স্ট্রিম ডেস্ক

১৮৯৪ সালের ১ জানুয়ারি উত্তর কলকাতার গোয়াবাগান অঞ্চলে জন্মগ্রহণ করেন সত্যেন্দ্রনাথ বসু। কথিত আছে, ছোটবেলা থেকে তিনি এতটাই মেধাবী ছিলেন যে একবার গণিত পরীক্ষায় তাঁকে ১০০ নম্বরের মধ্যে ১১০ দেওয়া হয়েছিল! এই ঘটনায় বিস্মিত প্রধান শিক্ষককে গণিতের শিক্ষক উপেন্দ্র বকশী নাকি বলেছিলেন, সত্যেন সমস্যার সম্ভাব্য সব সমাধানও বের করেছে!
সত্যেন্দ্রনাথ বসু প্রেসিডেন্সি কলেজে মেঘনাদ সাহার সহপাঠী এবং আচার্য জগদীশ চন্দ্র বসু ও আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়ের ছাত্র ছিলেন। ১৯১৫ সালে মিশ্র গণিতে এমএসসি পরীক্ষায় তিনি রেকর্ড নম্বর পেয়ে প্রথম হন। সেই রেকর্ড আজও কেউ ভাঙতে পারেনি।
১৯২৪ সালের কথা। সত্যেন্দ্রনাথ বসু তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে পড়াতেন। একদিন ক্লাসে তিনি ছাত্রদের কোয়ান্টাম তত্ত্ব আর প্ল্যাঙ্কের বিকিরণ সূত্র বোঝাচ্ছিলেন। বোঝাতে গিয়ে তিনি দেখাতে চেয়েছিলেন, চিরাচরিত বা ক্লাসিক্যাল পদার্থবিজ্ঞানের নিয়ম দিয়ে এই সূত্রটি ঠিকভাবে প্রমাণ করা যায় না।
এই কথা বোঝাতে গিয়ে তিনি বোর্ডে একটি অঙ্ক করছিলেন। অঙ্ক করতে গিয়ে তিনি পরিসংখ্যানের নিয়মে একটি বড় ‘ভুল’ করে ফেলেন। সাধারণভাবে ধরে নেওয়া হয়, কণাগুলো আলাদা আলাদা—যেমন দুটি মুদ্রা ছুড়লে তাদের ফল ভিন্ন হতে পারে। কিন্তু তিনি হিসাব করার সময় কণাগুলোকে আলাদা না ধরে, একরকম বা অভিন্ন হিসেবে ধরে নেন। অদ্ভুত ব্যাপার হলো, এই ‘ভুল’ হিসাবেই পাওয়া ফল প্ল্যাঙ্কের সূত্রের সঙ্গে একেবারে মিলে গেল।

সত্যেন্দ্রনাথ বসু তখন বুঝতে পারলেন, এটা আসলে ভুল নয়। বরং অতি ক্ষুদ্র কণাগুলো আমাদের চারপাশের সাধারণ বস্তুগুলোর মতো আচরণ করে না। তাদের জন্য পরিসংখ্যানের নিয়মও আলাদা। এই উপলব্ধি থেকেই জন্ম নেয় পদার্থবিজ্ঞানের একটি নতুন ধারণা, যা আজ ‘বোস-আইনস্টাইন স্ট্যাটিসটিক্স’ নামে পরিচিত।
এই যুগান্তকারী আবিষ্কারের কথা তিনি প্রথমে নিবন্ধ আকারে লিখে লন্ডনের বিখ্যাত সায়েন্স জার্নালে পাঠান। কিন্ত তাঁরা সেটিকে ভুল মনে করে ছাপাতে রাজি হয়নি। দমে না গিয়ে সত্যেন্দ্রনাথ বসু সেই পেপারটি সরাসরি পাঠিয়ে দেন বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইনের কাছে। সঙ্গে একটি পাঠিয়ে দেন একটি চিঠি।
সেখানে লেখা ছিল, ‘আমি সাহস করে আপনার মতামতের জন্য এর সঙ্গে একটি নিবন্ধ পাঠাচ্ছি। এ বিষয়ে আমি আপনার মতামত জানতে আগ্রহী। আপনি দেখবেন, আমি এই নিবন্ধে প্ল্যাঙ্কের সমীকরণটি বের করেছি ধ্রুপদি ইলেকট্রোডায়নামিকস ছাড়াই…’
আইনস্টাইন গবেষণাপত্রটি পড়ে খুবই মুগ্ধ হন। তিনি বুঝতে পারেন, এই বাঙালি বিজ্ঞানী এমন এক সমস্যার সমাধান করেছেন, যা নিয়ে তিনি নিজেও দীর্ঘদিন ধরে ভাবছিলেন। আইনস্টাইন নিজেই লেখাটি জার্মান ভাষায় অনুবাদ করেন এবং বিখ্যাত ‘সাইটস্রিফট ফুর ফিজিক’ জার্নালে প্রকাশের ব্যবস্থা করেন। শুধু তাই নয়, লেখাটির সঙ্গে তিনি নিজের একটি মন্তব্যও যোগ করেন। যাতে বলা হয়, ‘লেখকের এই কাজ আইনস্টাইন এগিয়ে যাওয়ার পথে খুবই গুরত্বপূর্ণ বলে মনে করেন। লেখকের পদ্ধতিতে আদর্শ গ্যাসের কোয়ান্টাম তত্ত্বের ধারণাটিকেও পোক্ত করা যায় যা কি না, আইনস্টাইন চিন্তা করেছেন।’
আইনস্টাইনের প্রশংসা-সংবলিত পোস্টকার্ডটি ঢাকায় এসে পৌঁছাতে বেশ সময় লেগে যায় বেশকিছুদিন। সত্যেন্দ্রনাথ বসু পোস্টকার্ডটি হাতে নিয়ে আনন্দিত হন, যদিও তখনো তিনি জানতেন না, বিজ্ঞানের ইতিহাসে তিনি অমর হতে চলেছেন।

আইনস্টাইন সত্যেন বসুর পদ্ধতিতে আরও কাজ করেন এবং এর মাধ্যমে সূচিত হয় কোয়ান্টাম পরিসংখ্যানের। বসু আর আইনস্টাইনের উদ্ভাবিত কণা গণনার পদ্ধতির নামকরণ হয় ‘বোস-আইনস্টাইন সংখ্যায়ন’। ১৯৩০–এর দশকে বিজ্ঞানী পল ডিরাক এসব বস্তুকণার জন্য একটি সাধারণ নাম খোঁজেন এবং এই সংখ্যায়নের প্রধান ব্যক্তির নামে সেগুলোর নাম দেন বোসন—বোসন কণা। আমাদের সত্যেন্দ্রনাথ বসুর নামে। বাংলায় আমরা বসুকণাও বলতে পারি।
পদার্থবিজ্ঞানে তাঁর অবদানের ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী সময়ে একাধিক বিজ্ঞানী নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, যাঁর নামে এই তত্ত্ব, সেই সত্যেন্দ্রনাথ বসুকে কখনো নোবেল দেওয়া হয়নি। যদিও নোবেল নমিনেশন আর্কাইভে দেখা যাচ্ছে তিনি মোট ৭ বার মনোনয়ন পেয়েছেন। ১৯৫৬, ১৯৫৯, ১৯৬২ (দুই জন মনোনয়নকারী), ১৯৬২, ১৯৬৮, ১৯৬৯ ও ১৯৭০ সালে।
সত্যেন্দ্রনাথ বসু কেন নোবেল পেলেন না— এর নির্দিষ্ট কারণ আজও পরিষ্কার নয়। অনেকে মনে করেন, ১৯২৪ সালে তাঁর আবিষ্কারটি ছিল গাণিতিক তত্ত্ব, সেটির কোনো ব্যাবহারিক প্রমাণ তখন ছিল না। আবার অনেকে মনে করেন, সেই সময়ে নোবেল কমিটির পশ্চিমা বা ইউরোপীয় ঘেরাটোপের বাইরে গিয়ে একজন ভারতীয় বিজ্ঞানীর কাজকে মূল্যায়ন করার মানসিকতা ছিল না। তবে সত্যেন্দ্রনাথ বসু নিজে এ নিয়ে কখনো আক্ষেপ করেননি। এটিই হয়ত মহান বিজ্ঞানীর মহত্ত্ব, বিজ্ঞানের মহত্ত্ব।
নোবেল না পেলেও বিজ্ঞান তাঁকে দিয়েছে অমরত্ব। ১৯৭৪ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি কলকাতায় এই বিজ্ঞানী মারা যান। আজ মহাবিশ্বের মৌলিক কণাগুলো মূলত দুই শ্রেণির—ফার্মিওন ও বোসন। যতদিন এই মহাবিশ্বে বিজ্ঞানচর্চা থাকবে, ততদিন বাঙালির গর্ব সত্যেন্দ্রনাথ বসু ‘বোসন’ কণার মাঝেই বেঁচে থাকবেন।

১৮৯৪ সালের ১ জানুয়ারি উত্তর কলকাতার গোয়াবাগান অঞ্চলে জন্মগ্রহণ করেন সত্যেন্দ্রনাথ বসু। কথিত আছে, ছোটবেলা থেকে তিনি এতটাই মেধাবী ছিলেন যে একবার গণিত পরীক্ষায় তাঁকে ১০০ নম্বরের মধ্যে ১১০ দেওয়া হয়েছিল! এই ঘটনায় বিস্মিত প্রধান শিক্ষককে গণিতের শিক্ষক উপেন্দ্র বকশী নাকি বলেছিলেন, সত্যেন সমস্যার সম্ভাব্য সব সমাধানও বের করেছে!
সত্যেন্দ্রনাথ বসু প্রেসিডেন্সি কলেজে মেঘনাদ সাহার সহপাঠী এবং আচার্য জগদীশ চন্দ্র বসু ও আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়ের ছাত্র ছিলেন। ১৯১৫ সালে মিশ্র গণিতে এমএসসি পরীক্ষায় তিনি রেকর্ড নম্বর পেয়ে প্রথম হন। সেই রেকর্ড আজও কেউ ভাঙতে পারেনি।
১৯২৪ সালের কথা। সত্যেন্দ্রনাথ বসু তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে পড়াতেন। একদিন ক্লাসে তিনি ছাত্রদের কোয়ান্টাম তত্ত্ব আর প্ল্যাঙ্কের বিকিরণ সূত্র বোঝাচ্ছিলেন। বোঝাতে গিয়ে তিনি দেখাতে চেয়েছিলেন, চিরাচরিত বা ক্লাসিক্যাল পদার্থবিজ্ঞানের নিয়ম দিয়ে এই সূত্রটি ঠিকভাবে প্রমাণ করা যায় না।
এই কথা বোঝাতে গিয়ে তিনি বোর্ডে একটি অঙ্ক করছিলেন। অঙ্ক করতে গিয়ে তিনি পরিসংখ্যানের নিয়মে একটি বড় ‘ভুল’ করে ফেলেন। সাধারণভাবে ধরে নেওয়া হয়, কণাগুলো আলাদা আলাদা—যেমন দুটি মুদ্রা ছুড়লে তাদের ফল ভিন্ন হতে পারে। কিন্তু তিনি হিসাব করার সময় কণাগুলোকে আলাদা না ধরে, একরকম বা অভিন্ন হিসেবে ধরে নেন। অদ্ভুত ব্যাপার হলো, এই ‘ভুল’ হিসাবেই পাওয়া ফল প্ল্যাঙ্কের সূত্রের সঙ্গে একেবারে মিলে গেল।

সত্যেন্দ্রনাথ বসু তখন বুঝতে পারলেন, এটা আসলে ভুল নয়। বরং অতি ক্ষুদ্র কণাগুলো আমাদের চারপাশের সাধারণ বস্তুগুলোর মতো আচরণ করে না। তাদের জন্য পরিসংখ্যানের নিয়মও আলাদা। এই উপলব্ধি থেকেই জন্ম নেয় পদার্থবিজ্ঞানের একটি নতুন ধারণা, যা আজ ‘বোস-আইনস্টাইন স্ট্যাটিসটিক্স’ নামে পরিচিত।
এই যুগান্তকারী আবিষ্কারের কথা তিনি প্রথমে নিবন্ধ আকারে লিখে লন্ডনের বিখ্যাত সায়েন্স জার্নালে পাঠান। কিন্ত তাঁরা সেটিকে ভুল মনে করে ছাপাতে রাজি হয়নি। দমে না গিয়ে সত্যেন্দ্রনাথ বসু সেই পেপারটি সরাসরি পাঠিয়ে দেন বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইনের কাছে। সঙ্গে একটি পাঠিয়ে দেন একটি চিঠি।
সেখানে লেখা ছিল, ‘আমি সাহস করে আপনার মতামতের জন্য এর সঙ্গে একটি নিবন্ধ পাঠাচ্ছি। এ বিষয়ে আমি আপনার মতামত জানতে আগ্রহী। আপনি দেখবেন, আমি এই নিবন্ধে প্ল্যাঙ্কের সমীকরণটি বের করেছি ধ্রুপদি ইলেকট্রোডায়নামিকস ছাড়াই…’
আইনস্টাইন গবেষণাপত্রটি পড়ে খুবই মুগ্ধ হন। তিনি বুঝতে পারেন, এই বাঙালি বিজ্ঞানী এমন এক সমস্যার সমাধান করেছেন, যা নিয়ে তিনি নিজেও দীর্ঘদিন ধরে ভাবছিলেন। আইনস্টাইন নিজেই লেখাটি জার্মান ভাষায় অনুবাদ করেন এবং বিখ্যাত ‘সাইটস্রিফট ফুর ফিজিক’ জার্নালে প্রকাশের ব্যবস্থা করেন। শুধু তাই নয়, লেখাটির সঙ্গে তিনি নিজের একটি মন্তব্যও যোগ করেন। যাতে বলা হয়, ‘লেখকের এই কাজ আইনস্টাইন এগিয়ে যাওয়ার পথে খুবই গুরত্বপূর্ণ বলে মনে করেন। লেখকের পদ্ধতিতে আদর্শ গ্যাসের কোয়ান্টাম তত্ত্বের ধারণাটিকেও পোক্ত করা যায় যা কি না, আইনস্টাইন চিন্তা করেছেন।’
আইনস্টাইনের প্রশংসা-সংবলিত পোস্টকার্ডটি ঢাকায় এসে পৌঁছাতে বেশ সময় লেগে যায় বেশকিছুদিন। সত্যেন্দ্রনাথ বসু পোস্টকার্ডটি হাতে নিয়ে আনন্দিত হন, যদিও তখনো তিনি জানতেন না, বিজ্ঞানের ইতিহাসে তিনি অমর হতে চলেছেন।

আইনস্টাইন সত্যেন বসুর পদ্ধতিতে আরও কাজ করেন এবং এর মাধ্যমে সূচিত হয় কোয়ান্টাম পরিসংখ্যানের। বসু আর আইনস্টাইনের উদ্ভাবিত কণা গণনার পদ্ধতির নামকরণ হয় ‘বোস-আইনস্টাইন সংখ্যায়ন’। ১৯৩০–এর দশকে বিজ্ঞানী পল ডিরাক এসব বস্তুকণার জন্য একটি সাধারণ নাম খোঁজেন এবং এই সংখ্যায়নের প্রধান ব্যক্তির নামে সেগুলোর নাম দেন বোসন—বোসন কণা। আমাদের সত্যেন্দ্রনাথ বসুর নামে। বাংলায় আমরা বসুকণাও বলতে পারি।
পদার্থবিজ্ঞানে তাঁর অবদানের ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী সময়ে একাধিক বিজ্ঞানী নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, যাঁর নামে এই তত্ত্ব, সেই সত্যেন্দ্রনাথ বসুকে কখনো নোবেল দেওয়া হয়নি। যদিও নোবেল নমিনেশন আর্কাইভে দেখা যাচ্ছে তিনি মোট ৭ বার মনোনয়ন পেয়েছেন। ১৯৫৬, ১৯৫৯, ১৯৬২ (দুই জন মনোনয়নকারী), ১৯৬২, ১৯৬৮, ১৯৬৯ ও ১৯৭০ সালে।
সত্যেন্দ্রনাথ বসু কেন নোবেল পেলেন না— এর নির্দিষ্ট কারণ আজও পরিষ্কার নয়। অনেকে মনে করেন, ১৯২৪ সালে তাঁর আবিষ্কারটি ছিল গাণিতিক তত্ত্ব, সেটির কোনো ব্যাবহারিক প্রমাণ তখন ছিল না। আবার অনেকে মনে করেন, সেই সময়ে নোবেল কমিটির পশ্চিমা বা ইউরোপীয় ঘেরাটোপের বাইরে গিয়ে একজন ভারতীয় বিজ্ঞানীর কাজকে মূল্যায়ন করার মানসিকতা ছিল না। তবে সত্যেন্দ্রনাথ বসু নিজে এ নিয়ে কখনো আক্ষেপ করেননি। এটিই হয়ত মহান বিজ্ঞানীর মহত্ত্ব, বিজ্ঞানের মহত্ত্ব।
নোবেল না পেলেও বিজ্ঞান তাঁকে দিয়েছে অমরত্ব। ১৯৭৪ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি কলকাতায় এই বিজ্ঞানী মারা যান। আজ মহাবিশ্বের মৌলিক কণাগুলো মূলত দুই শ্রেণির—ফার্মিওন ও বোসন। যতদিন এই মহাবিশ্বে বিজ্ঞানচর্চা থাকবে, ততদিন বাঙালির গর্ব সত্যেন্দ্রনাথ বসু ‘বোসন’ কণার মাঝেই বেঁচে থাকবেন।
.png)

ময়মনসিংহ শহরের ভাটিকাশর কবরস্থান হাজারো মানুষের শেষ ঠিকানার গল্প বলে। আর সেই গল্পের নিত্যদিনের সাক্ষী মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল কাদের লিটন। প্রায় সাড়ে তিন একর জমির এই সরকারি কবরস্থানে দীর্ঘ ১০ বছর ধরে তিনি ইমাম ও রক্ষণাবেক্ষণকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর কাছ থেকেই জানা গেল, কবরস্থানের নীরবতার
১৪ আগস্ট ২০২৬
১৯৯৫ সালে অ্যামাজন প্রথম যে পণ্যটি বিক্রি করেছিল, সেটি ছিল ডগলাস হফস্ট্যাডারের লেখা বই ‘ফ্লুইড কনসেপ্টস অ্যান্ড ক্রিয়েটিভ’। তিন দশক পর সেই অনলাইন বইয়ের দোকানটির বাজারমূল্য ৩ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। ২০২৬ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকে মাত্র তিন মাসেই প্রতিষ্ঠানটি বিক্রি করেছে ২০০ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারের পণ্য
১২ আগস্ট ২০২৬
পৃথিবীর সবচেয়ে পরিচিত বন্য প্রাণীগুলোর একটি সিংহ। ছোটবেলা থেকেই গল্প, সিনেমা আর ছবিতে আমরা তাকে দেখে এসেছি বনের রাজা হিসেবে। তার গর্জন, কেশর আর রাজকীয় উপস্থিতি যেন আলাদা পরিচয় তৈরি করেছে। ‘বনের রাজা’কে বিশ্ব সিংহ দিবসের পরের দিন একটু অন্যভাবে চেনা যাক।
১১ আগস্ট ২০২৬
৫ আগস্ট ২০২৪। সকাল ১১টা। ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে মানুষের ভিড়, মিছিল আর স্লোগান। দেশজুড়ে তখন খুনের বন্যা। যা দেখিনি, তা-ই দেখছি—চোখের সামনে। দলে দলে কোত্থেকে আসছে এত মানুষ? ভেতরে ভেতরে একটা অভ্যুত্থান ঘটে গেছে।
০৫ আগস্ট ২০২৬