এইচআরএসএসের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ১৭ মাসে দেশে মোট ১ হাজার ৪১১টি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। সহিংসতার বড় একটি অংশজুড়ে ছিল রাজনৈতিক দলগুলোর অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও আধিপত্য বিস্তার।
স্ট্রিম প্রতিবেদক

দেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের গত ১৭ মাসে দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি ছিল উদ্বেগজনক। এই সময়ে রাজনৈতিক সহিংসতায় ১৯৫ জন এবং ‘মব ভায়োলেন্স’ বা গণপিটুনির ঘটনায় ২৫৯ জন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকে রাজনৈতিক অঙ্গনে অস্থিরতা ও অভ্যন্তরীণ কোন্দল নতুন মাত্রা পেয়েছে।
বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (এইচআরএসএস) আয়োজিত ‘জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী মানবাধিকার পরিস্থিতি ও প্রাক্-নির্বাচনী সহিংসতা’ শিরোনামে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থাপিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে আসে। প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক ইজাজুল ইসলাম।
এইচআরএসএসের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ১৭ মাসে দেশে মোট ১ হাজার ৪১১টি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। সহিংসতার বড় একটি অংশজুড়ে ছিল রাজনৈতিক দলগুলোর অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও আধিপত্য বিস্তার।
সংস্থার তথ্যমতে, রাজনৈতিক সহিংসতার অর্ধেকেরও বেশি (৫০ শতাংশ) ঘটনা ঘটেছে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে। দলটির অভ্যন্তরীণ ৭০৪টি সংঘাতে ১২১ জন নিহত এবং ৭ হাজার ১৩১ জন আহত হয়েছেন। অন্যদিকে, বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে সংঘর্ষে ৩ জন এবং বিএনপি ও আওয়ামী লীগের সংঘর্ষে ২১ জন নিহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।
সংবাদ সম্মেলনে মানবাধিকারকর্মী নূর খান লিটন জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে দায়ের করা ঢালাও মামলাগুলো নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘সারা দেশে একটি অসাধু গোষ্ঠী তৈরি হয়েছে, যারা জুলাই আন্দোলনের ভিকটিম পরিবারগুলোকে সামনে রেখে নিজেদের স্বার্থে মনগড়া মামলা করছে। এসব মামলায় মূলত ব্যবসায়ী, সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তি ও ভিন্নমতের মানুষদের টার্গেট করা হচ্ছে।’
নুর খান অভিযোগ করেন, এই মামলাগুলোকে কেন্দ্র করে পরবর্তীতে ব্যাপক চাঁদাবাজি ও ‘বাণিজ্য’ চলছে। মামলার অসামঞ্জস্যতা তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, ‘এমনও দেখা গেছে, একই সময়ে দুটি ভিন্ন জায়গায় সংঘটিত ঘটনার মামলায় একই ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে, যা স্পষ্টতই হয়রানিমূলক।’
গত বছরের ১১ ডিসেম্বর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকে ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত নির্বাচনী সহিংসতার চিত্র তুলে ধরা হয় প্রতিবেদনে। এই অল্প সময়ে ১৬২টি সহিংস ঘটনায় অন্তত ৫ জন নিহত এবং ৯৭০ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দলেই নিহত হয়েছেন ৩ জন।
নির্বাচনী সহিংসতায় নিহতদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদি (ঢাকা), স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক মো. নজরুল ইসলাম (ময়মনসিংহ), মিজানুর রহমান (টাঙ্গাইল) এবং মাওলানা রেজাউল করিম (শেরপুর)।
প্রতিবেদনে ‘মব ভায়োলেন্স’ বা গণপিটুনির ঘটনাকে অন্যতম প্রধান উদ্বেগের বিষয় হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। গত ১৭ মাসে ৪১৩টি মব ভায়োলেন্সের ঘটনায় ২৫৯ জন নিহত এবং ৩১৩ জন আহত হয়েছেন। চোর সন্দেহে মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যা থেকে শুরু করে রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় পিটিয়ে হত্যার ঘটনাও ঘটেছে।
সংবাদ সম্মেলনে মানবাধিকারকর্মী নূর খান বলেন, ‘মব ভায়োলেন্স এমন পর্যায়ে গিয়েছিল যে রাষ্ট্রীয় বাহিনীগুলো এ বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে পারেনি। “মব সন্ত্রাস” করে বিভিন্ন অফিস আক্রমণ করা হয়েছে। এই সময়ে কিছু অদৃশ্য শক্তির উপস্থিতি লক্ষ করা গেছে। এর মাধ্যমে গণ-অভ্যুত্থানের যে চরিত্র, সক্রিয়তা ও আদর্শ ছিল, সেটা ম্লান হয়েছে।’
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে ও নির্যাতনে গত ১৭ মাসে ৬০ জন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া কারাগারে মৃত্যু হয়েছে ১২৭ জন আসামির, যার মধ্যে ৪৪ জন কয়েদি। সাবেক শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূনসহ কয়েকজনের মৃত্যু ঘিরে পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ তুলেছে তাঁদের পরিবার।
গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ক্ষেত্রেও চিত্রটি ছিল হতাশাজনক। গত ১৭ মাসে সাংবাদিকদের ওপর ৪২৭টি হামলার ঘটনা ঘটেছে, যাতে ৬ জন সাংবাদিক নিহত এবং ৮৩৪ জন নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হয়েছেন।
এ সময়ে প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারের কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। সাইবার নিরাপত্তা আইন ও সুরক্ষা অধ্যাদেশের আওতায় ৪১টি মামলায় ৬৯ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে, যার অধিকাংশই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টকে কেন্দ্র করে।
প্রতিবেদনের তথ্য অনুসারে, গত ১৭ মাসে ২ হাজার ৬১৭ জন নারী ও শিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এর মধ্যে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ১ হাজার ১৬ জন। সহিংসতায় প্রাণ হারিয়েছে ৪৭৮ জন শিশু।
ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর ৫৬টি হামলায় ১ জন নিহত ও ২৭ জন আহত হয়েছেন। এ সময় ১৭টি মন্দির, ৬৩টি প্রতিমা ও ৬৫টি বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এছাড়া দেশের বিভিন্ন স্থানে শতাধিক মাজারে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা নথিভুক্ত করেছে এইচআরএসএস।
সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে ও নির্যাতনে গত ১৭ মাসে ৪৩ জন বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। এছাড়া মিয়ানমার সীমান্তে হামলায় ৩ জন নিহত হন। অন্যদিকে, কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনায় ও সহিংসতায় ১৬৪ জন শ্রমিক নিহত এবং ১ হাজার ৪৪৮ জন আহত হয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে এইচআরএসএস সরকারের কাছে মানবাধিকার রক্ষায় আরও জবাবদিহিমূলক ও দায়িত্বশীল পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানায়। অনুষ্ঠানে মনিরুজ্জামানসহ সংগঠনের অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

দেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের গত ১৭ মাসে দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি ছিল উদ্বেগজনক। এই সময়ে রাজনৈতিক সহিংসতায় ১৯৫ জন এবং ‘মব ভায়োলেন্স’ বা গণপিটুনির ঘটনায় ২৫৯ জন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকে রাজনৈতিক অঙ্গনে অস্থিরতা ও অভ্যন্তরীণ কোন্দল নতুন মাত্রা পেয়েছে।
বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (এইচআরএসএস) আয়োজিত ‘জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী মানবাধিকার পরিস্থিতি ও প্রাক্-নির্বাচনী সহিংসতা’ শিরোনামে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থাপিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে আসে। প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক ইজাজুল ইসলাম।
এইচআরএসএসের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ১৭ মাসে দেশে মোট ১ হাজার ৪১১টি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। সহিংসতার বড় একটি অংশজুড়ে ছিল রাজনৈতিক দলগুলোর অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও আধিপত্য বিস্তার।
সংস্থার তথ্যমতে, রাজনৈতিক সহিংসতার অর্ধেকেরও বেশি (৫০ শতাংশ) ঘটনা ঘটেছে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে। দলটির অভ্যন্তরীণ ৭০৪টি সংঘাতে ১২১ জন নিহত এবং ৭ হাজার ১৩১ জন আহত হয়েছেন। অন্যদিকে, বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে সংঘর্ষে ৩ জন এবং বিএনপি ও আওয়ামী লীগের সংঘর্ষে ২১ জন নিহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।
সংবাদ সম্মেলনে মানবাধিকারকর্মী নূর খান লিটন জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে দায়ের করা ঢালাও মামলাগুলো নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘সারা দেশে একটি অসাধু গোষ্ঠী তৈরি হয়েছে, যারা জুলাই আন্দোলনের ভিকটিম পরিবারগুলোকে সামনে রেখে নিজেদের স্বার্থে মনগড়া মামলা করছে। এসব মামলায় মূলত ব্যবসায়ী, সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তি ও ভিন্নমতের মানুষদের টার্গেট করা হচ্ছে।’
নুর খান অভিযোগ করেন, এই মামলাগুলোকে কেন্দ্র করে পরবর্তীতে ব্যাপক চাঁদাবাজি ও ‘বাণিজ্য’ চলছে। মামলার অসামঞ্জস্যতা তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, ‘এমনও দেখা গেছে, একই সময়ে দুটি ভিন্ন জায়গায় সংঘটিত ঘটনার মামলায় একই ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে, যা স্পষ্টতই হয়রানিমূলক।’
গত বছরের ১১ ডিসেম্বর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকে ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত নির্বাচনী সহিংসতার চিত্র তুলে ধরা হয় প্রতিবেদনে। এই অল্প সময়ে ১৬২টি সহিংস ঘটনায় অন্তত ৫ জন নিহত এবং ৯৭০ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দলেই নিহত হয়েছেন ৩ জন।
নির্বাচনী সহিংসতায় নিহতদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদি (ঢাকা), স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক মো. নজরুল ইসলাম (ময়মনসিংহ), মিজানুর রহমান (টাঙ্গাইল) এবং মাওলানা রেজাউল করিম (শেরপুর)।
প্রতিবেদনে ‘মব ভায়োলেন্স’ বা গণপিটুনির ঘটনাকে অন্যতম প্রধান উদ্বেগের বিষয় হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। গত ১৭ মাসে ৪১৩টি মব ভায়োলেন্সের ঘটনায় ২৫৯ জন নিহত এবং ৩১৩ জন আহত হয়েছেন। চোর সন্দেহে মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যা থেকে শুরু করে রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় পিটিয়ে হত্যার ঘটনাও ঘটেছে।
সংবাদ সম্মেলনে মানবাধিকারকর্মী নূর খান বলেন, ‘মব ভায়োলেন্স এমন পর্যায়ে গিয়েছিল যে রাষ্ট্রীয় বাহিনীগুলো এ বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে পারেনি। “মব সন্ত্রাস” করে বিভিন্ন অফিস আক্রমণ করা হয়েছে। এই সময়ে কিছু অদৃশ্য শক্তির উপস্থিতি লক্ষ করা গেছে। এর মাধ্যমে গণ-অভ্যুত্থানের যে চরিত্র, সক্রিয়তা ও আদর্শ ছিল, সেটা ম্লান হয়েছে।’
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে ও নির্যাতনে গত ১৭ মাসে ৬০ জন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া কারাগারে মৃত্যু হয়েছে ১২৭ জন আসামির, যার মধ্যে ৪৪ জন কয়েদি। সাবেক শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূনসহ কয়েকজনের মৃত্যু ঘিরে পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ তুলেছে তাঁদের পরিবার।
গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ক্ষেত্রেও চিত্রটি ছিল হতাশাজনক। গত ১৭ মাসে সাংবাদিকদের ওপর ৪২৭টি হামলার ঘটনা ঘটেছে, যাতে ৬ জন সাংবাদিক নিহত এবং ৮৩৪ জন নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হয়েছেন।
এ সময়ে প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারের কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। সাইবার নিরাপত্তা আইন ও সুরক্ষা অধ্যাদেশের আওতায় ৪১টি মামলায় ৬৯ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে, যার অধিকাংশই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টকে কেন্দ্র করে।
প্রতিবেদনের তথ্য অনুসারে, গত ১৭ মাসে ২ হাজার ৬১৭ জন নারী ও শিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এর মধ্যে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ১ হাজার ১৬ জন। সহিংসতায় প্রাণ হারিয়েছে ৪৭৮ জন শিশু।
ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর ৫৬টি হামলায় ১ জন নিহত ও ২৭ জন আহত হয়েছেন। এ সময় ১৭টি মন্দির, ৬৩টি প্রতিমা ও ৬৫টি বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এছাড়া দেশের বিভিন্ন স্থানে শতাধিক মাজারে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা নথিভুক্ত করেছে এইচআরএসএস।
সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে ও নির্যাতনে গত ১৭ মাসে ৪৩ জন বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। এছাড়া মিয়ানমার সীমান্তে হামলায় ৩ জন নিহত হন। অন্যদিকে, কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনায় ও সহিংসতায় ১৬৪ জন শ্রমিক নিহত এবং ১ হাজার ৪৪৮ জন আহত হয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে এইচআরএসএস সরকারের কাছে মানবাধিকার রক্ষায় আরও জবাবদিহিমূলক ও দায়িত্বশীল পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানায়। অনুষ্ঠানে মনিরুজ্জামানসহ সংগঠনের অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

লক্ষ্মীপুরে অবৈধভাবে বানানো ভোটের ৬টি সিলসহ আটক ব্যবসায়ী সোহেল রানা ও আরেকজনের নামে সদর মডেল থানায় মামলা করেছে পুলিশ। পরে ওই মামলায় তাঁদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তবে অন্য আসামির নাম প্রকাশ করা হয়নি। এর আগে সিলকাণ্ডে গতকাল মঙ্গলবার রাতে পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন করেছে বিএনপি ও জামায়াত।
৩ ঘণ্টা আগে
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে জননিরাপত্তা ও জনকল্যাণকে প্রাধান্য দিয়ে দায়িত্ব পালনের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। তিনি জানিয়েছেন, নিরপেক্ষতার প্রশ্নে কোনো আপস করা হবে না।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের সঠিক তথ্য নিশ্চিত করতে ন্যাশনাল হেল্পলাইন ৩৩৩-তে বিশেষ সেবা চালু করা হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নির্যাতিত শিশু মোহনার (১১) চিকিৎসার খোঁজখবর নিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বেসামরিক বিমান পরিবহন উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।
৪ ঘণ্টা আগে