হিগস বোসন বা ‘ঈশ্বর কণা’ নামের পেছনে যে একজন বাঙালি বিজ্ঞানীর গল্প আছে, তা অনেকেই জানেন না। তাঁর নাম সত্যেন্দ্রনাথ বসু। আজ ৪ ফেব্রুয়ারি এই বিজ্ঞানীর মৃত্যুদিন। তাঁর অবদান স্বীকার করে লিখেছিলেন স্বয়ং বিজ্ঞানী আইনস্টাইন। সত্যেন্দ্রনাথ বসুর আবিষ্কারেই বিশ্বজয় বিজ্ঞানীদের, কিন্তু তারপরও সত্যেন বসু নোবেল পুরষ্কার পাননি। কিন্তু কেন?
স্ট্রিম ডেস্ক

১৮৯৪ সালের ১ জানুয়ারি উত্তর কলকাতার গোয়াবাগান অঞ্চলে জন্মগ্রহণ করেন সত্যেন্দ্রনাথ বসু। কথিত আছে, ছোটবেলা থেকে তিনি এতটাই মেধাবী ছিলেন যে একবার গণিত পরীক্ষায় তাঁকে ১০০ নম্বরের মধ্যে ১১০ দেওয়া হয়েছিল! এই ঘটনায় বিস্মিত প্রধান শিক্ষককে গণিতের শিক্ষক উপেন্দ্র বকশী নাকি বলেছিলেন, সত্যেন সমস্যার সম্ভাব্য সব সমাধানও বের করেছে!
সত্যেন্দ্রনাথ বসু প্রেসিডেন্সি কলেজে মেঘনাদ সাহার সহপাঠী এবং আচার্য জগদীশ চন্দ্র বসু ও আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়ের ছাত্র ছিলেন। ১৯১৫ সালে মিশ্র গণিতে এমএসসি পরীক্ষায় তিনি রেকর্ড নম্বর পেয়ে প্রথম হন। সেই রেকর্ড আজও কেউ ভাঙতে পারেনি।
১৯২৪ সালের কথা। সত্যেন্দ্রনাথ বসু তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে পড়াতেন। একদিন ক্লাসে তিনি ছাত্রদের কোয়ান্টাম তত্ত্ব আর প্ল্যাঙ্কের বিকিরণ সূত্র বোঝাচ্ছিলেন। বোঝাতে গিয়ে তিনি দেখাতে চেয়েছিলেন, চিরাচরিত বা ক্লাসিক্যাল পদার্থবিজ্ঞানের নিয়ম দিয়ে এই সূত্রটি ঠিকভাবে প্রমাণ করা যায় না।
এই কথা বোঝাতে গিয়ে তিনি বোর্ডে একটি অঙ্ক করছিলেন। অঙ্ক করতে গিয়ে তিনি পরিসংখ্যানের নিয়মে একটি বড় ‘ভুল’ করে ফেলেন। সাধারণভাবে ধরে নেওয়া হয়, কণাগুলো আলাদা আলাদা—যেমন দুটি মুদ্রা ছুড়লে তাদের ফল ভিন্ন হতে পারে। কিন্তু তিনি হিসাব করার সময় কণাগুলোকে আলাদা না ধরে, একরকম বা অভিন্ন হিসেবে ধরে নেন। অদ্ভুত ব্যাপার হলো, এই ‘ভুল’ হিসাবেই পাওয়া ফল প্ল্যাঙ্কের সূত্রের সঙ্গে একেবারে মিলে গেল।

সত্যেন্দ্রনাথ বসু তখন বুঝতে পারলেন, এটা আসলে ভুল নয়। বরং অতি ক্ষুদ্র কণাগুলো আমাদের চারপাশের সাধারণ বস্তুগুলোর মতো আচরণ করে না। তাদের জন্য পরিসংখ্যানের নিয়মও আলাদা। এই উপলব্ধি থেকেই জন্ম নেয় পদার্থবিজ্ঞানের একটি নতুন ধারণা, যা আজ ‘বোস-আইনস্টাইন স্ট্যাটিসটিক্স’ নামে পরিচিত।
এই যুগান্তকারী আবিষ্কারের কথা তিনি প্রথমে নিবন্ধ আকারে লিখে লন্ডনের বিখ্যাত সায়েন্স জার্নালে পাঠান। কিন্ত তাঁরা সেটিকে ভুল মনে করে ছাপাতে রাজি হয়নি। দমে না গিয়ে সত্যেন্দ্রনাথ বসু সেই পেপারটি সরাসরি পাঠিয়ে দেন বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইনের কাছে। সঙ্গে একটি পাঠিয়ে দেন একটি চিঠি।
সেখানে লেখা ছিল, ‘আমি সাহস করে আপনার মতামতের জন্য এর সঙ্গে একটি নিবন্ধ পাঠাচ্ছি। এ বিষয়ে আমি আপনার মতামত জানতে আগ্রহী। আপনি দেখবেন, আমি এই নিবন্ধে প্ল্যাঙ্কের সমীকরণটি বের করেছি ধ্রুপদি ইলেকট্রোডায়নামিকস ছাড়াই…’
আইনস্টাইন গবেষণাপত্রটি পড়ে খুবই মুগ্ধ হন। তিনি বুঝতে পারেন, এই বাঙালি বিজ্ঞানী এমন এক সমস্যার সমাধান করেছেন, যা নিয়ে তিনি নিজেও দীর্ঘদিন ধরে ভাবছিলেন। আইনস্টাইন নিজেই লেখাটি জার্মান ভাষায় অনুবাদ করেন এবং বিখ্যাত ‘সাইটস্রিফট ফুর ফিজিক’ জার্নালে প্রকাশের ব্যবস্থা করেন। শুধু তাই নয়, লেখাটির সঙ্গে তিনি নিজের একটি মন্তব্যও যোগ করেন। যাতে বলা হয়, ‘লেখকের এই কাজ আইনস্টাইন এগিয়ে যাওয়ার পথে খুবই গুরত্বপূর্ণ বলে মনে করেন। লেখকের পদ্ধতিতে আদর্শ গ্যাসের কোয়ান্টাম তত্ত্বের ধারণাটিকেও পোক্ত করা যায় যা কি না, আইনস্টাইন চিন্তা করেছেন।’
আইনস্টাইনের প্রশংসা-সংবলিত পোস্টকার্ডটি ঢাকায় এসে পৌঁছাতে বেশ সময় লেগে যায় বেশকিছুদিন। সত্যেন্দ্রনাথ বসু পোস্টকার্ডটি হাতে নিয়ে আনন্দিত হন, যদিও তখনো তিনি জানতেন না, বিজ্ঞানের ইতিহাসে তিনি অমর হতে চলেছেন।

আইনস্টাইন সত্যেন বসুর পদ্ধতিতে আরও কাজ করেন এবং এর মাধ্যমে সূচিত হয় কোয়ান্টাম পরিসংখ্যানের। বসু আর আইনস্টাইনের উদ্ভাবিত কণা গণনার পদ্ধতির নামকরণ হয় ‘বোস-আইনস্টাইন সংখ্যায়ন’। ১৯৩০–এর দশকে বিজ্ঞানী পল ডিরাক এসব বস্তুকণার জন্য একটি সাধারণ নাম খোঁজেন এবং এই সংখ্যায়নের প্রধান ব্যক্তির নামে সেগুলোর নাম দেন বোসন—বোসন কণা। আমাদের সত্যেন্দ্রনাথ বসুর নামে। বাংলায় আমরা বসুকণাও বলতে পারি।
পদার্থবিজ্ঞানে তাঁর অবদানের ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী সময়ে একাধিক বিজ্ঞানী নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, যাঁর নামে এই তত্ত্ব, সেই সত্যেন্দ্রনাথ বসুকে কখনো নোবেল দেওয়া হয়নি। যদিও নোবেল নমিনেশন আর্কাইভে দেখা যাচ্ছে তিনি মোট ৭ বার মনোনয়ন পেয়েছেন। ১৯৫৬, ১৯৫৯, ১৯৬২ (দুই জন মনোনয়নকারী), ১৯৬২, ১৯৬৮, ১৯৬৯ ও ১৯৭০ সালে।
সত্যেন্দ্রনাথ বসু কেন নোবেল পেলেন না— এর নির্দিষ্ট কারণ আজও পরিষ্কার নয়। অনেকে মনে করেন, ১৯২৪ সালে তাঁর আবিষ্কারটি ছিল গাণিতিক তত্ত্ব, সেটির কোনো ব্যাবহারিক প্রমাণ তখন ছিল না। আবার অনেকে মনে করেন, সেই সময়ে নোবেল কমিটির পশ্চিমা বা ইউরোপীয় ঘেরাটোপের বাইরে গিয়ে একজন ভারতীয় বিজ্ঞানীর কাজকে মূল্যায়ন করার মানসিকতা ছিল না। তবে সত্যেন্দ্রনাথ বসু নিজে এ নিয়ে কখনো আক্ষেপ করেননি। এটিই হয়ত মহান বিজ্ঞানীর মহত্ত্ব, বিজ্ঞানের মহত্ত্ব।
নোবেল না পেলেও বিজ্ঞান তাঁকে দিয়েছে অমরত্ব। ১৯৭৪ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি কলকাতায় এই বিজ্ঞানী মারা যান। আজ মহাবিশ্বের মৌলিক কণাগুলো মূলত দুই শ্রেণির—ফার্মিওন ও বোসন। যতদিন এই মহাবিশ্বে বিজ্ঞানচর্চা থাকবে, ততদিন বাঙালির গর্ব সত্যেন্দ্রনাথ বসু ‘বোসন’ কণার মাঝেই বেঁচে থাকবেন।

১৮৯৪ সালের ১ জানুয়ারি উত্তর কলকাতার গোয়াবাগান অঞ্চলে জন্মগ্রহণ করেন সত্যেন্দ্রনাথ বসু। কথিত আছে, ছোটবেলা থেকে তিনি এতটাই মেধাবী ছিলেন যে একবার গণিত পরীক্ষায় তাঁকে ১০০ নম্বরের মধ্যে ১১০ দেওয়া হয়েছিল! এই ঘটনায় বিস্মিত প্রধান শিক্ষককে গণিতের শিক্ষক উপেন্দ্র বকশী নাকি বলেছিলেন, সত্যেন সমস্যার সম্ভাব্য সব সমাধানও বের করেছে!
সত্যেন্দ্রনাথ বসু প্রেসিডেন্সি কলেজে মেঘনাদ সাহার সহপাঠী এবং আচার্য জগদীশ চন্দ্র বসু ও আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়ের ছাত্র ছিলেন। ১৯১৫ সালে মিশ্র গণিতে এমএসসি পরীক্ষায় তিনি রেকর্ড নম্বর পেয়ে প্রথম হন। সেই রেকর্ড আজও কেউ ভাঙতে পারেনি।
১৯২৪ সালের কথা। সত্যেন্দ্রনাথ বসু তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে পড়াতেন। একদিন ক্লাসে তিনি ছাত্রদের কোয়ান্টাম তত্ত্ব আর প্ল্যাঙ্কের বিকিরণ সূত্র বোঝাচ্ছিলেন। বোঝাতে গিয়ে তিনি দেখাতে চেয়েছিলেন, চিরাচরিত বা ক্লাসিক্যাল পদার্থবিজ্ঞানের নিয়ম দিয়ে এই সূত্রটি ঠিকভাবে প্রমাণ করা যায় না।
এই কথা বোঝাতে গিয়ে তিনি বোর্ডে একটি অঙ্ক করছিলেন। অঙ্ক করতে গিয়ে তিনি পরিসংখ্যানের নিয়মে একটি বড় ‘ভুল’ করে ফেলেন। সাধারণভাবে ধরে নেওয়া হয়, কণাগুলো আলাদা আলাদা—যেমন দুটি মুদ্রা ছুড়লে তাদের ফল ভিন্ন হতে পারে। কিন্তু তিনি হিসাব করার সময় কণাগুলোকে আলাদা না ধরে, একরকম বা অভিন্ন হিসেবে ধরে নেন। অদ্ভুত ব্যাপার হলো, এই ‘ভুল’ হিসাবেই পাওয়া ফল প্ল্যাঙ্কের সূত্রের সঙ্গে একেবারে মিলে গেল।

সত্যেন্দ্রনাথ বসু তখন বুঝতে পারলেন, এটা আসলে ভুল নয়। বরং অতি ক্ষুদ্র কণাগুলো আমাদের চারপাশের সাধারণ বস্তুগুলোর মতো আচরণ করে না। তাদের জন্য পরিসংখ্যানের নিয়মও আলাদা। এই উপলব্ধি থেকেই জন্ম নেয় পদার্থবিজ্ঞানের একটি নতুন ধারণা, যা আজ ‘বোস-আইনস্টাইন স্ট্যাটিসটিক্স’ নামে পরিচিত।
এই যুগান্তকারী আবিষ্কারের কথা তিনি প্রথমে নিবন্ধ আকারে লিখে লন্ডনের বিখ্যাত সায়েন্স জার্নালে পাঠান। কিন্ত তাঁরা সেটিকে ভুল মনে করে ছাপাতে রাজি হয়নি। দমে না গিয়ে সত্যেন্দ্রনাথ বসু সেই পেপারটি সরাসরি পাঠিয়ে দেন বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইনের কাছে। সঙ্গে একটি পাঠিয়ে দেন একটি চিঠি।
সেখানে লেখা ছিল, ‘আমি সাহস করে আপনার মতামতের জন্য এর সঙ্গে একটি নিবন্ধ পাঠাচ্ছি। এ বিষয়ে আমি আপনার মতামত জানতে আগ্রহী। আপনি দেখবেন, আমি এই নিবন্ধে প্ল্যাঙ্কের সমীকরণটি বের করেছি ধ্রুপদি ইলেকট্রোডায়নামিকস ছাড়াই…’
আইনস্টাইন গবেষণাপত্রটি পড়ে খুবই মুগ্ধ হন। তিনি বুঝতে পারেন, এই বাঙালি বিজ্ঞানী এমন এক সমস্যার সমাধান করেছেন, যা নিয়ে তিনি নিজেও দীর্ঘদিন ধরে ভাবছিলেন। আইনস্টাইন নিজেই লেখাটি জার্মান ভাষায় অনুবাদ করেন এবং বিখ্যাত ‘সাইটস্রিফট ফুর ফিজিক’ জার্নালে প্রকাশের ব্যবস্থা করেন। শুধু তাই নয়, লেখাটির সঙ্গে তিনি নিজের একটি মন্তব্যও যোগ করেন। যাতে বলা হয়, ‘লেখকের এই কাজ আইনস্টাইন এগিয়ে যাওয়ার পথে খুবই গুরত্বপূর্ণ বলে মনে করেন। লেখকের পদ্ধতিতে আদর্শ গ্যাসের কোয়ান্টাম তত্ত্বের ধারণাটিকেও পোক্ত করা যায় যা কি না, আইনস্টাইন চিন্তা করেছেন।’
আইনস্টাইনের প্রশংসা-সংবলিত পোস্টকার্ডটি ঢাকায় এসে পৌঁছাতে বেশ সময় লেগে যায় বেশকিছুদিন। সত্যেন্দ্রনাথ বসু পোস্টকার্ডটি হাতে নিয়ে আনন্দিত হন, যদিও তখনো তিনি জানতেন না, বিজ্ঞানের ইতিহাসে তিনি অমর হতে চলেছেন।

আইনস্টাইন সত্যেন বসুর পদ্ধতিতে আরও কাজ করেন এবং এর মাধ্যমে সূচিত হয় কোয়ান্টাম পরিসংখ্যানের। বসু আর আইনস্টাইনের উদ্ভাবিত কণা গণনার পদ্ধতির নামকরণ হয় ‘বোস-আইনস্টাইন সংখ্যায়ন’। ১৯৩০–এর দশকে বিজ্ঞানী পল ডিরাক এসব বস্তুকণার জন্য একটি সাধারণ নাম খোঁজেন এবং এই সংখ্যায়নের প্রধান ব্যক্তির নামে সেগুলোর নাম দেন বোসন—বোসন কণা। আমাদের সত্যেন্দ্রনাথ বসুর নামে। বাংলায় আমরা বসুকণাও বলতে পারি।
পদার্থবিজ্ঞানে তাঁর অবদানের ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী সময়ে একাধিক বিজ্ঞানী নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, যাঁর নামে এই তত্ত্ব, সেই সত্যেন্দ্রনাথ বসুকে কখনো নোবেল দেওয়া হয়নি। যদিও নোবেল নমিনেশন আর্কাইভে দেখা যাচ্ছে তিনি মোট ৭ বার মনোনয়ন পেয়েছেন। ১৯৫৬, ১৯৫৯, ১৯৬২ (দুই জন মনোনয়নকারী), ১৯৬২, ১৯৬৮, ১৯৬৯ ও ১৯৭০ সালে।
সত্যেন্দ্রনাথ বসু কেন নোবেল পেলেন না— এর নির্দিষ্ট কারণ আজও পরিষ্কার নয়। অনেকে মনে করেন, ১৯২৪ সালে তাঁর আবিষ্কারটি ছিল গাণিতিক তত্ত্ব, সেটির কোনো ব্যাবহারিক প্রমাণ তখন ছিল না। আবার অনেকে মনে করেন, সেই সময়ে নোবেল কমিটির পশ্চিমা বা ইউরোপীয় ঘেরাটোপের বাইরে গিয়ে একজন ভারতীয় বিজ্ঞানীর কাজকে মূল্যায়ন করার মানসিকতা ছিল না। তবে সত্যেন্দ্রনাথ বসু নিজে এ নিয়ে কখনো আক্ষেপ করেননি। এটিই হয়ত মহান বিজ্ঞানীর মহত্ত্ব, বিজ্ঞানের মহত্ত্ব।
নোবেল না পেলেও বিজ্ঞান তাঁকে দিয়েছে অমরত্ব। ১৯৭৪ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি কলকাতায় এই বিজ্ঞানী মারা যান। আজ মহাবিশ্বের মৌলিক কণাগুলো মূলত দুই শ্রেণির—ফার্মিওন ও বোসন। যতদিন এই মহাবিশ্বে বিজ্ঞানচর্চা থাকবে, ততদিন বাঙালির গর্ব সত্যেন্দ্রনাথ বসু ‘বোসন’ কণার মাঝেই বেঁচে থাকবেন।

আজ থেকে ২২ বছর আগে ফেসবুকের যাত্রা শুরু হয়েছিল। হার্ভার্ডের একটি ডরমরুমে শুরু হওয়া সেই ছোট উদ্যোগ কীভাবে ধীরে ধীরে বদলে দিল যোগাযোগের ভাষা। আর কেন আজও সোশ্যাল মিডিয়ার দুনিয়ায় ফেসবুক সবচেয়ে প্রভাবশালী? ফেসবুকের জন্ম, উত্থান ও সাফল্যের সেই গল্পই আজকের আয়োজন।
১ ঘণ্টা আগে
ভূ-পর্যটক তারেক অণুর ধারাবাহিক ভ্রমণ-কাহিনি ‘আমেরিকায় প্রবেশ নিষেধ’-এর চতুর্থ পর্ব প্রকাশিত হলো আজ। প্রতি বুধবার চোখ রাখুন বাংলা স্ট্রিমের ফিচার পাতায়।
৮ ঘণ্টা আগে
জঙ্গলে পথ হারিয়ে গেলে হাঁটতে থাকুন, কিছু না কিছু তো পাবেনই। না খেয়ে কয়েক সপ্তাহ বাঁচা যায়, তাই ক্ষুধা কোনো বড় বিষয় নয়। বন্যপ্রাণী আক্রমণ করলে মড়ার মতো পড়ে থাকুন। তাড়াতাড়ি সাহায্য না এলে ধরে নিতে হবে কেউ আসবে না।
১ দিন আগে
নির্বাচন এলেই চারদিকে প্রতিশ্রুতির বন্যা বইতে শুরু করে। অনেক ভোটারের মনে এসবে আশার আলো জাগে। কিন্তু বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এমন রাজনীতিবিদও আছেন, যারা আলোচনায় থাকতে বা ভোটারদের চমকে দিতে দিয়েছেন একেবারেই অদ্ভুত সব নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি।
১ দিন আগে