছ ধরা নিষিদ্ধ রাখার কঠোর বিধান রাখা হয়েছে।

গণভোট নিয়ে কোনো ধরনের 'ভাওতাবাজি' করা হলে দেশের জনগণ তার উপযুক্ত জবাব দেবে বলে সতর্ক করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। শনিবার (১৮ জুলাই) বরিশালের হেমায়েত উদ্দিন কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে ১১ দলীয় জোটের বিভাগীয় সমাবেশে এ কথা বলেন তিনি।
২১ ঘণ্টা আগে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে তিনজনকে মারধর, মোটরসাইকেল আটকে রেখে ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদলের কর্মীদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় শুক্রবার (১৭ জুলাই) শাহবাগ থানায় আটজনের নামে এবং অজ্ঞাতপরিচয়ের অন্তত ২০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী।
১ দিন আগে
বরিশালে ১১ দলীয় জোটের বিভাগীয় সমাবেশে নাহিদ ইসলাম বলেছেন, গণভোটের রায় কার্যকর না করলে আমরা আগামীতে কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হব। সেই কারণে প্রথমে বিভাগীয় সমাবেশ করছি, এরপর জেলায় জেলায় সমাবেশ হবে। পর্যায়ক্রমে হরতালের মতো কঠোর কর্মসূচি আসবে। এমনকি সংবিধান সংশোধন নয়, নতুন সংবিধানের প্রস্তাবও উঠবে।
১৮ জুলাই ২০২৬
সরকার জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনার সঙ্গে বেঈমানি করেছে বলে অভিযোগ বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরানের। তিনি বলেন, ক্ষমতায় যাওয়ার স্বার্থে জুলাই সনদে সই করলেও এখন তা বাস্তবায়নে অস্বীকৃতি জানাচ্ছে বিএনপি।
১৭ জুলাই ২০২৬